ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বগি লাইনচ্যুত, জামালপুর- ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ভারতে সাজাভোগের পর তামাবিল দিয়ে ফিরলেন ৭ বাংলাদেশি কেমন ছিল নবিজি (সা.)-এর গায়ের বর্ণ? আবারও কমল সোনার দাম, নতুন দর কত? ক্লিন ইমেজের আলী রেজাও দুদকের জালে দেশে ৫০ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে: চট্টগ্রামের ডিসি বাবাকে খাবার দিতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গেল শিশু গজারিয়ায় আকস্মিক ঝড়ে অর্ধশত গাছ উপড়ে পড়েছে, মহাসড়কে তীব্র যানজট ধামরাইয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে এসে প্রেমিকার আত্মহত্যা শাবিপ্রবিতে ৩২৫ গবেষকের অংশগ্রহণে ওশেনোগ্রাফি বিভাগের সিম্পোজিয়াম আর্জেন্টিনার উত্তাপে গলে গেল আইসল্যান্ড ক্যাম্প থেকে পালিয়ে সীমান্তে মাছ ধরায় ১৯ রোহিঙ্গা আটক বাড়ছে না বিড়ির দাম সারাদেশে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোতে অংশ নেবে বিসিসিসিআই ইসলামী ব্যাংকের সিআরআরে বড় ধরনের ঘাটতি আক্কেলপুরে একদিনে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার একদিনেই বদলে গেল চবির দুই উপ-উপাচার্য কক্সবাজারে মা-মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৬ রাজশাহীতে বর্ষার আগেই ডেঙ্গুর অশনিসংকেত বিদেশি কোচদের চোখে নতুন ইতিহাস ল্যাবএইডে ডেঙ্গুবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আবেগের বিয়েতে ঝুঁকিতে পড়ছে মেয়েরা শখ থেকে স্বাবলম্বী গৃহবধূ, ঘরের ছাদ যেন ক্যাকটাস রাজ্য ইসরায়েলের সামরিক অভিযান: লেবাননে সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত ইসরায়েলি কারাগারে বন্দিদের ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন বরিশাল বিভাগে ৫ বছরে নদীগর্ভে বিলীন ১২০ বর্গ কিমি ভুট্টা চাষে বিপর্যয়, চাষিদের স্বপ্ন এখন পচে-গলে পড়ে আছে মাঠে বড় বাজেট, বড় ঘাটতি, বড় চ্যালেঞ্জ ১০ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল
Nagad desktop

ল্যাম্পি ভাইরাস আতঙ্কে খামারিরা

প্রকাশ: ১৬ আগস্ট ২০২৫, ০৯:৪৯ এএম
আপডেট: ১৬ আগস্ট ২০২৫, ০৯:৫২ এএম
ল্যাম্পি ভাইরাস আতঙ্কে খামারিরা
ল্যাম্পি ভাইরাসে আক্রান্ত গরু। ছবি: সংগৃহীত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় লাম্পি স্কিন ডিজিজে আক্রান্ত হওয়ায় গত তিন মাসে ১২০টি গরুর চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। রোগটিতে ইতোমধ্যে কয়েকটি গরুর মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে।

অনেক খামারি যথাসময়ে সঠিক চিকিৎসা দিতে না পেরে দুশ্চিন্তা ও আতঙ্কে রয়েছেন। তাদের দাবি, পশুগুলোকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করাতে বাড়তি টাকাও গুনতে হচ্ছে। এ জন্য লাম্পি স্কিন প্রতিরোধে বিনামূল্যে ভ্যাকসিনের দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস জানিয়েছে, গত ৩ মাসে গোমস্তাপুর উপজেলায় লাম্পি স্কিন ডিজিজে আক্রান্ত ১২০টি গরুকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে এখন উপজেলায় কতগুলো গরু এই রোগে আক্রান্ত, এমন তথ্য জানাতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।

উপজেলার মিরাপুর গ্রামের খামারি সাব্বির হাসান বলেন, ‘খামারের একটি গরুর শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। তার পরই দেখতে পাই গরুটির শরীরে গোটা-ফোলা দাগ। পশু চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে জানতে পারি এটি ল্যাম্পি ভাইরাস। কিন্তু গরুটির চিকিৎসা করাতে গিয়ে অনেক টাকা খরচ হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রান্তিক খামারি। আমাদের পুঁজি কম। এ অবস্থায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর থেকে বিনামূল্যে এ ভাইরাসের টিকা দেওয়া হলে উপকৃত হতাম।’

উপজেলার পাথরপূজা গ্রামের খামারি বুলবুল আহমেদ বলেন, ‘এই রোগে শুধু গরু নয়, আমরা খামারিরাও ভেঙে পড়ছি। একদিকে চিকিৎসার খরচ, অন্যদিকে কাজ বন্ধ। সময়মতো টিকা দিতে পারলে অনেক ক্ষতি এড়ানো যেত।’

তেঁতুলতলা গ্রামের খামারি বাবু বলেন, ‘একটি গরুতে লাম্পি ভাইরাস ধরা পড়ার পর সব চেষ্টা করেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি। বরং অনেক টাকা খরচ করতে হয়েছে।’

চিকিৎসক আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ল্যাম্পি ভাইরাসে আক্রান্ত গরুর আলাদা যত্ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং টিকা প্রয়োগ করলেই রোগটি থেকে আক্রান্ত পশুটি সারিয়ে তোলা সম্ভব।

এ বিষয়ে গোমস্তাপুর উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ওয়াসিম আকরাম বলেন, ‘লাম্পি স্কিন ডিজিজ একটি ভাইরাসজনিত সংক্রমণ। এটি মশা-মাছির মাধ্যমে ছড়ায়। আতঙ্ক নয়, সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসা দেওয়া হলে পশুকে বাঁচানো সম্ভব হয়। আমাদের শরণাপন্ন হলেই এই ভাইরাসে আক্রান্ত গরুকে চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।’

বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন বিতরণের ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ ভ্যাকসিন সরবরাহ করলে আমরা বিনামূল্যে বিতরণ করব।’

বগি লাইনচ্যুত, জামালপুর- ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১০:৪৪ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ১০:৪৭ এএম
বগি লাইনচ্যুত, জামালপুর- ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ
ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসের লাইনচ্যুত বগি। ছবি:খবরের কাগজ
ময়মনসিংহে আন্তঃনগর ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে জামালপুর- ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
 
বুধবার (১০ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ময়মনসিংহ নগরীর কলেজরোড এলাকায় রেলক্রসিংয়ে এ ঘটনা ঘটে।
 
বিষয়টি নিশ্চিত করে ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আকতার হোসেন বলেন, 'সকালে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী আন্তঃনগর ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কলেজরোড এলাকায় রেলক্রসিং পর্যন্ত আসতেই ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এসময় থেকেই জামালপুর- ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।'
 
তিনি আরও বলেন, খবর পেয়ে রেলওয়ের উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছেছে। উদ্ধারকারী ট্রেন দিয়ে বগি টেনে ময়মনসিংহ স্টেশনে নেওয়া হয়েছে। লাইনচ্যুত বগি রেললাইনে সংযুক্ত করার চেষ্টা চলছে।
 
কামরুজ্জামান মিন্টু/আজহার

ভারতে সাজাভোগের পর তামাবিল দিয়ে ফিরলেন ৭ বাংলাদেশি

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১০:৩৮ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ১০:৪৬ এএম
ভারতে সাজাভোগের পর তামাবিল দিয়ে ফিরলেন ৭ বাংলাদেশি
মঙ্গলবার বিকেলে সিলেটের তামাবিলে দেশে ফেরা বাংলাদেশি। ছবি: খবরের কাগজ

সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে সাজাভোগ শেষে সাত বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল ৩টার দিকে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার তামাবিল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও বাংলাদেশের বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর উপস্থিতিতে তাদেরকে বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ফেরত আসা সাত বাংলাদেশি নাগরিক বিভিন্ন সময় সিলেটের গোয়াইনঘাটের সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। অনুপ্রবেশের দায়ে দেশটির পুলিশ তাদের আটক করলে, আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলং ডিস্ট্রিক্ট কারাগারে দীর্ঘমেয়াদে সাজাভোগ শেষে, বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়। 

তারা হলেন, সুনামগঞ্জের সদর উপজেলার নইগাঙের মো. মুহিবুর রহমান ও আব্দুল কুদ্দুছ, টুকের বাজারের মানিক আহমেদ, চানপুরের মো. সুহেল আহমেদ, বনগাঁওয়ের মো. আল আমিন, শাল্লা উপজেলার শ্রীহাই গ্রামের আব্দুল হাই-এর ছেলে বাদশাহ মিয়া ও সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার সংগ্রামপুঞ্জির রেস্টলি ব্লাহ।

হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করে তামাবিল ইমিগ্রেশন পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. বজলুর রশিদ খবরের কাগজকে জানান, বিজিবি- বিএসএফ ও উভয় দেশের পুলিশের উপস্থিতিতে সাত বাংলাদেশিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রহণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাদেরকে নিজ নিজ আত্মীয়স্বজনের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।

উজ্জ্বল মেহেদি/থিও

বাবাকে খাবার দিতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গেল শিশু

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১০:১৭ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ১০:৪০ এএম
বাবাকে খাবার দিতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গেল শিশু
মেঘনা নদীতে নিখোঁজ শিশু তামিমকে উদ্ধারে নদীতে টহল দিচ্ছেন কোস্ট গার্ডের সদস্যরা। ছবি: খবরের কাগজ

নোয়াখালীর হাতিয়ায় বাবাকে দুপুরের খাবার দিতে গিয়ে মেঘনা নদীতে তলিয়ে গেছে তামিম নামে এক শিশু।

খবর পেয়ে প্রথমে ফায়ার সার্ভিস ও পরে কোস্টগার্ডের দুটি টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলেও ডুবুরি দল না থাকায় উদ্ধার অভিযান শুরু করতে পারেনি।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম চরচেঙ্গা গ্রামের পাশে মেঘনা নদীতে এই ঘটনা ঘটে। 

নিখোঁজ তামিম ওই গ্রামের জেলে শাহাদাত হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবারও মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে যান শাহাদাত হোসেন। দুপুরের দিকে বাবার জন্য খাবার নিয়ে নদীর তীরে যায় ছোট্ট তামিম। খাবার খাওয়ার পর শাহাদাত হোসেন নদীর পাড়ে উঠে চা পান করছিলেন। এ সময় শিশুটি তার সমবয়সী এক চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে নদীর তীরে খেলাধুলা করছিল।

একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত সে নদীতে পড়ে যায়। সঙ্গে থাকা চাচাতো ভাই ঘটনাটি দেখে দ্রুত দৌড়ে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের জানায়। পরে স্বজনরা ঘটনাস্থলে ছুটে এসে স্থানীয়দের সহযোগিতায় দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজি করেও শিশুটির কোনো সন্ধান পায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল মন্নান রানা খবরের কাগজকে বলেন, একটা শিশু নদীতে নিখোঁজ হওয়ার দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও তাকে উদ্ধারে কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। ফায়ার সার্ভিস এসে জানায়, তাদের ডুবুরি দল নেই। পরে কোস্টগার্ডও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানায়, সকালে ডুবুরি দল এলে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হবে।

একমাত্র সন্তানকে হারানোর শঙ্কায় পাগলপ্রায় হয়ে উঠেছেন মা-বাবা। তাদের আহাজারি ও কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। প্রতিবেশীরা পরিবারটিকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করলেও স্বজনদের চোখেমুখে এখন শুধুই উৎকণ্ঠা আর অপেক্ষা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)  রাসেল ইকবাল খবরের কাগজকে বলেন, হাতিয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ডের কোনো ডুবুরি নেই। এ কারণে তাৎক্ষণিকভাবে পানির নিচে উদ্ধার অভিযান চালানো সম্ভব হয়নি। কোস্টগার্ড ঘটনাস্থলে নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। বুধবার সকালে ভোলা থেকে ডুবুরি এনে পূর্ণাঙ্গ উদ্ধার অভিযান শুরু করবে কোস্টগার্ড।

হানিফ উদ্দিন/আজহার/

গজারিয়ায় আকস্মিক ঝড়ে অর্ধশত গাছ উপড়ে পড়েছে, মহাসড়কে তীব্র যানজট

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১০:১১ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ১০:৩২ এএম
গজারিয়ায় আকস্মিক ঝড়ে অর্ধশত গাছ উপড়ে পড়েছে, মহাসড়কে তীব্র যানজট
ছবি: খবরের কাগজ

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় আকস্মিক ঝড়ে ভেঙে পড়েছে প্রায় অর্ধশতাধিক গাছ। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর গাছ ভেঙে পড়ায় সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট। এ দিকে বৈদ্যুতিক খুঁটি ও লাইনের ওপর গাছ ভেঙে পড়ায় বন্ধ রয়েছে সমগ্র উপজেলার বিদ্যুৎ সরবরাহ।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল পৌনে চারটার দিকে হঠাৎ আকাশ কালো করে তীব্র বাতাসের সঙ্গে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়।

এ সময় প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলা তীব্র বজ্রপাতে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

ঝড়ের কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উপড়ে পড়েছে প্রায় অর্ধশতাধিক গাছ। শুধুমাত্র ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দুই পাশেই প্রায় ৩০টির মতো গাছ ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

এসব গাছের অধিকাংশই বিদ্যুৎ লাইনের উপর ভেঙে পড়ায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে সমগ্র উপজেলা। মহাসড়কের দুই পাশে গাছ ভেঙে পড়ায় গজারিয়া অংশের ১৩ কিলোমিটার এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট।

​স্থানীয় বাসিন্দা লতিফ ভূঁইয়া খবরের কাগজকে বলেন, আমার জীবনে আমি এমন বজ্রপাত দেখিনি। টানা এক ঘণ্টা বজ্রপাত হয়েছে। বজ্রপাতের তীব্র শব্দে আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। কোথাও রাস্তা, কোথাও বৈদ্যুতিক খুঁটির উপর গাছ ভেঙে পড়েছে। ফলে বিকেল পৌনে চারটা থেকে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছি আমরা।

গজারিয়া ​ভবেরচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহ কামাল আকন্দ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে খবরের কাগজকে বলেন, আকস্মিক ঝড়ে মহাসড়কের গজারিয়া অংশে অসংখ্য গাছ ভেঙে পড়েছে। ঝড়ের মধ্যেই যান চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ শুরু করে হাইওয়ে পুলিশ। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ঢাকাগামী লেনে যান চলাচল শুরু হয়েছে। চট্টগ্রামগামী লেন থেকে ভেঙে পড়া গাছ অপসারণের কাজ করছি আমরা। আশাকরি দ্রুত চট্টগ্রামগামী লেনেও যান চলাচল স্বাভাবিক হবে।

​বিষয়টি সম্পর্কে কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর গজারিয়া জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. আশরাফুল আলম বলেন, 'বৈদ্যুতিক তারের ওপর অসংখ্য গাছ ভেঙে পড়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। আমাদের কর্মীরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। যতদ্রুত সম্ভব বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে আমরা কাজ করছি'।

সুমন/থিও

ধামরাইয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে এসে প্রেমিকার আত্মহত্যা

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১০:০০ এএম
ধামরাইয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে এসে প্রেমিকার আত্মহত্যা
ছবি: খবরের কাগজ

ঢাকার ধামরাইয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে এসে লক্ষ্মীরানী নামে এক নারী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রেমিক স্বপন অধিকারীকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এর আগে ভোর ৪টার দিকে ধামরাই উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের কান্দিকুল গ্রামে চিত্ত রায়ের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত লক্ষ্মীরানী টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার তক্তারঢালা গ্রামের রমেন সরকারের স্ত্রী। অন্যদিকে প্রেমিক স্বপন অধিকারী টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার বংশীনগর হলুদিয়া গ্রামের রবীন্দ্র অধিকারীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে গৃহবধূ লক্ষ্মীরাণীর সঙ্গে স্বপন অধিকারীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্কের টানে সোমবার রাত ৮টার দিকে প্রেমিক স্বপনের হাত ধরে পালিয়ে আসেন লক্ষ্মীরাণী। স্বপন তাকে নিয়ে ধামরাই উপজেলার সোমভাগ ইউনিয়নের কান্দিকুল এলাকায় তার মামা চিত্ত রায়ের বাড়িতে ওঠেন।

রাতে প্রেমিক স্বপনের সঙ্গে লক্ষ্মীরাণীর মনোমালিন্য সৃষ্টি হলে স্বপন কৌশলে তাকে মামার বাড়িতে রেখে চলে যান। পরে লক্ষ্মীরাণী কোনো উপায় না দেখে ঘরের আড়ার সঙ্গে নিজের ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন।

মঙ্গলবার দুপুরে ধামরাই থানা পুলিশ চিত্ত রায়ের বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত স্বপন অধিকারীকে পাশের কেলিয়া গ্রামে তার বোনের বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ।

এ বিষয়ে ধামরাই থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লক্ষ্মীরাণী নামের ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছি। স্বপন অধিকারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

রুহুল আমিন/রিফাত/