ঢাকা ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
আলহামদুলিল্লাহ শব্দটি কেন এত শক্তিশালী? হলিউড অভিনেতা খুন, প্রেমিকার ছেলে গ্রেপ্তার শ্রীমঙ্গলে বাস-পিকআপভ্যান সংঘর্ষ, নিহত ১ স্বর্ণ ভরিতে কমল ৫৪৮২ টাকা এআই এজেন্টের নতুন প্ল্যাটফর্ম প্রজেক্ট সোলারা কেএফটির শিক্ষার্থী প্রিয়ন্তের বিশ্বজয়, রোবটিক্স অলিম্পিয়াডে স্বর্ণপদক অর্জন সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায়  হামে এক শিশুর মৃত্যু নড়াইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‌্যালি মুকুসদপুরে মেসির ১৬ ফুট উচ্চতার ভাস্কর্য ও নেইমারের প্রতিকৃতি জামালপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনামূলক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত সাঘাটায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৩ চ্যাটজিপিটির মেমোরি ফিচারে বড় পরিবর্তন বিমানবাহিনী জাদুঘরে রেনেসন্স হোটেলের বাহার রেস্টুরেন্টে শুরু হচ্ছে ‘ম্যাজিক্যাল ফ্রাইডে ব্রাঞ্চ’ বিদ্যুতের খুঁটি থেকে ঘুঘুর বাচ্চা নামাতে গিয়ে প্রাণ গেল কিশোরের চাঁদপুরে ‘টেইল অব হিলসা অ্যান্ড আ বয়’ এর মোড়ক উন্মোচন ১০ জনকে পুশইনের ৩০ ঘণ্টা পরও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বিজিবি-বিএসএফ পথচারীকে ধাক্কা দিয়ে তরুণীর হুমকি, ‘আমার স্বামী পুলিশ’ দেওয়ানগঞ্জে চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে যুবক নিহত সেলফ কেয়ার রুটিন যখন থেরাপি জাতিসংঘের সর্বোচ্চ সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশের ৬ শান্তিরক্ষী এখনই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিন সন্ধ্যার মধ্যে ১৪ অঞ্চলে হতে পারে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি সোনারগাঁয় কাভার্ডভ্যান উল্টে চালক নিহত ফেসবুক পোস্টের জেরে মামলা, সাংবাদিক পরিচয়ে মানববন্ধন লক্ষ্মীপুরে ২ মাদককারবারিকে পুলিশে দিলো জনতা ফেনীতে ডেঙ্গু রোধে সচেতনতামূলক র‍্যালি কুড়িগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলে নিহত মুন্সীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম মঞ্চের জন্য অনেক গবেষণামূলক কাজ করতে চাই: জুয়েনা শবনম
Nagad desktop

বিইউবিটিতে ‘গবেষণা অনুদান অর্জনে একাডেমিক প্রবন্ধ লেখার পদ্ধতি’ শীর্ষক সেমিনার

প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৫, ০৭:২১ পিএম
আপডেট: ২৩ জানুয়ারি ২০২৫, ০৭:২২ পিএম
বিইউবিটিতে ‘গবেষণা অনুদান অর্জনে একাডেমিক প্রবন্ধ লেখার পদ্ধতি’ শীর্ষক সেমিনার
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনলজিতে (বিইউবিটি) ‘গবেষণা অনুদান অর্জনে অ্যাকাডেমি প্রবন্ধ লেখার পদ্ধতি’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিইউবিটির আন্তর্জাতিক সম্মেলন কক্ষে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মারডক ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং ও এনার্জি স্কুলের সহযোগী অধ্যাপক এবং সহযোগী ডিন (লার্নিং অ্যান্ড টিচিং) ড. জি. এম. শফিউল্লাহ।

এসময় তিনি উদীয়মান গবেষক ও শিক্ষাবিদদের উদ্দেশ্যে অ্যাকাডেমিক প্রবন্ধ লেখার সঠিক পদ্ধতি সমন্ধে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি এবং বিআরআইসির পরিচালক অধ্যাপক শান্তি নারায়ণ ঘোষ।

তিনি বক্তব্যে, গবেষণাভিত্তিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরার পাশাপাশি অংশগ্রহণকারীদের শিক্ষা ও পেশায় উন্নতির ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিআরআইসির উপ-পরিচালক মোঃ মাহমুদ হোসেনসহ বিইউবিটির কোষাধ্যক্ষ, বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় চেয়ারম্যানক, শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা।

নাইমুর/

রেনেসন্স হোটেলের বাহার রেস্টুরেন্টে শুরু হচ্ছে ‘ম্যাজিক্যাল ফ্রাইডে ব্রাঞ্চ’

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০২:৩২ পিএম
রেনেসন্স হোটেলের বাহার রেস্টুরেন্টে শুরু হচ্ছে ‘ম্যাজিক্যাল ফ্রাইডে ব্রাঞ্চ’
ছবি: সংগৃহীত

পরিবারের সঙ্গে আনন্দময় সপ্তাহান্ত উদযাপনের জন্য ঢাকার গুলশানে রেনেসন্স হোটেলের বাহার রেস্টুরেন্ট নিয়ে এসেছে বিশেষ আয়োজন ‘ম্যাজিক্যাল ফ্রাইডে ব্রাঞ্চ’। 

আগামী ১২ জুন ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে পুরো জুন মাসজুড়ে প্রতি শুক্রবার বাহার রেস্টুরেন্টে থাকবে এ আয়োজন।

জন প্রতি মূল্য ৩ হাজার ২৫০ টাকা নেট, যেখানে গ্রামীণফোন স্টার ও বাংলালিংক অরেঞ্জ ক্লাব এলিট গ্রাহকরা, নির্বাচিত ব্যাংক কার্ডধারী এবং গ্রুপ বুকিংয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫% পর্যন্ত ছাড় উপভোগ করতে পারবেন।

পরিবারের সকল সদস্যের জন্য বিশেষভাবে সাজানো এই ব্রাঞ্চে থাকছে শিশুদের জন্য আলাদা কিডস অ্যাক্টিভিটি কর্নার, যেখানে থাকবে শেফের বিশেষভাবে প্রস্তুতকৃত শিশুদের মেনু। 

পাশাপাশি ছোটদের বিনোদনের জন্য থাকছে ম্যাজিক শো, পাপেট শো এবং ফেস পেইন্টিং, যা তাদের দিনটিকে আরও আনন্দময় করে তুলবে।

এই বিশেষ ব্রাঞ্চে অতিথিরা উপভোগ করতে পারবেন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় নানা স্বাদের সমাহার। লাইভ গ্রিল স্টেশনে থাকছে গার্লিক প্রনস, হানি মাস্টার্ড সি বাস ইন বানানা লিফ, বিফ টেন্ডারলয়েন এবং মঙ্গোলিয়ান গ্রিলড ল্যাম্ব কোফতা। 

এ ছাড়াও থাকবে স্মোকড স্যামন, বিভিন্ন ধরনের চিজ, সারকুটারি, অ্যান্টিপাস্তি এবং তাজা সালাদের সমৃদ্ধ আয়োজন।

হট বুফের আকর্ষণীয় পদগুলোর মধ্যে রয়েছে মাটন সুলেমানি কাবাব, বিফ বটি কাবাব, থাই গ্রিন বিফ কারি, অথেনটিক প্যাড থাই নুডলস, চাইনিজ স্টাইল চিলি চিকেন, মাটন বিরিয়ানি, বিফ মেজবানি, চিকেন ভুনা, ক্লাসিক বিফ গুলাশ, চিকেন পারমিজিয়ানা এবং মিক্সড সিফুড লাসানিয়া।

শিশুদের জন্য আলাদা বুফেতে থাকছে মিনি বিফ বার্গার, চিকেন নাগেটস, ম্যাক অ্যান্ড চিজ, মিনি চিকেন হট ডগ এবং ভেজিটেবল ফ্রাইড রাইস।

মিষ্টান্নপ্রেমীদের জন্য থাকছে চকলেট রাস্পবেরি ডিলাইট, বেকড চিজকেক, ব্ল্যাক ফরেস্ট কেক, রেড ভেলভেট কেক, ক্রেম ক্যারামেল, জাফরানি রসগোল্লা, রাইস পুডিং, পাশাপাশি লাইভ ওয়াফল ও প্যানকেক স্টেশন এবং বিভিন্ন স্বাদের আইসক্রিম কাউন্টার।

সুস্বাদু খাবার, মনোমুগ্ধকর বিনোদন এবং পরিবারের সকল সদস্যের জন্য আনন্দঘন অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে ‘ম্যাজিক্যাল ফ্রাইডে ব্রাঞ্চ’ হতে যাচ্ছে ঢাকার অন্যতম আকর্ষণীয় উইকএন্ড ডেস্টিনেশন।

রিজার্ভেশন ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে হবে রেনেসন্স ঢাকা গুলশান হোটেলের হট লাইন নম্বরে: +৮৮০ ১৭০৪-১১২৬৪৮।

বিজ্ঞপ্তি/

তিন ক্যাটাগরিতে রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস পেল এপেক্স ফুটওয়্যার

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:০৯ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:১০ এএম
তিন ক্যাটাগরিতে রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস পেল এপেক্স ফুটওয়্যার
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ তিনটি পুরস্কার জিতেছে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড। টানা তৃতীয় বারের মতো মর্যাদাপূর্ণ এ আয়োজনে স্বীকৃতি পেল প্রতিষ্ঠানটি।

এ অর্জনের মাধ্যমে দেশের জুতা শিল্পে নিজেদের শীর্ষ অবস্থান আরও দৃঢ় করল এপেক্স। এ বছর ‘এআই ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’, ‘ফুটওয়্যার রিটেইলার অব দ্য ইয়ার’ এবং ‘সাসটেইনেবিলিটি ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’—এই তিন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতেছে প্রতিষ্ঠানটি।

রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস প্রতিবছর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের রিটেইল খাতে অসামান্য সাফল্য, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং নেতৃত্বকে স্বীকৃতি দেয়। এর আগে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে টানা দুই বছর ‘ফুটওয়্যার রিটেইলার অব দ্য ইয়ার’ ও ‘সাসটেইনেবিলিটি ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছিল এপেক্স।

এবার প্রথমবারের মতো ‘এআই ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’ ক্যাটাগরিতেও স্বীকৃতি পেল প্রতিষ্ঠানটি। এর মাধ্যমে পুরস্কারের তালিকায় যুক্ত হলো নতুন একটি অর্জন।

অ্যাওয়ার্ড-এর জন্য এপেক্সের বিভিন্ন কার্যক্রমকে মূল্যায়ন করেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা। বিচারক প্যানেলে ছিলেন ইওয়াই-পার্থেনন, ইউরোমনিটর ইন্টারন্যাশনাল, কেপিএমজি, আরএসএম সিঙ্গাপুর, কার্নেই, পিডব্লিউসি অস্ট্রেলিয়া, এবং প্রতিনিধিরা।

সম্প্রতি সিঙ্গাপুরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফিরোজ মোহাম্মদ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এপেক্সের হেড অব মার্কেটিং মো. রায়হান কবির এবং হেড অব রিটেইল বিজনেস আরবাবুর রহমান।

এবারের স্বীকৃতির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ঈদ উপলক্ষে চালু করা ‘এপেক্স এআই স্টাইলিস্ট’ উদ্যোগ। বাংলাদেশের রিটেইল খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-এর ব্যবহারে এটি একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ।

এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ৮৩ হাজারের বেশি সেশন সম্পন্ন হয়েছে এবং এআই সাজেশনের মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ ৯০ হাজার বার ক্রেতাদের পণ্য বেছে নিতে সহায়তা করেছে। এর মাধ্যমে প্রায় ৯ হাজার ৫০০ টি ডিজিটাল অর্ডার সম্পন্ন করেছে এপেক্স, যেখানে গ্রাহক সন্তুষ্টির হার ছিল ৯০ দশমিক ৪ শতাংশ। সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৯১ লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের পণ্য বিক্রি করেছে প্রতিষ্ঠানটি, যা আগের বছরের তুলনায় ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।

পুরস্কারপ্রাপ্তি প্রসঙ্গে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ মোহাম্মদ বলেন, “বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃত হওয়ায় আমরা বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গর্বিত। টানা তিন বছর ধরে রিটেইল এশিয়া এপেক্সকে ‘ফুটওয়্যার রিটেইলার’, ‘সাসটেইনেবিলিটি’ এবং এবার ‘এআই ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারে সম্মানিত করেছে। এই অর্জন আমাদের প্রতিটি এপেক্সিয়ান এবং সেই সব গ্রাহকের, যারা বিশ্বাস করেন বাংলাদেশি মান বিশ্বমঞ্চে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে। বছরের পর বছর আমাদের পাশে থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।”

পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখিয়েছে এপেক্স। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বছরে ৪৬ লাখ লিটার ভূগর্ভস্থ পানি সাশ্রয় করছে। এ ছাড়া দেশের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ এলডব্লিউজির গোল্ড সনদপ্রাপ্ত বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) পরিচালনা করছে তারা।

সৌরশক্তির ব্যবহার এবং পিইটি-টু-প্রোডাক্ট সার্কুলার ইকোনমি উদ্যোগের আওতায় ৪৫১ টন বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে গত এক বছরে ২ হাজার ৫০৭ দশমিক ২০ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও টেকসই উদ্যোগের পাশাপাশি দেশের খুচরা বাজারেও শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে এপেক্স। ২০২৫ সালের ফাউন্ডার্স ডে উপলক্ষে ৫৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের বিক্রির মাইলফলক স্পর্শ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে সারা দেশে এপেক্সের খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে।

ঈদকে কেন্দ্র করে পরিচালিত কৌশলগত বিপণণ (স্ট্র্যাটেজিক মার্কেটিং)-এর মাধ্যমে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছেছে এপেক্স। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির বিস্তৃত রিটেইল নেটওয়ার্কের আওতায় রয়েছেন ৭০ লাখের বেশি ক্রেতা। এর মধ্যে ৫৮ লাখ নিবন্ধিত লয়্যালটি গ্রাহকের ৫৭ শতাংশ নিয়মিত পুনরায় কেনাকাটা করেন, যা জুতার বাজারে এপেক্সের অবস্থানকে আরও শক্ত করেছে।

আমান/

ওয়ালটন হাই-টেকের সঙ্গে ডিজি-টেক একীভূতকরণে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম
ওয়ালটন হাই-টেকের সঙ্গে ডিজি-টেক একীভূতকরণে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন হাই- টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সঙ্গে দেশের শীর্ষ প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের একীভূতকরণ প্রক্রিয়াকে অনুমোদন দিলো শেয়ারহোল্ডারগণ।

এর মধ্য দিয়ে প্রযুক্তিপণ্য খাতের শীর্ষ এই দুই প্রতিষ্ঠানের একীভূতকরণ প্রক্রিয়া কার্যকর করার লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। এই একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন গ্রহণের লক্ষ্যে বুধবার (৩ জুন, ২০২৬) ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজন করে।

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলমের সভাপতিত্বে ইজিএমে ডিজি-টেক একীভূতকরণ প্রস্তাবনাকে সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন প্রদান করেন ওয়ালটন হাই-টেকের শেয়ারহোল্ডারগণ।

সভায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দেন ওয়ালটন হাই-টেকের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম, উদ্যোক্তা পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী ও এস এম রেজাউল আলম, পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল আলম অভী, তাহমিনা আফরোজ, রাইসা সিগমা হিমা এবং সাবিহা জারিন অরনা, স্বতন্ত্র পরিচালক ড. সাদিকুল ইসলাম, পিএইচডি, এফসিএমএ ও জোহরা বিবি।

এছাড়াও ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মো. জিয়াউল আলম, এফসিএ, এসিএ (আইসিএইডবিউ), কোম্পানির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রাতিষ্ঠানিক এবং সাধারণ শেয়ারহোল্ডার ইজিএমে অংশ নেন।

সভা সঞ্চালনা করেন ওয়ালটন হাই-টেকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং কোম্পানি সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, এফসিএস।

সভায় অংশগ্রহণকারী শেয়ারহোল্ডারদের নিকট ডিজি-টেক একীভূতকরণ প্রস্তাবনার প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য এবং সুবিধাসমূহ তুলে ধরে ওয়ালটন হাই-টেকের চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম বলেন, বাংলাদেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক পুঁজিবাজারের একটি কমপ্লায়েন্সনির্ভর, মৌলভিত্তিসম্পন্ন এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠান।

অন্যদিকে ওয়ালটন ডিজি-টেক ল্যাপটপ, কম্পিউটার, প্রিন্টার, মোবাইল ফোন, প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড (পিসিবি), ইলেকট্রিক বাইকসহ অসংখ্য আইসিটি পণ্য, এক্সেসরিজ এবং প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।

তিনি জানান, ডিজি-টেক একীভূতকরণের ফলে ওয়ালটন হাই-টেকের প্রোডাক্ট লাইন আরও শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি কোম্পানির বাজার সম্প্রসারণ, কার্যক্ষমতাৎ বৃদ্ধি এবং পরিচালন ব্যয় হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যার সুফল পাবেন ওয়ালটন হাই-টেকের শেয়ারহোল্ডারগণ।

ইজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশ্যে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, ওয়ালটন ডিজি-টেককে ওয়ালটন হাই-টেকের সঙ্গে একীভূত করার এই প্রস্তাবটি মূলত একটি সমৃদ্ধ আগামীর স্বপ্ন।

এই সিদ্ধান্ত ওয়ালটনের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক কার্যক্রমকে আরও একধাপ এগিয়ে নেবে। এই একীভূতকরণ শুধু দুটি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় নয়; এটি আমাদের প্রযুক্তি, মানবসম্পদ, গবেষণা-উন্নয়ন সক্ষমতা এবং বাজার সম্প্রসারণ কৌশলকে একটি অভিন্ন শক্তিতে রূপান্তর ঘটাবে।

এর ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ হবে দ্রুততর, সম্পদের ব্যবহার হবে আরও দক্ষ এবং শেয়ারহোল্ডারদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে অধিক মূল্য সৃষ্টি হবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু বাংলাদেশের বাজারে নেতৃত্ব দেওয়া নয়; বরং বিশ্ববাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত প্রযুক্তিপণ্যের একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটনকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া।

আমরা বিশ্বাস করি, এই একীভূতকরণ সেই অগ্রযাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করবে। ইজিএমে অংশগ্রহণকারী শেয়ারহোল্ডারগণ ওয়ালটন ডিজি-টেক একীভূতকরণ প্রস্তাবনাকে সাধুবাদ জানান। ওয়ালটন হাই-টেকের প্রোডাক্ট লাইন আরও শক্তিশালী করা, হাই-টেকের ব্যবসায়িক পরিধি বৃদ্ধি এবং বাজার সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি, সম্পদের দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং পরিচালন ব্যয় হ্রাসের লক্ষ্যে ওয়ালটন ডিজি-টেক একীভূতকরণের উদ্যোগকে অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী, বিচক্ষণ ও সময়োপযোগি এক ব্যবসায়িক কৌশল হিসেবে অভিহিত করেন শেয়ারহোল্ডারগণ।

এমন উদ্যোগের জন্য ওয়ালটন হাই-টেক এবং ডিজি-টেকের পরিচালনা পর্ষদকে আন্তরিক অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ জানান তারা। ইজিএমে জানানো হয়, ওয়ালটন ডিজি-টেক একীভূতকরণের ক্ষেত্রে কোম্পানিটির ৩৮.৪৫ শেয়ারের বিপরীতে ওয়ালটন হাই-টেকের ১টি শেয়ার ইস্যু করা হবে। সেই হিসাবে ওয়ালটন ডিজি-টেকের ৩ কোটি শেয়ারের বিপরীতে ওয়ালটন হাই-টেকের মোট ৭ লাখ ৮০ হাজার ২৩৪টি শেয়ার ইস্যু করা হবে।

আমান/

বাজেট নিয়ে উদীয়মান ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠকে অর্থমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১০:৩৪ এএম
বাজেট নিয়ে উদীয়মান ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠকে অর্থমন্ত্রী
ঢাকা ফোরাম ইনিশিয়েটিভ (ডিএফআই) প্রি-বাজেট রাউন্ডটেবিল ২০২৬

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার, বিনিয়োগ পরিবেশ এবং ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির দিকনির্দেশনা নিয়ে উদীয়মান ব্যবসায়ী নেতা, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী এবং নীতিনির্ধারকদের অংশগ্রহণে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা ফোরাম ইনিশিয়েটিভ (ডিএফআই) প্রি-বাজেট রাউন্ডটেবিল ২০২৬।

বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় ঢাকার হোটেল সারিনায় অনুষ্ঠিত এই বিশেষ গোলটেবিল বৈঠকটি জাতীয় বাজেট ২০২৬–২৭ বাস্তবায়নের প্রাক্কালে দেশের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী এবং নতুন প্রজন্মের ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও সরাসরি সংলাপের সুযোগ সৃষ্টি করে।

জাতীয় বাজেট ২০২৬–২৭ বাস্তবায়নের প্রাক্কালে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ গোলটেবিল বৈঠকটি দেশের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারক এবং নতুন প্রজন্মের ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে সরাসরি মতবিনিময়ের একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। 

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল দেশের বহু দ্বিতীয় প্রজন্মের উদ্যোক্তা ও তরুণ ব্যবসায়ী নেতার অংশগ্রহণ, যারা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি নিয়ে তাদের ভাবনা, উদ্বেগ ও প্রত্যাশা সরাসরি তুলে ধরার সুযোগ পান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও বিএনপির পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু, যিনি অতীতে দলের অর্থনৈতিক নীতিমালা ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রণয়ন-সংক্রান্ত কার্যক্রমের সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন।

আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা ফোরাম ইনিশিয়েটিভের প্রধান কৌশলবিদ আশফাক জামান। 

তিনি নীতিনির্ধারক এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি নির্মাণে ভূমিকা রাখা নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের মধ্যে আরও শক্তিশালী সম্পৃক্ততা ও পারস্পরিক আস্থা গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

গোলটেবিল আলোচনায় বেসরকারি খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ ও নিয়ন্ত্রক সংস্কার, ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নয়ন, পুঁজিবাজারের বিকাশ, সৃজনশীল অর্থনীতি, সবুজ অর্থনীতি এবং নীল অর্থনীতির সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

অংশগ্রহণকারীরা ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল নিয়েও মতবিনিময় করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি অংশগ্রহণমূলক ও অংশীদারিত্বভিত্তিক শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক এবং বেসরকারি খাত দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। তিনি উদ্ভাবন, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এবং সর্বস্তরের অর্থনৈতিক অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করতে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, ব্যবসাবান্ধব ও সুযোগভিত্তিক অর্থনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো ডিরেগুলেশন বা অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক জটিলতা হ্রাস করে ব্যবসা পরিচালনাকে সহজতর করা, যাতে বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি ও উদ্যোক্তা বিকাশ আরও ত্বরান্বিত হয়। পাশাপাশি তিনি নারী উদ্যোক্তাদের বৃহত্তর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং সমাজের সব স্তরে অর্থনৈতিক সুযোগের গণতন্ত্রীকরণের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনার এক পর্যায়ে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক রূপকল্পে কয়েকটি অপ্রচলিত কিন্তু সম্ভাবনাময় খাতের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে ফ্রুগাল ইনোভেশন, সৃজনশীল অর্থনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার- যেগুলোকে তিনি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী নেতারা নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগকে স্বাগত জানান এবং বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন, নিয়ন্ত্রক জটিলতা হ্রাস, বাজেট-সংক্রান্ত সুপারিশ, উদ্যোক্তা বিকাশ এবং উদীয়মান ব্যবসার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা জোরদারের বিষয়ে বিভিন্ন বাস্তবধর্মী মতামত তুলে ধরেন।

ঢাকা ফোরাম ইনিশিয়েটিভের প্রতিনিধিরা বলেন, একটি টেকসই, প্রতিযোগিতামূলক ও ভবিষ্যতমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে অর্থবহ সংলাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই রাউন্ডটেবিলে উত্থাপিত মতামত ও সুপারিশসমূহ দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত বৃহত্তর নীতিগত আলোচনায় ইতিবাচক অবদান রাখবে।

অনুষ্ঠানটি একটি নেটওয়ার্কিং ডিনারের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা পারস্পরিক সহযোগিতা, নতুন অংশীদারত্ব এবং ভবিষ্যৎ উদ্যোগ নিয়ে আরও বিস্তৃত মতবিনিময় করেন।

অমিয়/

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ডিজিটাল সম্প্রচার স্বত্ব পেল বাংলালিংক ও টফি

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৫:২৯ পিএম
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ডিজিটাল সম্প্রচার স্বত্ব পেল বাংলালিংক ও টফি
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ওটিটি সম্প্রচার স্বত্ব পেয়েছে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক

আসন্ন ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ওটিটি সম্প্রচার স্বত্ব পেয়েছে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। এর ফলে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরের সবগুলো অর্থাৎ ১০৪টি ম্যাচই টফিতে উপভোগ করতে পারবেন দেশের ফুটবলপ্রেমীরা।

কাতারে অনুষ্ঠিত ২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের ম্যাচ টফিতে দেখেছিলেন ১ কোটি ৫০ লাখের বেশি দর্শক। সেই অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় এবার স্মার্টফোন, ল্যাপটপ ও স্মার্ট টিভিতে বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করবে টফি।

ম্যাচগুলো দেখতে টফি অ্যাপ ও মাইবিএল সুপার অ্যাপের বিভিন্ন সাবস্ক্রিপশন প্যাকেজ বেছে নিতে পারবেন দর্শকেরা। বাংলালিংকের গ্রাহকেরা নির্দিষ্ট ৩০ দিনের ইন্টারনেট প্যাকের মাধ্যমেও টফিতে বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি অন্য মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকেরা সরাসরি টফির মাধ্যমে সাবস্ক্রিপশন নিতে পারবেন। এ ছাড়া বাংলালিংকের দেশব্যাপী রিটেইল ও রিচার্জ নেটওয়ার্কেও পাওয়া যাবে এসব সাবস্ক্রিপশন প্যাকেজ।

তবে টফির আয়োজন শুধু খেলা সম্প্রচারেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। বিশ্বকাপের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে ফুটবল অনুরাগীদের জন্য দেশজুড়ে আয়োজন করা হবে পাবলিক স্ক্রিনিংসহ বিভিন্ন দর্শক-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম। এতে ফুটবলপ্রেমীরা একসঙ্গে খেলা উপভোগ, প্রিয় দলকে সমর্থন এবং বিশ্বকাপের উন্মাদনা ভাগাভাগি করার সুযোগ পাবেন।

এ ছাড়া দর্শকদের বিশ্বকাপ–অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে টফিতে প্রচার করা হবে দৈনিক বিশ্বকাপ রিভিউ অনুষ্ঠান। এতে ফুটবল বিশ্লেষক, তারকা ও বিভিন্ন অঙ্গনের পরিচিত ব্যক্তিরা বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, আলোচিত ঘটনা এবং ম্যাচের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করবেন।

বড় পরিসরের যেকোন ইভেন্ট লাইভ চলাকালীন সময়ে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক দর্শককে সেবা দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে টফির স্ট্রিমিং অবকাঠামো। ফলে পুরো বিশ্বকাপজুড়ে দর্শকেরা নির্ভরযোগ্য ও নির্বিঘ্ন সম্প্রচার উপভোগ করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তি/