ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু খুলনায় মসজিদে ঢুকে ২ মুসল্লিকে গুলি কু‌ড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু ঈশ্বরদীতে ব্রাজিল-মরক্কো খেলা দিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল উত্তেজনা শুরু ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ১ শিশুর ইনজুরি নিয়ে শঙ্কিত নয় মরক্কো বেনাপোল বন্দরে ন্যায্য মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের কর্মবিরতি স্থগিত এনড্রিককে নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন আনচেলত্তি আরাগচির বিরুদ্ধে তেহরানে বিক্ষোভ ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান হাতিয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ওসি প্রত্যাহার মতলবে ৬৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ, নিরাপত্তাহীনতায় লাখো মানুষ জয় দিয়ে শুরু অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান কেনেডি সেন্টার থেকে অপসারণ করা হলো ট্রাম্পের নাম ক্রিকেটার নাঈমকে হেনস্থায় প্রত্যাহার খুলশী থানার ওসি আরিফুল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি: সময় নিয়ে দ্বিমত তেহরানের ২৫ মে থেকে বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ পালনের ঘোষণা কুড়িগ্রাম সীমান্তে ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে সোহেল-স্বপ্নার আপিল আজ ইন্টারন্যাশনাল বাথ ডে রবিবার বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ চট্টগ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে মা-মেয়েকে হত্যা মুন্সীগঞ্জে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা শেষ হলো ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’ টিভিতে আজকের খেলা হাইতিকে হারিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে স্কটল্যান্ড র‌্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে ‘টেস্ট অফ ল্যাটিন’– সুস্বাদু খাবার আর ফিফা বিশ্বকাপের দারুণ এক উৎসব ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে ফের অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ
Nagad desktop

ফটিকছড়ির হালদা বাঁধ চরম ঝুঁকিতে, বন্যার আশঙ্কায় এলাকাবাসী

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৫, ০৭:০০ পিএম
ফটিকছড়ির হালদা বাঁধ চরম ঝুঁকিতে, বন্যার আশঙ্কায় এলাকাবাসী
হালদা নদীর দু’টি বাঁধ বর্তমানে চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর ৫নং ওয়ার্ডে অবস্থিত হালদা নদীর দু’টি বাঁধ বর্তমানে চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই বাঁধের ফাটল ও দেবে যাওয়া অংশ যেকোনো মুহূর্তে ভেঙে গিয়ে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিতে পারে এবং এই আশঙ্কায় দিন কাটছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। এতে প্রায় ৫০০ পরিবারের জীবন-জীবিকা, কৃষি জমি, ঘরবাড়ি ও গবাদিপশু হুমকির মুখে পড়বে বলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভূজপুর সিংহরিয়া কুম্ভারপাড় এলাকার এই বাঁধের কয়েকটি স্থানে বড় ফাটল দেখা দিয়েছে এবং কিছু অংশ দেবে গেছে। গত বছরের বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে না উঠতেই আবারও ভাঙনের আশঙ্কায় রয়েছেন ওখানকার মানুষ। স্থানীয়রা জানান, বাঁধের বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং দ্রুত সংস্কারের ওপর জোর দিয়েছেন তারা।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ভিডিপি সদস্য জয়নাল আবেদিন উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, গত বছর মেরামত হলেও হালদার বাঁধের বিভিন্ন অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছে। তারপরও ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী চলাচল করছে, যেকোনো সময় ভেঙে সব তলিয়ে যায়। প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

কৃষক জামাল উদ্দিন তার গত বছরের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে বলেন, ‘গত বছর বন্যার ক্ষত এখনো শুকায়নি। সামান্য বৃষ্টিতেই নদীর পানি বাড়ে আর বাঁধের ফাটলগুলো দেখে বুক ধড়ফড় করে। গত বছর আমার ঘর ও পুরো ফসলি জমি তলিয়ে গিয়েছিল, আবার যদি এমন হয়, আমাদের পথে বসতে হবে।

সোমবার (১৪ জুলাই) ভূজপুর সিংহরিয়া কুম্ভারপাড় এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ হালদা বাঁধ পরিদর্শনে গিয়ে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহির আজম চৌধুরী বাঁধের নাজুক অবস্থা প্রত্যক্ষ করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন, আমরা দেখেছি বাঁধটি খুবই নাজুক অবস্থায় আছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে বর্ষার পানিতে এটি ভেঙে যেতে পারে। আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

তিনি আরও যোগ করেন, বাঁধটি দ্রুত মেরামত বা শক্তিশালী করার ব্যবস্থা না নিলে ভূজপুরবাসী বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবে, তাই সরকারের উচিত এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ড চট্টগ্রামের উপ-সহকারী প্রকৌশলী সোহাগ জানান, আমরা হালদার বাঁধের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে অবগত আছি। ভূজপুরের ক্ষতিগ্রস্ত দুই পয়েন্টে জিও ব্যাগ দিয়ে মেরামত করা হবে এবং স্থায়ী সমাধানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বাজেট চেয়ে আবেদন করা হবে। আশা করছি দ্রুতই কাজ শুরু করা যাবে।

অন্যদিকে, ভূজপুর ইউপি চেয়ারম্যান শাহজাহান চৌধুরী বলেন, আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছি। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হচ্ছে এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা প্রস্তুত আছি।

তবে স্থানীয়রা দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান দেখতে চান, যাতে প্রতি বছর বর্ষা এলেই তাদের মধ্যে বন্যার আতঙ্ক সৃষ্টি না হয় এবং এলাকার মানুষের জীবন ও সম্পদ সুরক্ষিত থাকে।

নাজমুল তারেক/মাহফুজ

সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০১:২১ পিএম
সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সিলেটে হাম আক্রান্ত হয়ে ও হাম উপসর্গ নিয়ে ৬৯টি শিশুর মৃত্যু হলো। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ৪টি শিশু। 

রবিবার (১৪ জুন) বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের জমির উদ্দিনের ৫ মাস ১৫দিন বয়সি ছেলে জাওয়াত মারা যায়।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে নতুন করে কারও শরীরে হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি। সেই সঙ্গে সন্দেহজনক রোগী হিসেবে নতুন ভর্তি হয়েছেন ৬৩ জন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৬ জুন পর্যন্ত মোট ৩১৮ জনের পরীক্ষাগারে হামের সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জে ২৪টি , মৌলভীবাজারে ১৬টি, সুনামগঞ্জে ১৭৪টি এবং সিলেট জেলায় ১০৪টি ।

বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মোট ২৫৯ জন সন্দেহজনক রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ১১০টি শিশু ভর্তি আছেন শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে, ৭৮টি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও ৫৩টি সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শাকিলা ববি/অন্তরা

কু‌ড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০১:০৩ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০১:০৮ পিএম
কু‌ড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে কাঁঠাল পাড়ার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কয়সার আলী (৬০) নামের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার (১৪ জুন) সকাল ১০টার দিকে ধরণীবাড়ী ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

কয়সার আলী হাতিয়া ইউনিয়নের চিড়াখাওয়ারপাড় গ্রামের তমিজউদ্দিনের ছেলে। 

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুস সামাদ সরকার খবরের কাগজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৌসুমি ব্যবসায়ী কয়সার আলী রবিবার সকালে মধুপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের বাড়িতে কাঁঠাল সংগ্রহ করতে যান। কাঁঠাল পাড়ার সময় অসাবধানতাবশত হাতে থাকা কাস্তে বিদ্যুতের তার স্পর্শ করলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গাছ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এলেও ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।

উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাঈদ ইবনে সিদ্দিক খবরের কাগজকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

সিরাজ/থিও

ঈশ্বরদীতে ব্রাজিল-মরক্কো খেলা দিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল উত্তেজনা শুরু

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
ঈশ্বরদীতে ব্রাজিল-মরক্কো খেলা দিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল উত্তেজনা শুরু
শহরের পিয়ারপুর মোড়ে প্রজেক্টরে খেলা দেখার আয়োজন করে ব্রাজিল সমর্থকরা। ছবি : খবরের কাগজ।

ব্রাজিল বনাম মরক্কোর খেলার মধ্য দিয়ে পাবনার ঈশ্বরদীতে বিশ্বকাপ ফুটবল উত্তেজনা শুরু হয়েছে।

বিশ্বকাপ ফুটবলের সি গ্রুপের এ খেলাটি দেখার জন্য ঈশ্বরদীর ব্রাজিল সমর্থকরা নানান উদ্যোগ গ্রহণ করে। উদ্যোগের মধ্যে ছিল পতাকা টাঙানো, খিচুড়ি খাওয়ার আয়োজন, বড় প্রজেক্টর স্থাপন ইত্যাদি। 

রবিবার (১৪ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে এ খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। 

ভোর ৫টার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের পিয়ারপুর এলাকায় ওয়াজের মোড়ে ব্রাজিল সমর্থকরা বড় প্রজেক্টরে খেলা দেখছেন। ২৫-৩০ জনের মধ্যে দু-এক জন ছাড়া সকলেই ব্রাজিল সমর্থক।

ব্রাজিল সমর্থক রাইয়ত মহন বলেন, প্রতিবছর বিশ্বকাপ ফুটবল আসরে একজন সমর্থক হিসেবে আনন্দ করেই ব্রাজিলের খেলা উপভোগ করি। বিশ্বকাপ ফুটবল আসরে এবারও সবাই মিলে খাওয়া দাওয়ার আয়োজন এবং খেলা দেখার জন্য বড় প্রজেক্টরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

মরক্কোর সমর্থক মশিউর রহমান মাসুম বলেন, এবার বিশ্বকাপ ফুটবল খেলায় চ্যাম্পিয়ন হবে মরক্কো। 

ব্রাজিল-মরক্কো ১-১ গোলে ড্র করে প্রথম ম্যাচ শেষ করেছে। খেলার প্রথমার্ধের ২১ মিনিটে মরক্কোর ইসমাইল সাইবারি গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। তবে ৩২ মিনিটের মাথায় ব্রাজিলের ব্রুনো গিমায়েরেসের গোলে খেলা ১-১ সমতায় শেষ হয়। 

এদিকে বিশ্বকাপ ফুটবলের আরেক জনপ্রিয় দল আর্জেন্টিনার খেলাকে কেন্দ্র করে দলটির সমর্থকরাও নানান প্রস্তুতি শুরু করেছে। তাদের পক্ষ থেকেও খাবারের আয়োজনসহ বড় প্রজেক্টরে খেলা দেখার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গেছে। 

জাহাঙ্গীর হোসেন/অন্তরা/

ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ১ শিশুর

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০১:০৫ পিএম
ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ১ শিশুর
ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম আক্রান্ত শিশুর চিকিৎসা চলছে/ ছবি: খবরের কাগজ

হাম উপসর্গ নিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে আরও ১টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে সেখানে ৫১টি শিশুর মৃত্যু হলো। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৫টি শিশু ভর্তি হয়েছে।

গত ৪ জুন রাত ১২টায় ময়মনসিংহের ধোবাউড়া থেকে আড়াই বছরের শিশু ছেলেকে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে নিয়ে এসে ভর্তি করা হয়। শিশুটি হাম উপসর্গের পাশাপাশি সেপটিসেমিয়াসহ (রক্তে গুরুতর সংক্রমণ) সেপটিক শকে ভুগছিল।

শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।

রবিবার (১৪ জুন) সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম মেডিকেল দলের ফোকালপারসন সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহা. গোলাম মাওলা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গত ১৭ মার্চ থেকে ১৪ জুন সকাল পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২ হাজার ৮৭টি শিশু ভর্তি হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮টি শিশু সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। এ নিয়ে হাসপাতাল থেকে মোট ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ৯৪০টি শিশু। 

বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে মোট ৯৬টি শিশু। শিশুদের জীবন বাঁচাতে চিকিৎসকেরা দিনরাত সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

কামরুজ্জামান/আমান

বেনাপোল বন্দরে ন্যায্য মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের কর্মবিরতি স্থগিত

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম
বেনাপোল বন্দরে ন্যায্য মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের কর্মবিরতি স্থগিত
ছবি: খবরের কাগজ

যশোরের বেনাপোল বন্দরে ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে ডাকা কর্মবিরতি স্থগিত করেছে পণ্য লোড-আনলোড কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা। 

রবিবার (১৪ জুন) সকাল ৯টার দিকে স্থলবন্দরের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থানের পর তাদের কর্মসূচি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেন।

পরে শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বন্দর কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের দাবিগুলো এক মাসের মধ্যে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।

সরকারের বাজেট প্রণয়নের চলমান সময় বিবেচনায় নিয়ে এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলহাজ অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সার্বিক তত্ত্বাবধানে শ্রমিকরা তাদের কর্মসূচি এক মাসের জন্য স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেন।

আন্দোলনরত শ্রমিকদের অভিযোগ, ২০১২ সালে বেনাপোল পোর্ট কর্তৃপক্ষ আমদানিকারকদের কাছ থেকে প্রতি টন পণ্য হ্যান্ডলিং বাবদ ৩৩ টাকা আদায় করলেও শ্রমিকরা পেতেন মাত্র ১৮ টাকা। বর্তমানে ২০২৬ সালে সেই হ্যান্ডলিং চার্জ বেড়ে ৭৮ টাকায় উন্নীত হলেও শ্রমিকদের মজুরি এখনো ১৮ টাকাতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।

শ্রমিকদের দাবি, প্রতি টন পণ্য হ্যান্ডলিংয়ে ম্যানুয়াল শ্রমিকদের মজুরি ৩৫ টাকা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ৩০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।

বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সহিদ আলী বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের দাবি বাস্তবায়ন না হলে এক মাস পর পুনরায় অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের কাজকর্ম বন্ধ রেখে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, শ্রমিকদের দাবি যথাযথভাবে বিবেচনা করা হবে এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জরুল ইসলাম/খাদিজা রুমি/