ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ইন্টার্ন ও ট্রেইনি চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার ইসরায়েলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের শেরপুরে ১২ দিনে পাঁচ শিক্ষার্থী নিখোঁজ, অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী ভাঙ্গায় বিয়েবাড়িতে খাবার নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৭ হালুয়াঘাটে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল যুবকের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পাশে মিলল আরেক নারীর মরদেহ ঝিনাইদহে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল জাতীয় মুট কোর্ট প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি পবিপ্রবিতে নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইনের চেষ্টায় ১০ জনকে ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ গাজীপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে জনতার হাতে যুবদল নেতা আটক বাউফলে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর নকলের অভিযোগ চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দ্বিতীয় দিনের কর্মবিরতি সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে সাপাহারে মতবিনিময় সভা বছরে ৮ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ রুমিন ফারহানার উচ্চশিক্ষা নয়, নৈতিক শিক্ষায় বড় হও জবানের যে ছোট্ট কথায় অফুরন্ত সওয়াব মেলে সমুদ্র বাঁচলে পৃথিবী বাঁচবে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু বরগুনায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ট্রেড ফাইন্যান্স অ্যানালিটিক্স সফটওয়্যার উদ্বোধন শাওমি নিয়ে এল ৯.৭ ইঞ্চির নতুন রেডমি প্যাড ২ ছয় লাখ শিক্ষক-কর্মচারী ঈদের আগে বেতন না পাওয়ায় সংসদে ক্ষোভ চীন-মঙ্গোলিয়া যৌথ মহড়ায় নজর কাড়লো রোবটিক উলফ চকরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২ জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় নীতিমালা আধুনিকায়ন করছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী দেশে প্রতিবছর অপচয় হয় ৩৫ লাখ টন খাদ্য: প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী গৃহকর্মী রোবট! দেশের সম্মান রক্ষায় জীবন বাজি রাখছেন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
Nagad desktop

বীরশ্রেষ্ঠের নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি

প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:২৭ এএম
বীরশ্রেষ্ঠের নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি
ছবি : সংগৃহীত

বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয়করণ করা হয়েছে। তবে এই বীরশ্রেষ্ঠর জন্মভূমি নড়াইলে তার নামে স্থাপিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আজও জাতীয়করণ হয়নি। এতে বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ বিদ্যালয় ও কলেজটি জাতীয়করণের দাবি করেছেন শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা।

বিদ্যালয়টির নবম শ্রেণির ছাত্র মেহেদি হাসান বলে, ‘সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থাকলেও আমাদের তেমন কোনো সুযোগ সুবিধা নেই। আমাদের বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা দরকার।’

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আবদুল মজিদ সরদার বলেন, ‘১৯৯৯ সালে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এখানে ৩০০-এর বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। তবে এখানে শ্রেণিকক্ষের সংকট রয়েছে। বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের নামে দেশে যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে সবগুলো জাতীয়করণ করা হয়েছে। অথচ তার জন্মভূমিতে তার নামে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হয়নি। আমাদের বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের দাবি জানাচ্ছি।’ 

বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ মহাবিদ্যালয়ের এইচএসসি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী রিম্পা সাহা বলে, ‘আমাদের কলেজটিতে তেমন কোনো সুযোগ-সুবিধা নেই। সরকারি কলেজগুলোতে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থাকে, কিন্তু আমরা সেসব থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। তাই আমাদের কলেজটিকে জাতীয়করণের দাবি জানাচ্ছি।’ 

কলেজটির অধ্যক্ষ প্রণব কান্তি অধিকারী বলেন, ‘২০০৫ সালে কলেজটি স্থাপিত হয়। বর্তমানে এখানে তিন শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। সারা দেশে তার নামে স্থাপিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয়করণ হলেও আমরা বঞ্চিত হয়েছি। বর্তমান সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে জোর দাবি, আমাদের কলেজটি অবিলম্বে জাতীয়করণ করা হোক।’

জেলা প্রশাসক ও বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ট্রাস্ট্রের সভাপতি শারমিন আক্তার জাহান বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণে আমাদের কোনো হাত নেই। তবে মন্ত্রণালয় থেকে তথ্য চেয়ে আমাদের চিঠি দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের মহিষখোলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন। ১৯৫৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে (ইপিআর) যোগদান করেন। ১৯৭১ সালে যশোর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ৮ নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোর জেলার গোয়ালহাটির অদূরে ছুটিপুর ঘাঁটি টহল দেওয়ার সময় পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে সহযোদ্ধা নান্নু মিয়া গুরুতর আহত হলেও হাতে এলএমজি এবং আহত নান্নুকে কাঁধে নিয়ে শত্রু পক্ষের দিকে গুলি ছুড়তে থাকেন নূর মোহাম্মদ। 

হঠাৎ পাকিস্তানি বাহিনীর মর্টারের আঘাতে আহত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন নূর মোহাম্মদ শেখ। যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে তাকে সমাহিত করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত হন তিনি।

শেরপুরে ১২ দিনে পাঁচ শিক্ষার্থী নিখোঁজ, অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম
শেরপুরে ১২ দিনে পাঁচ শিক্ষার্থী নিখোঁজ, অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ
ইসরাফিল-মাশরাফি-রাব্বানী-রাসেল-তোফায়েল। ছবি: সংগৃহীত

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় গত ১২ দিনের ব্যবধানে পাঁচজন মাদরাসা শিক্ষার্থী নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের বয়স ১১ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে।

জানা গেছে, গত ২৭ মে সকালে উপজেলার বুরুঙ্গা কালাপানি গ্রামের আব্দুল হাইয়ের ছেলে, স্থানীয় একটি হাফেজিয়া মাদরাসার ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থী ইসরাফিল দোকানে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আর ফেরেনি। এরপর ৬ জুন নালিতাবাড়ী শহরের আড়াইআনী বাজারস্থ তাহফিজুল কোরআন মডেল মাদরাসার শিক্ষার্থী এবং পাঁচগাঁও গ্রামের খন্দকার মোবারক হোসেনের ১৩ বছর বয়সী ছেলে খন্দকার মাশরাফি মাদরাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন ৭ জুন দুপুরে পাঁচগাঁও গ্রামের ইকরা মডেল হাফেজিয়া মাদরাসা থেকে একই গ্রামের তিন শিক্ষার্থী-১১ বছর বয়সী রাব্বানী, ১২ বছর বয়সী তোফায়েল এবং ১৩ বছর বয়সী রাসেল নিখোঁজ হয়।

স্থানীয়রা জানান, নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে রাব্বানী ও তোফায়েল এর আগেও বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়েছিল এবং পরে আত্মীয়-স্বজনের বাড়ি থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। তারা পড়াশোনায় অমনোযোগী ছিল বলেও জানা গেছে।

এ ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ বিরাজ করছে। অনেকেই সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন।

এ বিষয়ে নালিতাবাড়ী সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আফসান আল আলম জানান, ইসরাফিল ও মাশরাফির পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। পাঁচগাঁও থেকে নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থীর অভিভাবকরাও জিডি করতে থানায় এসেছেন। নিখোঁজ শিশুদের উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে এবং বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

শাকিল মুরাদ/রিফাত/

জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৮:২৬ পিএম
জঙ্গল সলিমপুরে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী
ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের আলোচিত জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় সড়ক নির্মাণকাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। প্রাথমিকভাবে এলাকাটিতে চারটি সড়ক নির্মাণ করছে সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড।

সোমবার (৮ জুন) ব্রিগেডের অধীনস্থ একটি ইউনিট আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে।

কাজের শুরুতে জঙ্গলসলিমপুর আলিনগরের তিন কিলোমিটার পূর্বে পাহাড়ি এলাকায় নির্মাণাধীন সড়কের স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন লে. কর্নেল মো. কামরুল আল মাসুদ, পিএসসি, (ইঞ্জি. অধিনায়ক, ২৬ ইসিবি)।

তিনি বলেন, ছিন্নমূল এলাকা থেকে আলীনগর হাইস্কুল পর্যন্ত একটি সড়ক নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া আলীনগর থেকে টেক্সটাইল এলাকা হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক পর্যন্ত আরেকটি সড়ক নির্মিত হবে। আলীনগর থেকে বাংলাদেশ মিলিটারি অ্যাকাডেমির পাশ দিয়ে একটি সড়ক চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এর বাইরে জঙ্গল সলিমপুরে আরও একটি অভ্যন্তরীণ সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এখনও প্রকল্পের জন্য কোনো নির্দিষ্ট বাজেট অনুমোদন হয়নি। সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনায় জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, দুর্গম, পাহাড়ি ও চ্যালেঞ্জিং এলাকায় সড়ক নির্মাণে সেনাবাহিনীর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে আমরা কাজ শুরু করেছি।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর একটি দুর্গম, পাহাড়ি ও বনাঞ্চলবেষ্টিত এলাকা। কয়েক দশক ধরে এটি দেশের অন্যতম অপরাধপ্রবণ ও দুর্ভেদ্য জনপদ হিসেবে পরিচিত। নব্বইয়ের দশকে আলী আক্কাস নামে এক সন্ত্রাসী প্রথম এ অঞ্চলে প্রবেশ করে পাহাড়ি খাসজমি দখল করে অবৈধ বসতি স্থাপন শুরু করেন। নিজের দখল বজায় রাখতে তিনি একটি সশস্ত্র বাহিনীও গড়ে তোলেন।

পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ও নিম্নআয়ের বাস্তুচ্যুত মানুষের কাছে ‘ছিন্নমূল পুনর্বাসন’ প্রকল্পের নামে নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের মাধ্যমে নামমাত্র মূল্যে প্লট বিক্রি করে কোটি কোটি টাকার অবৈধ ভূমি বাণিজ্য গড়ে ওঠে।

গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলায় র‍্যাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক (ডিএডি) নায়েব সুবেদার মোতালেব হোসেন ভুঁইয়া নিহত হন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৯ মার্চ এলাকায় অপরাধীদের আস্তানা উচ্ছেদ এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যৌথবাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও এপিবিএনের প্রায় চার হাজার সদস্য অংশ নেন। পরে এলাকায় যৌথবাহিনীর স্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করা হয়।

এদিকে, গত ২৪ মে গভীর রাতে জঙ্গল সলিমপুরে স্থাপিত একটি যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে সশস্ত্র হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। জবাবে পুলিশ ও র‍্যাব পাল্টা গুলি ছুড়লে হামলাকারীরা পিছু হটে। তবে এর আগে তারা এলাকায় নির্মাণাধীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি ক্যাম্প বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেয়। একই সঙ্গে পুলিশের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত করতে একটি সড়কও কেটে ফেলে।

মুসলেহ উদ্দীন/নাঈম

ভাঙ্গায় বিয়েবাড়িতে খাবার নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৭

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৮:১৫ পিএম
ভাঙ্গায় বিয়েবাড়িতে খাবার নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৭
ছবি: খবরের কাগজ

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে খাওয়ার সময় টেবিলের নিচে মাংস জমা করা নিয়ে কনে পক্ষ ও গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের কমপক্ষে সাতজন আহত হয়েছেন। 

সোমবার(৮ জুন) বিকেলে উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের দেওড়া নয়াকান্দা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

আহতরা হলেন- মো. আরিফ মিয়া, সহিদ মাতুব্বর, ছোরাপ মাতুব্বর ও মমতাজ বেগমসহ বেশ কয়েকজন। তাদের কয়েকজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা দেওয়া হয়। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার দেওড়া নয়াকান্দা গ্রামের লাভলু শেখের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বর পক্ষ,আত্মীয়-স্বজন ও গ্রামবাসীদের দাওয়াত দেওয়া হয়। বিয়ের অনুষ্ঠানে গ্রামের কয়েকজন খাওয়ার সময় টেবিলের নিচে মাংস জমা করে এবং নষ্ট করে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

কালামৃধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রেজাউল মাতুব্বর বলেন, বিয়ে বাড়িতে মাংস খাওয়া নিয়ে পাশের বাড়ির লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন আহত হন। পরে বিষয়টি মিমাংসা করা হয়েছে। 

বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে মাংস খাওয়া নিয়ে গ্রামের দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে কয়েক জন আহত হন। পরে স্থানীয় মুরব্বিদের মধ্যস্থতায় বিষয়টি মিমাংসা হয়েছে। 

কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পাশে মিলল আরেক নারীর মরদেহ

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:৫৯ পিএম
কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু, পাশে মিলল আরেক নারীর মরদেহ
ছবি: খবরের কাগজ

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার মিরহামজানি এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে মুক্তা (৩০) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। 

সোমবার (৬ জুন) সকাল ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মুক্তা ওই এলাকার সুজন মিয়ার স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বামী ও ৭ বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে রেললাইন ধরে বাবার বাড়ি যাওয়ার সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেন তাকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এদিকে একই এলাকায় রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহে পচন ধরায় পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়দের ধারণা, কয়েকদিন আগে তাকে হত্যা করে সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে।

উভয় মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিচয় শনাক্ত ও মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

টাঙ্গাইল কালিহাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জুয়েল/নাঈম

পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইনের চেষ্টায় ১০ জনকে ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:৩৩ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৭:৩৮ পিএম
পঞ্চগড় সীমান্তে পুশইনের চেষ্টায় ১০ জনকে ফিরিয়ে নিলো বিএসএফ
ছবি: সংগৃহীত

পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার বড়বাড়ি সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টায় আটকে থাকা শিশুসহ ১০ নারী-পুরুষকে চার দিনের মাথায় অবশেষে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

রবিবার (৭ জুন) রাতে কয়েক দফায় ভারতের সীমান্তের লাইট বন্ধ করে শিশুসহ ওই ১০ জনকে সরিয়ে ভারতে নিয়ে যায় বিএসএফ। পরে তাদের সরিয়ে নেওয়ার পর আবারও সীমান্তের লাইট চালু করে তারা।

এর আগে শুক্রবার ভোরে বিএসএফ ১০ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে। তবে বিজিবির বাধার মুখে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। পরে কোম্পানি ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও বিএসএফ তাদের ফেরত নিতে অস্বীকৃতি জানায়।

এদিকে গত রবিবার দুপুর ১২টার দিকে আবারও ভারতের অংশের শূন্যরেখা থেকে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে সীমান্ত এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে ভারতীয় সীমান্তরেখা থেকে পুশইনের চেষ্টায় আটকে থাকা ব্যক্তিদের বিএসএফ ভারতে ফিরিয়ে নিয়ে গেলেও বিজিবির টহল ও অবস্থান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া অনুপ্রবেশ ও পুশইন ঠেকাতে জেলার বিভিন্ন সীমান্তে কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি টহল জোরদার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কথা হয় বড় লবাড়ি প্রধানপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. সোহাগ বলেন, ‘রবিবার রাত দেড়টার দিকে প্রথমে বিএসএফ ভারতের সীমান্তের লাইট বন্ধ করে। পরে আবার চালু করে। এভাবে দুই-তিনবার লাইট বন্ধ করার পর তারা চলে যায়। আমরা এমন ঘটনা আর দেখতে চাই না।’

একই কথা বলেন আতাউর রহমান নামে আরেক স্থানীয় যুবক বলেন, ‘পুশইনের ঘটনা আমরা কোনোভাবেই মেনে নেব না। বিজিবির সঙ্গে আমরা সব সময় রয়েছি। বিএসএফ ওই ১০ জনকে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে, এটি ভালো করেছে। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও মজবুত হোক এবং দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সম্পর্কও ভালো থাকুক।’

নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় আমরা কঠোর নজরদারি ও টহল জোরদার করেছি।  রবিবার রাতে বিএসএফ যে ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছিল, তাদের সবাইকে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে। বড়বাড়ি সীমান্তে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে আমাদের টহল ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।’ 

রনি মিয়াজী/রিফাত/