ঢাকা ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রাসুল (সা.)-এর পিঠে কেমন ছিল মোহরে নবুওয়াত? টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে এক পরিবর্তন বাজেটের আগে স্বর্ণের দামে বড় পতন বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষাই হবে প্রধান চালিকাশক্তি: শিক্ষামন্ত্রী টিভিতে আজকের খেলা মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা হরমুজ প্রণালী দিয়ে গোপনে ১০ কোটি ব্যারেল তেল পার করা: ট্রাম্প শেরপুরে মেসির প্রতিকৃতি আর আর্জেন্টিনার রঙে সেজেছে বাস চট্টগ্রামে ট্রেন দুর্ঘটনায় ভাইয়ের মৃত্যুর খবর শুনে ছোট ভাইয়ের মৃত্যু ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে আরও ২১ শিশু ভর্তি যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, জবাবে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করল ইরান ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সামার ২০২৬ শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত এনআইএলএস এআইইউবি চ্যাপ্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে নামবেন হাতিয়ার লক্ষাধিক জেলে প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে এলো অত্যাধুনিক ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম ২৮ ঘণ্টা পর মেঘনায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার ইতালির স্বপ্নে লিবিয়ায় নিখোঁজ টাঙ্গাইলের শহিদুল চট্টগ্রামে পিডিবি প্রকৌশলী লাঞ্ছিত সর্বত্র রাজস্ব জাল বিছানো হয়েছে খেলোয়াড়ের চেয়ে কম বয়সী কোচ নিয়ে বিশ্বকাপ চ্যালেঞ্জ জার্মানির ফেনীতে গ্যাসবোঝাই ট্রাক-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষ, নিহত ২ চট্টগ্রামে ৪ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু নড়াইলে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল স্বাস্থ্যকর্মীর পুলিশি অভিযানে পণ্ড আ.লীগ নেতা-কর্মীদের খিচুড়ি পার্টি, আটক ২ স্বপ্ন, উন্মাদনা আর বিশ্বজয়ের লড়াই, বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ ৯ লাখ লোকের স্বপ্নের  ‘বামনী ক্লোজার’ এখন দৃশ্যমান মেহেরপুরে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে স্কুলছাত্রের মৃত্যু দেশের পোশাক খাতের নগদ প্রণোদনার ওপর উৎসে কর ৫ শতাংশ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ওয়ানডে আজ ভৈরবে প্রায় ৬ লাখ টাকার ইয়াবাসহ দুই দম্পতি আটক
Nagad desktop

ডাক বিভাগকে ১৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা রেভিনিউ দিল নগদ

প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬, ০২:২৪ পিএম
ডাক বিভাগকে ১৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা রেভিনিউ দিল নগদ
ছবি: সংগৃহীত

রেভিনিউ ভাগাভাগির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ডাক বিভাগকে ১৩ কোটি ৮২ লাখ ৩০ হাজার ৪৭০ টাকা দিয়েছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় মোবাইল আর্থিক সেবাপ্রতিষ্ঠান নগদ।

২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত সময়ে নগদের রেভিনিউ থেকে ডাক বিভাগকে এই অংশ দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ডাক ভবনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলামের কাছে এই চেক হস্তান্তর করেন নগদের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার আফজাল আহমেদ।

এ সময় নগদের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মো. সামসুল ইসলাম এবং নগদ লিমিটেড ও ডাক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডাক বিভাগের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, ব্যবসা পরিচালনার জন্যে প্রযুক্তিসহ প্রয়োজনীয় সকল বিনিয়োগই করবেন নগদ লিমিটেড। সেবা পরিচালনার ক্ষেত্রে ডাক বিভাগের কোনো আর্থিক বিনিয়োগও থাকবে না। তবে সেবা থেকে রেভিনিউ-এর ৫১ শতাংশ পাবে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ। নগদ লিমিটেড পাবে বাকি ৪৯ শতাংশ রেভিনিউ।

এর আগে সেবা শুরুর পর থেকে বিভিন্ন সময়ে ডাক বিভাগকে মোট ১৪ কোটি ৬০ লাখ ৯৪ হাজার ৬৬০ টাকা রেভিনিউর অংশ দিয়েছে নগদ লিমিডেট। এর মধ্যে ২০২৪ সালের মে মাসে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ৫ কোটি ৫১ লাখ ৩৭ হাজার ৫৫৮ টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়। 

তারও আগে ২০২২ সালে ৪ কোটি ৫০ লাখ ৪৬ হাজার ৬৪৭ টাকা এবং ২০২০ সালে ১ কোটি ১২ লাখ টাকা ডাক বিভাগকে দেয় নগদ লিমিটেড।

মঙ্গলবার চেক হস্তান্তরের পর নগদের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী আসাদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, নগদ এই খাতের বাজারে যথেষ্ট প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে যা ক্যাশলেস লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রাহককে আরও উৎসাহ দিচ্ছে। এর ফলে এই খাতে বাংলাদেশের প্রভূত উন্নতি ঘটছে।

তিনি আরও বলেন, নগদ ডাক বিভাগেরই সেবা। ডাক বিভাগ এবং নগদের সবাই মিলে আমরা নগদকে আরও এগিয়ে নেব। ডাক বিভাগ থেকে আমরা যেমন নগদকে ওউন করি, একইভাবে সরকারও নগদকে ওউন করে। এখন হয়তো নগদ থেকে বছরে ১৩-১৪ কোটি টাকা পাওয়া যাচ্ছে। আশা করি সেই সময় বেশি দূরে নয়, যখন এখান থেকে বছরে সরকার ১০০ কোটি টাকার রাজস্ব পাবে।

নগদের প্রসাশক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের সাধারণ মানুষকে আর্থিকভাবে অন্তর্ভুুক্ত করার ক্ষেত্রে নগদের অবদান অসামান্য। নতুন নতুন উদ্ভাবনের পাশাপাশি বাজাওে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি কওে গ্রাহক স্বার্থ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নগদের অবদান সবচেয়ে বেশী। সেই সঙ্গে প্রতি বছর সরকারের রাজস্ব আয়েও নগদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

২০১৯ সালের মার্চে যাত্রার পর থেকেই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে নগদ। পিছিয়ে পড়া মানুষকে আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে যুক্ত করার মাধ্যমে দেশের ডিজিটাল আর্থিক খাতে বিপ্লব ঘটিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটির দৈনিক গড় লেনদেন প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা।

উদ্ভাবনী সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সর্বনিম্ন ক্যাশ আউট চার্জসহ অত্যাধুনিক সব সেবা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে আর্থিক খাতে অভুতপূর্ব পরিবর্তন ঘটিয়েছে নগদ। সরকারের ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ বিতরণের শুরু থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়া প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা উপবৃত্তি বিতরণ; প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের অনুদান বিতরণ, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বিভিন্ন সহায়তা ও ভাতার টাকা স্বচ্ছতার সঙ্গে উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে নগদ। ভবিষ্যতে কৃষক কার্ড, ইমাম-মোয়াজ্জিনদের ভাতা বিতরণ এবং সরকারের অন্যান্য যে সব ভাতা ও অনুদান বিতরণ হবে সেখানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে নগদ।

বিজ্ঞপ্তি/

মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:৪৫ এএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ১০:৪৬ এএম
মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা
জাকিয়া সুলতানা। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

আন্তর্জাতিক পেমেন্ট নেটওয়ার্ক বা পেমেন্ট গেটওয়ে সিস্টেম মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জাকিয়া সুলতানা।

বুধবার (১০ জুন) প্রতিষ্ঠানটির পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নিয়োগটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সৈয়দ মোহাম্মদ কামালের স্থলাভিষিক্ত হয়ে মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করছেন জাকিয়া সুলতানা। অন্যদিকে মাস্টারকার্ডে দীর্ঘ ১৩ বছরের দায়িত্ব পালন শেষে সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল চলতি বছরের শেষ দিকে অবসরে যাচ্ছেন।

গত এক দশকের বেশি সময় তিনি বাংলাদেশে মাস্টারকার্ডের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং দেশের ডিজিটাল পেমেন্টস ইকোসিস্টেমের ভিত্তি শক্তিশালী করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছেন। তার সেই অবদানের ভিত্তিতেই মাস্টারকার্ডের কার্যক্রম ও অংশীদারত্বের পরবর্তী ধাপকে এগিয়ে নিতে কাজ করবেন জাকিয়া।

২০১৫ সাল থেকে মাস্টারকার্ডের সঙ্গে কাজ করে আসছেন জাকিয়া সুলতানা। সর্বশেষ মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তার সহযোগিতায় আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং ব্যবসা সম্প্রসারণসংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে, যা দেশে মাস্টারকার্ডের কার্যক্রমের পরিধি বৃদ্ধি এবং অংশীদারত্বকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করেছে।

নতুন দায়িত্বে জাকিয়া সুলতানা বাংলাদেশে মাস্টারকার্ডের কার্যক্রম পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবেন। ডিজিটাল পেমেন্টসের ব্যবহার আরও বিস্তৃত করা, গ্রাহক ও ইকোসিস্টেম অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সংযুক্ত পেমেন্টস পরিবেশ গড়ে তোলা হবে তার অগ্রাধিকার। তিনি বাংলাদেশ, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কার দায়িত্বপ্রাপ্ত গ্রুপ কান্ট্রি ম্যানেজার সান্দুন হাপুগোদাকে রিপোর্ট করবেন।

মাস্টারকার্ডের সাউথ এশিয়া ডিভিশন প্রেসিডেন্ট গৌতম আগারওয়াল বলেন, ‘দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তর এবং উদ্ভাবনী পেমেন্ট সল্যুশনের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে বাংলাদেশ মাস্টারকার্ডের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং উচ্চ সম্ভাবনাময় একটি বাজার। গত এক দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে মাস্টারকার্ডের শক্ত ভিত্তি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সৈয়দ মোহাম্মদ কামালের নেতৃত্ব ও অবদানের জন্য আমরা তার প্রতি কৃতজ্ঞ। জাকিয়া সুলতানার নিয়োগ উচ্চ সম্ভাবনাময় বাজারগুলোয় স্থানীয় নেতৃত্বকে আরও ক্ষমতায়নের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। বাংলাদেশের বাজার সম্পর্কে তার গভীর জ্ঞান এবং শক্তিশালী ইকোসিস্টেম-ভিত্তিক সম্পর্ক আমাদের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে এবং দেশজুড়ে অংশীদারত্ব আরো গভীর করতে সহায়ক হবে।’

মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা বলেন, ‘বাংলাদেশ যখন দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তরের পথে এগিয়ে যাচ্ছে, এমন একটি সময়ে এ দায়িত্ব নিতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। আমাদের গ্রাহক, অংশীদার এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে একযোগে কাজ করে আমরা নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদ্ভাবনী পেমেন্ট সমাধান প্রদান অব্যাহত রাখব, যা দেশের ব্যক্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং কমিউনিটির জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।’

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, টেলিযোগাযোগ, আর্থিক সেবা এবং বৃহৎ পরিসরের রূপান্তরমূলক কর্মসূচিতে জাকিয়া সুলতানার ২৬ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি থ্রিজি ও ফোরজি নেটওয়ার্ক চালু করা, দ্রুত বর্ধনশীল কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বৃহৎ পরিসরে ব্যবসায়িক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলা ও পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগে নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিভিন্ন খাতে তার অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের বিকাশমান পেমেন্টস ইকোসিস্টেমে আরও গভীর সহযোগিতা ও সমন্বয় গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জাকিয়া সুলতানা কর্মজীবন শুরু করেন গ্রামীণফোনে প্রজেক্ট অ্যান্ড চেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট বিভাগে। পরবর্তীতে প্রায় এক দশক এয়ারটেলে হেড অব অপারেশনাল এক্সেলেন্স (পিএমও ও কিউএ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি বাংলালিংকের ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেন এবং এয়ারটেল ও বাংলালিংক উভয় প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব ও বোর্ড-পর্যায়ের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়া তিনি এইচএসবিসিসহ শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গেও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন।

অন্তরা/

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সামার ২০২৬ শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:০৮ এএম
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে সামার ২০২৬ শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি সামার ২০২৬ সেমিস্টারে ভর্তি হওয়া নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করেছে। এই উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (৯ জুন) ২০২৬ মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কমনওয়েলথভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংগঠন দ্য অ্যাসোসিয়েশন অব কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটিজ (এসিইউ) এর সেক্রেটারি জেনারেল ও সিইও কলিন রিওর্ডান সিবিই। তিনি চার দিনের সরকারি সফরে বাংলাদেশে এসেছেন।

নবীন বরণ অনুষ্ঠানের আগে কলিন রিওর্ডান ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও এএসিইউ আয়োজিত বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক একটি আলোচনায় অংশ নেন। তিনি এতে একটি প্রেজেন্টেশন দেন। এই আলোচনায় দেশের এএসিইউর সদস্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিনিধিরা ছাড়াও সদস্যপদ পাওয়ার বিষয়ে আগ্রহী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ২৪ জন উপাচার্যসহ বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), ব্রিটিশ কাউন্সিল এবং বাংলাদেশে ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নেন।

ওরিয়েন্টেশনে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে কলিন রিওর্ডান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের এই জীবনটা মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সুন্দর সময়গুলোর একটি। এই সময়ে শিক্ষার্থীরা জীবনের নানা দিক সম্পর্কে জানতে পারে এবং নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করে আর বিশ্ববিদ্যালয় জীবনেই গড়ে ওঠে আজীবনের বন্ধুত্ব।

তিনি আরো বলেন, আপনাদের নিজের বিচারবোধের ওপর আস্থা রাখতে হবে। মনোযোগ দিয়ে অন্যের কথা শুনতে হবে কারণ এতে নতুন কিছু শেখা যায়। তিনি সব পরিস্থিতিতে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এগুলো এমন গুণ যা মানুষ পছন্দ করে এবং আমাদের অন্যের থেকে আলাদা করে।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, পৃথিবী এখন খুব প্রতিযোগিতাপূর্ণ হয়ে গেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে মাত্র ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী সময়মতো স্নাতক শেষ করতে পারে। তিনি আরও বলেন, স্নাতক শেষ করার পর প্রথম বছরে ৪০ শতাংশ গ্র্যাজুয়েট কোথাও চাকরি পায় না।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা শুধু নিজের জন্য বাঁচি না। একা একা আমাদের পক্ষে কিছু করা সম্ভব না। সমাজের অংশ হলেই আমরা নিজের পরিচয় খুঁজে পাই। তিনি বলেন, এটাই হলো আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য। পৃথিবীর জন্য কিছু করা। সমাজের জন্য কিছু করা।

প্রফেসর আনোয়ার শিক্ষার্থীদের তাদের নিজের বাবা-মায়ের ত্যাগের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, আপনাদের এই জায়গায় পৌঁছে দিতে আপনাদের পিতামাতা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন। এখন আপনাদের ভাবতে হবে, আপনারা কীভাবে তাদের সেই ত্যাগের প্রতিদান দেবেন।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী শিক্ষার্থীদের বড় স্বপ্ন দেখতে বলেন। তিনি তাদের কৌতূহলী হতে, কঠোর পরিশ্রম করতে ও অন্যের সেবা করার মানসিকতা গড়ে তোলার পরামর্শ দেন। তিনি শিক্ষার্থীদের নিজের সক্ষমতাকে কখনো ছোট করে না দেখার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে চারজন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন অর্জনের পুরস্কার হিসেবে সম্মাননা দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেন প্রফেসর কলিন রিওর্ডান, প্রফেসর আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী, ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম এবং রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড।

সম্মাননা পাওয়া ঋষিন তালুকদার ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী। গত এপ্রিলে নটরডেম কলেজে আয়োজিত একটি দাবা প্রতিযোগিতায় তিনি চ্যাম্পিয়ন হন।

ফারহাত মাইশা আরপা আইন বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি উপকূলীয় বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর অধিকার নিয়ে একটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন।

জিয়া মোহাম্মদ সায়েফ উল্লাহ ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি একটি গ্রামীণ পানি বিশুদ্ধকরণ ব্যবস্থা উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দেন। নেদারল্যান্ডস সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পটি একটি ইনকিউবেশন প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার-আপ হয়।

সম্মাননা পাওয়া আরেক শিক্ষার্থী সমর্পিতা সাহা ছোঁয়া। তিনি মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি গুরুতর শারীরিক প্রতিবন্ধী নারীদের জন্য পুনঃব্যবহারযোগ্য স্যানিটারি প্যাড উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দেন। এই উদ্যোগটি একটি প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার-আপ হয়।

অনুষ্ঠানে অডিওভিজ্যুয়ালের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সামনে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ইতিহাস ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের শিক্ষাদর্শন তুলে ধরা হয়। রেসিডেন্সিয়াল সেমিস্টার, বিভিন্ন ক্লাব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কেও শিক্ষার্থীদের জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্কুল অব জেনারেল এডুকেশনের ডিন প্রফেসর সামিয়া হক এবং প্রক্টর ড. রুবানা আহমেদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন স্টুডেন্ট লাইফের এডিশনাল ডিরেক্টর ও হেড তাহসিনা রহমান। কালচারাল ক্লাবের সদস্যরা অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠানের শেষে গান পরিবেশন করে ব্যান্ড সহজিয়া।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক বিজনেস স্কুলের ডিন প্রফেসর মোহাম্মদ মুজিবুল হক, অফিস অব কমিউনিকেশন্সের ডিরেক্টর খায়রুল বাশার, ইংলিশ অ্যান্ড হিউম্যানিটিজ বিভাগের চেয়ারপারসন প্রফেসর ফিরদৌস আজিম, ডিপার্টমেন্ট অফ ম্যাথমেটিকস অ্যান্ড ফিজিকাল সায়েন্সেস এর চেয়ারপারসন ফিরোজ হাসানুল হক, ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারপারসন শারমিন্দ নীলোৎপল, বায়োটেকনোলজি বিভাগের চেয়ারপারসন ইফতেখার বিন নাসের, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চেয়ারপারসন নাদিয়া সুলতানা দীন, ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেসের ডিরেক্টর প্রফেসর শায়লা সুলতানাসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ।

আমান/

এনআইএলএস এআইইউবি চ্যাপ্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:০৫ এএম
এনআইএলএস এআইইউবি চ্যাপ্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (এআইইউবি)-এ নেটওয়ার্ক ফর ইন্টারন্যাশনাল ল স্টুডেন্টস (এনআইএলএস) চ্যাপ্টারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে আন্তর্জাতিক এই আইন শিক্ষার্থী সংগঠনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো।

বুধবার (৩ জুন) এআইইউবি ক্যাম্পাসে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচালিত এনআইএলএস চ্যাপ্টারের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর ‘ফ্রম লিগ্যাল রিসার্চ টু পাবলিকেশন : এ প্র্যাকটিক্যাল ওয়ার্কশপ অন অ্যাকাডেমিক রাইটিং অ্যান্ড জার্নাল পাবলিকেশন’ শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আইন গবেষণা, অ্যাকাডেমিক লেখালেখি এবং জার্নালে প্রকাশনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এআইইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও চেয়ারম্যান নাদিয়া আনোয়ার।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. সাইফুল ইসলাম, ড. তাজুল ইসলাম, ড. তাসলিমা মনসুর, ড. মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম খান, ড. এস. এ. এম. মনজুর এইচ. খান এবং আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. রোবায়েত ফারদৌস সাঈদ। এ ছাড়া আইন বিভাগের শিক্ষকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্য দেন আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও এনআইএলএস এআইইউবি চ্যাপ্টারের উপদেষ্টা রোস্তমা বেগম চৌধুরী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইন বিভাগের প্রভাষক ও চ্যাপ্টারের উপদেষ্টা মো. মুহতাসিম ফায়াজ।

পরে অধ্যাপক ড. রোবায়েত ফারদৌস সাঈদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা গবেষণাধর্মী লেখা প্রস্তুত, জার্নাল নির্বাচন এবং প্রকাশনার কৌশল সম্পর্কে ব্যবহারিক ধারণা লাভ করেন।

আয়োজকরা জানান, নেটওয়ার্ক ফর ইন্টারন্যাশনাল ল স্টুডেন্টস (এনআইএলএস) একটি স্বাধীন, অলাভজনক ও অরাজনৈতিক আন্তর্জাতিক সংগঠন, যা বিশ্বব্যাপী আইন শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত। এআইইউবিতে এর কার্যক্রম শুরু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এবং পেশাগত বিকাশের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অন্তরা/

প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে এলো অত্যাধুনিক ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৯:৫৮ এএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ১০:১০ এএম
প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে এলো অত্যাধুনিক ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

পুঁজিবাজারে লেনদেনকে আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে অত্যাধুনিক ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম “অর্ডার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ওএমএস)” এবং মোবাইল অ্যাপ “পিট্রেড” চালু করেছে প্রিমিয়ার ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড, যা দি প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান।

ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ১২তম তলায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্ল্যাটফর্ম ও অ্যাপটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ব্যাংকের চেয়ারম্যান ডা. আরিফুর রহমান; প্রিমিয়ার ব্যাংকের ইন্ডিপেন্ডেন্ট ডিরেক্টর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম. নুরুল আলম, এফসিএস; প্রিমিয়ার ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনজুর মফিজ; এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রউফসহ সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

এছাড়াও প্রযুক্তি সহযোগী প্রতিষ্ঠান কোয়ান্ট ফিনটেক লিমিটেডের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বর্তমান পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের জন্য দ্রুত, নির্ভরযোগ্য এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘পিট্রেড’ সেই চাহিদা পূরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

নতুন এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক ও স্বতন্ত্র ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা রিয়েল-টাইম অর্ডার ট্র্যাকিং, দ্রুত অর্ডার সম্পাদন, ত্রুটি হ্রাস, উন্নত ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ এবং নির্ভুল প্রতিবেদন সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ পুঁজিবাজারে প্রযুক্তিনির্ভর সেবা সম্প্রসারণের পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আমান/

সরকারি ভাতা বিতরণে নগদের প্রতি আস্থা অব্যাহত

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৭:৫৩ পিএম
সরকারি ভাতা বিতরণে নগদের প্রতি আস্থা অব্যাহত
নগদের লোগো।

চলতি বছরের ১ মে থেকে এখন পর্যন্ত সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১ কোটি ৫৯ লাখ ভাতাভোগীর কাছে প্রায় ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা সফলভাবে বিতরণ করেছে নগদ। 

সরকারের বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ভাতা ও ফ্যামিলি কার্ডসহ অন্যান্য ভাতা বিতরণে মোবাইল আর্থিক সেবা নগদের প্রতি ভাতাভোগীদের আস্থা আরও দৃঢ় হয়েছে।

এ সময়ে সবচেয়ে বেশি ভাতাভোগী সরকারি সহায়তা পেয়েছেন সামাজিক নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক (এসএসএন) কর্মসূচির চতুর্থ কিস্তির আওতায়। এ কর্মসূচির মাধ্যমে ৭৮ লাখ ৫১ বেশি উপকারভোগীর কাছে দেড় হাজার কোটি কোটি টাকার বেশি বিতরণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচির (পিইএসপি) আওতায় প্রায় ৬৯ লাখ শিক্ষার্থীর কাছে ৫৭৯ কোটির বেশি টাকা পৌঁছে দিয়েছে নগদ।

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় নগদের মাধ্যমে প্রায় ১২ লাখ ভাতাভোগীর কাছে পৌঁছে গেছে প্রায় সাড়ে ৯৭ কোটি টাকার সরকারি ভাতা।

এ সময় সবচেয়ে বেশি ভাতাভোগী সরকারি সহায়তা পেয়েছেন সামাজিক নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক (এসএসএন) কর্মসূচির চতুর্থ কিস্তির আওতায়। 

এ ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচি (পিইএসপি), ডিডিএম-এর অধীন ইজিপিপি প্লাস/বিসিআরএসআর প্রকল্প এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা 
সহায়তা ট্রাস্ট (পিএমইএটি)-এর অর্থও নগদের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে। এসব খাতে ২০ হাজারের বেশি উপকারভোগীর কাছে ১৩ কোটির টাকারও বেশি সরকারি ভাতা সফলভাবে পৌঁছে দিয়েছে দেশের অন্যতম মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেবা নগদ।

এ ছাড়া চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) নগদের মাধ্যমে বিতরণ হওয়া সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে উপকারভোগীর সংখ্যা এবং টাকার পরিমাণ ছিল সবচেয়ে বেশি। এই প্রান্তিকে সামাজিক নিরাপত্তা ভাতার মোট উপকারভোগী ছিল ১ কোটি ৩১ লাখের বেশি। তারা নগদ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে প্রায় ২ হাজার ৯০০ টাকার সরকারি ভাতা পেয়েছেন। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় টাকার এই অঙ্ক ৩০০ কোটি বেশি।

এ বিষয়ে নগদের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মো. সামসুল ইসলাম বলেন, "সরকারি ভাতা, উপবৃত্তি ও বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচির অর্থ বিতরণে নগদ ধারাবাহিকভাবে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। বিপুল সংখ্যক সুবিধাভোগী নগদকে তাদের পছন্দের মাধ্যম হিসেবে বেছে নেওয়ায় আমরা কৃতজ্ঞ। প্রযুক্তিনির্ভর সেবা, সহজলভ্যতা এবং দেশের সবচেয়ে বিস্তৃত ডিজিটাল আর্থিক নেটওয়ার্কের কারণে সরকারি অর্থ দ্রুত ও নিরাপদে উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।”

সরকারি সহায়তা বিতরণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, দ্রুততা এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে নগদ শুরু থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও সহজে ক্যাশ আউটের সুবিধা এবং বিনা খরচের কারণে সরকারি ভাতা ও উপবৃত্তি গ্রহণে সুবিধাভোগীদের অন্যতম পছন্দের মাধ্যম হয়ে উঠেছে নগদ।