গোপালগঞ্জে প্রেমঘটিত কারণে প্রেমিকের বাড়ির লোকজনের হামলায় প্রেমিকাসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ সময় প্রেমিকার ঘর-বাড়িও ভাঙচুর করেন প্রেমিক।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ভেড়ারবাজার গ্রামের এ ঘটনা ঘটে।
মারাত্মক আহতরা হলেন, নির্জনা (২২), শামীমা জাহান (১৮), রিমা আক্তার (৩৪) ও রেখা আক্তার (৩৫)। তাদেরকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গেছে, ভেড়ারবাজার গ্রামের টিটু গাজীর মেয়ে শামিমা জাহানের সঙ্গে ঘোষেরচর গ্রামের আলমগীর কাজীর ছেলে হায়াত কাজীর মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল, এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এর জেরেই প্রেমিক হায়াত কাজীর মামা হরিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জয় কাজী তার লোকজন নিয়ে প্রেমিকার বাবা টিটু গাজী ও নানা বেলায়েত শেখের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালান। এ সময় মারধরে প্রেমিকা শামিমা জাহানসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন ও বাড়ি-ঘর ভাঙচুরের শিকার হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আহত রিমা আক্তার বলেন, হরিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জয় কাজী হঠাৎ তার লোকজন নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাদের মারধরে পাঁচজন আহত হয়।
অভিযুক্ত হরিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জয় কাজী বলেন, তাদের মারধর করা হয়নি। মহিলাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে আমি ঠেকাতে যাই। আমি যেহেতু ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তাই আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনছে।
গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুর রহমান জানান, এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাদল সাহা/নাঈম