ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বিষাদ-বেদনার আঙুলে চুমো খাও নির্বাচনের খরা কাটল মাসুদুজ্জামানের শান্তি নিদ্রা আব্বার সেই ম্লান হাসিটা আমাকে তাড়া করে বেড়িয়েছে বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ পানির বোতল যে বই কেউ ছাপতে চায়নি সেই বইয়ের বুকার জয় ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে ভর্তি আরও ১৯ শিশু বেড়েছে মুরগি, কাঁচা মরিচ-কাঁচা পেঁপের দাম বাতাসে যেন আগুনের হলকা, কষ্টে প্রাণিকুল তিন ক্যাটাগরিতে রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস পেল এপেক্স ফুটওয়্যার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবারও যাত্রীবাহী বাস পড়ল পদ্মা নদীতে চুয়াডাঙ্গায় পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর গ্রেপ্তার খুলনায় হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর ভিড় গোপালগঞ্জে দুই বাসের সংঘর্ষ, নিহত ২ ৬ ঘণ্টা পরে ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রাম-সিলেটের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক কর্মস্থলে গরমে হাঁসফাঁস ভ্যাট রিটার্ন দাখিলে আসছে ত্রৈমাসিক ব্যবস্থা ভূঞাপুরে দুই গ্রামের সংঘর্ষে নিহত ১, মাইকিং করে ফের সংঘর্ষের ঘোষণা পর্যটন খাতে তাপের প্রভাব বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধনের খসড়া অনুমোদন ইসলামী ব্যাংকের অধিকাংশ শাখায় কলমবিরতি হয়নি নাটোরে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু বেলকুচিতে বাসচাপায় অটোভ্যানের ৩ যাত্রী নিহত বন্ধ শিল্প ও প্রতিষ্ঠান সচল করতে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল ফেনীতে প্রখর রোদে দুর্ভোগে খেটে খাওয়া মানুষ বজ্রপাতে চার জেলায় নিহত ১০ দিলারার রেকর্ড গড়া ইনিংসে বাংলাদেশের জয় কৃষ্ণচূড়ার রাঙা মঞ্জরি ৫ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল তৃণমূলে বিদ্রোহের নেপথ্যে ‘ভাইপোবিরোধী’ হাওয়া
Nagad desktop

হোটেল সারিনা ঢাকায় ঈদুল আজহার বিশেষ আয়োজন

প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৬, ০৯:৪৭ এএম
হোটেল সারিনা ঢাকায় ঈদুল আজহার বিশেষ আয়োজন
ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল আজহায় হোটেল সারিনা ঢাকা আপনাকে আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে এক অনন্য উৎসবমুখর ডাইনিং অভিজ্ঞতায়, যেখানে একসাথে উপভোগ করা যাবে Summerfields, Amrit, Risotto এবং Street 17 Café-এর বিশেষ আয়োজন। 

একতা, উদারতা ও আনন্দের চেতনাকে ধারণ করে হোটেলটি উপস্থাপন করছে এক্সক্লুসিভ ঈদ প্ল্যাটার, সমৃদ্ধ বুফে এবং গুরমে খাবারের বর্ণাঢ্য সমাহার- যা পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরি করবে।

Amrit-এর ঈদ-স্পেশাল প্ল্যাটার, Street 17 Café-এর প্রাণবন্ত ক্যাফে আইটেম, Risotto-র হাতে তৈরি ইতালিয়ান খাবার এবং Summerfields-এর সমৃদ্ধ বুফে- প্রতিটি আয়োজনই আপনার ঈদ উদযাপনকে আরও আনন্দময় ও পরিপূর্ণ করে তুলতে যত্নসহকারে সাজানো হয়েছে।

Street 17 Café-এ থাকছে প্রাণবন্ত ও আধুনিক ক্যাফে অভিজ্ঞতা, যেখানে রয়েছে জনপ্রিয় কমফোর্ট ফুড ও ক্যাজুয়াল আড্ডার জন্য পারফেক্ট কিছু আইটেম:

• Sliders Set
• Chicken Combo
• Flavors of Momo Basket
• Grilled Vegetable & Feta
• Crispy Vegetable Cutlet
• Vegetable Wrap with Fries
• Spicy Tofu Burger with Fries

এছাড়াও ঈদের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তুলতে থাকছে বিশেষ কিছু পছন্দের আইটেম-

• Fish & Chips – ক্রিস্পি ফিশের সাথে গোল্ডেন ফ্রাইস
• Fish Finger Basket – ছয় পিস ক্রাঞ্চি ফিশ ফিঙ্গার, ফ্রাইস ও সিগনেচার ডিপ
• Club Sandwich Combo – ক্লাসিক স্যান্ডউইচ, ফ্রাইস ও রিফ্রেশিং বেভারেজ

Amrit (ইন্ডিয়ান কুইজিন)-এ উপভোগ করুন ঐতিহ্যবাহী ও সমৃদ্ধ স্বাদের এক অনন্য অভিজ্ঞতা, যেখানে রয়েছে ঈদ স্পেশাল প্ল্যাটারসমূহ:

• Fish & Grill Platter – হারিয়ালি ফিশ, চিকেন কাবাব, রাইস/রুটি, গুলাব জামুন ও ড্রিংক
• Amrit Veg Platter – হারাভরা কাবাব, পালক পনির, রাইস/রুটি, গুলাব জামুন ও ড্রিংক
• Traditional Feast Platter – চিকেন জালফ্রেজি, পনির টিক্কা, রাইস/রুটি ও ডেজার্ট

উৎসবকে আরও সমৃদ্ধ করতে থাকছে:

• Shahi Nalli Nihari – ধীরে রান্না করা সমৃদ্ধ স্বাদের নেহারি, পরিবেশন করা হবে পরোটা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিকের সাথে
• Hyderabadi Street Food Experience – মিনি চিকেন ৬৫, সামোসা চাট, পানি পুরি সহ আরও নানা মুখরোচক আইটেম
Risotto (ইতালিয়ান ফাইন ডাইনিং)-এ চলমান Eid Pasta Fest অতিথিদের জন্য নিয়ে এসেছে হাতে তৈরি ইতালিয়ান।

স্পেশালিটি:

• Seafood Ravioli with Prawn Bisque Sauce
• Spinach Mushroom Ravioli alla Rosa
• Prawn Spinach Cannelloni
• Tagliatelle with Cheese-Stuffed Meatballs
• Classic Penne alla Carbonara

হোটেল সারিনা ঢাকার এক মুখপাত্র বলেন, ‘এই ঈদে আমাদের লক্ষ্য শুধু খাবার পরিবেশন নয়, বরং এমন একটি পূর্ণাঙ্গ অভিজ্ঞতা প্রদান করা—যেখানে স্বাদ, পরিবেশ ও আতিথেয়তা একত্রিত হয়ে সৃষ্টি করবে স্মরণীয় উদযাপন।’

পারিবারিক আয়োজন, কর্পোরেট অনুষ্ঠান কিংবা উৎসবের সাধারণ আড্ডা- সবক্ষেত্রেই হোটেল সারিনা নিশ্চিত করছে এক বিলাসবহুল ও হৃদয়ছোঁয়া ঈদ অভিজ্ঞতা। 

রিজার্ভেশন ও তথ্যের জন্য: +8801329684542

বিজ্ঞপ্তি/

তিন ক্যাটাগরিতে রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস পেল এপেক্স ফুটওয়্যার

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:০৯ এএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:১০ এএম
তিন ক্যাটাগরিতে রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস পেল এপেক্স ফুটওয়্যার
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ তিনটি পুরস্কার জিতেছে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড। টানা তৃতীয় বারের মতো মর্যাদাপূর্ণ এ আয়োজনে স্বীকৃতি পেল প্রতিষ্ঠানটি।

এ অর্জনের মাধ্যমে দেশের জুতা শিল্পে নিজেদের শীর্ষ অবস্থান আরও দৃঢ় করল এপেক্স। এ বছর ‘এআই ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’, ‘ফুটওয়্যার রিটেইলার অব দ্য ইয়ার’ এবং ‘সাসটেইনেবিলিটি ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’—এই তিন ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতেছে প্রতিষ্ঠানটি।

রিটেইল এশিয়া অ্যাওয়ার্ডস প্রতিবছর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের রিটেইল খাতে অসামান্য সাফল্য, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং নেতৃত্বকে স্বীকৃতি দেয়। এর আগে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে টানা দুই বছর ‘ফুটওয়্যার রিটেইলার অব দ্য ইয়ার’ ও ‘সাসটেইনেবিলিটি ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’ ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছিল এপেক্স।

এবার প্রথমবারের মতো ‘এআই ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’ ক্যাটাগরিতেও স্বীকৃতি পেল প্রতিষ্ঠানটি। এর মাধ্যমে পুরস্কারের তালিকায় যুক্ত হলো নতুন একটি অর্জন।

অ্যাওয়ার্ড-এর জন্য এপেক্সের বিভিন্ন কার্যক্রমকে মূল্যায়ন করেন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা। বিচারক প্যানেলে ছিলেন ইওয়াই-পার্থেনন, ইউরোমনিটর ইন্টারন্যাশনাল, কেপিএমজি, আরএসএম সিঙ্গাপুর, কার্নেই, পিডব্লিউসি অস্ট্রেলিয়া, এবং প্রতিনিধিরা।

সম্প্রতি সিঙ্গাপুরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফিরোজ মোহাম্মদ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এপেক্সের হেড অব মার্কেটিং মো. রায়হান কবির এবং হেড অব রিটেইল বিজনেস আরবাবুর রহমান।

এবারের স্বীকৃতির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে ঈদ উপলক্ষে চালু করা ‘এপেক্স এআই স্টাইলিস্ট’ উদ্যোগ। বাংলাদেশের রিটেইল খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-এর ব্যবহারে এটি একটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ।

এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ৮৩ হাজারের বেশি সেশন সম্পন্ন হয়েছে এবং এআই সাজেশনের মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ ৯০ হাজার বার ক্রেতাদের পণ্য বেছে নিতে সহায়তা করেছে। এর মাধ্যমে প্রায় ৯ হাজার ৫০০ টি ডিজিটাল অর্ডার সম্পন্ন করেছে এপেক্স, যেখানে গ্রাহক সন্তুষ্টির হার ছিল ৯০ দশমিক ৪ শতাংশ। সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৯১ লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের পণ্য বিক্রি করেছে প্রতিষ্ঠানটি, যা আগের বছরের তুলনায় ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।

পুরস্কারপ্রাপ্তি প্রসঙ্গে এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ মোহাম্মদ বলেন, “বিশ্বমঞ্চে স্বীকৃত হওয়ায় আমরা বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গর্বিত। টানা তিন বছর ধরে রিটেইল এশিয়া এপেক্সকে ‘ফুটওয়্যার রিটেইলার’, ‘সাসটেইনেবিলিটি’ এবং এবার ‘এআই ইনিশিয়েটিভ অব দ্য ইয়ার’ পুরস্কারে সম্মানিত করেছে। এই অর্জন আমাদের প্রতিটি এপেক্সিয়ান এবং সেই সব গ্রাহকের, যারা বিশ্বাস করেন বাংলাদেশি মান বিশ্বমঞ্চে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে। বছরের পর বছর আমাদের পাশে থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।”

পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখিয়েছে এপেক্স। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বছরে ৪৬ লাখ লিটার ভূগর্ভস্থ পানি সাশ্রয় করছে। এ ছাড়া দেশের একমাত্র পূর্ণাঙ্গ এলডব্লিউজির গোল্ড সনদপ্রাপ্ত বর্জ্য শোধনাগার (ইটিপি) পরিচালনা করছে তারা।

সৌরশক্তির ব্যবহার এবং পিইটি-টু-প্রোডাক্ট সার্কুলার ইকোনমি উদ্যোগের আওতায় ৪৫১ টন বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের মাধ্যমে গত এক বছরে ২ হাজার ৫০৭ দশমিক ২০ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও টেকসই উদ্যোগের পাশাপাশি দেশের খুচরা বাজারেও শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে এপেক্স। ২০২৫ সালের ফাউন্ডার্স ডে উপলক্ষে ৫৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারের বিক্রির মাইলফলক স্পর্শ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে সারা দেশে এপেক্সের খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়েছে।

ঈদকে কেন্দ্র করে পরিচালিত কৌশলগত বিপণণ (স্ট্র্যাটেজিক মার্কেটিং)-এর মাধ্যমে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ মানুষের কাছে পৌঁছেছে এপেক্স। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির বিস্তৃত রিটেইল নেটওয়ার্কের আওতায় রয়েছেন ৭০ লাখের বেশি ক্রেতা। এর মধ্যে ৫৮ লাখ নিবন্ধিত লয়্যালটি গ্রাহকের ৫৭ শতাংশ নিয়মিত পুনরায় কেনাকাটা করেন, যা জুতার বাজারে এপেক্সের অবস্থানকে আরও শক্ত করেছে।

আমান/

ওয়ালটন হাই-টেকের সঙ্গে ডিজি-টেক একীভূতকরণে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:৪০ পিএম
ওয়ালটন হাই-টেকের সঙ্গে ডিজি-টেক একীভূতকরণে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

পুঁজিবাজারে প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন হাই- টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সঙ্গে দেশের শীর্ষ প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের একীভূতকরণ প্রক্রিয়াকে অনুমোদন দিলো শেয়ারহোল্ডারগণ।

এর মধ্য দিয়ে প্রযুক্তিপণ্য খাতের শীর্ষ এই দুই প্রতিষ্ঠানের একীভূতকরণ প্রক্রিয়া কার্যকর করার লক্ষ্যে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। এই একীভূতকরণ প্রক্রিয়ায় কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন গ্রহণের লক্ষ্যে বুধবার (৩ জুন, ২০২৬) ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজন করে।

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলমের সভাপতিত্বে ইজিএমে ডিজি-টেক একীভূতকরণ প্রস্তাবনাকে সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদন প্রদান করেন ওয়ালটন হাই-টেকের শেয়ারহোল্ডারগণ।

সভায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে যোগ দেন ওয়ালটন হাই-টেকের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম, উদ্যোক্তা পরিচালক এস এম নূরুল আলম রেজভী ও এস এম রেজাউল আলম, পরিচালক এস এম মঞ্জুরুল আলম অভী, তাহমিনা আফরোজ, রাইসা সিগমা হিমা এবং সাবিহা জারিন অরনা, স্বতন্ত্র পরিচালক ড. সাদিকুল ইসলাম, পিএইচডি, এফসিএমএ ও জোহরা বিবি।

এছাড়াও ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার মো. জিয়াউল আলম, এফসিএ, এসিএ (আইসিএইডবিউ), কোম্পানির অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রাতিষ্ঠানিক এবং সাধারণ শেয়ারহোল্ডার ইজিএমে অংশ নেন।

সভা সঞ্চালনা করেন ওয়ালটন হাই-টেকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং কোম্পানি সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, এফসিএস।

সভায় অংশগ্রহণকারী শেয়ারহোল্ডারদের নিকট ডিজি-টেক একীভূতকরণ প্রস্তাবনার প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য এবং সুবিধাসমূহ তুলে ধরে ওয়ালটন হাই-টেকের চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম বলেন, বাংলাদেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক পুঁজিবাজারের একটি কমপ্লায়েন্সনির্ভর, মৌলভিত্তিসম্পন্ন এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠান।

অন্যদিকে ওয়ালটন ডিজি-টেক ল্যাপটপ, কম্পিউটার, প্রিন্টার, মোবাইল ফোন, প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড (পিসিবি), ইলেকট্রিক বাইকসহ অসংখ্য আইসিটি পণ্য, এক্সেসরিজ এবং প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।

তিনি জানান, ডিজি-টেক একীভূতকরণের ফলে ওয়ালটন হাই-টেকের প্রোডাক্ট লাইন আরও শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি কোম্পানির বাজার সম্প্রসারণ, কার্যক্ষমতাৎ বৃদ্ধি এবং পরিচালন ব্যয় হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। যার সুফল পাবেন ওয়ালটন হাই-টেকের শেয়ারহোল্ডারগণ।

ইজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের উদ্দেশ্যে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, ওয়ালটন ডিজি-টেককে ওয়ালটন হাই-টেকের সঙ্গে একীভূত করার এই প্রস্তাবটি মূলত একটি সমৃদ্ধ আগামীর স্বপ্ন।

এই সিদ্ধান্ত ওয়ালটনের প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক কার্যক্রমকে আরও একধাপ এগিয়ে নেবে। এই একীভূতকরণ শুধু দুটি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় নয়; এটি আমাদের প্রযুক্তি, মানবসম্পদ, গবেষণা-উন্নয়ন সক্ষমতা এবং বাজার সম্প্রসারণ কৌশলকে একটি অভিন্ন শক্তিতে রূপান্তর ঘটাবে।

এর ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ হবে দ্রুততর, সম্পদের ব্যবহার হবে আরও দক্ষ এবং শেয়ারহোল্ডারদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে অধিক মূল্য সৃষ্টি হবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু বাংলাদেশের বাজারে নেতৃত্ব দেওয়া নয়; বরং বিশ্ববাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ট্যাগযুক্ত প্রযুক্তিপণ্যের একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড হিসেবে ওয়ালটনকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া।

আমরা বিশ্বাস করি, এই একীভূতকরণ সেই অগ্রযাত্রাকে আরও ত্বরান্বিত করবে। ইজিএমে অংশগ্রহণকারী শেয়ারহোল্ডারগণ ওয়ালটন ডিজি-টেক একীভূতকরণ প্রস্তাবনাকে সাধুবাদ জানান। ওয়ালটন হাই-টেকের প্রোডাক্ট লাইন আরও শক্তিশালী করা, হাই-টেকের ব্যবসায়িক পরিধি বৃদ্ধি এবং বাজার সম্প্রসারণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি, সম্পদের দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং পরিচালন ব্যয় হ্রাসের লক্ষ্যে ওয়ালটন ডিজি-টেক একীভূতকরণের উদ্যোগকে অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী, বিচক্ষণ ও সময়োপযোগি এক ব্যবসায়িক কৌশল হিসেবে অভিহিত করেন শেয়ারহোল্ডারগণ।

এমন উদ্যোগের জন্য ওয়ালটন হাই-টেক এবং ডিজি-টেকের পরিচালনা পর্ষদকে আন্তরিক অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ জানান তারা। ইজিএমে জানানো হয়, ওয়ালটন ডিজি-টেক একীভূতকরণের ক্ষেত্রে কোম্পানিটির ৩৮.৪৫ শেয়ারের বিপরীতে ওয়ালটন হাই-টেকের ১টি শেয়ার ইস্যু করা হবে। সেই হিসাবে ওয়ালটন ডিজি-টেকের ৩ কোটি শেয়ারের বিপরীতে ওয়ালটন হাই-টেকের মোট ৭ লাখ ৮০ হাজার ২৩৪টি শেয়ার ইস্যু করা হবে।

আমান/

বাজেট নিয়ে উদীয়মান ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠকে অর্থমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১০:৩৪ এএম
বাজেট নিয়ে উদীয়মান ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠকে অর্থমন্ত্রী
ঢাকা ফোরাম ইনিশিয়েটিভ (ডিএফআই) প্রি-বাজেট রাউন্ডটেবিল ২০২৬

দেশের অর্থনৈতিক অগ্রাধিকার, বিনিয়োগ পরিবেশ এবং ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির দিকনির্দেশনা নিয়ে উদীয়মান ব্যবসায়ী নেতা, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী এবং নীতিনির্ধারকদের অংশগ্রহণে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো ঢাকা ফোরাম ইনিশিয়েটিভ (ডিএফআই) প্রি-বাজেট রাউন্ডটেবিল ২০২৬।

বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় ঢাকার হোটেল সারিনায় অনুষ্ঠিত এই বিশেষ গোলটেবিল বৈঠকটি জাতীয় বাজেট ২০২৬–২৭ বাস্তবায়নের প্রাক্কালে দেশের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী এবং নতুন প্রজন্মের ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও সরাসরি সংলাপের সুযোগ সৃষ্টি করে।

জাতীয় বাজেট ২০২৬–২৭ বাস্তবায়নের প্রাক্কালে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ গোলটেবিল বৈঠকটি দেশের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারক এবং নতুন প্রজন্মের ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে সরাসরি মতবিনিময়ের একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। 

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল দেশের বহু দ্বিতীয় প্রজন্মের উদ্যোক্তা ও তরুণ ব্যবসায়ী নেতার অংশগ্রহণ, যারা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি নিয়ে তাদের ভাবনা, উদ্বেগ ও প্রত্যাশা সরাসরি তুলে ধরার সুযোগ পান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও বিএনপির পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু, যিনি অতীতে দলের অর্থনৈতিক নীতিমালা ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রণয়ন-সংক্রান্ত কার্যক্রমের সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলেন।

আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা ফোরাম ইনিশিয়েটিভের প্রধান কৌশলবিদ আশফাক জামান। 

তিনি নীতিনির্ধারক এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতি নির্মাণে ভূমিকা রাখা নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের মধ্যে আরও শক্তিশালী সম্পৃক্ততা ও পারস্পরিক আস্থা গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

গোলটেবিল আলোচনায় বেসরকারি খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ ও নিয়ন্ত্রক সংস্কার, ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নয়ন, পুঁজিবাজারের বিকাশ, সৃজনশীল অর্থনীতি, সবুজ অর্থনীতি এবং নীল অর্থনীতির সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

অংশগ্রহণকারীরা ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি কৌশল নিয়েও মতবিনিময় করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি অংশগ্রহণমূলক ও অংশীদারিত্বভিত্তিক শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে উদ্যোক্তা, উদ্ভাবক এবং বেসরকারি খাত দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। তিনি উদ্ভাবন, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এবং সর্বস্তরের অর্থনৈতিক অংশগ্রহণকে উৎসাহিত করতে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, ব্যবসাবান্ধব ও সুযোগভিত্তিক অর্থনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো ডিরেগুলেশন বা অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রক জটিলতা হ্রাস করে ব্যবসা পরিচালনাকে সহজতর করা, যাতে বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি ও উদ্যোক্তা বিকাশ আরও ত্বরান্বিত হয়। পাশাপাশি তিনি নারী উদ্যোক্তাদের বৃহত্তর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং সমাজের সব স্তরে অর্থনৈতিক সুযোগের গণতন্ত্রীকরণের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনার এক পর্যায়ে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক রূপকল্পে কয়েকটি অপ্রচলিত কিন্তু সম্ভাবনাময় খাতের গুরুত্ব তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে ফ্রুগাল ইনোভেশন, সৃজনশীল অর্থনীতি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার- যেগুলোকে তিনি দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ী নেতারা নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগকে স্বাগত জানান এবং বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়ন, নিয়ন্ত্রক জটিলতা হ্রাস, বাজেট-সংক্রান্ত সুপারিশ, উদ্যোক্তা বিকাশ এবং উদীয়মান ব্যবসার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা জোরদারের বিষয়ে বিভিন্ন বাস্তবধর্মী মতামত তুলে ধরেন।

ঢাকা ফোরাম ইনিশিয়েটিভের প্রতিনিধিরা বলেন, একটি টেকসই, প্রতিযোগিতামূলক ও ভবিষ্যতমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে অর্থবহ সংলাপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই রাউন্ডটেবিলে উত্থাপিত মতামত ও সুপারিশসমূহ দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত বৃহত্তর নীতিগত আলোচনায় ইতিবাচক অবদান রাখবে।

অনুষ্ঠানটি একটি নেটওয়ার্কিং ডিনারের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা পারস্পরিক সহযোগিতা, নতুন অংশীদারত্ব এবং ভবিষ্যৎ উদ্যোগ নিয়ে আরও বিস্তৃত মতবিনিময় করেন।

অমিয়/

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ডিজিটাল সম্প্রচার স্বত্ব পেল বাংলালিংক ও টফি

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৫:২৯ পিএম
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ডিজিটাল সম্প্রচার স্বত্ব পেল বাংলালিংক ও টফি
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ওটিটি সম্প্রচার স্বত্ব পেয়েছে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক

আসন্ন ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ওটিটি সম্প্রচার স্বত্ব পেয়েছে দেশের শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক। এর ফলে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরের সবগুলো অর্থাৎ ১০৪টি ম্যাচই টফিতে উপভোগ করতে পারবেন দেশের ফুটবলপ্রেমীরা।

কাতারে অনুষ্ঠিত ২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের ম্যাচ টফিতে দেখেছিলেন ১ কোটি ৫০ লাখের বেশি দর্শক। সেই অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় এবার স্মার্টফোন, ল্যাপটপ ও স্মার্ট টিভিতে বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করবে টফি।

ম্যাচগুলো দেখতে টফি অ্যাপ ও মাইবিএল সুপার অ্যাপের বিভিন্ন সাবস্ক্রিপশন প্যাকেজ বেছে নিতে পারবেন দর্শকেরা। বাংলালিংকের গ্রাহকেরা নির্দিষ্ট ৩০ দিনের ইন্টারনেট প্যাকের মাধ্যমেও টফিতে বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি অন্য মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকেরা সরাসরি টফির মাধ্যমে সাবস্ক্রিপশন নিতে পারবেন। এ ছাড়া বাংলালিংকের দেশব্যাপী রিটেইল ও রিচার্জ নেটওয়ার্কেও পাওয়া যাবে এসব সাবস্ক্রিপশন প্যাকেজ।

তবে টফির আয়োজন শুধু খেলা সম্প্রচারেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। বিশ্বকাপের আবহকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে ফুটবল অনুরাগীদের জন্য দেশজুড়ে আয়োজন করা হবে পাবলিক স্ক্রিনিংসহ বিভিন্ন দর্শক-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম। এতে ফুটবলপ্রেমীরা একসঙ্গে খেলা উপভোগ, প্রিয় দলকে সমর্থন এবং বিশ্বকাপের উন্মাদনা ভাগাভাগি করার সুযোগ পাবেন।

এ ছাড়া দর্শকদের বিশ্বকাপ–অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে টফিতে প্রচার করা হবে দৈনিক বিশ্বকাপ রিভিউ অনুষ্ঠান। এতে ফুটবল বিশ্লেষক, তারকা ও বিভিন্ন অঙ্গনের পরিচিত ব্যক্তিরা বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, আলোচিত ঘটনা এবং ম্যাচের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করবেন।

বড় পরিসরের যেকোন ইভেন্ট লাইভ চলাকালীন সময়ে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক দর্শককে সেবা দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছে টফির স্ট্রিমিং অবকাঠামো। ফলে পুরো বিশ্বকাপজুড়ে দর্শকেরা নির্ভরযোগ্য ও নির্বিঘ্ন সম্প্রচার উপভোগ করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তি/

আশুলিয়ায় ইউসিবির ২৩৬তম শাখার উদ্বোধন

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম
আশুলিয়ায় ইউসিবির ২৩৬তম শাখার উদ্বোধন
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির (ইউসিবি) ২৩৬তম শাখার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

দেশব্যাপী আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণের ধারাবাহিকতায় ঢাকার আশুলিয়ায় ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির (ইউসিবি) ২৩৬তম শাখার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। 

স্থানীয় গ্রাহক, উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের আরও সহজ, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য ব্যাংকিং সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যেই নতুন এই শাখা চালু করা হয়েছে।
 
বুধবার (৩ জুন) আশুলিয়া বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত আতিক ব্যাপারী ম্যানশনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শাখাটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করা হয়। 

অনুষ্ঠানে ইউসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ, ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদ এ. সোবহানী এবং ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. সোলায়মান আহমেদ।

ইউসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামদুদুর রশীদ বলেন, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক অঞ্চল আশুলিয়ায় ইউসিবির নতুন শাখা চালু করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এ অঞ্চলের উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী মানুষ এবং সাধারণ গ্রাহকদের আর্থিক চাহিদা পূরণে আমরা আধুনিক ও গ্রাহককেন্দ্রিক ব্যাংকিং সেবা নিয়ে এসেছি।

দেশব্যাপী ইউসিবির সেবা সম্প্রসারণ সম্পর্কে তিনি আরও বলেন, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে এবং দেশের প্রতিটি অঞ্চলের মানুষের কাছে আধুনিক ব্যাংকিং সুবিধা পৌঁছে দিতে ইউসিবি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে শাখা, উপশাখা ও এজেন্ট ব্যাংকিং নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আমরা দেশব্যাপী সেবা প্রদান করছি। আশুলিয়ার নতুন এই শাখা স্থানীয় গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকিং সেবাকে আরও সহজলভ্য ও সুবিধাজনক করে তুলবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বিশিষ্টজনেরা তাদের এলাকায় ইউসিবির শাখা স্থাপিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

বিজ্ঞপ্তি/