চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে চালককে হত্যা করে ছিনতাইয়ের পর রক্তমাখা অটোরিকশা বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন মো. বাপ্পি ও রাজিব নামে দুই ব্যাক্তি। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে চালকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
বুধবার (১ অক্টোবর) সকালে রক্তমাখা অটোরিকশা বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়েন তারা। এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মহাসড়কের পাশে সীতাকুণ্ড পৌরসভার কসাইখানা নামক স্থানে হত্যার ঘটনা ঘটে।
ছিনতাইকারী মধ্যে ছিলেন- মো. মানিক ওরফে মানিক মাস্টার; তার মেয়ের জামাই রাজিব ও ছেলে মহিউদ্দিন অপর এক জনের নাম বাপ্পি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। তারা সবাই সন্দ্বীপ উপজেলার কান্তিরহাট এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে বসবাস সীতাকুণ্ডে।
নিহত জাহিদ সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের পশ্চিম সোনাইছড়ি এলাকার বাসিন্দা দিদারুল আলমের ছেলে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জানা গেছে, জাহিদকে হত্যার পর মরদেহ ময়লার স্তুপে ফেলে দিয়ে পাশের বাসায় ঘুমান ছিনতাইকারী মানিক মাস্টার ও তার ছেলে মহিউদ্দিন। অপর ছিনতাইকারী মানিক মাস্টারের মেয়ের জামাই রাজিব ও বাপ্পি ছিনতাই করা অটোরিকশা বিক্রি করতে উপজেলার মাদামবিবিরহাট নামক স্থানে গেলে স্থানীয়দের রক্তমাখা অটোরিকশা দেখে সন্দেহ হয়। পরে তাদের পিটুনি দিলে চালককে হত্যার কথা স্বীকার করে তারা।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, সকালে একটি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। মরদেহের শরীরের বিভিন্ন অংশে ও গলায় ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মুসলেহ/মেহেদী/