ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
৮ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি ভয়ভীতি দেখিয়ে নারী-শিশুদের বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে বিএসএফ: ভারতের মানবাধিকার সংগঠন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত ভারত আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করে পুশইন করছে: জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল আবারও এশিয়ার শীর্ষ ধনী গৌতম আদানি হবিগঞ্জে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু, আহত ৩ নিয়মের তোয়াক্কা নেই, সড়কে বেপরোয়া ডিএসসিসির ডাম্পট্রাক চার দিনের সফরে বেইজিং গেছেন তথ্যমন্ত্রী কক্সবাজারে মানবপাচার চক্রের মূলহোতা ছৈয়দুল হক আটক ডিক্যাব ও বাংলাদেশ চীন আপন মিডিয়া ক্লাবের মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই শরীয়তপুরে মব করে প্রধান শিক্ষকের ওপর হামলা এনসিটিবিসহ চার শিক্ষা বোর্ডে নতুন নেতৃত্ব স্বপ্নে গান শোনা আসলে কীসের ইঙ্গিত? ব্যস্ত সড়কে প্রকাশ্যে ছিনতাই, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জেট ফুয়েলের দাম লিটারে কমল ১৫ টাকা চমেক হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স চালক-এনসিপি কর্মীদের মারামারি গ্রীন চট্টগ্রাম গড়তে লাগানো হচ্ছে ১০ লাখ গাছ চসিকের সড়ক ও ফুটপাত থেকে দেড় শতাধিক ভাসমান দোকান উচ্ছেদ মনপুরায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান লেখা নিয়ে উত্তেজনা জ্বালানির মজুদ সম্প্রসারণ, আমদানির উৎস বহুমুখীকরণসহ ১২ দফা সুপারিশ সংসদীয় কমিটির ঢামেক ও চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি, ৬ দফা দাবি ভোলায় মিতু হত্যাকাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক, ওসিকে তলব বিসিবির সভাপতি তামিম ইকবাল কুমিল্লায়  ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল থেকে ৪৫ জন আটক; ৫ বাস-মাইক্রো জব্দ গোয়েন্দারা কেন প্রকাশ্যে আসছেন? শিশুদের নাটক ‘ডাকাত হালুম চিৎপটাং’ মেট্রো স্টেশনগুলোর নিচে দুরবস্থা জন্মদিনে এল লাকী আখান্দের অপ্রকাশিত গান নূরজাহান ট্র্যাজেডির সমাজতাত্ত্বিক পাঠ কিয়ামতের ময়দানে রাসুল (সা.)-এর পাশে থাকার উপায়
Nagad desktop

Food Adulteration বিষয়ক Writing Paragraph নিয়ে আলোচনা, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসি পরীক্ষার ইংরেজি ২য় পত্র

প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৪ পিএম
Food Adulteration বিষয়ক Writing Paragraph নিয়ে আলোচনা, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসি পরীক্ষার ইংরেজি ২য় পত্র
ফলে ভেজাল মেশানোর প্রধান কারণ ব্যবসায়ীদের লোভ। ছবি- সংগৃহীত

Writing Paragraph

Food Adulteration

Man lives on food for survival. Clean and fresh foods are good for health but adulterated foods are harmful to human health. Food adulteration has spread so much in the country in recent times that consumers are finding it very difficult to purchase pure food. From fish markets to renowned confectioneries and even supermarkets, consumers are being deceived into buying adulterated foods. A recent survey on the kitchen markets of Dhaka city shows that around 50% vegetables and 35% fruits contain unsafe level of pesticides. Different samples of milk, milk products, fish, fruits and vegetables contain banned pesticides. The greed of the corrupt businessmen is the main reason for food adulteration. They do not hesitate to mix poison with foods just to make more profits. Food

আরো পড়ুন : Water Pollution বিষয়ক Writing Paragraph নিয়ে আলোচনা, ৫ম পর্ব, এইচএসসি পরীক্ষার ইংরেজি ২য় পত্র

adulteration causes various diseases like cancer, kidney failure, high blood pressure, heart attack etc. Mobile courts comprising officials from Dhaka City Corporation, District Administration and Bangladesh Standards and Testing Institution (BSTI) often carry out drives against such crimes. But these drives are proving ineffective in preventing the traders involved in such illegal activities. To solve the problem, instead of focusing on the end products, the issue should be addressed at the root level. Recently the Govt. has introduced a law to stop food adulteration and punish the corrupt businessmen. But a co-ordinated agency should take the responsibility of ensuring food safety.

লেখক: সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৫৪ পিএম
প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
বর্তমানে কয়েক হাজার প্রোগ্রামিং ভাষা আছে। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

পঞ্চম অধ্যায় : প্রোগ্রামিং ভাষা

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৫৫. কোনটি প্রোগ্রামের সব ভুলগুলো একসঙ্গে প্রদর্শন করে?
ক. অ্যাসেম্বলার     খ. ইন্টারপ্রেটার 
গ. কম্পাইলার       ঘ. ডিবাগার

৫৬. প্রোগ্রামের বিভিন্ন ধাপগুলোকে কী বলে?
ক. ইনস্ট্রাকশন     খ. অ্যালগরিদম 
গ. প্রবাহ চিত্র        ঘ. ফ্লোচার্ট

৫৭. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষাকে কী বলে?
ক. 1GL     খ. 3GL
গ. 4GL     ঘ. 5GL

৫৮. ইন্টারপ্রেটারের সুবিধা হলো-
i. প্রোগ্রামের ভুল সংশোধন করা সহজ হয় 
ii. প্রোগ্রাম আকারে ছোট হয়
iii. মেমোরিতে বেশি জায়গা নেয় 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii       খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৫৯. উচ্চ স্তরের ভাষার বৈশিষ্ট্য-
i. সহজবোধ্য     
ii. সময় সাশ্রয়ী 
iii. দ্রুত লেখা যায় 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii      খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৬০. বর্তমানে কতটি প্রোগ্রামিং ভাষা আছে?
ক. কয়েকটি            খ. কয়েক শ 
গ. কয়েক হাজার     ঘ. কয়েক লাখ

আরো পড়ুন : প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

৬১. প্রোগ্রামিং ভাষার নিয়মকানুনকে কী বলে?
ক. ইন্টারপ্রেটার     খ. সিনট্যাক্স 
গ. অ্যাসেম্বলার      ঘ. কম্পাইলার

৬২. নিচের কোনটি পুরো প্রোগ্রামকে একসঙ্গে অনুবাদ করে?
ক. ইন্টারপ্রেটার     খ. কম্পাইলার 
গ. সফটওয়্যার      ঘ. অ্যাসেম্বলার

৬৩. কোন অনুবাদক প্রোগ্রামের ভুলগুলো শুদ্ধ করা একটু জটিল?
ক. অ্যাসেম্বলার     খ. কম্পাইলার 
গ. ইন্টারপ্রেটার     ঘ. পিএইচপি

৬৪. প্রোগ্রামের প্রতিটি নির্দেশকে কী বলে?
ক. কোড           খ. ইন্টারপ্রেটার 
গ. স্টেটমেন্ট     ঘ. সিনট্যাক্স

৬৫. ভুলত্রুটি পরীক্ষা করাকে কী বলে?
ক. কোডিং     খ. ডিবাগিং 
গ. টেস্টিং       ঘ. ডিজাইনিং

৬৬. কম্পাইলারের বৈশিষ্ট্য-
i. পুরো প্রোগ্রামকে একবারে কম্পাইল করে
ii. দ্রুতগতিতে কাজ করে 
iii. সবগুলো ভুল একসঙ্গে প্রদর্শন করে 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii      খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৬৭. প্রোগ্রামের ধাপগুলোকে ছবির মাধ্যমে প্রকাশ করাকে কী বলে?
ক. ফ্লোচার্ট      খ. অ্যালগরিদম 
গ. সিনট্যাক্স     ঘ. আর্ট

উত্তর: ৫৫. গ, ৫৬. খ, ৫৭. ঘ, ৫৮. ক, ৫৯. ঘ, ৬০. গ, ৬১. খ, ৬২. খ, ৬৩. খ, ৬৪. গ, ৬৫. গ, ৬৬. ঘ, ৬৭. ক।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম
জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান
স্থলজ উদ্ভিদ। ছবি- সংগৃহীত

প্রথম অধ্যায় : জীবের আবাসস্থল 

সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন 

প্রশ্ন: স্বাদু পানির পরিবেশে কী ধরনের প্রাণী ও উদ্ভিদ থাকে?

উত্তর: স্বাদু পানির পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণী দেখা যায়। স্বাদু পানির উদ্ভিদের মধ্যে শাপলা, পদ্ম, কচুরিপানা, ফার্নজাতীয় ও শৈবাল উল্লেখযোগ্য। প্রাণীদের মধ্যে রুই, কাতলা, মৃগেল, পাঙাসসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, কাঁকড়া, ব্যাঙ ও শামুক স্বাদু পানির পরিবেশে বাস করে।

প্রশ্ন: জলজ পরিবেশের উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈশিষ্ট্যগুলো লেখ।

উত্তর: জলজ পরিবেশের উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো–
i. এদের দেহ নরম ও নমনীয় হয়, যাতে পানির ঢেউয়ের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারে।
ii. কাণ্ডে বায়ুথলি থাকে, যা উদ্ভিদকে পানিতে ভেসে থাকতে সাহায্য করে।
iii. মূল সাধারণত ছোট ও দুর্বল হয়।
iv. অধিকাংশ জলজ উদ্ভিদ অযৌন বংশবিস্তার করে।
v. পাতাগুলো চওড়া ও হালকা হয়।

আরো পড়ুন : জীবের আবাসস্থল অধ্যায় থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান

জলজ পরিবেশের প্রাণীর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো–
i. এদের দেহ মাঝখানে চওড়া এবং মাথা ও লেজের দিকে সরু হয়।
ii. পাখনা ও লেজ সাঁতার কাটতে সাহায্য করে।
iii. ফুলকার মাধ্যমে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন গ্রহণ করে।
iv. অনেক জলজ প্রাণীর দেহে বায়ুথলি বা পটকা থাকে।
v. দেহ মসৃণ হওয়ায় এ পরিবেশের প্রাণীর পানিতে চলাচল সহজ হয়।

লেখক : সাবেক শিক্ষক
ফকিরেরপুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢাকা

কবীর

Your Favourite Teacher/Favourite Personality বিষয়ক Writing Paragraph, ৩১তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০১:৩১ পিএম
Your Favourite Teacher/Favourite Personality বিষয়ক Writing Paragraph, ৩১তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- সংগৃহীত

Writing Paragraph

Your Favourite Teacher/Favourite Personality

A teacher is a person who is engaged in teaching profession and teaches students on a particular subject. A teacher is an architect of a nation. He plays an important role in building an educated nation. At present I am studying at Adamjee Cantonment College in class XII. I have come to the close touch of a lot of teachers in my life. They are experienced and learned. But among them Mr. Hoq is my favourite teacher. He is our English teacher. He is an M.A in English. He has vast knowledge in his subject. He has also received different trainings on English language teaching. We wait eagerly to enjoy his class. He is enthusiastic in

আরো পড়ুন : How to learn English বিষয়ক Writing Paragraph, ৩০তম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ২য় পত্র

teaching the students. He never feels tired while teaching. He makes a friendly environment in the classroom so that the students can ask him questions about their problems. He explains the grammatical rules very easily. He always encourages the students think themselves. If they make mistakes then he corrects them. He makes his students confident and proves them clever. He tries to find out the inner talent of the students. He is devoted to teaching profession and always thinks about the development of the students.

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

সমাজকর্মের মূল্যবোধ ও নীতিমালা অধ্যায়ের ১৭টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ১ম পত্র

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ১১:৫২ এএম
সমাজকর্মের মূল্যবোধ ও নীতিমালা অধ্যায়ের ১৭টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ১ম পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

তৃতীয় অধ্যায় : সমাজকর্মের মূল্যবোধ ও নীতিমালা

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন:  সমাজ সংস্কার কী?
উত্তর: আমাদের সমাজে অশিক্ষিত মানুষের সংখ্যা বেশি। তাদের মধ্য থেকে সৃষ্ট কিছু কুসংস্কার রয়েছে। অনেক ধরনের কুসংস্কার, কুপ্রথা, বিশ্বাস, গোঁড়ামি সমাজের উন্নতি ও অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করে, সমাজ কাঠামো থেকে এ ধরনের কুসংস্কারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ফলকে বলা হয় সমাজ সংস্কার।

প্রশ্ন: পেশার সংজ্ঞা লেখ। 
উত্তর: যখন কোনো প্রযুক্তি ও দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিবিশেষ শিক্ষাগত যোগ্যতা ও কলাকৌশলকে বিশেষ মানদণ্ড ও নীতি অনুযায়ী বাস্তবে প্রয়োগ করে জীবিকা নির্বাহ করতে সক্ষম হয় তখন তাকে ওই ব্যক্তির পেশা বলে।

প্রশ্ন:  ‘Profession’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?
উত্তর: ‘Profession’ শব্দটি লাতিন ভাষা থেকে এসেছে।

প্রশ্ন:  ইসলামী রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় কোষাগারকে কী বলা হয়?
উত্তর: ইসলামী রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় কোষাগারকে বাইতুল মাল বলা হয়। 

প্রশ্ন:  বৃত্তি কী?
উত্তর: মানুষ জীবন ধারণের জন্য যেসব অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকে তাকে বৃত্তি বলা হয়।

প্রশ্ন:  মূল্যবোধ কী?
উত্তর: মূল্যবোধ হলো ওইসব চিন্তাভাবনা, আশা-আকাঙ্ক্ষা, লক্ষ্য-উদ্দেশ্য, যা মানুষের সামগ্রিক আচার-ব্যবহার এবং কার্যাবলিকে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রণ করে।

প্রশ্ন: NASW কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
উত্তর: NASW ১৯৫৫ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়।

প্রশ্ন: সমাজকর্ম মূল্যবোধ কী?
উত্তর: সমাজকর্ম পেশায় নিয়োজিত সমাজকর্মীরা মানুষের কল্যাণে তাদের জ্ঞান ও দক্ষতার প্রয়োগে যেসব মূল্যবোধ অনুসরণ করে তাকে সমাজকর্ম মূল্যবোধ বলে। 

আরো পড়ুন : সমাজকর্মের শাখা অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ১৬তম পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

প্রশ্ন: CSWE-এর পূর্ণরূপ লেখ। 
উত্তর: CSWE-এর পূর্ণরূপ Council on Social Work Education. 

প্রশ্ন:  বাংলাদেশে স্বেচ্ছাসেবী আইন কবে পাস হয়?
উত্তর: বাংলাদেশে স্বেচ্ছাসেবী আইন ১৯৪০ সালে পাস হয়।

প্রশ্ন:  কে সমাজকর্মকে সেমি প্রফেশন বলেছেন?
উত্তর: ডব্লিউ এ ফ্রেড ল্যান্ডার সমাজকর্মকে সেমি প্রফেশন বলেছেন। 

প্রশ্ন:  পেশাগত কর্মীর কাজ কী?
উত্তর: পেশাগত কর্মীর কাজ হচ্ছে তার পেশাগত দায়িত্ব নৈতিকতার সঙ্গে পালন করা। 

প্রশ্ন: স্বনির্ভরতা কাকে বলে?
উত্তর: অন্যের ওপর নির্ভর না থেকে নিজের ওপর নির্ভরতাকে স্বনির্ভরতা বলে। 

প্রশ্ন: গণতন্ত্র কাকে বলে?
উত্তর: গণতন্ত্র বলতে কোনো জাতিরাষ্ট্রের (অথবা কোনো সংগঠনের) এমন একটি শাসনব্যবস্থাকে বোঝায় যেখানে নীতিনির্ধারণ বা সরকারি প্রতিনিধি নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রত্যেক নাগরিক বা সদস্যের সমান ভোটাধিকার থাকে।

প্রশ্ন: সমাজকর্ম মূল্যবোধের ভিত্তি কয়টি?
উত্তর: সমাজকর্মের মূল্যবোধের ভিত্তি চারটি। 

প্রশ্ন: কোন সংগঠন সমাজকর্ম পেশার নীতিমালা নির্ধারণ করেছে?
উত্তর: NASW সমাজকর্ম পেশার নীতিমালা নির্ধারণ করেছে। 

প্রশ্ন: ব্যক্তির মর্যাদার ক্ষেত্রে সমাজকর্মের মূল্যবোধ কী কাজ করে?
উত্তর: মূল্যবোধ হলো সমাজকাঠামোর অপরিহার্য উপাদান, যা মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আচার-আচারণকে পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।

লেখক : প্রভাষক, সমাজকর্ম
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মধুবাগ, মগবাজার, ঢাকা

কবীর

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় ও কর্মদিবস কমানোর পরিকল্পনা

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৮:৫৭ এএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ০৮:৫৯ এএম
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয় ও কর্মদিবস কমানোর পরিকল্পনা
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)

দেশের বৃহৎ দুই পাবলিক পরীক্ষা এসএসসি ও এইচএসসির সময়কাল কমিয়ে আনা এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমাতে বিদ্যমান পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কারের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।

বিদ্যমান শিক্ষাক্রমের আওতায় পরীক্ষার বিষয় সংখ্যা যৌক্তিকীকরণ এবং পরীক্ষা গ্রহণের কর্মদিবস উল্লেখযোগ্য হারে কমাতে একটি কর্মপরিকল্পনা ও ধারণাপত্র তৈরি করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। সম্প্রতি এক পত্রের মাধ্যমে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবিত কর্মপরিকল্পনা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে সংস্থাটি।

এ বিষয়ে এনসিটিবি চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারী জানান, একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ও পরবর্তী নির্দেশনার জন্য পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে এ বিষয়ে একটি কর্মশালা আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মশালায় দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ, মূল্যায়ন বিশেষজ্ঞ, অভিভাবক, শিক্ষার্থী, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের ডাকা হবে। কর্মশালায় এ বিষয়ে উঠে আসা মতামতগুলো পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করেন এনসিটিবি চেয়ারম্যান। এনসিটিবির ধারণাপত্রে বলা হয়, বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা গ্রহণে প্রায় ২৫-৩০ কর্মদিবস এবং এইচএসসি পরীক্ষায় ৩০-৩৫ কর্মদিবস বা তার চেয়েও বেশি সময় ব্যয় হয়। এই দীর্ঘ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় হাজার হাজার স্কুলে স্বাভাবিক পাঠদান বন্ধ থাকে, যা অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিখন ঘণ্টা (লার্নিং আওয়ার্স) কমিয়ে দিচ্ছে।

এ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষার কারণে পরীক্ষার্থীদের ওপর অসহনীয় মানসিক চাপ তৈরি হয়। শুধু তাই নয়, পরীক্ষা পরিচালনায় বিপুলসংখ্যক শিক্ষককে পাঠদান কার্যক্রম থেকে বিরত থাকা, পরীক্ষা পরবর্তী উত্তরপত্র মূল্যায়ন, ফলাফল প্রকাশ ও উচ্চশিক্ষায় ভর্তি প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ায় সেশনজটের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

এনসিটিবি জানিয়েছে, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে দুই দিনব্যাপী একটি কর্মশালার আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। যার মূল উদ্দেশ্যগুলো হচ্ছে- এসএসসি ও এইচএসসির বিদ্যমান বিষয় কাঠামো পর্যালোচনা করা, পরীক্ষার ব্যাপ্তি কমানোর কার্যকর কৌশল নির্ধারণ, প্রতিবছর ডিসেম্বরের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষা গ্রহণের সম্ভাব্যতা যাচাই করা, দীর্ঘ কর্মদিবসের চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করা, ধারাবাহিক ও সামষ্টিক মূল্যায়নের অনুপাত নির্ধারণ এবং সুপারিশমালা বাস্তবায়নের রোডম্যাপ ও সম্ভাব্য ঝুঁকি প্রশমন কৌশল নির্ধারণ করা।

সংস্থাটি আরও জানায়, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে ন্যূনতম কতটি বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া যৌক্তিক তা নির্ধারণ করা হবে। বর্তমান বিষয়গুলোর মধ্যে কোনগুলো একীভূত বা সমন্বিত করা যায়, আবশ্যিক ও ঐচ্ছিক বিষয়ের পুনর্বিন্যাস কীভাবে হবে, বিদ্যমান প্রশ্ন কাঠামো পর্যালোচনা, ব্যবহারিক মূল্যায়নের আধুনিকায়ন এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক মূল্যায়নের পরিধি ও নির্ভরযোগ্যতার মতো বিষয়গুলো নিয়ে কর্মশালায় বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। এরপর অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করা হবে।

প্রস্তাবিত এই কর্মশালায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকরা অংশ নেবেন। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইআর)-এর বিশেষজ্ঞ, এনসিটিবি প্রতিনিধি, অভিজ্ঞ প্রধান শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধি মিলিয়ে প্রায় ৯০ জন অংশীজন এই সুপারিশমালা প্রণয়নে যুক্ত থাকবেন।

বিশেষজ্ঞ প্যানেলে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআর-এর পরিচালক অধ্যাপক হোসনে আরা বেগমসহ প্রথিতযশা শিক্ষাবিদদের রাখা হয়েছে। কর্মশালায় ৬টি পৃথক দল কাজ করবে। দলগুলো মূলত– এসএসসি ও এইচএসসির কোন বিষয়গুলো একীভূত করা যায় এবং ন্যূনতম কতটি বিষয়ে সামষ্টিক পরীক্ষা নেওয়া যৌক্তিক- সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা দেবে। এ ছাড়া মাদ্রাসা ও কারিগরি সিলেবাসের সঙ্গে সাধারণ সিলেবাসের সামঞ্জস্য রক্ষার কৌশল এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন নিয়েও সুপারিশ করবে বিশেষজ্ঞ দল।

এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি চূড়ান্ত সুপারিশমালা তৈরি করা হবে। যেখানে পুনর্বিন্যাসকৃত বিষয় কাঠামোর ছক, প্রস্তাবিত বিষয় সংখ্যা, পরীক্ষার মোট দিনসংখ্যা এবং গ্রেডিং ও সার্টিফিকেশন পদ্ধতির বিস্তারিত রূপরেখা থাকবে।

এনসিটিবি বলছে, এই সংস্কার বাস্তবায়িত হলে পাবলিক পরীক্ষার ব্যাপ্তি কমার পাশাপাশি শিক্ষাবর্ষের স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। এনসিটিবির সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদুল হক বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এনসিটিবি, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সমন্বয়ে এই প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘পরীক্ষার বিষয় সংখ্যা এবং কর্মদিবস কীভাবে কমানো যায়, সে বিষয়ে আমরা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রাথমিক ধারণাপত্র দিয়েছি। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত নয়। পরীক্ষাসংক্রান্ত মূল বিষয়গুলো আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে নির্ধারিত হবে।’

পরীক্ষা ও বিষয় সংখ্যা কমানোর বর্তমান অগ্রগতি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এনসিটিবির প্রধান সম্পাদক মুহাম্মদ ফাতিহুল কাদীর জানান, এনসিটিবি এ বিষয়ে কী করা যায়, তার একটি প্রাথমিক রূপরেখা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে বিষয় ও কর্মদিবস কমানোর প্রক্রিয়ায় নতুন কোনো অগ্রগতি বা কার্যক্রম নেই। কারণ আমাদের পুরো টিম এখন আগামী শিক্ষাবর্ষের বইগুলোর জরুরি পরিমার্জন (কারেকশন) এবং সেগুলো বইয়ে ইনসার্ট (অন্তর্ভুক্ত) করার মতো বিশাল কর্মযজ্ঞ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছে।’তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার সময় ও বিষয় সংখ্যা কমানোর বিষয়টি চূড়ান্তভাবে শিক্ষা বোর্ডগুলোর আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির মতামতের ভিত্তিতে কার্যকর হবে।

এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক বলেন, সম্প্রতি এক সভায় এ বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সূত্র: বাসস