ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ফিলিপাইনে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারি টেকনাফে বজ্রপাতে সাগরপারের দোকান ক্ষতিগ্রস্ত স্পেসএক্সের শেয়ার যেভাবে কিনবেন, ঝুঁকি কী গাইবান্ধায় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে নিহত ছোট ভাই, আশঙ্কাজনক বড় ভাই ময়মনসিংহে ডিসি অফিসে বিএনপির বর্তমান ও বহিষ্কৃত নেতার হাতাহাতি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর পবিত্র হাত ও পায়ের গঠন কেমন ছিল? ঈশ্বরদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২ চুরি, সিস্টেম লস ও ভর্তুকিতে ঘুরপাক পঞ্চগড়ে ব্যর্থ হয়ে চার দিন পর ১০ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ রামিসা হত্যা মামলার রায় যেভাবে কার্যকর হবে রৌমারী সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা মুক্তাগাছায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু পটুয়াখালীতে জলোচ্ছ্বাস ঠেকানো সবুজ দেয়াল বিলীন! আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর চলচ্চিত্র 'সাঁকোটা দুলছে' বিএনপির ১৩ নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হবে ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সরকারের ব্যাপক প্রস্তুতি রাঙামাটিতে আওয়ামী লীগ -যুবলীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ২১ পুশইন ব্যর্থ, দুদিন পর হরিপুর সীমান্ত থেকে ১১ জনকে ভারতের অভ্যন্তরে নিল বিএসএফ বিশ্ব সমুদ্র দিবস আজ ই-ভ্যাট রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়াল এনবিআর ময়মনসিংহে ধসে পড়া বেইলি ব্রিজটি ১০ বছর ধরে ছিল ঝুঁকিপূর্ণ সাদুল্লাপুরে কাভার্ডভ্যানে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ১ লেবানন থেকে ড্রোন হামলায় ফিরল দুই রেমিট্যান্স যোদ্ধার মরদেহ মতিঝিলে ব্যাংকের সামনে দিনদুপুরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে দুর্ধর্ষ ছিনতাই বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে ইলন মাস্ক কালজানি ও দুধকুমারের কালো রূপ: বর্ষার আগেই নদীগর্ভে শতাধিক বাড়ি চাকরি না পেয়ে ইউটিউব দেখে আম চাষ, লক্ষাধিক টাকা আয় মিত্রদের ক্ষয়ক্ষতি পূরণে ইরানের সম্পদ ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠিত সন্তানের বাবা-মায়ের শেষ ঠিকানা কেন বৃদ্ধাশ্রম? সৌরবিদ্যুৎ খাতে বাড়তি কর চাপানো ঠিক হবে না
Nagad desktop

গ্যাসের ঘাটতি দূর করতে তিতাসে ৬ ওয়েলহেড কম্প্রেসর, আরও কূপ খননের পরিকল্পনা

প্রকাশ: ২৪ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:০১ পিএম
আপডেট: ২৪ নভেম্বর ২০২৫, ০৬:০২ পিএম
গ্যাসের ঘাটতি দূর করতে তিতাসে ৬ ওয়েলহেড কম্প্রেসর, আরও কূপ খননের পরিকল্পনা
বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড। ছবি: খবরের কাগজ

গ্যাসের মজুদ এবং চাপ কমে উৎপাদন কমছে দেশের সবেচেযে প্রাচীন এবং বড় তিতাস গ্যাস ফিল্ডে। জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের চাপ ৬০০ পিএসআই হলেও তিতাসের বেশিরভাগ কূপ থেকে সেই চাপে গ্যাস তোলা যাচ্ছে না। এতে করে সামগ্রিকভাবে গ্যাসের উৎপাদন কমছে। এ অবস্থায় চাপ বাড়িয়ে কূপের গ্যাস তোলার পাশাপাশি উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে ওয়েলহেড কম্প্রেসর স্থাপন প্রকল্প নিয়েছে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) কর্তৃপক্ষ।

ইতোমধ্যে তিতাস গ্যাস ফিল্ডের পাঁচটি কূপ থেকে ওয়েলহেড কম্প্রেসরের মাধ্যমে গ্যাস তোলা হচ্ছে। এর ফলে প্রতিদিন অতিরিক্ত ২২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করে দেওয়া হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে। এছাড়া নতুন মজুদ খুঁজতে থ্রিডি সিসমিক সার্ভে করে নতুন আরও কূপ খননের উদ্যোগ নিয়েছে বিজিএফসিএল কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিতাস, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ, মেঘনা, কামতা ও নরসিংদী গ্যাস ফিল্ড বিজিএফসিএলের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এর মধ্যে তিতাস সবচেয়ে বড়। ১৯৬২ সালে পাকিস্তানের শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। তিতাসের ২৭টি কূপের মধ্যে বর্তমানে উৎপাদনে আছে ২২টি, যেগুলো থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে। নানা কারণে বাকি পাঁচটি কূপ বন্ধ রয়েছে। সর্বশেষ সার্ভে অনুযায়ী তিতাসের কূপগুলোতে প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুদ রয়েছে।

তবে দীর্ঘ সময় ধরে গ্যাস উত্তোলনের ফলে তিতাসের সবকটি কূপেই গ্যাসের মজুদ কমছে। এর ফলে কমেছে গ্যাসের চাপ। এতে করে কূপগুলো থেকে সক্ষমতা অনুযায়ী গ্যাস তোলা যাচ্ছে না। এছাড়া ধারাবাহিকভাবে চাপ কমায় জাতীয় গ্রিডের চাপের সঙ্গে সমন্বয় করে গ্যাস তুলতেও বেগ পেতে হচ্ছিল বিজিএফসিএল কর্তৃপক্ষকে। গেল কয়েক বছর ধরেই এই সমস্যা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ অবস্থায় চাপ বাড়িয়ে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সমন্বয় করে গ্যাস উত্তোলনে ওয়েলহেড কম্প্রেসর স্থাপন প্রকল্প নেয় বিজিএফসিএল। ৫৬১ কোটি টাকা ব্যায়ে গেল বছরের ফেব্রুয়ারিতে ছয়টি কম্প্রেসর স্থাপন কাজ শুরু হয়। বিজিএফসিএলের নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় অবস্থিত তিতাস গ্যাস ফিল্ডের লোকেশন ‘ই’- তে তিনটি এবং খাঁটিহাতা এলাকায় অবস্থিত লোকেশন ‘জি’- তে তিনটি কম্প্রেসর স্থাপন করা হয়েছ।

মূলত কূপে গ্যাসের চাপ হ্রাস পেলে কূপের গ্যাস ওয়েলহেড কম্প্রেসর ইউনিটের মধ্যে এনে চাপ বৃদ্ধি করা হয়। এর মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডের চাপ অনুযায়ী গ্যাস উত্তোলন করে সরবরাহ করা যায়। বর্তমানে তিতাসের ১১, ১২ ও ১৭, ১৮ এবং ২৭ নম্বর কূপ থেকে ওয়েলহেড কম্প্রেসরের মাধ্যমে গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

ওয়েলহেড কম্প্রেসর স্থাপনের পূর্বে তিতাসের ১১, ১২, ১৭, ১৮ এবং ২৭ নম্বর কূপ থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা যেত। সম্প্রতি কম্প্রেসর স্থাপনের পর অতিরিক্ত আরও ২২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা যাচ্ছে। যার মাধ্যমে তিতাস গ্যাস ফিল্ড থেকে গ্যাসের উৎপাদন কিছুটা বেড়েছে।

তিতাস গ্যাস ফিল্ডে ওয়েলহেড কম্প্রেসর স্থাপন প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ মামুন আজাদ বলেন, ওয়েলহেড কম্প্রেসর স্থাপনের প্রধান উদ্দেশ্য গ্যাসের উৎপাদন স্বাভাবিক এবং অব্যাহত রাখা। তিতাসের ওই পাঁচটি কূপে পর্যাপ্ত গ্যাস থাকলেও চাপ কম থাকার কারণে উৎপাদন কম হচ্ছিল। এখন সেই সমস্যা কেটে গেছে। তিতাসের লোকেশন ‘ই’- তে বসানো তিনটি কম্প্রেসরের প্রতিটি ৪০ মিলিয়ন এবং লোকেশন ‘জি’- তে বসানো বাকি তিনটির প্রতিটি দৈনিক ২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনের সক্ষম।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. ফারুক হোসেন বলেন, ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে বিজেএফসিএল পরিচালিত গ্যাস ফিল্ডগুলোর বন্ধ কূপগুলো ওয়ার্কওভার প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া নতুন কোথাও গ্যাসের মজুদ আছে কিনা- সেটি অনুসন্ধানের জন্য থ্রিডি সিসমিক সার্ভে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছ। এর মাধ্যমে ১৪৫০ স্কয়ার কিলোমিটার এলাকা সার্ভে করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘সার্ভের মাধ্যমে আমরা জানতে পারব নতুন কোনো মজুদ আছে কিনা। যদি থাকে সেখানে মজুদের পরিমাণ কেমন। সার্ভে রিপোর্ট পাওয়ার পর নতুন আরও কিছু কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হবে’।

মাহফুজ/

 

টেকনাফে বজ্রপাতে সাগরপারের দোকান ক্ষতিগ্রস্ত

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১০:১৬ এএম
টেকনাফে বজ্রপাতে সাগরপারের দোকান ক্ষতিগ্রস্ত
ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপে বজ্রপাতে সাগরপারের একটি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) সকাল ৯টার দিকে শাহপরীরদ্বীপ দক্ষিণ পাড়া বেড়িবাঁধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বজ্রপাতে সময় দোকানটি বন্ধ থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে হঠাৎ বজ্রপাতে শাহপরীর দ্বীপ বেড়িবাঁধ সংলগ্ন সমুদ্র পারের একটি দোকানে আঘাত লাগে। এতে দোকানটির টিনের ছাউনি, বেড়া এবং ভেতরে থাকা কিছু মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বজ্রপাতের তীব্র শব্দে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম জানান, শাহপরীর দ্বীপ বেড়িবাঁধের পাশে আমার দোকানের পাশে ইব্রাহিমের দোকানটি বজ্রপাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে কিছু অংশে আগুন ধরে যায় এবং মালামালের ক্ষতি হয়। তবে ঘটনার সময় বৃষ্টির কারণে দোকানটি বন্ধ ছিল, ফলে কেউ সেখানে উপস্থিত ছিল না।

ক্ষতিগ্রস্ত দোকানের মালিক মোহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, সকালবেলা হঠাৎ বজ্রপাতে আমার দোকানের টিনশেড ও ভেতরের কিছু মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শাহপরীর দ্বীপে আগত পর্যটকদের জন্য পানি ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির উদ্দেশ্যে দোকানটি পরিচালনা করতাম।

সাবরাং ৭ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান জানান, সকালে হঠাৎ বৃষ্টির সঙ্গে প্রচণ্ড বজ্রপাত হয়। এতে দক্ষিণ পাড়া বেড়িবাঁধ এলাকায় একটি ছোট দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। পর্যটকদের জন্য নাশতা ও পানির ছোট ছোট বেশ কয়েকটি দোকান ওই এলাকায় গড়ে উঠেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান জানান, রবিবার (৭ জুন) সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় কক্সবাজারে ৫৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে জেলার বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বিবেচনায় মোট বৃষ্টিপাত প্রায় ৬২ মিলিমিটার হয়েছে।

তিনি বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ইতোমধ্যে কক্সবাজার উপকূল দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এর মাধ্যমে চলতি বছরের বর্ষা মৌসুমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী ৬ থেকে ৭ দিন কমবেশি বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এছাড়া আগামীকালও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে, আবহাওয়া পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় উপকূলীয় এলাকায় বসবাসকারীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা, সমুদ্রসৈকত এবং উঁচু স্থানে অবস্থান না করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

মো. শাহীন/অন্তরা

ঈশ্বরদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম
ঈশ্বরদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ নিহত ২
দুর্ঘটনায় নিহত দুজনের মরদেহ।ছবি: খবরের কাগজ।

পাবনার ঈশ্বরদীতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ দুই জন নিহত হয়েছে। 

রবিবার (৭ জুন) রাত ৮টার দিকে দাশুড়িয়া-কুষ্টিয়া মহাসড়কের কোলেরকান্দি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

দুর্ঘটনায় নিহত শিশুটির নাম মো. আলিফ হোসেন (১০)। সে পাবনার ভাড়ারা ইউনিয়নের কোলদি এলাকার জাহিদ হোসেনের ছেলে। নিহত অপরজন মোটরসাইকেল আরোহী বাকী বিল্লাহ (৩৫)। সে আতাইকুলা থানার শ্রীকোল গ্রামের বাশার শেখের ছেলে। বাকী বিল্লাহ মুরগী ব্যবসায়ী ছিলেন। 

পাকশী হাইওয়ে পুলিশ, ফায়ার স্টেশন সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রূপপুর, পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকা ঘুরে আলিফ মায়ের সঙ্গে সিএনজিতে পাবনায় ফিরছিলো। দাশুড়িয়া-কুষ্টিয়া মহাসড়কের কোলেরকান্দি এলাকায় এলে একটি ট্রাক সিএনজিকে ধাক্কা দিলে শিশু আলিফ সড়কে ছিটকে পড়ে । এ সময় সড়ক অতিক্রম করার সময় মোটরসাইকেল আরোহী বাকী বিল্লাহ সড়কে পড়ে যাওয়া শিশুটিকে বাঁচানোর জন্য এগিয়ে গেলে অপর আরেকটি ট্রাকের চাকায় দুজনই পিষ্ট হয়। 

গ্রিনসিটি মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের ইনচার্জ মাজেদুল ইসলাম জানান, রাত সোয়া ৮টার দিকে  খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যেয়ে শিশু ও মোটরসাইকেল আরোহীকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। উভয়ের মাথা থেঁতলে ক্ষত-বিক্ষত অবস্থায় ছিল। 

তিনি আরও জানান, এ দুর্ঘটনায় শিশুটির মা আঁখি খাতুন আহত হন। তাকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। 

পাকশী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নান্নু খান বলেন, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। দূর্ঘটনার পর ট্রাক, সিএনজি পালিয়ে যাওযায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় সড়ক দুর্ঘটনা আইনে মামলা করা হবে। 

জাহাঙ্গীর হোসেন/অন্তরা 

পঞ্চগড়ে ব্যর্থ হয়ে চার দিন পর ১০ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৯:৪৩ এএম
পঞ্চগড়ে ব্যর্থ হয়ে চার দিন পর ১০ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ
ছবি: খবরের কাগজ

পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টায় আটকে পড়া শিশুসহ ১০ নারী-পুরুষকে চারদিন পর ফেরত নিয়েছে বিএসএফ।

রবিবার (৭ জুন) রাতে ভারতের সীমান্তের লাইট বন্ধ করে শিশুসহ ওই ১০জনকে সরিয়ে ভারতে নিয়ে যায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ৷

সরিয়ে নেয়ার পর আবারো সীমান্তের লাইট চালু করে বিএসএফ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক  লে. কর্নেল সিরাজুল ইসলাম।

শুক্রবার (৫ জুন) ভোরে (বিএসএফ) শিশুসহ ১০ নারী-পুরুষকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে। তবে বিজিবির বাধার মুখে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে শূন্যরেখায় আটকে থাকে। শূন্যরেখায় কৃষি জমির আইলের মধ্যে তারা টানা চারদিন অবস্থান করেন। পরে কোম্পানি ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও বিএসএফ তাদের ফেরত নিতে অস্বীকৃতি জানায়।

এদিকে রবিবার দুপুর ১২ টার দিকে আবারও ভারতের অংশের শূন্যরেখা থেকে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে সীমান্ত এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরেখা থেকে পুশইনের চেষ্টায় আটকে থাকাদের বিএসএফ ভারতে ফিরিয়ে নিয়ে গেলেও বিজিবির টহল ও অবস্থান অব্যহত রয়েছে। এছাড়া অনুপ্রবেশ ও পুশইন ঠেকাতে জেলার বিভিন্ন সীমান্তে কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি তাদের টহল জোরদার করেছে বিজিবি। 

রনি মিয়াজী/আমান

রৌমারী সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৯:৩৪ এএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ১০:০৯ এএম
রৌমারী সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা
ভারতীয় সীমান্তে বিএসএফের ট্রাক। ছবি: খবরের কাগজ

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার সীমান্তের ওপারে বাংলা ভাষাভাষী নাগরিকদের ট্রাকে করে জড়ো করেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনী (বিএসএফ)।

রবিবার (৭ জুন) রাতে এসব নাগরিকদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ। তবে এলাকাবাসী ও বিজিবির তৎপরতায় বিএসএফের চেষ্টা সফল হয়নি।

রবিবার (৭ জুন) যাদুরচর ইউনিয়নের বাগবান্ধা সীমান্তের ১০৬৯ নম্বর মেইন পিলারের ৮ নম্বর সাব-পিলারের কাছে রাত সাড়ে ১১টায় পুশইনের চেষ্টা চালায় বিএসএফ। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং স্থানীয় এলাকাবাসী সীমান্তে শক্ত অবস্থানে থাকায় বিএসএফ ব্যর্থ হয় বলে যাদুরচর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. নজরুল ইসলাম খবরের কাগজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৬ জুন) রাত ১টার দিকে একই সীমান্তের 'সুদুরটিলা' ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা দুটি ট্রাকে করে বেশ কিছু মানুষকে সীমান্তের কাঁটাতারের কাছে নিয়ে আসে। উদ্দেশ্য ছিল রাতের অন্ধকারে তাদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পুশইন করা। ওই সময় সীমান্ত এলাকায় টহলরত বিজিবি সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক শক্ত অবস্থান নেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে সীমান্তের সাধারণ মানুষও বিজিবির সমর্থনে লাঠিসোটা নিয়ে ছুটে আসেন এবং সীমান্তে অবস্থান নেন। বিজিবি ও এলাকাবাসীর এই অনড় অবস্থান দেখে বিএসএফ সদস্যরা তখন পিছু হটতে বাধ্য হয়।

সীমান্তে বসবাসরত স্থানীয় বাসিন্দারা খবরের কাগজকে জানান, ভারতের অভ্যন্তরে থাকা তাদের আত্মীয়-স্বজনদের কাছ থেকে তারা জানতে পেরেছেন- ভারতের আসাম রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসলিম নারী, পুরুষ ও শিশুদের ধরে এনে সীমান্ত ক্যাম্পগুলোতে জড়ো করা হচ্ছে। তাদেরকে সুযোগ বুঝে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঠেলে দেওয়ার পাঁয়তারা করছে বিএসএফ।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. নজরুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, ‘শনিবার রাতে বিএসএফ সদস্যরা সীমান্তের লাইট বন্ধ করে দিয়ে কিছু মানুষকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নামানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু বিজিবি ও এলাকাবাসীর যৌথ এবং শক্ত অবস্থানের মুখে তারা সফল হতে পারেনি। সোমবার রাতেও বিএসএফ প্রায় ৩০০ মানুষকে এনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাঠানোর চেষ্টা করে। তবে বিজিবির পাশাপাশি গ্রামবাসীরাও সীমান্তের শূন্যরেখার কাছাকাছি অবস্থান নেন।’

এ বিষয়ে জামালপুর ৩৫ বিজিবির খেওয়ারচর বিওপির ল্যান্স নায়েক সুমন আলী খবরের কাগজকে জানান, সীমান্তের ওপারে ক্যাম্পে লোকজন ধরে এনে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করছে বিএসএফ। গ্রামবাসীসহ আমরা শক্ত অবস্থানে রয়েছি। কোনোভাবেই অবৈধ পুশইন হতে দেওয়া হবে না। 

গোলাম মাওলা সিরাজ/থিও

মুক্তাগাছায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৯:৩৩ এএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৯:৫১ এএম
মুক্তাগাছায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার (৭ জুন) বেলা দুইটার দিকে উপজেলার রঘুনাথপুর মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

শিশু দুটির নাম মো. হোসাইন (৬) ও মারিয়াম (৫)। তারা চাচাতো ভাই-বোন। হোসাইনের বাবার নাম আনোয়ার হোসেন ও মারিয়ামের বাবা মো. সাকিব। তারা রঘুনাথপুর মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নে রঘুনাথপুর মধ্যপাড়া গ্রামে বাড়ির পাশে খেলা করার সময় অসাবধানতাবশত পুকুরে পড়ে যায় হোসাইন ও মারিয়াম। পরে আত্মীয়স্বজনরা তাদের খোঁজাখুঁজি করেও পাচ্ছিলেন না। একপর্যায়ে পুকুরের পানিতে একটি শিশু ভেসে ওঠে। পরে পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে অন্য শিশুকে উদ্ধার করা হয়। তাদের মুক্তাগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম খবরের কাগজকে বলেন, বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

কামরুজ্জামান মিন্টু/খাদিজা রুমি/