শেরপুর সদরে বাসের চাপায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহতের ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বাসটিতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে জনতা।
রবিবার (১৫ জুন) দুপুরে শেরপুর-ঢাকা মহাসড়কের বাঁশতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মোটরসাইকেল আরোহী মজনু মিয়া (৫০) সদরের ভাতশালা ইউনিয়নের ছফর উদ্দিনের ছেলে। তিনি অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মজনু মিয়া মোটরসাইকেলযোগে শেরপুর শহর থেকে নিজ বাড়ি ভাতশালার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। এ সময় বাঁশতলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা শাম্মী ডিলাক্স নামে একটি বাস তাকে চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই মজনু মিয়া মারা যান। এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ জনতা শাম্মী ডিলাক্স বাসে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়। এতে কিছু সময় এ সড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
এদিকে, খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহতের ভাতিজা শহিদুল ইসলাম বলেন, আমার চাচা কিছুদিন আগে সেনাবাহিনী থেকে অবসর নিয়ে এসেছেন। তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। এখন এই সংসারটা কীভাবে চলবে। আমার চাচাকে অন্যায়ভাবে মেরে ফেলেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সাব অফিসার মো. আব্দুল কাদের বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের বাধা দেওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছুটা সময় লাগে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুবায়দুল আলম বলেন, পুলিশ এখনো ঘটনাস্থলে আছে। সেই সঙ্গে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। যানবাহন চলাচলে কোনো ভোগান্তি হচ্ছে না। এ ঘটনায় পরবর্তী যথাযথ আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
শাকিল/মেহেদী/