ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় আহত ২ বাংলাদেশি শহরেই বেশি হামের প্রকোপ মিরসরাইয়ে ১৫ দিনের ব্যবধানে হামের উপসর্গে যমজ শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি করে ভাঙারিতে বিক্রি, গ্রেপ্তার ২ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক কারবারের অভিযোগে হাত-চোখ বেঁধে যুবককে নির্যাতন ঝিনাইদহে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু বিশ্ব পরিবেশ দিবস: গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ দিল্লিতে দগ্ধ ৮ বাংলাদেশির ৩ জনের অবস্থা গুরুতর রংপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে মারধরের অভিযোগে ওসি ক্লোজড চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ভাবনা দুপক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র নান্দাইল, ১৪৪ ধারা জারি খলিলুর রহমান কীভাবে সামলাবেন দুই দায়িত্ব গাছ থেকে পড়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা ৬ নবজাতকের মৃত্যু: আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শোকজ ঘুরতে গিয়ে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকার স্ক্র্যাপ জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: নজরুল ইসলাম প্রতিবন্ধী শিশুদের সম্পদে রূপান্তরের আহ্বান চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে: জি এম কাদের যে বিশ্বাস মানুষের জীবনে এনে দেয় অভাবনীয় ৬টি পরিবর্তন? জনমুখী শাসনব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চায় জাতীয় সংসদ: স্পিকার চামড়া নৈরাজ্য অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত ৫ জুন পপ গুরু আজম খানের মৃত্যুবার্ষিকী গাজীপুরে বাসচাপায় অটোচালকসহ নিহত ২ আছিয়া থেকে রামিসা: বিচার কোথায়? প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ঈশ্বরগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় তরুণের মৃত্যু, চেয়ারম্যানসহ ৩১ জনের নামে মামলা
Nagad desktop

চামড়া নৈরাজ্য অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম
চামড়া নৈরাজ্য অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত

এ বছর যারা কোরবানি দিয়েছেন তাদের চামড়া নিয়ে বড় ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত চামড়ার ক্রেতা এবং বিভিন্ন এতিম খানার জন্য যারা চামড়া সংগ্রহ করে থাকেন তাদের জন্য অপেক্ষা করেছেন। কিন্তু না কেউ চামড়া নিতে আসেনি। এদিকে চামড়া পচে গেলে দুর্গন্ধ শুরু হবে। অবশেষে অনেককে লোক ভাড়া করে চামড়া নদীতে ফেলতে হয়েছে, কেউ কেউ আবার মাটিতে পুঁতে দিয়েছেন। রাষ্ট্রের সঠিক পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার অভাবে চামড়া খাত আজ গভীর সংকটে। পাইকাররা বছরের পর বছর লোকসানের কারণে গ্রামে চামড়া কিনতে যাননি। ট্যানারি মালিকদের বকেয়া পরিশোধে অনিয়মের প্রভাব পুরো সরবরাহ ব্যবস্থায় পড়েছে। অথচ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম খাত চামড়াশিল্প। একসময় যে চামড়া ৩-৪ হাজার টাকায় বিক্রি হতো, এখন তা ৬০০-৭০০ টাকাতেও বিক্রি করা কঠিন। ফলে মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং দেশের মূল্যবান সম্পদ নষ্ট হচ্ছে।

হাজি মো. রাসেল ভূঁইয়া
খলিফাবাড়ী, সিপাহীপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
[email protected]

আছিয়া থেকে রামিসা: বিচার কোথায়?

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৬:৩৫ পিএম
আছিয়া থেকে রামিসা: বিচার কোথায়?

বাংলাদেশে শিশু ধর্ষণ, নির্যাতন ও হত্যা এখন এক সামাজিক মহামারিতে রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন খবরের কাগজ কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভেসে আসে কোনো না কোনো শিশুর আর্তনাদ। ধর্ষণের পর হত্যা, লাশ গুমের চেষ্টা–প্রতিটি ঘটনাই সাময়িকভাবে আমাদের বিবেক নাড়া দেয়, রাজপথে মানববন্ধন হয়, প্রতিবাদে উত্তাল হয় দেশ। কিন্তু সময়ের নিয়মে একসময় সবকিছু স্তব্ধ হয়ে যায়। কেবল থামে না স্বজনদের কান্না আর বিচারহীনতার দীর্ঘ অপেক্ষা।

‎২০২৫ সালের মার্চে আট বছরের শিশু আছিয়া বোনের বাড়ি বেড়াতে গিয়ে নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়। আদালত মূল আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলেও এক বছরেও সেই রায় কার্যকর হয়নি। আইনি জটিলতা ও আপিলের দীর্ঘসূত্রতায় ন্যায়বিচার আজ বন্দি। আছিয়ার ঘটনার পর গত এক বছরে আরও ঘটেছে শত শত  নির্যাতনের ঘটনা। সম্প্রতি রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসার ধর্ষণ ও বর্বর হত্যার ঘটনা দেশকে আবারও শোকাহত করেছে। একটি শিশুর মাথা খণ্ডিত করে হত্যা–এমন নৃশংসতা কেবল কোনো অপরাধ নয়, এটি মানবতার বিরুদ্ধে ভয়াবহ আঘাত। ‎এখনই সময় এই মামলাগুলো দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি করার। তদন্তে গাফিলতি ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আছিয়া কিংবা রামিসা কেবল দুটি নাম নয়, এরা আমাদের সমাজব্যবস্থার ব্যর্থতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। রাষ্ট্রকে সর্বোচ্চ কঠোরতায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যেন আর কোনো নিষ্পাপ শিশুর জীবন এভাবে ঝরে না যায়।

‎‎নুসরাত জাহান অর্পিতা
‎গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
‎জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় 
[email protected]

সৈয়দপুরে বিশ্ববিদ্যালয় চাই

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
সৈয়দপুরে বিশ্ববিদ্যালয় চাই

নীলফামারী জেলায় অবস্থিত সৈয়দপুর এমন একটি শহর, যা জেলার নামে কখনোই পরিচিত হয়নি। এর কারণ এই সৈয়দপুরেই রয়েছে ব্রিটিশ আমলের তৈরি বিখ্যাত রেল কারখানা, রয়েছে রংপুর বিভাগের একমাত্র বিমানবন্দর, ক্যান্টনমেন্ট এবং প্রাচীন মসজিদ, মন্দির, গির্জাসহ আরও অনেক প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। নীলফামারী, দিনাজপুর, লালমনিরহাট ও রংপুরের কেন্দ্রবিন্দু হওয়া সত্ত্বেও সৈয়দপুরে উচ্চশিক্ষার সুযোগ তুলনামূলকভাবে কম। সৈয়দপুরের মতো বাণিজ্যিক এলাকায় একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বা সরকারি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় না থাকা সত্যিই হতাশাজনক। দক্ষিণবঙ্গের দিকে তাকালে দেখা যায়, প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ জেলা বা উপজেলা শহরে একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয়েছে এবং কিছু নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবনা এসেছে। কিন্তু সৈয়দপুর নিয়ে কারোরই মাথাব্যথা নেই।

উত্তরাঞ্চলের অনেক পরিবারের পক্ষে ঢাকায় বা দূরের বিভাগে সন্তানদের পাঠিয়ে পড়ানো অর্থনৈতিকভাবে কঠিন। একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এই অঞ্চলের মেধাবী কিন্তু পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের সাশ্রয়ী মূল্যে উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করবে। সৈয়দপুরে প্রচুর সরকারি খাস জমি ও অব্যবহৃত রেলভূমি রয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস তৈরির জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এ ছাড়া সৈয়দপুরের মতো বাণিজ্যিক শহরে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কারিগরি ও গবেষণাকেন্দ্রের সংযোগ স্থাপন করে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা সম্ভব যা দেশের অর্থনীতিতে আরও প্রভাব ফেলবে। সৈয়দপুরের মতো বাণিজ্যিক শহরের দিকে বিশেষভাবে নজর দিয়ে এখানে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করলে উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ হবে এবং দেশের অর্থনীতিতে সৈয়দপুর  আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবে। 

বি এম হিশাম লাজ 
আইন ও ভূমি প্রশাসন অনুষদ
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় 
[email protected] 

নির্মাণকাজে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
নির্মাণকাজে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে

আমাদের দেশের নির্মাণকাজগুলো অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। রাস্তার পাশে ভবনের নির্মাণকাজে কোনো বিশেষ নিরাপত্তাবেষ্টনী থাকে না। ফলে পথচারী, আশপাশের মানুষ ও বিভিন্ন সম্পদ ব্যাপক ক্ষতির ঝুঁকিতে থাকে। নির্মাণ শ্রমিকরাও কাজের সময় বিশেষ কোনো নিরাপত্তা মেনে চলে না। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস)-এর তথ্যমতে, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে বিভিন্ন নির্মাণকাজে ১৪ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। কর্মক্ষেত্রে তৃতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু নির্মাণ খাতে। শ্রম আইন অনুযায়ী, নির্মাণশ্রমিকের নিরাপত্তার দায়িত্ব বর্তায় নিয়োগকারীর ওপর। নিরাপত্তার অভাবজনিত কারণে শাস্তির বিধান থাকলেও আইনের যথাযথ  প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায় না। নির্মাণকাজে শুধু সচেতনতামূলক বিলবোর্ড লাগালেই চলবে না, বরং আইনের চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তায় দায়িত্বশীল দের মধ্যে বাধ্যবাধকতা তৈরি করতে হবে। এ ব্যাপারে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মো. জাহিদ হাসান
শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া 
[email protected]

ঈদুল আজহায় সামাজিক দায়বদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬, ০৬:৩১ পিএম
ঈদুল আজহায় সামাজিক দায়বদ্ধতা ও চ্যালেঞ্জ

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা আমাদের জন্য যেমন আনন্দ নিয়ে আসে, তেমনিভাবে আমাদের সবারই রয়েছে কিছু সামাজিক দায়িত্ব এবং কর্তব্য। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি বিষয় হলো পশুর চামড়ার মূল্যের সঠিক মূল্যায়ন এবং বর্জ্য সঠিক উপায়ে ব্যবস্থাপনা করা। দেখা যায়, অনেক সময় মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কারসাজি বা উপযুক্ত সংরক্ষণের অভাবে চামড়ার ন্যায্যমূল্য পাওয়া যায় না। সঠিক সময়ে লবণ না দেওয়ায় চামড়া পচে যায়। সরকার প্রতি বছর চামড়াশিল্পকে বাঁচাতে কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করে, যার মধ্যে বিনামূল্যে লবণ বিতরণ অন্যতম। তাই আমাদের উচিত সঠিক নিয়মে লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ করা এবং সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা এবং এ বিষয়ে যাবতীয় অনিয়ম প্রশাসনকে অবগত করা। পশুর বর্জ্য সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা জরুরি। পশুর বর্জ্য নিজেরা সচেতনতার সঙ্গে যত্রতত্র না ফেলে পৌরসভা বা সিটি করপোরেশন কর্তৃক নির্ধারিত জায়গায় ফেলতে হবে, অথবা বাসার সামনে বা রাস্তাঘাটের বদলে কোনো খোলা স্থানে কোরবানি করে বর্জ্য মাটিচাপা দিয়ে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দিতে হবে, এতে দুর্গন্ধ এবং জীবাণু ছড়ানোর আশঙ্কা কমে যায়। বিভিন্ন পুকুর বা নদীতে বর্জ্য ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে। পবিত্র ঈদুল আজহায় আমরা সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে ধর্মীয় এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা সুষ্ঠুভাবে পালন করি এবং সমাজ ও দেশকে পরিচ্ছন্ন, সুন্দর এবং দূষণমুক্ত রাখতে সহায়তা করি।

বি এম হিশাম লাজ 
আইন ও ভূমি প্রশাসন অনুষদ, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় 
[email protected] 

কোরবানির হাটে নিরাপত্তায় জোর দিন

প্রকাশ: ২৪ মে ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
কোরবানির হাটে নিরাপত্তায় জোর দিন

ঈদুল আজহা মানেই মুসলিমদের ত্যাগের মহিমা, ধর্মীয় আবেগ আর আনন্দের এক অনন্য আয়োজন। আর এই আয়োজনের সবচেয়ে প্রাণবন্ত অংশ হলো কোরবানির পশুর হাট। ঈদুল আজহা উপলক্ষে বর্তমানে রাজধানীসহ সারা দেশে কোরবানির পশুর হাট জমজমাট হয়ে উঠছে। দেশের প্রতিটি জেলার আনাচে-কানাচে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, দুম্বাসহ সব জায়েজ কোরবানি পশুর জোগান বাড়ছে। সেই সঙ্গে কোরবানি পশুর হাটে সব ধরনের লোকসমাগম হয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে পশু কেনাবেচা। মানুষের এই ব্যাপক সমাগমের কারণে নিরাপত্তাঝুঁকিও বেড়ে যায়। প্রতি বছরই হাটে চুরি, ছিনতাই, অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা, জাল টাকার সমাহার, চোরাচালানসহ নানা সমস্যা দেখা যায়। ফলে কোরবানি পশুর হাটকেন্দ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। হাটগুলোতে নিরাপত্তাঝুঁকি এড়াতে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োগ দেওয়া উচিত। আবার, সম্পূর্ণ হাটে নজরদারিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা দরকার এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। কোরবানির হাটে জাল টাকার ছড়াছড়ি বেশি হয়ে থাকে। তাই জাল টাকা প্রতিরোধে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের সহায়তায় হাটে বিশেষ বুথ স্থাপন করা জরুরি। মাইকিং, ব্যানার ও প্রচারণার মাধ্যমে মানুষকে সতর্ক করতে হবে যাতে তারা অপরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে কিছু না খায় এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানায়। তাই কোরবানি হাটের নিরাপত্তা জোরদার করতে সরকার ও প্রশাসনের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
‎‎
মো. শাহরিয়ার সৌরভ
‎শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]