ঢাকার কেরানীগঞ্জে কুরবানির পশুর হাটের ইজারা জমা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ করে বিএনপি ও এনসিপির মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বেলা দেড়টার দিকে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের শহীদ মিনারের সামনের এ ঘটনায় এনসিপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ করেছেন জাতীয় যুব শক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক এবং ঢাকা জেলার আহ্বায়ক শেখ ফয়সাল।
ঢাকা জেলা দক্ষিণ জাতীয় যুবশক্তি আহ্বায়ক শেখ ফয়সাল বলেন, ‘তারানগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেনের সমর্থকরা মোবাইল চুরির গুজব ছড়িয়ে আমাদের একাধিক নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে জাতীয় ছাত্র শক্তির দক্ষিণ থানার আহ্বায়ক রতন হোসেন, ইনজামুল হক, সাফায়েত ঢালী, সাব্বির আহমেদ ও তাহমিদ চৌধুরি অরণ্যসহ আহত হন আরও বেশ কয়েকজন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য ইমরান হোসেন জানান, গত বছর তারানগর ইউনিয়নের মিলেনিয়াম সিটির হাটের সবচেয়ে বেশী দর দিয়ে ইজারা পায় এনসিপির সমর্থকরা। এবারও এনসিপির পক্ষ থেকে ইজারা নেওয়ার জন্য সকাল থেকেই আমাদের নেতাকর্মীরা কেরানীগঞ্জ উপজেলায় জড়ো হন। পরে বিএনপির নেতাকর্মীরা আমাদের নেতাকর্মীর উপর হামলা করে। ছাত্রদল পরিচয় দেওয়া কিশোরগ্যাং সদস্য ইসরাফিল ও রাকিব প্রথমে আমাদের কর্মীদের উপর হামলা করে। এতে আমাদের কয়েজন কর্মী গুরুতর আহত হন।
এ বিষয়ে আমরা আমাদের উর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহন করব।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তারানগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হচ্ছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা। উল্টো ঘটনাস্থল থেকে আমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন হারিয়ে যায়। পরে আমি মোবাইল হারানোর জিডি করতে থানায় চলে যাই।’
কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওমর ফারুক বলেন, হট্টগোলের ঘটনা আমি শুনেছি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নয়ন/অন্তরা