ঢাকা ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
শেরপুরে নিখোঁজ ৫ ছাত্রের ৩ জনকে জীবিত উদ্ধার তনু হত্যা: দুই আসামিকে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলে রেড নোটিশের নির্দেশ বোয়ালখালীতে ওমান প্রবাসীকে হত্যা: শোকে পাথর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও মা মবতন্ত্র ও উচ্ছৃঙ্খল রাজনীতি বাড়ছে: যুবদল সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা ইউনুছ হাওলাদার আর নেই মরিশাসের শ্রমবাজার খুলতে সমঝোতা চুক্তিতে সম্মত টিআইবি প্রকৃত ঘটনা জাজ করে স্টেটমেন্ট দেয় না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীর নিরাপত্তা নিয়ে অস্বস্তিকর বাস্তবতা ঈশ্বরগঞ্জে অটোরিকশাচাপায় শ্রমিকের মৃত্যু গণতন্ত্রে হতাশা এবং নেতৃত্বে অসন্তোষ শরীয়তপুরে প্রধান শিক্ষকের ওপর মব হামলা, আদালতে মামলা কন্যাশিশু নির্যাতন: আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক সংকট মনপুরায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে মামলা, ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে বাজেট বাস্তবায়নে ছলচাতুরি চলবে না: চরমোনাই পীর আকাশসীমা পুনরায় খুলে দিয়েছে ইরাক ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে: মাহদী আমিন যেকোনো সাফল্যে যে দোয়া পড়তেন বিশ্বনবি (সা.) রৌমারীতে বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে নারীর মৃত্যু ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার ইসরায়েলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের শেরপুরে ১২ দিনে পাঁচ শিক্ষার্থী নিখোঁজ, অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী ভাঙ্গায় বিয়েবাড়িতে খাবার নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৭ হালুয়াঘাটে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল যুবকের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পাশে মিলল আরেক নারীর মরদেহ ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি পবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইনের চেষ্টায় ১০ জনকে ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ গাজীপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে জনতার হাতে যুবদল নেতা আটক
Nagad desktop

বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতায় ভোট দিতে পারেননি জাককানইবির সহস্রাধিক শিক্ষার্থী

প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:০১ পিএম
বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতায় ভোট দিতে পারেননি জাককানইবির সহস্রাধিক শিক্ষার্থী
ছবি: খবরের কাগজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে তরুণদের ভোটের গুরুত্ব বেশি। অনেক তরুণ এই নির্বাচনে প্রথমবার ভোট দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা সমস্যার কারণে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) সহস্রাধিক শিক্ষার্থী বাড়ি গিয়ে ভোট দিতে পারেননি। তাদের মধ্যে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরাও আছেন।

যানবাহনের অতিরিক্ত ভাড়া, রাস্তায় যানজট, নিরাপত্তার শঙ্কা, একাডেমিক কার্যক্রম, ক্লাস ও পরীক্ষার চাপের কারণে তারা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন না।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ছেলেদের দুটি ও মেয়েদের দুটি আবাসিক হলসহ মোট চারটি হলে বর্তমানে প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী অবস্থান করছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন মেসেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী রয়েছেন। স্বল্প ছুটি ও যাতায়াত-সংকটের কারণে তারা নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছেন না। তাছাড়া দিনাজপুর, পঞ্চগড়, সিলেট, বরিশাল, খুলনা, চট্টগ্রাম ও পটুয়াখালীর মতো দূরবর্তী জেলাগুলোতে স্বল্প সময়ে যাতায়াত করা বেশ কষ্টসাধ্য। ফলে সময় ও অর্থ উভয় দিক বিবেচনায় অনেকে বাড়ি যেতে পারেননি।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘এত গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্বাচন যেখানে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একসঙ্গে সে নির্বাচনে ভোট প্রদানের মাধ্যমে অংশ নিতে না পারাটা দুঃখজনক। ভোট দেওয়ার ইচ্ছা থাকলেও বাস্তবতার কারণেই তারা যেতে পারেননি। বিশেষ করে যাতায়াত ব্যয়, ক্লাস ও পরীক্ষা বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। অনেকেই মনে করেন, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো নির্বাচন উপলক্ষে যদি আলাদা পরিবহন ব্যবস্থা থাকত, তাহলে তারা বাড়ি গিয়ে ভোট দিতে পারতেন।’

নির্বাচনের পরপরই অনেক বিভাগের পরীক্ষা শুরু হবে। আবার অনেকের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার মধ্যেই পড়েছে নির্বাচন। এ কারণে টানা পাঁচ দিনের ছুটি পেলেও অনেকে বাড়ি যেতে পারেননি। এ জন্য তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একাডেমিক ক্যালেন্ডার নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী ও খুলনা ডিভিশনাল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এলাহী মঞ্জুর ইমন বলেন, ‘সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার চাপের মধ্যে আমাদের থাকতে হচ্ছে। ৮ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষা ছিল, আবার ১৫ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষা আছে, আর ঠিক মাঝখানে আজ নির্বাচন। এই পরিস্থিতিতে দূরে গিয়ে ভোট দেওয়া আমাদের জন্য প্রায় অসম্ভব। আমরা সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চাই, কিন্তু পরীক্ষার কারণে সে সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত ছিল জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই দিনটি বিবেচনায় রেখে পরীক্ষার রুটিন প্রণয়ন করা।’

বাড়ি ফিরতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থীকে পড়তে হয়েছে বিড়ম্বনায়। অতিরিক্ত ভাড়া ও তীব্র যানজট মিলিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা ছিল বেশ কষ্টকর। অর্থনীতি বিভাগের ১৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থী তানজিন তাবাসসুম অর্পিতা বলেন, ‘আমার বাড়ি নেত্রকোনায়। ময়মনসিংহ থেকে খুব বেশি দূরে নয়। কিন্তু গতকাল যানজটের কারণে স্বল্প দূরত্ব পাড়ি দিতেই লেগেছে প্রায় তিন ঘণ্টা। বাস ও সিএনজির ভাড়া স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি ছিল। এত ভোগান্তি হবে জানলে হয়তো বাড়ি যেতাম না।’

ভোট দিতে না পারাদের তালিকায় জুলাই আন্দোলনের আন্দোলনকারীরাও রয়েছেন। জুলাই আন্দোলনের সম্মুখ সারির নারী আন্দোলনকারী ও দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী মোছা. সানজিদা খাতুন বলেন, ‘রমজান মাসে আমাদের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা। হাতে খুব কম সময় আছে। ভোটের ছুটি মাত্র পাঁচ দিন হওয়ায় বাড়ি গেলে পড়াশোনার ক্ষতি হতো। তাই ক্যাম্পাসেই থেকে পড়াশোনা করছি।’

আইন ও বিচার বিভাগের শিক্ষার্থী শাহ বিলিয়া জুলফিকার বলেন, ‘রাস্তায় বাস, সিএনজি ও অন্যান্য যানবাহনের ভাড়া পাঁচ গুণ পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এই ভোগান্তি সত্যিই কষ্টকর। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় দেখলাম বিভাগীয় শহরগুলোতে বাস দিয়েছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও এমন উদ্যোগ নেওয়া যেত।’

তিনি আরও বলেন, ‘অনেকেরই এটি জীবনের প্রথম ভোট। জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এই নির্বাচন ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল দূরবর্তী এলাকার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তত পোস্টাল ব্যালটের ব্যবস্থা করা।’

ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুম মিয়া এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় একদিন বেশি ছুটি দিয়েছে, এটি ভালো উদ্যোগ। তবে শিক্ষার্থীদের সংখ্যার ভিত্তিতে বিভিন্ন এলাকায় বাসের ব্যবস্থা করলে আরও ভালো হতো। আর্থিক সংকট ও অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে অনেকেই বাড়ি যেতে পারেনি।’

দর্শন বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী শাকিব আহমেদ হৃদয় জানান, ‘ভোট দিতে যাওয়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু টিউশন, পরীক্ষার চাপ ও অতিরিক্ত যাতায়াত খরচ আমাদের জন্য বড় সমস্যা। যদি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হতো, তাহলে অনেক শিক্ষার্থীই ভোট দিতে পারত।’

সংশ্লিষ্টদের মতে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা বা শিক্ষার্থীদের জন্য পোস্টাল ব্যালট চালু করা হলে তারা সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেতেন।

রাফি/রিফাত/

জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:৫২ পিএম
জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুষদে দুই দিনব্যাপী অধ্যাপক ড. খবির উদ্দিন আহমেদ জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। 

সোমবার (৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা গেছে, বাংলাদেশের ৪২টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৩টি দল এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। প্রিলিমিনারি, কোয়ার্টার-ফাইনাল, সেমি-ফাইনাল এবং গ্র্যান্ড ফাইনাল রাউন্ডে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দল অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

সোসাইটি ফর ক্রিটিক্যাল লিগ্যাল স্টাডিজ (এসসিএলএস)-এর উদ্যোগে গত ৫-৬ জুন অনুষ্ঠিত হওয়া প্রতিযোগিতার সমাপনী দিনে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। এতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুট কোর্ট দলের সদস্যরা হলেন- আইন বিভাগের ২০২২-২০২৩ সেশনের শিক্ষার্থী জান্নাতুল মাওয়া শুচি ও যাইদ ইকরাম এবং ২০২৩-২০২৪ সেশনের শিক্ষার্থী নাফিসা তাবাসসুম।

আরিফ/নাঈম

পবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম
পবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান
ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) নতুন উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান। 

সোমবার (৮ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো. শাহআলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য তাকে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করেছেন। নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী তিনি যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন।

অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান দীর্ঘদিন ধরে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তার নিয়োগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক জানান, নতুন উপাচার্যের নেতৃত্বে শিক্ষা, গবেষণা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে তারা আশা করছেন।

উল্লেখ্য, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দেশের দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে শিক্ষা ও গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

হাসিবুর রহমান/নাঈম

লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:৪৯ পিএম
লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ
ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ। ছবি সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ।

রবিবার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ নিয়োগ প্রদান করা হয়।

নোয়াখালী জেলার স্থায়ী বাসিন্দা ডক্টর মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত গণিত বিভাগের অধ্যাপক পদে কর্মরত রয়েছেন। একইসঙ্গে তাকে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তিনি সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন। 

এদিকে লক্ষ্মীপুরে প্রতিষ্ঠিত নতুন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে ড. মোহাম্মদ হানিফ মুরাদ এর নিয়োগকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

স্থানীয়দের দাবিতের প্রেক্ষিতে ২০২৩ সালে জাতীয় সংসদে লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাশ হয়। একই বছরের ২৬ অক্টোবর লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মুহাম্মদ হানিফ মুরাদ ১৯৭৪ সালের ১০ এপ্রিল নোয়াখালীর এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কুমিল্লার ব্রাদার আন্দ্রে’স হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং নোয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে বিএসসি অনার্স এবং এমএসসি (থিসিস গ্রুপ) ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বিএসসি ও এমএসসি উভয় ডিগ্রিতেই প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। বিএসসি ও এমএসসি ডিগ্রিতে অসামান্য ফলাফলের জন্য তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পুরস্কৃত হন। এছাড়াও তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত গণিতে এম ফিল ডিগ্রি লাভ করেন। 

চাকরি জীবনে আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শেষে ২০০৬ সালে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক পদে যোগদান করেন। 

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে তার ২৭টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। ডক্টর মুরাদ বাংলাদেশ গণিত সমিতির আজীবন সদস্য।

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম/অন্তরা

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ড. তোজাম্মেল হোসেন

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ড. তোজাম্মেল হোসেন
নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন। ছবি: খবরের কাগজ

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন। তিনি ইবির আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।

রবিবার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৩ (সংশোধিত-২০২৫)-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী ড. মো. তোজাম্মেল হোসেনকে মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখের মধ্যে যেটি আগে ঘটবে, ততদিন তিনি উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। এ পদে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাকে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনবোধে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

বিষয়ে অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, 'আমাকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। আমি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে এ দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করব। সংশ্লিষ্ট সবার কাছে দোয়া, পরামর্শ ও সহযোগিতা চাই।'

নিয়ামত উল্লাহ/আজহার/

নবাব সলিমুল্লাহর জন্মবার্ষিকী উদযাপন

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৪:৫১ পিএম
নবাব সলিমুল্লাহর জন্মবার্ষিকী উদযাপন
ছবি: খবরের কাগজ

প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রতিষ্ঠার স্বপ্নদ্রষ্টা নবাব স্যার সলিমুল্লাহর ১৫৫ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সালামের নেতৃত্বে হলের আবাসিক শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ বেগম বাজারস্থ নবাব স্যার সলিমুল্লাহ’র সমাধিতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে। পরে তার কবর জিয়ারত করা হয়। এ উপলক্ষ্যে আজ আসরের পর সলিমুল্লাহ মুসলিম হলে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) উদ্যোগে কবর জিয়ারত ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। জোহরের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ায় নবাব সলিমুল্লাহ’র অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় ও তার কবর সংরক্ষণ এবং সংস্কারের দাবি তোলা হয়।

ডাকসু নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষা বিস্তার, মুসলিম সমাজের উন্নয়ন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে নবাব সলিমুল্লাহ’র ঐতিহাসিক ভূমিকা জাতি চিরদিন কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করবে। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব ও শিক্ষা-অনুরাগ এ দেশের ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে রয়েছে।

কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম জুমা, ক্রীড়া সম্পাদক আরমান হোসেন, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ, কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে সালমা ও কার্যনির্বাহী সদস্য আনাস ইবনে মুনির।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, ঢাকার নবাব ও মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা নবাব স্যার সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অনন্য অবদান রাখেন। স্যার সলিমুল্লাহর উল্লেখযোগ্য অবদানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য জমি দান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পক্ষে জনমত গঠন করেন। ১৯২০ সালে দ্য ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট পাশ হওয়ার ক্ষেত্রেও বিশেষ ভূমিকা পালন করেন তিনি। ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ।

আরিফ জাওয়াদ/এসএন