কুমিল্লার দাউদকান্দিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ঐতিহ্যবাহী মাইথারকান্দি খাল খনন শুরু হয়েছে। এর আগে গত ২২ জানুয়ারি দৈনিক খবরের কাগজে ‘আবর্জনা ফেলে কৌশলে খাল দখল, বর্ষায় বাড়ে ভোগান্তি’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।
এ কারণে শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে গৌরীপুর বাজার মাইথারকান্দি খালটির দখল মুক্ত করে খননের কাজ শুরু করা হয়েছে। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নির্দেশে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কুমিল্লা ও দাউদকান্দি উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার মাইথারকান্দি খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে খাল খনন শুরু হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশবিদ মতিন সৈকত বলেন, ‘মাইথারকান্দি খালটি গোমতী নদীর শাখা নদ কালাডুমুর থেকে উৎপন্ন হয়ে গৌরীপুর এলাকার পাশ দিয়ে প্রবাহিত হতো। একসময় এই মাইথারকান্দি খালের জন্য গৌরীপুর বাজারকে বাণিজ্যিককেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু কালের আবর্তনে আবর্জনা দখলের দূষণে হারিয়ে যাচ্ছিল ঐতিহ্যবাহী মাইথারকান্দি খালটি। দীর্ঘ বছর ধরে খনন না হওয়ায় এতে হাজারও মানুষকে চরম ভোগান্তি নিয়ে এই রাস্তায় চলাচল করতে হতো।’
কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আসিফ হোসেন বলেন, ‘খবরের কাগজ পত্রিকায় সংবাদ প্রচারের পর মাইথারকান্দি-পেন্নাই হয়ে তিনচিটা, ইছাপুর, কানরা, দুর্গাপুর অতিক্রম করে বারপাড়া পর্যন্ত এ খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি খালগুলো খনন ও দখল দূষণ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার ড. খন্দকার মারুফ হোসেনের নেতৃত্বে আমরা কাজ করে যাব।’
কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্রে জানা যায়, দাউদকান্দি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সব খাল দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড কুমিল্লা ও উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় খুব দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে। খালগুলো উদ্ধার করে খননসহ এলাকার সৌন্দর্যবর্ধনে কাজ করা হবে।