লক্ষ্মীপুরের চর রমণীমোহন ইউনিয়নের চরে বিএনপি নেতাকে চাঁদা না দেওয়ায় ১৫টি গরু ও ২০টি মহিষ লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে সদর থানায় ভুক্তভোগী খামারি সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করলেও অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী খামার মালিক মনির হোসেন।
এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সদর থানার ওসি মো. আব্দুল মোন্নাফ জানান, অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। চরের দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে।
ভুক্তভোগী খামার মালিক লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার শাকচর গ্রামের মনির হোসেন জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ২০নং চর রমণীমোহন ইউনিয়নের চর কানিবগার দক্ষিণ পাশে মেঘনা নদীতে জেগে ওঠা চরে গরু-মহিষ পালন করে আসছেন। পাঁচ আগস্টের পর সরকার পরিবর্তন হলে চর রমণী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী হোসেন ও তার দলবল নিয়ে এসে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ সময় তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকার করেন। এর জেরে গত ২০ নভেম্বর সকালে দলবল নিয়ে এসে খামারের ১৫ লাখ টাকা মূল্যের ২০টি গরু লুট করে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে তিনি স্থানীয় ব্যক্তিদের শরণাপন্ন হয়েও গরুগুলো ফেরত পাননি। চার ডিসেম্বর একই কায়দায় আলী হোসেন তার দলবল নিয়ে এসে ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ২০টি মহিষ লুট করে নিয়ে যায়।
অভিযুক্ত আলী হোসেন মেম্বার বলেন, ‘এ চরের সকল কাগজপত্র আমাদের। বিগত দিনে মনির হোসেন আওয়ামী লীগকে ম্যানেজ করে এই চর দখলে নিয়েছে। এখন আমরা চাষ করতে গেলে তারা বাধা দেন। গরু-মহিষ লুট করে নেওয়ার কথা সত্য নয়।’
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ওসি মো. আব্দুল মোন্নাফ বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। উভয় পক্ষকে মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত চর ব্যবহার থেকে বিরত থাকার জন্য বলা হয়েছে।’