শেরপুরে টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশি নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) সকাল থেকে নদীর পানি উপচে ঢুকতে শুরু করেছে ঝিনাইগাতী বাজারসহ আশেপাশের এলাকায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শহর রক্ষা বাঁধ না থাকায় প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে পানি সামান্য বাড়লেই প্লাবিত হয় ঝিনাইগাতী সদর বাজারের সড়ক, দোকানপাট এবং নিম্নাঞ্চল। এবারও একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বাজারের বিভিন্নস্থানে পানি ঢুকে পড়ায় ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, দোকানে পানি ঢুকে যাওয়ায় মালামাল রক্ষায় হিমশিম খেতে হচ্ছে। অনেক স্থানে স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলেও দেখা দিয়েছে ভোগান্তি।
এদিকে, নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালী নদীর বাঁতকুচি পয়েন্টে পানি বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নদী তীরবর্তী এলাকায় পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ্ত চৌধুরী বলেন, আজ শেরপুর পয়েন্টে ২৪ দশমিক ৫০ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৩৫ মিলিমিটার ও নাকুগাঁও পয়েন্টে ১৮০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
এ বিষয়ে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল খবরের কাগজকে বলেন, মহারশি নদীতে স্থায়ী বাঁধের জন্য জাতীয় সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করেছি। আশা করছি, খুব দ্রুতই টেকসই বাঁধ নির্মাণ করতে পারব। যদি, বাঁধ নির্মাণ করতে পারি, তাহলে মানুষের যে দুর্ভোগ, সেটি অনেক আংশেই কমে যাবে।
শাকিল মুরাদ/আজহার.