রাউজানে ১৯ মাসে ২১ খুনের ঘটনা ঘটেছে। কখনও প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে, কখনও ছুরিকাঘাত বা পিটিয়ে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। হতাহত ব্যক্তিরা বেশির ভাগই বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মী। এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত শতাধিক মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছেন। তাদের অধিকাংশই বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত। উদ্ধার হয়েছে অর্ধশতাধিক আগ্নেয়াস্ত্র। আধিপত্য বিস্তারের পাশাপাশি চাঁদাবাজি ও মাটি-বালুর ব্যবসাকে কেন্দ্র করে হানাহানির ঘটনা ঘটছে বলে দাবি পুলিশের।
এর মধ্যে ১৫টি রাজনৈতিক সংশ্লিষ্ট বলে দাবি করা হচ্ছে। এ সময়ে রাউজানে ৪শতাধিক মানুষ গুলিতে আহত হন। বিশেষ করে সেনাবাহিনীর ক্যাম্প উঠিয়ে নেওয়ার পর থেকে নিরাপত্তায় ভুগছেন রাউজানের সাধারণ মানুষ।
রাউজানে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী খবরের কাগজকে বলেন, ‘রাউজানে আর একটিও যাতে লাশ না পড়ে, সে বিষয়টি র্যাব-পুলিশসহ প্রশাসনের সকলকে কঠোরভাবে বলা হয়েছে। সন্ত্রাসীরা যে দল কিংবা ব্যক্তির সহযোগী হোক না কেন তাদের যাতে কোনো পরিচিতি না দেখে গ্রেপ্তার করা হয়।’
সর্বশেষ, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ইফতারের পর রাউজান পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের অলিমিয়ার হাটে প্রকাশ্যে গুলি করে মুজিব (৫০) নামের এক যুবদল কর্মীকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
যানা যায়, নিহত মুজিব আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এমপির অনুসারী ছিলেন।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি রাউজানে একই বাজার থেকে মাত্র ৬শত মিটার দূরে জানে আলম (৪৫) নামের আরেক যুবদল নেতাকে একই কায়দায় মোটরসাইকেলে এসে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনাটির দেড় মাস পার হলেও এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
এম,দিদারুল আলম/এসএন