ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
৫ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় আহত ২ বাংলাদেশি শহরেই বেশি হামের প্রকোপ মিরসরাইয়ে ১৫ দিনের ব্যবধানে হামের উপসর্গে যমজ শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি করে ভাঙারিতে বিক্রি, গ্রেপ্তার ২ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক কারবারের অভিযোগে হাত-চোখ বেঁধে যুবককে নির্যাতন ঝিনাইদহে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু বিশ্ব পরিবেশ দিবস: গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ দিল্লিতে দগ্ধ ৮ বাংলাদেশির ৩ জনের অবস্থা গুরুতর রংপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে মারধরের অভিযোগে ওসি ক্লোজড চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ভাবনা দুপক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র নান্দাইল, ১৪৪ ধারা জারি খলিলুর রহমান কীভাবে সামলাবেন দুই দায়িত্ব গাছ থেকে পড়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা ৬ নবজাতকের মৃত্যু: আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শোকজ ঘুরতে গিয়ে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকার স্ক্র্যাপ জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: নজরুল ইসলাম প্রতিবন্ধী শিশুদের সম্পদে রূপান্তরের আহ্বান চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে: জি এম কাদের যে বিশ্বাস মানুষের জীবনে এনে দেয় অভাবনীয় ৬টি পরিবর্তন? জনমুখী শাসনব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চায় জাতীয় সংসদ: স্পিকার চামড়া নৈরাজ্য অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত ৫ জুন পপ গুরু আজম খানের মৃত্যুবার্ষিকী গাজীপুরে বাসচাপায় অটোচালকসহ নিহত ২ আছিয়া থেকে রামিসা: বিচার কোথায়? প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
Nagad desktop

বৈশাখ উদযাপনে বাংলাদেশের বাজারে এল অনারের নতুন স্মার্টফোন ‘এক্স৮ডি’

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩১ এএম
বৈশাখ উদযাপনে বাংলাদেশের বাজারে এল অনারের নতুন স্মার্টফোন ‘এক্স৮ডি’
অনারের নতুন স্মার্টফোন ‘এক্স৮ডি’। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বাংলা ও বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দেশের বাজারে নিজেদের নতুন স্মার্টফোন এক্স৮ডি উন্মোচন করেছে বৈশ্বিক এআই ডিভাইস ইকোসিস্টেম প্রতিষ্ঠান অনার বাংলাদেশ। ব্যবহারকারীদের ডিজিটাল অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে তৈরি এ ডিভাইসটি পহেলা বৈশাখ থেকেই দেশজুড়ে অনারের সব ব্র্যান্ডশপে পাওয়া যাবে।

মাত্র ৭.৫ মিলিমিটারের আল্ট্রা-স্লিম ডিজাইন এবং ১৮৮ গ্রাম ওজনের এই ফোনটিতে রয়েছে চমৎকার মেটালিক টেক্সচার এবং অত্যন্ত পাতলা বেজেল। আকর্ষণীয় এ ফোনটিতে রয়েছে বিশাল ৭০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ক্ষমতার ব্যাটারি-যা তরুণদের ‘ফাস্ট-পেসড’ লাইফস্টাইলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সারাদিন নির্ভরযোগ্য পাওয়ার ব্যাকআপ দিতে সক্ষম। ১,০০০+ চার্জ সাইকেলের সক্ষমতা থাকায় ব্যাটারিটি প্রায় ছয় বছর পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন ব্যবহারের নিশ্চয়তা দেয়। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সময় বাঁচাতে এতে রয়েছে ৪৫ ওয়াটের অনার সুপারচার্জ সুবিধা।

এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখন ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে আরও সহজ ও উন্নত করছে। ব্যবহারকারীরা যাতে এ প্রযুক্তির সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে পারেন, সে কথা মাথায় রেখে এক্স৮ডি-তে যুক্ত করা হয়েছে অনারের আপগ্রেডেড ‘এআই বাটন’। এই বাটনের মাধ্যমে সহজেই বিভিন্ন স্মার্ট ফাংশন ব্যবহার করা যায়।

ফটোগ্রাফি অভিজ্ঞতায় নতুন মাত্রা যোগ করতে ডিভাইসটিতে রয়েছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের এআই প্রাইমারি ক্যামেরা, যা দিনের উজ্জ্বল আলো থেকে শুরু করে রাতের স্বল্প আলোতেও স্পষ্ট ও নিখুঁত ছবি ধারণে সক্ষম। ফোকাস ধরে রাখতে রয়েছে ৩এক্স লসলেস জুম। এ ছাড়া এআই ইরেজার, আপস্কেলিং, রিফ্লেকশন রিমুভাল ও আউটপেইন্টিংয়ের মতো আধুনিক এআই ক্যামেরা ফিচার যুক্ত রয়েছে।

চমৎকার ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতার জন্য ফোনটিতে রয়েছে ৩০০০ নিটস ব্রাইটনেসের আল্ট্রা-ক্লিয়ার অ্যামোলেড স্ক্রিন এবং ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট। দ্রুত ও স্থিতিশীল পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে এতে ব্যবহার করা হয়েছে কোয়ালকমের সর্বশেষ স্ন্যাপড্রাগন ৬এস ৪জি জেন ২ প্রসেসর।

উন্নত স্টোরেজ ও পারফরম্যান্সের জন্য রয়েছে ২৫৬ জিবি স্টোরেজ এবং ১৬ জিবি (৮জিবি+৮জিবি) র‍্যাম। দীর্ঘস্থায়ী ব্যবহারের কথা মাথায় রেখে এসজিএস সার্টিফায়েড এই ফোনে যুক্ত করা হয়েছে আইপি৬৫ ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স ও ২ মিটার ড্রপ প্রোটেকশন, ফলে নিশ্চিন্তে ব্যবহার করা যাবে ডিভাইসটি।

বাঙালির সর্বজনীন উৎসব পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ডিভাইসটি উন্মোচন করা প্রসঙ্গে অনার বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার ল্যাং গুও বলেন, “পহেলা বৈশাখ বাংলাদেশের সবার জন্যই অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎসব। অনার এক্স৮ডি বাজারে আনার মাধ্যমে এই উৎসবের অংশ হতে পেরে আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। আমরা চাই আমাদের ব্যবহারকারীরা সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে এই উৎসবের রঙিন মুহূর্তগুলোকে খুব সহজেই ক্যামেরাবন্দী করুক এবং তাদের নতুন বছর শুরু হোক আনন্দমুখর পরিবেশে।”

মাত্র ৩৮,৯৯৯ টাকা মূল্যের অনার এক্স৮ডি স্মার্টফোনটি বর্তমানে বাজারে তিনটি রঙে পাওয়া যাচ্ছে: লাইট ব্লু, ভেলভেট গ্রে এবং ভেলভেট ব্ল্যাক।

বিজ্ঞপ্তি/নাঈম

ওয়ালটন হাই-টেকের সঙ্গে ডিজি-টেক একীভূতকরণে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম
ওয়ালটন হাই-টেকের সঙ্গে ডিজি-টেক একীভূতকরণে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন হাই- টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সঙ্গে দেশের শীর্ষ প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের একীভূতকরণ প্রক্রিয়াকে অনুমোদন দিলো শেয়ারহোল্ডারগণ।

এর মধ্য দিয়ে প্রযুক্তিপণ্য খাতের শীর্ষ এই দুই প্রতিষ্ঠানের একীভূতকরণ প্রক্রিয়া কার্যকর করার লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। এই একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন গ্রহণের লক্ষ্যে বুধবার (৩ জুন, ২০২৬) ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজন করে।

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলমের সভাপতিত্বে ইজিএমে ডিজি-টেক একীভূতকরণ প্রস্তাবনাকে সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন প্রদান করেন ওয়ালটন হাই-টেকের শেয়ারহোল্ডারগণ।

সভায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দেন ওয়ালটন হাই-টেকের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম, উদ্যোক্তা পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী ও এস এম রেজাউল আলম, পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল আলম অভী, তাহমিনা আফরোজ, রাইসা সিগমা হিমা এবং সাবিহা জারিন অরনা, স্বতন্ত্র পরিচালক ড. সাদিকুল ইসলাম, পিএইচডি, এফসিএমএ ও জোহরা বিবি।

এছাড়াও ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মো. জিয়াউল আলম, এফসিএ, এসিএ (আইসিএইডবিউ), কোম্পানির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রাতিষ্ঠানিক এবং সাধারণ শেয়ারহোল্ডার ইজিএমে অংশ নেন।

সভা সঞ্চালনা করেন ওয়ালটন হাই-টেকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং কোম্পানি সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, এফসিএস।

সভায় অংশগ্রহণকারী শেয়ারহোল্ডারদের নিকট ডিজি-টেক একীভূতকরণ প্রস্তাবনার প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য এবং সুবিধাসমূহ তুলে ধরে ওয়ালটন হাই-টেকের চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম বলেন, বাংলাদেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক পুঁজিবাজারের একটি কমপ্লায়েন্সনির্ভর, মৌলভিত্তিসম্পন্ন এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠান।

অন্যদিকে ওয়ালটন ডিজি-টেক ল্যাপটপ, কম্পিউটার, প্রিন্টার, মোবাইল ফোন, প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড (পিসিবি), ইলেকট্রিক বাইকসহ অসংখ্য আইসিটি পণ্য, এক্সেসরিজ এবং প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।

তিনি জানান, ডিজি-টেক একীভূতকরণের ফলে ওয়ালটন হাই-টেকের প্রোডাক্ট লাইন আরও শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি কোম্পানির বাজার সম্প্রসারণ, কার্যক্ষমতাৎ বৃদ্ধি এবং পরিচালন ব্যয় হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যার সুফল পাবেন ওয়ালটন হাই-টেকের শেয়ারহোল্ডারগণ।

ইজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশ্যে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, ওয়ালটন ডিজি-টেককে ওয়ালটন হাই-টেকের সঙ্গে একীভূত করার এই প্রস্তাবটি মূলত একটি সমৃদ্ধ আগামীর স্বপ্ন।

এই সিদ্ধান্ত ওয়ালটনের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক কার্যক্রমকে আরও একধাপ এগিয়ে নেবে। এই একীভূতকরণ শুধু দুটি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় নয়; এটি আমাদের প্রযুক্তি, মানবসম্পদ, গবেষণা-উন্নয়ন সক্ষমতা এবং বাজার সম্প্রসারণ কৌশলকে একটি অভিন্ন শক্তিতে রূপান্তর ঘটাবে।

এর ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ হবে দ্রুততর, সম্পদের ব্যবহার হবে আরও দক্ষ এবং শেয়ারহোল্ডারদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে অধিক মূল্য সৃষ্টি হবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু বাংলাদেশের বাজারে নেতৃত্ব দেওয়া নয়; বরং বিশ্ববাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত প্রযুক্তিপণ্যের একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটনকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া।

আমরা বিশ্বাস করি, এই একীভূতকরণ সেই অগ্রযাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করবে। ইজিএমে অংশগ্রহণকারী শেয়ারহোল্ডারগণ ওয়ালটন ডিজি-টেক একীভূতকরণ প্রস্তাবনাকে সাধুবাদ জানান। ওয়ালটন হাই-টেকের প্রোডাক্ট লাইন আরও শক্তিশালী করা, হাই-টেকের ব্যবসায়িক পরিধি বৃদ্ধি এবং বাজার সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি, সম্পদের দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং পরিচালন ব্যয় হ্রাসের লক্ষ্যে ওয়ালটন ডিজি-টেক একীভূতকরণের উদ্যোগকে অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী, বিচক্ষণ ও সময়োপযোগি এক ব্যবসায়িক কৌশল হিসেবে অভিহিত করেন শেয়ারহোল্ডারগণ।

এমন উদ্যোগের জন্য ওয়ালটন হাই-টেক এবং ডিজি-টেকের পরিচালনা পর্ষদকে আন্তরিক অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ জানান তারা। ইজিএমে জানানো হয়, ওয়ালটন ডিজি-টেক একীভূতকরণের ক্ষেত্রে কোম্পানিটির ৩৮.৪৫ শেয়ারের বিপরীতে ওয়ালটন হাই-টেকের ১টি শেয়ার ইস্যু করা হবে। সেই হিসাবে ওয়ালটন ডিজি-টেকের ৩ কোটি শেয়ারের বিপরীতে ওয়ালটন হাই-টেকের মোট ৭ লাখ ৮০ হাজার ২৩৪টি শেয়ার ইস্যু করা হবে।

আমান/

বাজেট নিয়ে উদীয়মান ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠকে অর্থমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১০:৩৪ এএম
বাজেট নিয়ে উদীয়মান ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠকে অর্থমন্ত্রী
ঢাকা ফোরাম ইনিশিয়েটিভ (ডিএফআই) প্রি-বাজেট রাউন্ডটেবিল ২০২৬

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার, বিনিয়োগ পরিবেশ এবং ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির দিকনির্দেশনা নিয়ে উদীয়মান ব্যবসায়ী নেতা, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী এবং নীতিনির্ধারকদের অংশগ্রহণে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা ফোরাম ইনিশিয়েটিভ (ডিএফআই) প্রি-বাজেট রাউন্ডটেবিল ২০২৬।

বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় ঢাকার হোটেল সারিনায় অনুষ্ঠিত এই বিশেষ গোলটেবিল বৈঠকটি জাতীয় বাজেট ২০২৬–২৭ বাস্তবায়নের প্রাক্কালে দেশের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী এবং নতুন প্রজন্মের ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও সরাসরি সংলাপের সুযোগ সৃষ্টি করে।

জাতীয় বাজেট ২০২৬–২৭ বাস্তবায়নের প্রাক্কালে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ গোলটেবিল বৈঠকটি দেশের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারক এবং নতুন প্রজন্মের ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে সরাসরি মতবিনিময়ের একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। 

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল দেশের বহু দ্বিতীয় প্রজন্মের উদ্যোক্তা ও তরুণ ব্যবসায়ী নেতার অংশগ্রহণ, যারা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি নিয়ে তাদের ভাবনা, উদ্বেগ ও প্রত্যাশা সরাসরি তুলে ধরার সুযোগ পান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও বিএনপির পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু, যিনি অতীতে দলের অর্থনৈতিক নীতিমালা ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রণয়ন-সংক্রান্ত কার্যক্রমের সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন।

আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা ফোরাম ইনিশিয়েটিভের প্রধান কৌশলবিদ আশফাক জামান। 

তিনি নীতিনির্ধারক এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি নির্মাণে ভূমিকা রাখা নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের মধ্যে আরও শক্তিশালী সম্পৃক্ততা ও পারস্পরিক আস্থা গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

গোলটেবিল আলোচনায় বেসরকারি খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ ও নিয়ন্ত্রক সংস্কার, ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নয়ন, পুঁজিবাজারের বিকাশ, সৃজনশীল অর্থনীতি, সবুজ অর্থনীতি এবং নীল অর্থনীতির সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

অংশগ্রহণকারীরা ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল নিয়েও মতবিনিময় করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি অংশগ্রহণমূলক ও অংশীদারিত্বভিত্তিক শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক এবং বেসরকারি খাত দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। তিনি উদ্ভাবন, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এবং সর্বস্তরের অর্থনৈতিক অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করতে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, ব্যবসাবান্ধব ও সুযোগভিত্তিক অর্থনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো ডিরেগুলেশন বা অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক জটিলতা হ্রাস করে ব্যবসা পরিচালনাকে সহজতর করা, যাতে বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি ও উদ্যোক্তা বিকাশ আরও ত্বরান্বিত হয়। পাশাপাশি তিনি নারী উদ্যোক্তাদের বৃহত্তর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং সমাজের সব স্তরে অর্থনৈতিক সুযোগের গণতন্ত্রীকরণের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনার এক পর্যায়ে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক রূপকল্পে কয়েকটি অপ্রচলিত কিন্তু সম্ভাবনাময় খাতের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে ফ্রুগাল ইনোভেশন, সৃজনশীল অর্থনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার- যেগুলোকে তিনি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী নেতারা নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগকে স্বাগত জানান এবং বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন, নিয়ন্ত্রক জটিলতা হ্রাস, বাজেট-সংক্রান্ত সুপারিশ, উদ্যোক্তা বিকাশ এবং উদীয়মান ব্যবসার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা জোরদারের বিষয়ে বিভিন্ন বাস্তবধর্মী মতামত তুলে ধরেন।

ঢাকা ফোরাম ইনিশিয়েটিভের প্রতিনিধিরা বলেন, একটি টেকসই, প্রতিযোগিতামূলক ও ভবিষ্যতমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে অর্থবহ সংলাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই রাউন্ডটেবিলে উত্থাপিত মতামত ও সুপারিশসমূহ দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত বৃহত্তর নীতিগত আলোচনায় ইতিবাচক অবদান রাখবে।

অনুষ্ঠানটি একটি নেটওয়ার্কিং ডিনারের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা পারস্পরিক সহযোগিতা, নতুন অংশীদারত্ব এবং ভবিষ্যৎ উদ্যোগ নিয়ে আরও বিস্তৃত মতবিনিময় করেন।

অমিয়/

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ডিজিটাল সম্প্রচার স্বত্ব পেল বাংলালিংক ও টফি

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৫:২৯ পিএম
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ডিজিটাল সম্প্রচার স্বত্ব পেল বাংলালিংক ও টফি
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ওটিটি সম্প্রচার স্বত্ব পেয়েছে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক

আসন্ন ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ওটিটি সম্প্রচার স্বত্ব পেয়েছে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। এর ফলে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরের সবগুলো অর্থাৎ ১০৪টি ম্যাচই টফিতে উপভোগ করতে পারবেন দেশের ফুটবলপ্রেমীরা।

কাতারে অনুষ্ঠিত ২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের ম্যাচ টফিতে দেখেছিলেন ১ কোটি ৫০ লাখের বেশি দর্শক। সেই অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় এবার স্মার্টফোন, ল্যাপটপ ও স্মার্ট টিভিতে বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করবে টফি।

ম্যাচগুলো দেখতে টফি অ্যাপ ও মাইবিএল সুপার অ্যাপের বিভিন্ন সাবস্ক্রিপশন প্যাকেজ বেছে নিতে পারবেন দর্শকেরা। বাংলালিংকের গ্রাহকেরা নির্দিষ্ট ৩০ দিনের ইন্টারনেট প্যাকের মাধ্যমেও টফিতে বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি অন্য মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকেরা সরাসরি টফির মাধ্যমে সাবস্ক্রিপশন নিতে পারবেন। এ ছাড়া বাংলালিংকের দেশব্যাপী রিটেইল ও রিচার্জ নেটওয়ার্কেও পাওয়া যাবে এসব সাবস্ক্রিপশন প্যাকেজ।

তবে টফির আয়োজন শুধু খেলা সম্প্রচারেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। বিশ্বকাপের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে ফুটবল অনুরাগীদের জন্য দেশজুড়ে আয়োজন করা হবে পাবলিক স্ক্রিনিংসহ বিভিন্ন দর্শক-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম। এতে ফুটবলপ্রেমীরা একসঙ্গে খেলা উপভোগ, প্রিয় দলকে সমর্থন এবং বিশ্বকাপের উন্মাদনা ভাগাভাগি করার সুযোগ পাবেন।

এ ছাড়া দর্শকদের বিশ্বকাপ–অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে টফিতে প্রচার করা হবে দৈনিক বিশ্বকাপ রিভিউ অনুষ্ঠান। এতে ফুটবল বিশ্লেষক, তারকা ও বিভিন্ন অঙ্গনের পরিচিত ব্যক্তিরা বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, আলোচিত ঘটনা এবং ম্যাচের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করবেন।

বড় পরিসরের যেকোন ইভেন্ট লাইভ চলাকালীন সময়ে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক দর্শককে সেবা দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে টফির স্ট্রিমিং অবকাঠামো। ফলে পুরো বিশ্বকাপজুড়ে দর্শকেরা নির্ভরযোগ্য ও নির্বিঘ্ন সম্প্রচার উপভোগ করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তি/

আশুলিয়ায় ইউসিবির ২৩৬তম শাখার উদ্বোধন

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম
আশুলিয়ায় ইউসিবির ২৩৬তম শাখার উদ্বোধন
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির (ইউসিবি) ২৩৬তম শাখার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

দেশব্যাপী আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণের ধারাবাহিকতায় ঢাকার আশুলিয়ায় ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির (ইউসিবি) ২৩৬তম শাখার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। 

স্থানীয় গ্রাহক, উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের আরও সহজ, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য ব্যাংকিং সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যেই নতুন এই শাখা চালু করা হয়েছে।
 
বুধবার (৩ জুন) আশুলিয়া বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত আতিক ব্যাপারী ম্যানশনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শাখাটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করা হয়। 

অনুষ্ঠানে ইউসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদ এ. সোবহানী এবং ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. সোলায়মান আহমেদ।

ইউসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ বলেন, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক অঞ্চল আশুলিয়ায় ইউসিবির নতুন শাখা চালু করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এ অঞ্চলের উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী মানুষ এবং সাধারণ গ্রাহকদের আর্থিক চাহিদা পূরণে আমরা আধুনিক ও গ্রাহককেন্দ্রিক ব্যাংকিং সেবা নিয়ে এসেছি।

দেশব্যাপী ইউসিবির সেবা সম্প্রসারণ সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে এবং দেশের প্রতিটি অঞ্চলের মানুষের কাছে আধুনিক ব্যাংকিং সুবিধা পৌঁছে দিতে ইউসিবি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে শাখা, উপশাখা ও এজেন্ট ব্যাংকিং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আমরা দেশব্যাপী সেবা প্রদান করছি। আশুলিয়ার নতুন এই শাখা স্থানীয় গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকিং সেবাকে আরও সহজলভ্য ও সুবিধাজনক করে তুলবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বিশিষ্টজনেরা তাদের এলাকায় ইউসিবির শাখা স্থাপিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

বিজ্ঞপ্তি/

যমুনা ব্যাংকের ২৫ বছর পূর্তি

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
যমুনা ব্যাংকের ২৫ বছর পূর্তি
যমুনা ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

‘আস্থা, সেবা ও অগ্রগতি’- এই শ্লোগানকে সামনে রেখে  আধুনিক, উদ্ভাবনী ও গ্রাহকবান্ধব ব্যাংকিং সেবার  অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে ২৫ বছর পূর্ণ করলো যমুনা ব্যাংক পিএলসি।

গৌরবময় পথচলার ২৫ বছর পূর্তি  উপলক্ষে যমুনা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়সহ দেশব্যাপী সকল শাখা ও উপশাখায় অনাড়ম্বর আয়োজনে দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। 

প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যমুনা ব্যাংক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ নূর মোহাম্মদ, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যবৃন্দ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মির্জা ইলিয়াস উদ্দীন আহম্মদসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা স্বশরীরে ও ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন। 

এ সময় ব্যাংক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলহাজ নূর মোহাম্মদ ব্যাংকের সব গ্রাহক, পৃষ্ঠপোষক ও শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানান।

বিজ্ঞপ্তি/