জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সমাবেশ শেষে সংঘর্ষে জড়িয়েছে চৌদ্দগ্রামের বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীরা। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে, ভাঙচুর হয়েছে ব্যক্তিগত গাড়ি।
শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে জামায়াত আয়োজিত চৌদ্দগ্রাম হাইস্কুল মাঠের জনসভা থেকে ফেরার পথে জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের হাটবাইর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা দক্ষিণ শিবিরের সভাপতি রিফাত সানি, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সোলায়মান চৌধুরী, সোলেমান চৌধুরীর ড্রাইভার মামুন, জগন্নাথদিঘী ইউনিয়ন জামায়াতের সহ-সেক্রেটারি রবিউল হোসেন রকি, জামায়াত নেতা জাকারিয়া রাসেল, মিঠু, জামাল। আহতদের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে বর্তমানে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন জানান, সমাবেশ থেকে ফেরার পথে জগন্নাথদিঘী ইউনিয়নের হাটবাইর এলাকার বিএনপির সন্ত্রাসীরা জামায়াত নেতাকর্মীদের উপর অতর্কিত হামলা করে। এতে শিবিরের উপজেলা দক্ষিণ সভাপতি, ইউনিয়ন জামায়াতের নেতাসহ অন্তত ৭ জন নেতাকর্মী আহত হয়।
তবে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি সোলেমান চৌধুরী জানান, জনসভা শেষে ফেরার পথে জামায়াত নেতাকর্মীরা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা মিজান খাঁনের বাড়িতে হামলা করে। তাদের অতর্কিত হামলায় তিনি নিজে, একাধিক মহিলা ও গ্রামের অনেকেই আহত হয়। ভাঙচুর করা হয় ব্যক্তিগত গাড়ি।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু মাহমুদ কাউসার হোসেন জানান, বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষের খবর শুনে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
জহিরুল/মাহফুজ