ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
আরআইবিএর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস ‘লাভ তো দূরের কথা বাড়ি থেকে টাকা দিতে হচ্ছে’ বাজেটের রাজস্ব আদায় বড় চ্যালেঞ্জ: এফবিসিসিআই ভারতের নতুন সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ নতুন ভোরের অপেক্ষায় জার্মানি ১৪ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১৪ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল সুইজারল্যান্ডে জনসংখ্যা ১ কোটিতে সীমিত করতে গণভোট যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির সবশেষ পরিস্থিতি রাজশাহীতে বৈরী আবহাওয়ায় লিচুর সর্বনাশ সেলিনা হোসেনের জন্মদিন আজ ময়মনসিংহে হামে উৎকণ্ঠা আর জীবন বাঁচানোর লড়াই ১৯৯৮ সালের পর বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের প্রথম গোল জন ম্যাকগিনের অজিদের আজ ধবলধোলাই করার লগন হাতি বনাম লা ত্রির লড়াই বিশ্বাসের সমুদ্রে ফন ডাইকের তরি ১৪ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি সমতায় বিশ্বকাপ মিশন শুরু ব্রাজিলের স্বপ্নের জাদুকর মুসিয়ালা পথপ্রদর্শক বাকুনা ভিনিসিয়ুসের গোলে সমতায় ফিরল ব্রাজিল পরাশক্তি জার্মানির সামনে পুঁচকে কুরাসাও ডার্কহর্স জাপান, সতর্ক নেদারল্যান্ডস ব্রাজিলের শুরুর একাদশে চমক অতিরিক্ত সময়ের গোলে সুইসদের রুখে দিয়ে কাতারের বাজিমাত ৯২ বছর ধরে বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে হারেনি ব্রাজিল নেইমারকে ছাড়াই নামছে ব্রাজিল, ভাঙছে ৪০ বছরের ঐতিহ্য পেনাল্টিতে এমবোলোর গোল, এগিয়ে সুইজারল্যান্ড ফিটনেস প্রশ্নে রোনালদো, ‘আমাকে খেলতে দেখেননি?’ ‘জাপানি মেসি’র সঙ্গী উয়েদা
Nagad desktop

‘বর্তমানে ডেঙ্গু বছরব্যাপী স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে’

প্রকাশ: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:২২ পিএম
আপডেট: ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম
‘বর্তমানে ডেঙ্গু বছরব্যাপী স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে’
এমএসএফের প্রতিনিধিবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখছেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ছবি: খবরের কাগজ

বর্তমানে ডেঙ্গু আর মৌসুমি রোগ নয়; বরং এটি সারা বছরব্যাপী একটি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক মানবিক চিকিৎসা সংস্থা মেডিসেন স্যান্স ফ্রন্টিয়েরস (এমএসএফ) এর প্রতিনিধিরা।  

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) কার্যালয়ে এমএসএফ– এর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

এসময় এমএসএফের প্রকল্প সমন্বয়কারী দিনালি ডি জয়সা, মেডিকেল টিম লিডার ফ্রান্সিসকো রাউল সালভাদোর, কীটতত্ত্ববিদ বাউডেউইন ভেইফহাউজেন, হেড অব মিশন সহায়তা কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন, মেডিকেল লিয়াজোঁ কর্মকর্তা ফাতেমা ফেরদৌসী, প্রকল্প সমন্বয় সহায়তা কর্মকর্তা সৈয়দ রাশেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

অপরদিকে সভায় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা উপস্থিত ছিলেন। 

এমএসএফ প্রতিনিধিরা সভায় জানান, ২০১৯ সালে মূলত আগস্ট মাসে ডেঙ্গু সংক্রমণের প্রবণতা বেশি ছিল। ২০২১ ও ২০২২ সালে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ২০২৩ সালে তা আবার আশঙ্কাজনক রূপ নেয়। বর্তমানে ডেঙ্গু আর মৌসুমি রোগ নয়; বরং এটি সারা বছরব্যাপী একটি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। মাসভিত্তিক ডাটা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এখন আর কোনো মাসেই সংক্রমণের সংখ্যা শূন্যে নামছে না। বিশেষ করে ২০২৩ সালের ডাটা পূর্বের সব পূর্বাভাস অতিক্রম করেছে।

তারা আরও জানান, ২০২৪ সালের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ঢাকায় ডেঙ্গুর সংক্রমণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ডেঙ্গু শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে প্রতিরোধ কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে কেস সংখ্যা, ভর্তি রোগীর সংখ্যা ও কেস ফ্যাটালিটি রেট বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সংক্রমণ বাড়লেও উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার কারণে মৃত্যুহার আগের তুলনায় কমেছে—যা একটি ইতিবাচক অগ্রগতি।

এমএসএফ প্রতিনিধিরা বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলা একটি সম্মিলিত যুদ্ধ। সরকার, সিটি কর্পোরেশন, স্বাস্থ্য বিভাগ, সিভিল সার্জন অফিসসহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়।

এসময় চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, মশাবাহিত রোগ বিশেষ করে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণে কেবল সাময়িক ব্যবস্থা নয়, বরং গবেষণাভিত্তিক, আধুনিক ও টেকসই সমাধান গ্রহণ করা জরুরি। বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আধুনিক যন্ত্রপাতি, কার্যকর ওষুধ এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটাতে পারলে মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ হবে।

মেয়র বলেন, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া বিষয়ে চসিক ইতোমধ্যে বিভিন্ন গবেষণার ফলাফল জনসম্মুখে উপস্থাপন করেছে এবং গণসচেতনতা তৈরিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। তবে রোগের প্রকৃতি পরিবর্তনশীল হওয়ায় সর্বশেষ মেডিকেল সল্যুশন, আধুনিক স্প্রে যন্ত্রপাতি ও টেকনিক্যাল গাইডলাইনের প্রয়োজন রয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সহযোগিতায় এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে নগরবাসীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আরও ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে।

তারেক মাহমুদ/এসএন

ময়মনসিংহে হামে উৎকণ্ঠা আর জীবন বাঁচানোর লড়াই

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:২৮ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৩৯ এএম
ময়মনসিংহে হামে উৎকণ্ঠা আর জীবন বাঁচানোর লড়াই
ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের বেডে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে এক শিশু। ছবিটি সম্প্রতি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ড থেকে তোলা/ খবরের কাগজ

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে এখন কেবলই উৎকণ্ঠা আর জীবন বাঁচানোর লড়াই। গত তিন মাসে দুই হাজারেরও বেশি শিশু আক্রান্ত ও ৪৯ জনের মৃত্যু পরিস্থিতির ভয়াবহতা ফুটিয়ে তুলেছে। শয্যাসংকটে মেঝেতে ঠাঁই হওয়া অসুস্থ শিশুদের কষ্ট আর স্বজনদের নিরন্তর অপেক্ষা যেন এক নীরব স্বাস্থ্যসংকটের প্রতিচ্ছবি। আইসিইউহীন এই লড়াইয়ে চিকিৎসকদের নিরলস চেষ্টা সত্ত্বেও বাড়ছে উদ্বেগ।
গত মার্চের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হওয়া হামের সংক্রমণ উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। প্রতিদিন নতুন নতুন শিশু ভর্তি হওয়ায় হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে বাড়ছে চাপ।

সরেজমিন ঘুরে ওয়ার্ডের প্রতিটি কোণেই অসহায়ত্বের দৃশ্য চোখে পড়ে। অনেক শিশুর শরীরে লালচে ফুসকুড়ি, কারও উচ্চ জ্বর, পাশাপাশি ভুগছে নিউমোনিয়ায়, কারও আবার তীব্র শ্বাসকষ্ট। নির্ধারিত শয্যাসংকটের কারণে অনেককে মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। সন্তানের মাথার পাশে বসে থাকা মায়েদের চোখে ঘুম নেই, বাবাদের মুখে দুশ্চিন্তার ছাপ স্পষ্ট।

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলা থেকে আসা সাবিনা ইয়াসমিন মুক্তা জানান, সম্প্রতি তার আট মাস বয়সের শিশু মেয়ে রাইসা তাবাসসুমের শরীরে ফুসকুড়ি দেখা দেওয়ার পর স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেওয়া হয়েছিল। সাময়িকভাবে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়। তবে পরে আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আনা হয়। এখন সাবিনা ইয়াসমিন শুধু অপেক্ষা করছেন সন্তানের সুস্থতার সংবাদ শোনার জন্য।

একই ধরনের উদ্বেগে দিন কাটছে ময়মনসিংহ সদর এলাকার বহু পরিবারের। কেউ হামের পাশাপাশি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত, কেউ আবার হৃদরোগজনিত জটিলতায় ভুগছে। অনেক ক্ষেত্রে একই পরিবারের একাধিক শিশু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এতে শুধু স্বাস্থ্যঝুঁকিই নয়, পরিবারগুলোকে পড়তে হচ্ছে চরম মানসিক ও আর্থিক সংকটে।

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার দাপুনিয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল করিম। তার তিন শিশু ও দুই আপন ভাতিজা হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি আছে।
আব্দুল করিম বলেন, ‘আমার ১৩ বছরের মেয়ে সাদিয়া আক্তার, দুই বছরের ছেলে রাফসান ও ৪ মাস বয়সের আরেক মেয়ে সাইফা আক্তার হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি আছে। এ ছাড়া আমার ৫ বছর বয়সের ভাতিজা জুবায়েদ ও ৩ মাস বয়সের আরেক ভাতিজা আয়ানকে ভর্তি করা হয়েছে। সবাই হামের উপসর্গের পাশাপাশি শাসকষ্ট, জ্বর, কাশি ও পাতলা পায়খানায় ভুগছে। শিশুদের নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় আছি।’

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্র বলছে, গত ১৭ মার্চ থেকে ১২ জুন সকাল পর্যন্ত (প্রায় তিন মাস) হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২ হাজার ৪৩ শিশু ভর্তি হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৪৯ শিশুর মৃত্যু পরিস্থিতির ভয়াবহতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

চিকিৎসকরা জানান, হাম অত্যন্ত সংক্রামক একটি ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে টিকাপ্রাপ্ত ও টিকাবিহীন–দুই শ্রেণির শিশু রয়েছে। তবে অপুষ্টি, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম থাকা ও দেরিতে হাসপাতালে আনার কারণে অনেক ক্ষেত্রে জটিলতা মারাত্মক আকার ধারণ করছে। সংক্রমণ মোকাবিলায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রথমে একটি বিশেষ হাম কর্নার চালু করে। পরে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় পৃথক আইসোলেশন ওয়ার্ড খোলা হয়। বর্তমানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত তিনটি মেডিকেল টিম সার্বক্ষণিক চিকিৎসাসেবা দিচ্ছে।

তবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে শিশুদের জন্য পূর্ণাঙ্গ নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) না থাকা। গুরুতর শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত শিশুদের জন্য বিকল্পব্যবস্থা হিসেবে বাবল সিপ্যাপ প্রযুক্তির মাধ্যমে অক্সিজেন সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। 

চিকিৎসকদের মতে, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও জনবল নিশ্চিত করা গেলে শিশুদের জন্য আইসিইউ চালু করা সম্ভব হবে, যা সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম মেডিকেল দলের ফোকালপারসন সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহা. গোলাম মাওলা বলেন, সময়মতো এমআর টিকা গ্রহণ, অবিভাবকদের সচেতনতা, আক্রান্ত শিশুকে আলাদা রাখা ও দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে হামের অধিকাংশ জটিলতা প্রতিরোধ করা সম্ভব। এ ছাড়া জটিল অবস্থা সৃষ্টি হওয়ার আগেই শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসতে হবে।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মোহাম্মদ মাঈন উদ্দিন খান বলেন, ‘আক্রান্ত শিশুদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। রোগীর চাপ অনেক বেশি হলেও চিকিৎসকরা সমন্বিতভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছেন।’

নাটোরে ৭০ দরিদ্র রোগীর বিনামূল্যে ছানি অপারেশন

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:৪৬ পিএম
নাটোরে ৭০ দরিদ্র রোগীর বিনামূল্যে ছানি অপারেশন
ছবি: সংগৃহীত

চোখের নানা সমস্যা স্বত্বেও টাকার অভাবে চিকিৎসা বঞ্চিত নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার ৭০ জন দরীদ্র মানুষ পেতে যাচ্ছে বিনা খরচে চোখের ছানি অপারেশনের সুযোগ।

শনিবার (১৩ জুন) দিনব্যাপী ফ্রি পরীক্ষা-নীরিক্ষা শেেষে ওই ৭০ জনকে চিহ্নিত করা হয়। 

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এক চক্ষু শিবিরে ওই কর্মসূচী পালিত হয়।

বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক ড.মোঃ জিয়াউল হক জিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,নলডাঙ্গা ডায়াবেটিক সেন্টারে গাক চক্ষু হাসপাতালে ওই চক্ষু শিবিরের আয়োজন করা হয়।

দিনব্যাপী শত শত রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয়া হয়। এর মধ্যে ৭০ জনকে ছানি অপারেশনের জন্য চিহ্নিত করা হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান,বাছাইকৃত ওই ৭০ জন ছানি  অপারেশনর যোগ্য রোগীকে বগুড়ায় গাক চক্ষু হাসপাতাল পাঠানো হবে।সেখানেই অপারেশন হবে। তবে রোগীদের  যাওয়া, আসা, অপারেশন, ঔষধ, চশমা, ও থাকা খাওয়ার কেন খরচ দিতে হবে না।

দিনব্যাপী ওই চক্ষু চিবিরে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা সভাপতি মামুনুর রশিদ মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেন,ছাত্র শিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি ও বর্তমান কেন্দ্রীয় সহকারী দপ্তর সম্পাদক আফতাব আলী, নলডাঙ্গা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের পৌরসভা সভাপতি সাইফুল ইসলাম, হাজী কল্যান সমিতির সাধারন সম্পাদক  আবুল হোসেন, নিজাম উদ্দিন ও জিয়ারুল।

কামাল মৃধা/এসএন

চাকরি মেলায় সাড়া, রাজশাহীতে ৫০ শতাংশ প্রার্থীর তাৎক্ষণিক নিয়োগ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
চাকরি মেলায় সাড়া, রাজশাহীতে ৫০ শতাংশ প্রার্থীর তাৎক্ষণিক নিয়োগ
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীতে দিনব্যাপী এক ব্যতিক্রমধর্মী চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মেলায় অংশ নেওয়া শতাধিক চাকরিপ্রত্যাশীর মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ প্রার্থী প্রাথমিক বাছাই ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরির সুযোগ পেয়েছেন।

শনিবার (১৩ জুন) সকালে নগরীর কাদিরগঞ্জ এলাকার শাহ ডাইন কনভেনশন সেন্টারে এ চাকরি মেলার আয়োজন করা হয়। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় এবং ‘রেইজ’ প্রকল্পের আওতায় ‘প্রয়াস’সহ তিনটি সামাজিক সংগঠন যৌথভাবে মেলার আয়োজন করে।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, মেলায় সরকারি ও বেসরকারি খাতের ২৭টি প্রতিষ্ঠান এবং তিন শতাধিক চাকরিপ্রত্যাশী অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর স্টলে দক্ষ জনবলের ব্যাপক চাহিদা লক্ষ্য করা যায়। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষ কর্মী, সেলসম্যান এবং কম্পিউটার অপারেটর পদে নিয়োগের জন্য বিপুলসংখ্যক আবেদন গ্রহণ করা হয়।

মেলায় চাকরিপ্রত্যাশীরা নিজেদের যোগ্যতা অনুযায়ী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সিভি জমা দেন এবং সরাসরি মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ পান। প্রার্থীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা যাচাই শেষে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আবেদনকারীকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরির জন্য নির্বাচিত করা হয়।

নিয়োগ কার্যক্রমের পাশাপাশি চাকরিপ্রত্যাশীদের জন্য সিভি হালনাগাদ, ক্যারিয়ার উন্নয়ন এবং চাকরির প্রস্তুতি বিষয়ক পরামর্শ ও সেমিনারের আয়োজন করা হয়। ফলে তরুণ চাকরিপ্রত্যাশীরা একই স্থানে চাকরি খোঁজার পাশাপাশি নিজেদের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগও পান।

আয়োজকরা জানান, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণ-তরুণীদের বিভিন্ন কর্মমুখী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত করা এবং তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করাই এ মেলার মূল উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে শতফুল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক নাজিম উদ্দীন মোল্লার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) টুকটুক তালুকদার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)-এর উপমহাব্যবস্থাপক মো. রফিকুল ইসলাম, রেইজ প্রকল্পের পিকেএসএফ উপ-প্রকল্প সমন্বয়কারী গোলাম জিলানী, প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক হাসিব হোসেন এবং শাপলা গ্রাম উন্নয়ন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মোহসিন আলীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

এনায়েত করিম/এসএন

‘ফেনীর সাংবাদিকতার ইতিহাসে উজ্জ্বল অধ্যায় ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল’

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
‘ফেনীর সাংবাদিকতার ইতিহাসে উজ্জ্বল অধ্যায় ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল’
ছবি: সংগৃহীত
ফেনীর সাংবাদিকতার অঙ্গনে দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের যে আলোকবর্তিকা জ্বালিয়ে রেখেছিলেন এনটিভি ও জনকণ্ঠের প্রবীণ সাংবাদিক ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল, তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে নাগরিক শোকসভা করেছে ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটি। তিনি এ সংগঠনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন।
 
শোকসভায় বক্তারা বলেন, ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল শুধু একজন সাংবাদিক ছিলেন না, তিনি ছিলেন ফেনীর সংবাদজগতের এক প্রতিষ্ঠান। তার মৃত্যুতে ফেনীর সাংবাদিকতায় এমন এক শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
 
শনিবার (১৩ জুন) বিকালে শহরের রাজাঝির দিঘির পশ্চিম পাড়ে ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটি প্রাঙ্গণে এ শোকসভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন। সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মুফতি আবদুল হান্নান, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, ফেনী আদালতের জিপি নুরুল আমীন খান, জেলা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক আ ন ম আবদুর রহিম।
 
বক্তারা বলেন, ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল ছিলেন ফেনীর চারণ সাংবাদিক। তিনি সংবাদকে কেবল পেশা হিসেবে নয়, মানুষের অধিকার ও জনস্বার্থ রক্ষার হাতিয়ার হিসেবে দেখতেন। তিনি চলে গেলেও তার সততা, মানবিকতা, পেশাদারিত্ব এবং সাংবাদিকতার প্রতি দায়বদ্ধতা ফেনীর সংবাদজগতে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার কর্মময় জীবন আগামী দিনের সাংবাদিকদের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
 
তারা আরও বলেন, ফেনীর সাংবাদিক সমাজে ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল ছিলেন একটি নির্ভরতার নাম। পেশাগত প্রতিযোগিতার ঊর্ধ্বে উঠে তিনি সহকর্মীদের সহযোগিতা করতেন। সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন, নতুনদের পথ দেখানো এবং সত্য প্রকাশে আপসহীন অবস্থানের জন্য তিনি সবার কাছে সম্মানিত ছিলেন। তার মৃত্যুতে শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো জেলার সংবাদমাধ্যম অঙ্গন একজন অভিভাবককে হারিয়েছে।
 
শোকসভায় স্মৃতিচারণ করে আরও বক্তব্য রাখেন ফেনী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবু তাহের ও আবদুর রহিম, ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান দারা, ফেনী সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান, ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সভাপতি আরিফুল আমিন রিজভী, শুকদেব নাথ তপন ও এনামুল হক পাটোয়ারী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক যতন মজুমদার, মরহুমের মামাতো ভাই নাসির উদ্দিন হায়দার সাইমুন, সাংস্কৃতিক সংগঠক শান্তি চৌধুরী, সহকর্মী আক্তার হোসেন, টেলিভিশন জার্নালিস্ট ক্লাবের সভাপতি আতিয়ার সজল, ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির সহসভাপতি মো. মাঈন উদ্দিন, সাংবাদিক ইউনিয়ন ফেনীর সভাপতি সিদ্দিক আল মামুন, ফেনী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মনির, ইউনিটির নির্বাহী সদস্য নুর উল্লাহ কায়সার, কোষাধ্যক্ষ শফি উল্লাহ রিপন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ নিলয়।
 
অনুষ্ঠানে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেন মরহুমের একমাত্র ছেলে রুথান মাহমুদ। 
 
শোকসভার শেষে মরহুম ওছমান হারুন মাহমুদ দুলালের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন ফেনী কোর্ট জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মীর হোসেন।
 
এসএন/

একদিনে ৫ মরদেহ উদ্ধার, বরগুনায় চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:১৪ পিএম
একদিনে ৫ মরদেহ উদ্ধার, বরগুনায় চাঞ্চল্য ও উদ্বেগ
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

বরগুনায় ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় জেলায় চরম উদ্বেগ, আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার দুপুর থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত সদর, পাথরঘাটা ও বামনা উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 

২৪ ঘন্টায় বরগুনায় আত্মহত্যা, পিটুনি, রহস্যজনক মৃত্যুর ও অস্বাভাবিক মৃত্যু থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উৎকণ্ঠার যেমন জন্ম দিয়েছে তেমনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সামাজিক বাস্তবতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। তবে পুলিশ বলছে, প্রতিটি ঘটনাই গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রকৃত কারণ উদঘাটনে কাজ চলছে। 

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া পাঁচজনের মধ্যে তিনজনের ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া গেছে, একজন নিহত হয়েছেন পিটুনিতে এবং অপর একজন অটোরিকশাচালকের মরদেহ সড়কের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে তিনজন সদর উপজেলার বাসিন্দা। আর বাকি দুজন পাথরঘাটা ও বামনা উপজেলার।

শনিবার সকালেই সদর উপজেলার আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নের লেমুয়া গ্রামে নিজ বসতঘর থেকে মোসা. কনা (৩৪) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

একই সময়ে সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের নলী এলাকায় সালেহা বেগম (৯৩) নামে এক বৃদ্ধার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এর আগে শুক্রবার সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নে একটি সহিংস ঘটনার জেরে ইব্রাহিম হোসেন কালু (২৮) নামে এক যুবক নিহত হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্যকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে ক্ষুব্ধ জনতা পাল্টা হামলা চালিয়ে কালুকে পিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আলীম বলেন, দুই নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং পিটুনিতে নিহতের ঘটনাটিও গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে পুলিশ নিজ উদ্যোগে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছে।

এদিকে পাথরঘাটা উপজেলায় মিজানুর রহমান (৪৫) নামে এক অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার ভোরে পৌরসভার পানি উন্নয়ন বোর্ডের দক্ষিণ পাশের সড়ক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত মিজানুর রহমান স্থানীয় ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। 

পরিবারের সদস্যরা জানান, শুক্রবার রাতে খাবার শেষে তিনি ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। রাত দেড়টা থেকে দুইটার মধ্যে কোনো এক সময় বাড়ি থেকে বের হয়ে যান এবং এরপর আর ফেরেননি। ভোরে স্থানীয়রা সড়কের পাশে তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।

পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনামুল হক বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্যদিকে শনিবার দুপুরে বামনা উপজেলার কলাগাছি এলাকা থেকে এহসান (১৮) নামে এক কলেজছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা জানান, ঘটনাস্থলে তার কানে হেডফোন ছিল। যা ঘটনাটিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে।

বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি জব্দ করা হয়েছে। বিস্তারিত তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মহিউদ্দিন অপু/এসএন