ঢাকা ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ঢামেক ও চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি, ৬ দফা দাবি ভোলায় মিতু হত্যাকাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক, ওসিকে তলব বিসিবির সভাপতি তামিম ইকবাল কুমিল্লায়  ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল থেকে ৪৫ জন আটক; ৫ বাস-মাইক্রো জব্দ গোয়েন্দারা কেন প্রকাশ্যে আসছেন? শিশুদের নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’ মেট্রো স্টেশনগুলোর নিচে দুরবস্থা জন্মদিনে এল লাকী আখান্দের অপ্রকাশিত গান নূরজাহান ট্র্যাজেডির সমাজতাত্ত্বিক পাঠ কিয়ামতের ময়দানে রাসুল (সা.)-এর পাশে থাকার উপায় সরকারের প্রথম ১০০ দিনে ৬০৫ খুন: টিআইবি যশোর জেলার দর্শনীয় ও ভ্রমণযোগ্য স্থান সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিসিবির পরিচালক তামিম ইকবাল রামুতে ছেলের গুলিতে বাবার মৃত্যু পঞ্চগড়ে পুকুরে ডুবে দুই মাদরাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিশ্বের এই বৃহত্তম যৌথ পরিবারে দৈনিক লাগে ৯০ কেজি চাল প্রতিশ্রুতি প্রদানে মন্ত্রী-এমপিদের দায়িত্বশীল হওয়ার পরামর্শ দিলেন স্পিকার ঝিনাইদহে তেলবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ৯ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক গানে আর ফিরবেন না রিংকু ওয়েমোর চালকহীন নতুন রোবোট্যাক্সি ‘ওজাই’ শাড়ির নিচে লুকিয়েও রক্ষা পেলেন না তৃণমূল নেতা কুষ্টিয়ায় ধর্ষককে গণধোলাই নোয়াখালীতে জেলি মিশ্রিত চিংড়ি ধ্বংস, লাখ টাকা জরিমানা টেসলার রোবোট্যাক্সি সেবায় ধীরগতি সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ এবং শত্রু-মিত্র খেলা এ যেন মাঠ ভরাট নয়, সম্প্রীতির উৎসব শেরপুরে প্রাইভেটকারে মদ, কারবারি আটক টেকনাফে সিএনজি-কাভার্ডভ্যান সংঘর্ষ, দুই এসআইসহ আহত ৪ নবাব সলিমুল্লাহর জন্মবার্ষিকী উদযাপন
Nagad desktop

ঈশ্বরদীতে ইফতার খেয়ে শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশ: ১৭ মার্চ ২০২৬, ১২:৩১ পিএম
আপডেট: ১৭ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম
ঈশ্বরদীতে ইফতার খেয়ে শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি
ছবি: খবরের কাগজ

পাবনার ঈশ্বরদীর বিডি ক্রিয়েশন নামে পাপস (হস্তশিল্প) তৈরির কারখানায় ইফতার খেয়ে শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অসুস্থ শ্রমিকদের মধ্যে অধিকাংশই নারী। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের দাশুড়িয়ার বিভিন্ন ক্লিনিক ও ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার (১৬ মার্চ) রাতে দাশুড়িয়া ইউনিয়নের মনসিদপুরে এ ঘটনা ঘটে। 

চিকিৎসকদের মতে, খাবার থেকেই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

কারখানার শ্রমিকরা জানান, রমজান উপলক্ষে সোমবার সন্ধ্যায় শ্রমিকদের জন্য ইফতারের আয়োজন করে কারখানা কর্তৃপক্ষ। এ ইফতার অনুষ্ঠানে প্রায় ৩৫০ জন শ্রমিক অংশ নেন। ইফতারিতে ছিল ছোলা, মুড়ি, পেঁয়াজু, আলুর চপ ও খাবার স্যালাইন। এসব খাবার খাওয়ার পরপরই শ্রমিকদের মধ্যে বমি, পেটে ব্যথা ও পাতলা পায়খানার উপসর্গ দেখা দেয়। অনেকে পেটে জ্বালা-যন্ত্রণা অনুভব করে অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

সোমবার রাত ১০টা পর্যন্ত ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অসুস্থ শ্রমিকদের মধ্যে ৩০-৩৫ জন চিকিৎসার জন্য ভর্তি হন। কারখানার কয়েকজন শ্রমিক জানান, ইফতারে দেওয়া ছোলা, মুড়ি ও আলুর চপ খাওয়ার পরপরই পেটে অসহনীয় ব্যথা, জ্বালা-যন্ত্রণা ও বমি শুরু হয়।

ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলী এহসান সোমবার রাতে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় কারখানার শ্রমিকরা আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, তারা সুস্থ হয়ে উঠবেন।

এদিকে খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান।

তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

জাহাঙ্গীর/রিফাত/

ভোলায় মিতু হত্যাকাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক, ওসিকে তলব

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৭:৪৩ পিএম
ভোলায় মিতু হত্যাকাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক, ওসিকে তলব
ছবি: খবরের কাগজ

ভোলা সদর উপজেলার গোরস্থান মাদরাসা-সংলগ্ন এলাকায় আলোচিত গৃহবধূ মিতুর মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। 

নিহতের পরিবারের দাবি, মিতুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হলেও পুলিশ স্বপ্রণোদিত হয়ে আত্মহত্যার মামলা দায়ের করেছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ পরিবার আদালতের দ্বারস্থ হলে আদালত ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলামকে তলব করেছেন বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবারের আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মহিবুল্লাহ খোকন।

রবিবার (৭ জুন) দুপুর ২টার দিকে ভোলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

নিহত মিতুর স্বজনদের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই তিনি শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের শিকার ছিলেন। বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিকভাবে তাকে নির্যাতন করা হয়েছে। ঘটনার আগের দিন রাতেও পারিবারিক কলহের জেরে তাকে মারধর করা হয় বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন।

পরিবারের সদস্যরা আরও জানান, গত বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ঘটনার রাতে মিতুর ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বর থেকে মিতুর মা ও খালাতো বোনের ইমো নম্বরে নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে বার্তা পাঠানো হয়। সেই বার্তায় উল্লেখ করা হয়, মিতুর শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে বাঁচতে দেবে না। পরদিন সকালে মিতুর স্বামী সোহাগ তার শাশুড়িকে (মিতুর মা) ফোন দিয়ে দ্রুত বাসায় আসতে বলেন। পরে বাসায় এসে মিতুর নিথর দেহ খাটে পড়ে থাকতে দেখে তার চিৎকারে প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনরা ছুটে আসেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মিতুর মরদেহ উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। মরদেহ উদ্ধারের সময় মিতুর কপাল, বুক, হাত ও পায়ে ব্যাপক জখমের চিহ্ন দেখা গেছে বলে দাবি স্বজনদের। এ সময় মিতুর শ্বশুরবাড়ির কাউকেই ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।

নিহতের মা ও অন্যান্য স্বজনরা বলেন, ‘আমাদের মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। অথচ পুলিশ সঠিক তদন্ত না করেই আত্মহত্যার মামলা রেকর্ড করেছে। আমরা ন্যায়বিচার চাই এবং প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

এদিকে পরিবারের আরও অভিযোগ, হত্যার বিষয়টি ধামাচাপা দিতে প্রভাবশালী একটি পক্ষ সক্রিয় রয়েছে। তারা শুরু থেকেই ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে নিরপেক্ষ তদন্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজনরা।

পরিবার আদালতে আবেদন করলে আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে ভোলা সদর মডেল থানার ওসিকে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য তলব করেছেন বলে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রেস ব্রিফিংকালে মিতুর আইনজীবী এ তথ্য জানান। আদালত পুলিশের ভূমিকা এবং মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান বলেও জানিয়েছেন ওই আইনজীবী।

এ বিষয়ে জানতে ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) সরকারি ফোন নম্বরে কল দিলে ওসি (তদন্ত) জিয়াউদ্দিন জানান, ‘আদালতের তলবের আদেশ আমরা এখনো হাতে পাইনি। হাতে পেলে বিস্তারিত জানানো যাবে।’

উল্লেখ্য, গোরস্থান মাদরাসা-সংলগ্ন বাসা থেকে গৃহবধূ মিতুর মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই ঘটনাটি ভোলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। শুরু থেকেই নিহতের পরিবার ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করে আসছে। আদালতের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের পর মামলাটি নতুন মাত্রা পেয়েছে এবং এখন সবার নজর তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ইমতিয়াজুর/রিফাত/

রামুতে ছেলের গুলিতে বাবার মৃত্যু

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:১১ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:১২ পিএম
রামুতে ছেলের গুলিতে বাবার মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নে পারিবারিক বিরোধের জেরে ছেলের গুলিতে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত মো. আয়াছ (৬৫) খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব ধেচুয়াপালং তেলখোলা এলাকার মৃত আমিন মোহাম্মদ আলীর ছেলে। অভিযুক্ত তার বড় ছেলে মো. জুবায়ের (৩৭)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৫ জুন) রাত ১১টার দিকে নিজ বাড়িতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে জুবায়ের তার পিতাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। এতে মো. আয়াছ গুরুতর আহত হন।

পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার (৭ জুন) দুপুর ২টার দিকে তিনি মারা যান।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পুত্রের হাতে পিতার মৃত্যুর মতো মর্মান্তিক ঘটনায় তারা হতবাক। তারা অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং ঘটনার সঙ্গে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “পিতাকে গুলি করার ঘটনাটি পুলিশ জেনেছে এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ ও তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

তিনি জানান, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত জুবায়ের পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তারেকুর রহমান/এসএন

পঞ্চগড়ে পুকুরে ডুবে দুই মাদরাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:০৮ পিএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:০৯ পিএম
পঞ্চগড়ে পুকুরে ডুবে দুই মাদরাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

পঞ্চগড়ের সদর উপজেলায় পুকুরের পানিতে গোসল করতে গিয়ে আব্দুর রহিম (১৪) ও রাজিব হোসেন লাবিব (১৬) নামে দুই মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। 

রবিবার (৭ জুন) দুপুরের উপজেলার সাতমেড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ সাহেবীজোত দশমাইল এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। 

নিহত আব্দুর রহিম ওই ইউনিয়নের শিতলী হাসনা এলাকার মৃত জাকির হোসেনের ছেলে এবং লাবিব ওই ইউনিয়নের সাহেবীজোত এলাকার আশরাফুল ইসলামের ছেলে। 

তারা ওই ইউনিয়নের দশমাইল নুরানি মাদরাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে সাতমেড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম রবি বলেন, ‘রবিবার দুপুরে পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার দক্ষিণ সাহেবীজোত দশমাইল এলাকায় সাড়ে ১২ টার দিকে একটি পুকুরে গোসল করতে যায়। এক পর্যায়ে তারা সাঁতার না জানায় পুকুরের গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতা পুকুরের গভীর পানি থেকে ডুবন্ত অবস্থায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।’  

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম পুকুরের পানিতে গোসল করতে গিয়ে দুই মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা করা হয়েছে।’

রনি মিয়াজী/রিফাত/

ঝিনাইদহে তেলবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ৯ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
ঝিনাইদহে তেলবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ৯ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক
ছবি: খবরের কাগজ

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার সাফদারপুর রেলস্টেশন এলাকায় একটি তেলবাহী ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হওয়ায় খুলনার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।দুর্ঘটনার প্রায় ৯ ঘণ্টা পর খুলনার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, খুলনা থেকে আসা রেলওয়ের কারিগরি দল লাইনচ্যুত ট্রেন উদ্ধারের কাজ শুরু করে। দীর্ঘ সময় ধরে উদ্ধার ও মেরামত কাজ চলার পর খুলনার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের ট্রেন যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়। সকাল ৬টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উদ্ধার কার্যক্রম চলে।

সাফদারপুর রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার নয়ন হোসেন খবরের কাগজকে জানান, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা পার্বতীপুরগামী তেলবাহী মালবাহী ট্রেনটি সাফদারপুর স্টেশনের কাছে পৌঁছালে সকাল ৬টার দিকে ট্রেনটির পেছনের তিনটি ট্যাংকারের নয়টি চাকা লাইনচ্যুত হয়। এতে খুলনার সঙ্গে রাজশাহীসহ উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

খুলনা থেকে একটি উদ্ধারকারী ট্রেন এবং পাকশি থেকে দুটি উদ্ধারকারী ট্রেন এসে যৌথভাবে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য, গত ২১ মে একই এলাকায় আরও একটি মালবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছিল।

মাহফুজুর রহমান/রিফাত/

কুষ্টিয়ায় ধর্ষককে গণধোলাই

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:২৭ পিএম
কুষ্টিয়ায় ধর্ষককে গণধোলাই
ছবি: সংগৃহীত

কুষ্টিয়ায় ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আশাদুল (৩২) নামের এক যুবককে গণধোলাই দিয়েছে এলাকাবাসী।

অভিযুক্ত আশাদুল ও ভুক্তভোগী শিশু উভয়ই বর্তমানে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) সকাল ১০টার দিকে চরমিলপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত আশাদুল ওই এলাকার ফজলু সর্দারের ছেলে। ভুক্তভোগী শিশুটি (১০) অভিযুক্ত আসাদুলের প্রতিবেশীর মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে খাবারের প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে স্থানীয় একটি স্কুলের ভেতরে শিশুটিকে নিয়ে যায় আশাদুল। সেখানে তার ওপর পাশবিক নির্যাতনের চেষ্টা করা হয়। শিশুটির চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে আশাদুলকে হাতেনাতে ধরে ফেলে এবং উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দেয়।

পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং উভয়কে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

হাসপাতালের বেডে চিকিৎসাধীন শিশুটির পাশে বসে তার মা বলেন, আমি কোন বিচার চাই না। আমার মেয়ের যে এই অবস্থা করেছে তাকে আমরা নিজের হাতে শাস্তি দিতে চাই । ওই লম্পটকে আমাদের হাতে ছেড়ে দেন। আমরা ওর বিচার করবো। আমাদের যে ক্ষতি করে দিলো তার জন্য আমরা দিনের পর দিন থানা কোট কাচারীতে যেতে পারবো না। ওকে আমাদের হাতে ছেড়ে দিন । 

ভুক্তভুগী শিশুটির নানা বলেন, ওরা মাদক ব্যাবসায়ী। এলাকায় অনেক অপকর্ম করে বেড়ায় । কেউ কিছু বলতে সাহস পায়না। ওদের অবৈধ টাকার জোর আছে সেই টাকা দিয়ে পার পেয়ে যাবে । তাই তাকে পুলিশে না দিয়ে আমাদের হাতে ছেড়ে দিলে আমরা বিচার করব । নইলে বিচার পাবো না। এদেশে বিচার নেই।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, ‘শিশুটিকে জরুরি বিভাগে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ডাক্তারী পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হচ্ছে।’

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতব্বর জানান, ‘ঘটনার খবর পেয়েই উভয়কে চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

এলাকায় এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। তারা অভিযুক্ত ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এসএন/