মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানির সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য ইউনিক ইস্টার্ন (প্রা.) লিমিটেডের মালিক নূর আলীসহ সংশ্লিষ্ট ১৪ জনের বিরুদ্ধে ৪০ কোটি ৭১ লাখ টাকা প্রতারণার প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তাদের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা (নং-৫৮) করেছে সিআইডি।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সিআইডি'র গণমাধ্যম শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, মানিলন্ডারিং অনুসন্ধানে জানা গেছে, ইউনিক ইস্টার্ন (প্রা.) লিমিটেডের মালিক নূর আলী ও তার জনশক্তি রপ্তানি প্রতিষ্ঠান ইউনিক ইস্টার্ন (প্রা.) লিমিটেডের সংশ্লিষ্টরা জনশক্তি রপ্তানিতে প্রতি কর্মীর কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ফি ছাড়াও অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেছিল।
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, অভিযুক্তরা গত দুই বছরে (২০২২ থেকে ২০২৪ সাল) সর্বমোট তিন হাজার ৭৮৭ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় পাঠিয়েছেন। সরকারি ফি ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা নির্ধারিত থাকলেও নূর আলীসহ সংশ্লিষ্টরা জনপ্রতি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আদায় করে।
ভুক্তভোগী প্রতিজনের কাছ থেকে পাসপোর্ট খরচ, কোভিড-১৯ টেষ্ট, মেডিকেল ফি ও পোষাক সংক্রান্ত ফি'র নামে এসব অতিরিক্ত খরচ আদায়ের তথ্য পাওয়া যায়।
তিনি আরও জানান, সংঘবদ্ধ চক্রের ১৪ সদস্য পরস্পর যোগসাজসে প্রতারণা করে সর্বমোট ৪০ কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার ৩৭০ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়ার প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটন, অজ্ঞাত আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগের তদন্ত চলমান রয়েছে।
শেখ জাহাঙ্গীর/সুমন/