ঢাকা ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
শিশুর জন্য বাজেট, দেশের জন্য বিনিয়োগ মানবসম্পদ তৈরিতে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পুনর্বিন্যাস জরুরি বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা খুলনায় বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা হেলিওস বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ইলেকট্রিক বাইক পার্টনার ভি মটো বাংলাদেশ সফল ব্যক্তিদের সাফল্যের রহস্য ছোট্ট এক টুকরো আত্মা ব্রাজিলের ১৯৭০ বিশ্বকাপ জয়ী তারকার মৃত্যু অধরা ও কবি প‌রিণ‌তি কৃষক-শ্রমিকরা নয়, শিক্ষিত লোকেরাই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত: এমপি বাচ্চু শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে ‘লাল কার্ড’: বিশ্বজুড়ে এখনও ঝুঁকিপূর্ণ কাজে ৫ কোটি ৪০ লাখ শিশু বলির আগে অটোমোটিভ উদ্ভাবনে শীর্ষে চীনের বিওয়াইডি চাতক বালু নদীর কথা কোথাও একটা পাগল ড্রোন অনুপ্রবেশ মামলায় ইউন সুক-ইওলকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড তোমাকে আর ভুলে যাওয়া হলো না চীন সারা পৃথিবীতে শক্তিশালী দেশে পরিণত হয়েছে- ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হলেন ইলন মাস্ক রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তে পাল্টাপাল্টি হামলা, নিহত ৩ কবন্ধ লীলা আ.লীগ সরকারের করা ‘সিউক’ কার্যক্রম শুরু করল বিএনপি, প্রথম চেয়ারম্যান কয়েস লোদী টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু ভারতীয় ভিসা নিয়ে আশার কথা শুনালেন নতুন হাইকমিশনার রাবির নতুন জনসংযোগ প্রশাসক অধ্যাপক এস এম কামরুজ্জামান ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫
Nagad desktop

অ্যাসিড-ক্ষারক সমতা অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এসএসসি রসায়ন

প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৫, ১১:০০ এএম
অ্যাসিড-ক্ষারক সমতা অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এসএসসি রসায়ন
শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে। ছবি- সংগৃহীত

নবম অধ্যায়: অ্যাসিড-ক্ষারক সমতা

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর-১

উদ্দীপকটি পড়ে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখ।

একটি কার্বন যৌগের আণবিক ভর 78। যৌগটি বেনজিনের সঙ্গে সমগোত্রীয় এবং এতে কার্বন ও হাইড্রোজেনের অনুপাত 1:1। 

ক. অ্যালকেন কী? 
খ. অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বলতে কী বোঝায়? 
গ. উদ্দীপকের যৌগটির গাঠনিক সংকেত লেখ। 
ঘ. উদ্দীপকের যৌগটির ব্যবহার বিশ্লেষণ করো। 

উত্তর: ক. অ্যালকেন: যেসব মুক্ত শিকল সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বনের কার্বন শিকলে কার্বন-কার্বন একক বন্ধন বিদ্যমান, তাদের অ্যালকেন বলে।

খ. অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন: যেসব হাইড্রোকার্বনের কার্বন শিকলে অন্তত একটি কার্বন-কার্বন দ্বিবন্ধন বা ত্রিবন্ধন বিদ্যমান, তাদের অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন বলে।

আরো পড়ুন : রসায়ন ও শক্তি অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব

গ. উদ্দীপকের যৌগটির গাঠনিক সংকেত:  উদ্দীপকের যৌগটির আণবিক ভর ৭৮ এবং কার্বন ও হাইড্রোজেনের অনুপাত ১:১।
সুতরাং, যৌগটির আণবিক সংকেত C6H6, যা বেনজিনের সংকেত।
বেনজিনের গাঠনিক সংকেত নিচে দেওয়া হলো: 
C6H6-এর গঠন: একটি ষড়ভুজ বলয়, যেখানে প্রতিটি কোণ একটি কার্বন পরমাণু এবং প্রতিটি কার্বন পরমাণুর সঙ্গে একটি হাইড্রোজেন পরমাণু যুক্ত থাকে। বলয়ের মধ্যে তিনটি দ্বৈত বন্ধন একান্তরভাবে থাকে।

ঘ. উদ্দীপকের যৌগটি হলো বেনজিন, যা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জৈব যৌগ। এর বিভিন্ন ব্যবহার নিচে দেওয়া হলো- 
দ্রাবক: বেনজিন একটি ভালো দ্রাবক, যা বিভিন্ন জৈব যৌগ দ্রবীভূত করতে ব্যবহৃত হয়।
পলিমার উৎপাদন: বেনজিন থেকে স্টাইরিন তৈরি করা হয়, যা পলিস্টাইরিন প্লাস্টিক উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
রাসায়নিক সংশ্লেষণ: বেনজিন বিভিন্ন রাসায়নিক যৌগ যেমন- ফেনল, অ্যানিলিন, নাইট্রোবেনজিন ইত্যাদি উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
কীটনাশক ও ওষুধ: বেনজিন থেকে বিভিন্ন কীটনাশক ও ওষুধ তৈরি করা হয়।
জ্বালানি: পেট্রলের একটি উপাদান হিসেবে বেনজিন ব্যবহৃত হয়।

লেখক : প্রধান শিক্ষক
হাজী রফিজুদ্দিন ভূঁইয়া বালিকা উচ্চবিদ্যালয়, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ

কবীর

বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৪:২৫ পিএম
বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- সংগৃহীত


সপ্তম অধ্যায় : বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম

নমুনা প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: ব্র্যাকের কার্যক্রমে সমাজকর্ম পদ্ধতির অনুশীলন সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখ।

উত্তর: ব্র্যাক হচ্ছে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ এনজিও। গ্রামীণ দরিদ্রদের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য ব্র্যাক প্রচেষ্টা চালায়। ব্র্যাকের গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে পল্লী উন্নয়ন, পল্লী ঋণদান, স্বাস্থ্যসেবা, প্রাথমিক শিক্ষা, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন, দক্ষতা উন্নয়ন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং গবেষণা ও মূল্যায়ন অন্যতম। এসব কার্যক্রম বা কর্মসূচিতে সমাজকর্ম পদ্ধতির অনুশীলনের যথেষ্ট সুযোগ বিদ্যমান। নিম্নে পদ্ধতিভিত্তিক অনুশীলন ব্যবস্থা আলোচনা করা হলো-
১. ব্যক্তি সমাজকর্ম ও ব্র্যাকের কার্যক্রম: ব্যক্তি সমাজকর্ম এমন এক সাহায্যকারী প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ব্যক্তির ভূমিকা পালন ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যক্তিগত সামর্থ্যের উন্নয়ন ও বিকাশ সাধন করা হয়। অন্যদিকে ব্র্যাকের উদ্দেশ্য হলো দরিদ্রদের আত্ম সাহায্যে উদ্বুদ্ধ করা, সচেতনতা সৃষ্টিকারী প্রশিক্ষণ দান, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা, আর্থসামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি করা ইত্যাদি। এ ধরনের উদ্দেশ্য সাধনে ব্যক্তি সমাজকর্ম পদ্ধতির প্রক্রিয়া বিশেষ করে সমস্যা নিরূপণ ও হস্তক্ষেপ ব্যবস্থা খুবই ফলপ্রসূ হবে। এ ছাড়া ব্যক্তিভিত্তিক উদ্বুদ্ধকরণেও ব্যক্তি সমাজকর্মীর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। 
২. দল সমাজকর্ম: প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা বিস্তারে পদক্ষেপ, বেকারত্ব, দূরীকরণ, পুষ্টিহীনতা দূরীকরণ, আয় বৃদ্ধিমূলক পদক্ষেপ, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি ইত্যাদি কর্মকাণ্ডে ব্র্যাক দল সমাজকর্ম পদ্ধতি অনুশীলন করে থাকে। এ ছাড়া কৃষি ও মৎস্য চাষ উন্নয়ন প্রকল্প, খামার উন্নয়ন কর্মসূচি, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কর্মসূচি, চিত্তবিনোদনের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম, গ্রন্থাগার স্থাপন ও পরিচালনা কর্মসূচি, ব্র্যাক চিকিৎসা কেন্দ্র, নারীর ক্ষমতায়ন ইত্যাদি কর্মকাণ্ডে ব্র্যাক সমাজকর্মের দল সমাজকর্ম পদ্ধতি অনুসরণ করে থাকে। 
৩. সমষ্টি সমাজকর্ম: ব্র্যাকের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সমষ্টি সমাজকর্মের প্রয়োগ দেখা যায়। অ্যাসিড এবং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ব্র্যাকের সামাজিক আন্দোলনের একটি উদাহরণ। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সমবায়, দারিদ্র্য বিমোচন, কৃষি উন্নয়ন ইত্যাদি কর্মকাণ্ডে ব্র্যাককে কখনো কখনো সমষ্টি সমাজকর্মের অনুশীলন করতে দেখা যায়। 

আরো পড়ুন : সমাজকর্মের মূল্যবোধ ও নীতিমালা অধ্যায়ের ১৭টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ১ম পত্র

৪. সমাজকল্যাণ প্রশাসন: ব্র্যাক সমন্বিত ব্যবস্থার মাধ্যমে বঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়নে বিভিন্ন সময় যেসব কার্যক্রম গ্রহণ করে সেগুলো বিশ্লেষণ করলে সমাজকর্মের এ পদ্ধতির প্রয়োগ দেখা যায়। স্থানীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থার সঙ্গে সমাজকল্যাণমূলক প্রশাসনিক ব্যবস্থার সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে ব্র্যাক কার্যকরভাবে সেবা দিয়ে থাকে। 
৫. সমাজকর্ম গবেষণা: মানসম্মত নীতি প্রণয়ন, সমস্যা বিশ্লেষণ ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি নির্ভর সেবার জন্য ব্র্যাক সুপরিচিত। এক্ষেত্রে কার্যকরী নীতি প্রণয়ন ও সমস্যা সমাধানের বাস্তবতা নির্ভর রূপকল্প নীতি বাস্তবায়নে সামাজিক গবেষণার অনুশীলন লক্ষ করা যায়। 
৬. সামাজিক কার্যক্রম: ব্র্যাক জনগোষ্ঠীর আত্মসচেতনতা সৃষ্টি, বঞ্চিত, দুস্থ, প্রান্তিক ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে আত্মবিশ্বাস ও উন্নয়ন চেতনা সৃষ্টি করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। অপুষ্টি দূরীকরণ, নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের উন্নয়ন, জেন্ডার সমতা, কুটির শিল্পের উন্নয়ন প্রভৃতি কার্যক্রমে সামাজিক কার্যক্রম পদ্ধতির অনুশীলন লক্ষ করা যায়।

লেখক : প্রভাষক, সমাজকর্ম বিভাগ 
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মধুবাগ, মগবাজার, ঢাকা

কবীর

জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ১টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ১টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান
স্থলজ উদ্ভিদ। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত


প্রথম অধ্যায় : জীবের আবাসস্থল 

অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর 

প্রশ্ন: সামুদ্রিক পরিবেশের প্রাণীদের অভিযোজনের ক্ষেত্রগুলো কী কী? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: সামুদ্রিক পরিবেশের প্রাণীদের অভিযোজনের ক্ষেত্রগুলো হলো–
i. লবণাক্ত পানি ও প্রবল চাপ সহ্য করার অভিযোজন
উদাহরণ: সামুদ্রিক মাছ।
সমুদ্রের পানি লবণাক্ত এবং এর গভীর পানিতে চাপ বেশি থাকে। সামুদ্রিক মাছ এসব প্রতিকূল অবস্থার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম। এদের দেহের ভেতরের গঠন এমনভাবে অভিযোজিত যে লবণাক্ত পরিবেশেও তারা স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকতে পারে।
ii. দেহের গঠনের অভিযোজন।
উদাহরণ: সামুদ্রিক মাছ।
সামুদ্রিক মাছের দেহ মাঝখানে চওড়া এবং মাথা ও লেজের দিকে সরু হয়। মাছের এই ধরনের দেহগঠন পানির মধ্যে সহজে চলাচল করতে এবং প্রবল স্রোতের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে সাহায্য করে।

আরো পড়ুন : জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

iii. পাখনা ও লেজের অভিযোজন
উদাহরণ: সামুদ্রিক মাছ।
সামুদ্রিক মাছের পাখনা ও লেজ শক্তিশালী হয়। এগুলো মাছকে দ্রুত সাঁতার কাটতে এবং দিক পরিবর্তনে সাহায্য করে।
iv. দীর্ঘ সময় বাতাস ধরে রাখার অভিযোজন
উদাহরণ: তিমি ও ডলফিন।
সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণীদের ফুসফুস দীর্ঘ সময় ধরে বাতাস জমা রাখতে পারে। এর ফলে তারা দীর্ঘ সময় পানির নিচে অবস্থান করতে পারে এবং প্রয়োজনে উপরে উঠে আবার শ্বাস নেয়।
v. আত্মরক্ষা ও শিকারের অভিযোজন
উদাহরণ: বিভিন্ন সামুদ্রিক প্রাণী।
সামুদ্রিক পরিবেশের কিছু প্রাণী আত্মরক্ষা ও শিকারের জন্য আলো, রং পরিবর্তন এবং বিষাক্ত তরল ব্যবহার করতে পারে। এসব অভিযোজন তাদের শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করে এবং খাদ্য সংগ্রহে সাহায্য করে।

লেখক : সাবেক শিক্ষক
ফকিরের,পুল সরকারি প্রাথমিক, বিদ্যালয়, ঢাকা

কবীর

ছয় বিষয়ের অনার্স কোর্স কি আসলেই বাতিল হচ্ছে? যা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:১৩ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০১:৪৮ পিএম
ছয় বিষয়ের অনার্স কোর্স কি আসলেই বাতিল হচ্ছে? যা জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা
ডা. জাহেদ উর রহমান

বাংলা, ইতিহাস দর্শনসহ ছয়টি বিষয়ে অনার্স (সম্মান) কোর্স বাতিল হতে পারে বলে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের বিষয়ে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানোর আগ পর্যন্ত এই খবরটিকে গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

মঙ্গলবার ( জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘এই বিষয়গুলোতে অনার্স থাকবে না, আমি এমনটা মনে করি না। তবে এগুলো কতগুলো জায়গায় বা কয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাখা হবে, তা নিয়ে আলোচনা হতেই পারে।’

দেশের কর্মসংস্থান দক্ষ জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, প্রতি বছর দেশে প্রায় ২১ থেকে ২২ লাখ মানুষ কর্মবাজারে প্রবেশ করেন। কিন্তু সরকারি বেসরকারি খাত মিলিয়ে সর্বোচ্চ সাত থেকে আট লাখের বেশি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সম্ভব হয় না। তাই দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছে সরকার।

আজহার/অমিয়/

পড়ে পাওয়া গল্প থেকে ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:১৮ এএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:১৯ এএম
পড়ে পাওয়া গল্প থেকে ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা
‘পড়ে পাওয়া’ রচনাটির লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

গল্প : পড়ে পাওয়া

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কোন গ্রামে? 
(ক) বারাকপুরে     (খ) নির্বিষখোলায়        
(গ) অম্বরপুরে      (ঘ) চাঁপাতলীতে

২। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় কত সালের কত তারিখে জন্মগ্রহণ করেন? 
(ক) ১৮৯০ সালের ১ মার্চ    
(খ) ১৮৯৩ সালের ১৫ মে
(গ) ১৮৯৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর    
(ঘ) ১৮৯৫ সালের ২৭ জুন

৩। ‘পড়ে পাওয়া’ রচনাটির লেখক কে? 
(ক) বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়    
(খ) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
(গ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়    
(ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

৪। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মায়ের নাম কী? 
(ক) বামাসুন্দরী দেবী    (খ) স্বর্ণকুমারী দেবী
(গ) মৃণালিনী দেবী       (ঘ) রানী বিলাসমনি

আরো পড়ুন : অতিথির স্মৃতি গল্প থেকে ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১২তম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

৫। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবার নাম কী? 
(ক) মহারাজ বন্দ্যোপাধ্যায় 
(খ) মহানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায়
(গ) নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়    
(ঘ) নরেন বিশ্বাস

৬। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবার পেশা কী ছিল? 
(ক) কবিরাজি                        (খ) শিক্ষকতা
(গ) কথকতা ও পৌরোহিত্য    (ঘ) ঠিকাদারি

৭। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ কীর্তি ও বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ হলো-
(ক) পথের পাঁচালী উপন্যাস     
(খ) অপরাজিত উপন্যাস
(গ) দুটোই    
(ঘ) একটিও নয়

উত্তর: ১. ক, ২. গ, ৩. ক, ৪. গ, ৫. খ, ৬. গ, ৭. গ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় জোর: বাতিল হতে পারে ৬ বিষয়ে অনার্স কোর্স

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১০:৪৮ এএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১১:১৬ এএম
প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় জোর: বাতিল হতে পারে ৬ বিষয়ে অনার্স কোর্স
ছবি: সংগৃহীত

দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী কর্মমুখী করতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের একটি নতুন খসড়া মডেল অনুযায়ী- বাংলা, ইতিহাস দর্শনসহ প্রায় ৬টি বিষয়ের অনার্স (সম্মান) কোর্স বাতিল করা হতে পারে। তবে এই বিষয়গুলো একেবারে বাদ না দিয়ে অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

একই সঙ্গে আইটি (তথ্যপ্রযুক্তি) কারিগরি শিক্ষার পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। শিক্ষার সঙ্গে কর্মসংস্থানের সরাসরি সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে পাঠ্যক্রমে যুক্ত হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার সিকিউরিটি, আউটসোর্সিং এবং অন্যান্য প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতাভিত্তিক বিষয়।

এছাড়া কলেজ পর্যায় থেকেই ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ চালু করা, ক্যারিয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষার্থীদের সাতটি বিদেশি ভাষা শেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে এবং সবার মতামত নিয়েই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী সনদনির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে দক্ষতাভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং বাস্তবমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে নির্দেশনা দেন। পরবর্তীতে একাধিক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, সরকার এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, বরং দক্ষ কর্মক্ষম মানবসম্পদ তৈরি হবে। দৈনিক ইত্তেফাকের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্যগুলো উঠে এসেছে।

শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা কর্মসংস্থানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারছে না। ফলে দিন দিন শিক্ষিত তরুণ বেকারের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার গত ১৩ বছরে প্রায় আট গুণ বেড়েছে অথচ দেশের ৮৫ শতাংশ কর্মসংস্থানই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের।

দেশের সবচেয়ে বড় দুটি পাবলিক পরীক্ষা- এসএসসি এইচএসসির বিষয়ের সংখ্যা এবং পরীক্ষা গ্রহণের কর্মদিবস উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এরই মধ্যে সংক্রান্ত একটি প্রাথমিক ধারণাপত্র কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা শেষ করতে ২৫ থেকে ৩০ কর্মদিবস এবং এইচএসসিতে ৩০ থেকে ৩৫ কর্মদিবস বা তারও বেশি সময় লেগে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরীক্ষাকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় হাজার হাজার স্কুলে স্বাভাবিক পাঠদান বন্ধ থাকে। এতে অন্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিখন ঘণ্টা (লার্নিং আওয়ার্স) মারাত্মকভাবে কমে যায়। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী পরীক্ষার কারণে পরীক্ষার্থীরাও অসহনীয় মানসিক চাপে ভোগে। এই জটলা শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমানোই সরকারের নতুন পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য।

সরকার ২০২৮ সাল থেকে যে নতুন শিক্ষাক্রম চালুর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে, তাতে নতুন চারটি বিষয় যুক্ত করার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। এর মধ্যে চতুর্থ শ্রেণি থেকে ক্রীড়া সংস্কৃতি নিয়ে দুটি বিষয় পড়তে হবে। আর ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে যুক্ত হবেকারিগরি বৃত্তিমূলক শিক্ষাএবংলার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ (সুখে শিখন) এছাড়া নতুন শিক্ষাক্রমে বাংলা ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় একটি ভাষা শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়া হবে, যা কোনো একটি বিষয়ের সঙ্গেবড় অধ্যায়হিসেবে যুক্ত হতে পারে।

সোমবার ( জুন) বিকেলে সচিবালয়ে মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন নতুন শিক্ষাক্রমের এসব পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রথমত বিদ্যমান শিক্ষাক্রমকে সঠিকভাবে পরিমার্জন করে, বাস্তব সম্মতভাবে এটাকে আমরা রিভাইজ করে এই ২০২৭ সালে দিচ্ছি। আর টোটাল চেইঞ্জ যেটা আশা করছেন, সেটা আমরা কাজ শুরু করেছি। ২০২৮ সালে গিয়ে আপনারা সেটা দেখতে পারবেন, এখন নয়। কারিকুলাম খুব সুন্দর হচ্ছে এবং চারটি নতুন বিষয় যুক্ত হচ্ছে।’

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন নতুন শিক্ষাক্রমে এই চারটি নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কথা জানান।

তিনি বলেন, ১৬ বছরের সব সমস্যা হয়তো এক দিনে বা এক বছরে সমাধান করা যাবে না। তবে আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা রয়েছে। যতটা দ্রুত সম্ভব আমরা প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনব। এখানে কারিকুলামের ভেতরে একটি অংশ রয়েছে, যেখানে প্রয়োজনীয় সংযোজন, বিয়োজন পরিমার্জন করতে হবে। পাশাপাশি নতুন কিছু বিষয় আমরা যুক্ত করছি।‘