ঢাকা ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
আলহামদুলিল্লাহ শব্দটি কেন এত শক্তিশালী? হলিউড অভিনেতা খুন, প্রেমিকার ছেলে গ্রেপ্তার শ্রীমঙ্গলে বাস-পিকআপভ্যান সংঘর্ষ, নিহত ১ স্বর্ণ ভরিতে কমল ৫৪৮২ টাকা এআই এজেন্টের নতুন প্ল্যাটফর্ম প্রজেক্ট সোলারা কেএফটির শিক্ষার্থী প্রিয়ন্তের বিশ্বজয়, রোবটিক্স অলিম্পিয়াডে স্বর্ণপদক অর্জন সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায়  হামে এক শিশুর মৃত্যু নড়াইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‌্যালি মুকুসদপুরে মেসির ১৬ ফুট উচ্চতার ভাস্কর্য ও নেইমারের প্রতিকৃতি জামালপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনামূলক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত সাঘাটায় কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৩ চ্যাটজিপিটির মেমোরি ফিচারে বড় পরিবর্তন বিমানবাহিনী জাদুঘরে রেনেসন্স হোটেলের বাহার রেস্টুরেন্টে শুরু হচ্ছে ‘ম্যাজিক্যাল ফ্রাইডে ব্রাঞ্চ’ বিদ্যুতের খুঁটি থেকে ঘুঘুর বাচ্চা নামাতে গিয়ে প্রাণ গেল কিশোরের চাঁদপুরে ‘টেইল অব হিলসা অ্যান্ড আ বয়’ এর মোড়ক উন্মোচন ১০ জনকে পুশইনের ৩০ ঘণ্টা পরও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বিজিবি-বিএসএফ পথচারীকে ধাক্কা দিয়ে তরুণীর হুমকি, ‘আমার স্বামী পুলিশ’ দেওয়ানগঞ্জে চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে যুবক নিহত সেলফ কেয়ার রুটিন যখন থেরাপি জাতিসংঘের সর্বোচ্চ সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশের ৬ শান্তিরক্ষী এখনই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিন সন্ধ্যার মধ্যে ১৪ অঞ্চলে হতে পারে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টি সোনারগাঁয় কাভার্ডভ্যান উল্টে চালক নিহত ফেসবুক পোস্টের জেরে মামলা, সাংবাদিক পরিচয়ে মানববন্ধন লক্ষ্মীপুরে ২ মাদককারবারিকে পুলিশে দিলো জনতা ফেনীতে ডেঙ্গু রোধে সচেতনতামূলক র‍্যালি কুড়িগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলে নিহত মুন্সীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম মঞ্চের জন্য অনেক গবেষণামূলক কাজ করতে চাই: জুয়েনা শবনম
Nagad desktop

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণপূর্তের সেগুন গাছ নিলামে বিক্রি করল পুলিশ!

প্রকাশ: ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০২:৪৮ পিএম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণপূর্তের সেগুন গাছ নিলামে বিক্রি করল পুলিশ!
ছবি: খবরের কাগজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা পুলিশের বিরুদ্ধে গণপূর্ত বিভাগের মালিকানাধীন জায়গায় থাকা প্রায় ৭০ বছর পুরনো একটি সেগুন গাছ নিলামে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

গত ১৭ আগস্ট গাছটি কেটে ফেলেন নিলামে পাওয়া ঠিকাদার। এ নিয়ে সরকারি দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মনোমালিন্য তৈরি হয়েছে। যদিও, জায়গাটি নিজেদের বলে দাবি পুলিশের। বর্তমানে জায়গাটি ডাম্পিং স্টেশন হিসেবে ব্যবহার করছে জেলা পুলিশ।

যদিও গাছ বিক্রির নিলামে গণপূর্তের জায়গাটি নিজেদের বলে উল্লেখ করে পুলিশ। প্রকাশ্য নিলামে গাছটি ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৫০ টাকা টাকায় বিক্রি করা হলেও প্রকৃতপক্ষে গাছটির মূল্য আরও বেশি বলে দাবি গণপূর্ত বিভাগের।

গণপূর্ত বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলা শহরের মেড়ুরা মৌজার খতিয়ান নং-৫, এসএ নং-১৭৭১ এবং বিএস নং-৪৭০৬ এর ২ দশমিক ১২৫০ একর জায়গাটি এল. এ. কেস-১০৯/৬১-৬২ মূলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া গণপূর্ত বিভাগের মালিকানাধীন। জায়গাটিতে গণপূর্ত বিভাগের গোডাউন রয়েছে।

বিএস খতিয়ান প্রকাশের আগ পর্যন্ত জায়গাটির খাজনা পরিশোধ ছাড়াও এখনও পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল ও পৌরকর পরিশোধ করে আসছে গণপূর্ত বিভাগ। আরএস ও সিএস খতিয়ানে জায়গাটি গণপূর্ত বিভাগের নামে রেকর্ড হলেও ভুলবশত বিএস খতিয়ানে জায়গাটি জেলা পুলিশের নামে রেকর্ডভুক্ত করা হয় বলে দাবি গণপূর্তের।

এ নিয়ে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল কোর্টে মামলা করেছে গণপূর্ত বিভাগ (মামলা নং- ৯১১/২০১৯)। এ অবস্থায় গত ২১ জুলাই ওই জায়গায় থাকা একটি সেগুন গাছ বিক্রির জন্য পত্রিকায় নিলাম বিজ্ঞপ্তি দেয় জেলা পুলিশ। তারও আগে গত ২২ মার্চ জায়গাটি বিভিন্ন মামলার আলামতের গাড়ি ও জব্দকৃত যানবাহন সংরক্ষণে ব্যবহার করার কথা জানিয়ে গণপূর্ত বিভাগকে চিঠি দেয় জেলা পুলিশের শহর ও যানবাহন পুলিশ পরিদর্শক (প্রশাসন) মীর আনোয়ার হোসেন।

পুলিশ সুপারের মাধ্যমে পাওয়া ওই চিঠির জবাবে মামলা চলমান থাকার পাশাপাশি জায়গাটি সরকারি প্রকল্পের জন্য ব্যবহার হবে উল্লেখ করে যাবাহন সংরক্ষণে ব্যবহার করা যাবে না বলে জানায় গণপূর্ত বিভাগ।

এ অবস্থায় গাছ বিক্রির জন্য গত ২১ জুলাই পত্রিকায় প্রকাশ্য নিলাম বিজ্ঞপ্তি দেয় জেলা পুলিশ। এ বিজ্ঞপ্তি দেখে পুলিশ সুপারকে চিঠি দিয়ে নিলাম বন্ধ করতে বলে গণপূর্ত বিভাগ। এরই মধ্যে গত ৬ আগস্ট প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। নিলামে গাছটির জন্য সর্বোচ্চ ডাক উঠেছিল ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। পরবর্তীতে ১১ আগস্ট গাছ কাটার কার্যাদেশ দেওয়া হয়। চিঠিতে কাজ না হওয়ায় গাছ কাটার দিন স্বশরীরে গিয়ে বাধা দেন গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সা’দ মোহাম্মদ আন্দালিব। পরবর্তীতে তিনি ঘটনাস্থল থেকে চলে আসার পর ঠিকাদার গাছটি কেটে ফেলেন। আয়কর ও ভ্যাটসহ গাছটি বিক্রি হয় ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৫০ টাকায়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সা’দ মোহাম্মদ আন্দালিব বলেন, আরএস ও সিএস খতিয়ানে জায়গাটি গণপূর্ত বিভাগের নামে লিপিবদ্ধ রয়েছে। ভুলবশত বিএস খতিয়ানে পুলিশের নামে লিপিবদ্ধ হয়েছে। এ নিয়ে মামলা চলমান আছে। আমরা আশা করছি চূড়ান্ত রায় আমাদের পক্ষে আসবে। যেহেতু জায়গাটি খালি ছিল, সেজন্য জেলা প্রশাসকের অনুরোধে মৌখিকভাবে জায়গাটি ব্যবহারের জন্য পুলিশকে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে জায়গাটিতে সমন্বিত জেলা কার্যালয় স্থাপনের জন্য একটি প্রকল্পের প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো আছে। প্রকল্পটি সহসায় পাশ হবে বলে আশা করি। আর প্রকল্পের কাজ শুরুর আগেই ছেড়ে দিবে শর্তে জায়গাটি পুলিশকে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক বলেন, এটা ভূমি ব্যবস্থাপনা জেলা প্রশাসক করেন। ওনার সঙ্গে কথা বলতে পারেন। তাহলে ক্লিয়ার হবেন। আমি তো একটা পক্ষ তাই না! আমি তো বলব যে এটা আমার জায়গা।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম বলেন, গণপূর্তের দাবি অনুয়ায়ী ভু্লবশত সর্বশেষ রেকর্ডে পুলিশের নাম এসেছে- এটা নিয়ে মামলা চলমান আছে। রায় না আসা পর্যন্ত আপাতত পুলিশই জায়গাটির মালিক। তবে পূর্বের রেকর্ডগুলোতে প্রমাণিত হয় যে এটি গণপূর্তের ছিল। রেকর্ড সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ মালিকানা দাবি করতেই পারে। ফলে তাদের প্রয়োজনে গাছ কাটতেই পারে।

আজিজুল/মেহেদী/

শ্রীমঙ্গলে বাস-পিকআপভ্যান সংঘর্ষ, নিহত ১

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:১১ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
শ্রীমঙ্গলে বাস-পিকআপভ্যান সংঘর্ষ, নিহত ১
ছবি: খবরের কাগজ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বাস-পিকআপভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন।

শনিবার (৬ জুন) ভোরে ঢাকা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের শ্রীমঙ্গল অংশের সাতগাঁও চৌমোহনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যাক্তির নাম লোকমান মিয়া। তিনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের লালবাগ এলাকার বাসিন্দা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উদার পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে পিকআপভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে পিকআপভ্যানটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে গুরুতর আহত অবস্থায় পিকআপভ্যান চালককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন তালুকদার বলেন, মরদহেটি বর্তমানে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আছে। এ ব্যাপারে সাতগাঁও হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে।

সাতগাঁও হাইওয়ে পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মামুন আহমেদ বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া নেওয়া হবে।

আমান/

সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায়  হামে এক শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:২৪ পিএম
সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায়  হামে এক শিশুর মৃত্যু
ছবি:শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন  হাম আক্রান্ত শিশুরা

সিলেটে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সিলেটে হাম আক্রান্ত ও হাম উপসর্গ নিয়ে ৬৫ শিশুর মৃত্যু হলো। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা চার।

শনিবার (৬ জুন) বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় জালালাবাদ রাগীব রাবেয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার বাগাউরবাগ গ্রামের আবুল হোসেনের ৯ মাস বয়সী ছেলে সালেহ আহমেদ মারা যায়।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে নতুন করে তিনজনের হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। সন্দেহজনক রোগী হিসেবে ভর্তি হয়েছেন ৭৭ জন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৬ জুন পর্যন্ত মোট ২৫৬ জনের পরীক্ষাগারে হামের সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে হবিগঞ্জে ২১ জন (২ জন রুবেলা), মৌলভীবাজারে ১৬ জন, সুনামগঞ্জে ১৪৩ জন এবং সিলেট জেলায় ৭৬ জন।

বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মোট ৩১৫ জন সন্দেহজনক রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রোগীদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২৩ জন ভর্তি আছেন শহিদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে, ২৪ জন মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ও ২৩ জন সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে।

এছাড়া ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শাকিলা ববি/খাদিজা রুমি/

নড়াইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‌্যালি

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
নড়াইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে র‌্যালি
ছবি: খবরের কাগজ

নড়াইলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) সকালে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনে হাসপাতাল চত্বর থেকে এ উপলক্ষে একটি র‌্যালি বের হয়।

র‌্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের পাশাপাশি অতিথিরাও অংশ নেন।

কর্মসূচিতে নড়াইল জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম, জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুল গাফফার, সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রশিদ, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক জুলিয়া সুকায়না, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট লিংকন বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আহসান মাহমুদ রাসেল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নূর-ই আলম সিদ্দিকী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা টি এম রাহসিন কবীর, জেলা হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুব্রত কুমার, সাবেক আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুজল কুমার বকসী, শিশুবিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আলিমুজ্জামান সেতুসহ বেশ কয়েকজন চিকিৎসক অংশ নেন।

জনসচেতনতামূলক সভায় বক্তারা বলেন, ‘এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ করতে বাড়ির আঙ্গিনাসহ আশেপাশে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বাড়ির ভেতরে বা আঙিনায় ফুলের টব, টায়ার, ডাবের খোসা, ড্রাম বা পরিত্যক্ত পাত্রে তিন দিনের বেশি যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অব্যবহৃত পাত্রগুলো উল্টে রাখতে হবে এবং জমে থাকা পানিতে মশার ডিম ধ্বংস করতে পাত্রের গা ব্লিচিং পাউডার দিয়ে ভালো করে ঘষে পরিষ্কার করতে হবে। পাশাপাশি এডিস মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত থাকার চেষ্টা করতে হবে। সবাইকে নিজ নিজ বাসা-বাড়ি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানান বক্তরা।

কর্মসূচিতে জেলা প্রশাসন, ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা, চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেন।

এ ছাড়াও লোহাগড়া উপজেলা ও কালিয়া উপজেলা শহরে অনুরূপ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। 

শরিফুল ইসলাম/থিও/

মুকুসদপুরে মেসির ১৬ ফুট উচ্চতার ভাস্কর্য ও নেইমারের প্রতিকৃতি

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০২:৪৬ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৩:০১ পিএম
মুকুসদপুরে মেসির ১৬ ফুট উচ্চতার ভাস্কর্য ও নেইমারের প্রতিকৃতি
ছবি: খবরের কাগজ

গোপালগঞ্জের মুকুসদপুরে বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে ব্যতিক্রমী আয়োজনে মেসির ১৬ ফুট উচ্চতার ভাস্কর্য ও নেইমারের প্রতিকৃতি তৈরি করা হয়েছে।

আসন্ন বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে শহর থেকে গ্রামে। তবে গোপালগঞ্জে মুকুসদপুর উপজেলার বহুগ্রামে ব্যতিক্রমী আয়োজনের মধ্যে রয়েছে মেসির ১৬ ফুট উচ্চতার ভাস্কর্য। পিছিয়ে নেই ব্রাজিল ভক্তরাও। স্থাপন করা হয়েছে নেইমারের প্রতিকৃতি। 

শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে মুকসুদপুর উপজেলার বহুগ্রামে সরেজমিনে দেখা যায়, আর কয়েকদিন পর ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মাতবে গোটা বিশ্ব। সেই উন্মাদনায় পিছিয়ে নেই গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বহুগ্রামের ফুটবলপ্রেমিরা। আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের সমর্থকরা তাদের প্রিয় তারকা লিওনেল মেসির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে নির্মাণ করছেন ১৬ ফুট উচ্চতার একটি বিশাল ভাস্কর্য।

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ও লিওনেল মেসিকে শুভেচ্ছা জানাতে মেসির ১৬ ফুট উচ্চতার ভাস্কর্য নির্মাণ করছেন প্রভাষ দাস, অলক বিশ্বাস, বাদল মন্ডল ও সজীব বিশ্বাস নামের চার বন্ধু। গত ২২ মে থেকে ছন, বাঁশ, কাঠ ও মাটি দিয়ে মেসির ১৬ ফুট উচ্চতার ভাস্কর্যের কাজ শুরু করা হয়। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে মাটির কাজ শেষ করে আগামী ১০ জুন রং-এর কাজের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হবে। আর এ ভাস্কর্য তৈরি করতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১ লাখ টাকা।

স্থানীয় সমর্থকদের উদ্যোগে নির্মাণাধীন ভাস্কর্যটি এরই মধ্যে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রতিদিন এ ভাস্কর্য দেখতে শুধু বহুগ্রাম নয় আশপাশের গ্রামের মেসি ভক্তরা ভিড় করছেন। প্রতিদিনই বিভিন্ন বয়সী মানুষ ভাস্কর্যটি দেখতে সেখানে ভিড় করছেন। তাদের আশা এবার আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়ে ভক্তদের আনন্দে ভাসাবে।

পিছিয়ে নেই সুপার স্টার নেইমার জুনিয়র ভক্ত ব্রাজিলের সমর্থকরা। ইতোমধ্যে তারাও স্থাপন করেছে নেইমারের বিশালাকৃতির প্রতিকৃতি। পুরো বহুগ্রাম বাজার জুড়ে টাঙ্গানো হয়ে ৩৬০ ফুট দৈর্ঘ্যের ব্রাজিলের পতাকা। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থন প্রকাশ করতেই তারা এ ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছেন।

আয়োজক আর্জেন্টিনার সমর্থক প্রভাষ দাস বলেন, ‘মেসি শুধু একজন ফুটবলার নন, তিনি আমাদের আবেগ ও ভালোবাসার প্রতীক। তার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা থেকেই আমরা এই ভাস্কর্য নির্মাণ করছি। এ ভাস্কর্য  নির্মাণ করতে আমাদের এক লাখ টাকার মতো ব্যয় হয়েছে। আমরা মেসির ভাস্কর্যের সামনে বসে খেলা দেখব, এটাই আমাদের আনন্দের।’

ব্রাজিল সমর্থক সুধাংশু মজুমদার জানান, ‘ব্রাজিলকে সমর্থন দিতে আমরা ৩৬০ ফুট দৈঘ্যের পতাকা টাঙ্গিয়েছি। যা এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ পতাকা ও নেইমারের প্রতিকৃতি দেখতে ভিড় করছেন।'

বাদল সাহা/খাদিজা রুমি/

জামালপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনামূলক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০২:৪৩ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০২:৫১ পিএম
জামালপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনামূলক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত
ছবি: খবরের কাগজ

জামালপুরে ‘নিজ পরিবেশ পরিচ্ছন্ন করি, ডেঙ্গু মুক্ত বাংলাদেশ গড়ি’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতামূলক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৬ জুন) দুপুরে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এই কর্মসূচির আয়োজন করে।

শহরের ফৌজদারি মোড় থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে শেষ হয়।

পরে জেনারেল হাসপাতাল প্রাঙ্গণে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক আলোচনা সভায় সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুল হক, জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মাহফুজুর রহমান সোহান, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. স্বাগত সাহা, জামালপুর জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ফজলে এলাহী মাকামসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। 

বক্তারা বলেন, সবাই উদ্যোগী হলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করা খুব সহজ। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবার বাড়ির আশেপাশের ঝোপঝাড় ও আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। টবে জমে থাকা পানি, এয়ারকুলারে জমে থাকা ও বিভিন্ন পরিত্যাক্ত পাত্রে জমে থাকা পানি নিয়মতি ফেলে দিতে হবে।

চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান বক্তারা।

পরে জেনারেল হাসপাতাল প্রাঙ্গণ ও আশেপাশের ড্রেনসহ অন্যান্য স্থানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়।

আসমাউল আসিফ/তামান্না রুপা/