ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
পীরগাছায় পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল ভাই-বোনের পটিয়ায় ৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মিনি স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন প্রান্তিক ধাপের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের সুবিধা পাবেন না বস্তিবাসী ভাঙ্গায় মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ভাঙচুর, আগুন দিল স্থানীয়রা পদ্মায় আবারও বাসডুবি, আগেই নেমে যাওয়ায় যাত্রীদের প্রাণরক্ষা গাছ লাগান, সওয়াব কামান পাসপোর্ট ও বিদেশযাত্রার প্রক্রিয়া সহজ করতে হবে জটিলতা দূর, বাংলাদেশে টিভির পর্দায় দেখা যাবে ফুটবল বিশ্বকাপ যমুনা সেতুর পশ্চিম মহাসড়কে ১০ কিমি যানজট, চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা মাস্টার বাড়ি কোরবানির চামড়া বিক্রিতে ধস বড়বাড়ি সীমান্তে ১০ নারী-পুরুষকে পুশইনের চেষ্টা কৃষি শব্দকোষ নড়াইলে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫ ঝিনাইদহের এসপি প্রত্যাহার টাঙ্গাইলে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে আবারও সংঘর্ষ ঝিনাইদহে গাছ থেকে ঝুলন্ত নারীর মরদেহ উদ্ধার জীবনধারা বদলান, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করুন সোনারগাঁয় মেঘনা টোলপ্লাজায় লরির ধাক্কায় আহত ৬ খবরের কাগজে পদোন্নতি-বাণিজ্যের প্রতিবেদন প্রকাশ: তদন্তে নেমেছে আইন মন্ত্রণালয় ফরিদপুরে হামে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১ মেধাবীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রবণতা কী বার্তা দিচ্ছে পারিশ্রমিক না পেয়ে ম্যাচ বয়কট ব্রাদার্সের ক্রিকেটারদের অস্তিত্ব সংকটে হাঁড়িধোয়া নদী উত্তরবঙ্গ শিল্পোন্নত হোক দীনেশচন্দ্র সেন ও লোককাহিনির মঞ্চ-পরিবাহন মোস্তফা কামালের বিষাদ বসুধা স্বাধীনতার অবিনাশী ছাত্র ও যুব নেতৃত্ব চাকরি দিচ্ছে ওয়ালটন, রয়েছে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা বিদ্যুৎ-জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি: জীবনযাত্রা হবে আরও ব্যয়বহুল
Nagad desktop

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল: ভরসার জায়গায় সংকট, অব্যবস্থাপনা

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৯:০৯ এএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ০৯:১২ এএম
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল: ভরসার জায়গায় সংকট, অব্যবস্থাপনা

খুলনা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের রোগীদের জন্য চিকিৎসার অন্যতম প্রধান গন্তব্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (খুমেক)। কিন্তু সেখানেই অব্যবস্থাপনা, শয্যাসংকট, জনবল ঘাটতি, দালাল চক্র ও অচল চিকিৎসা সরঞ্জামের কারণে সাধারণ রোগীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ফলে প্রতিদিন শত শত রোগী ও তাদের স্বজনরা চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন।

জানা যায়, ৫০০ শয্যার খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন ১৪০০ জনেরও বেশি রোগী ভর্তি থাকেন। বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগে তিল ধারণের জায়গা থাকে না। ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি রোগী ভর্তি থাকায় মেঝে ও বারান্দায় চিকিৎসা নিতে বাধ্য হচ্ছেন রোগীরা। এ ছাড়া হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে চিকিৎসকের পদ শূন্য থাকায় রোগীরা সময়মতো কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। জরুরি বিভাগে বিপুল সংখ্যক রোগীর বিপরীতে চিকিৎসকের সংখ্যা খুবই অপ্রতুল। আবার পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকায় রোগীদের বাইরে থেকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে। এদিকে হাসপাতালে পোস্ট-অপারেটিভ স্টোরে আগুন লাগায় সেটিও বন্ধ। যার মেরামত কাজ ১২ দিন পরও শুরু হয়নি।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা স্কুলশিক্ষক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের খুবই অভাব রয়েছে। দিন-রাতে বিভিন্ন ওয়ার্ডগুলো ইন্টার্ন চিকিৎসকনির্ভর হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নষ্ট থাকায় রোগীদের বাইরে থেকে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে। অপর্যাপ্ত অপারেশন থিয়েটার ও অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসকের অভাবে অপারেশনের জন্য রোগীদের দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে।’

সরেজমিনে দেখা যায়, অতিরিক্ত রোগীর চাপে বাথরুমগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। হাসপাতাল চত্বরে আবর্জনার স্তূপ ও মশার উপদ্রব থাকায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। এ ছাড়া হাসপাতালে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য চরম আকারে বেড়েছে। যার ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ রোগীরা প্রতিনিয়ত প্রতারণা ও চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের বিভ্রান্ত করে বাইরের নিম্নমানের ক্লিনিকে ও পরীক্ষাকেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছে চক্রের সদস্যরা। হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগ ও বহির্বিভাগকে কেন্দ্র করে এই চক্রের সিন্ডিকেট আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।

হাসপাতাল থেকে সরবরাহ করা খাবার নিয়েও উঠেছে নানা অভিযোগ। গত শুক্রবার হাসপাতালে রোগীদের পচা, বাসি ও নষ্ট খাবার পরিবেশন করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এ দিন সরবরাহ করা মুরগির মাংস থেকে পচা গন্ধ পাওয়া যায়। খাদ্যমান ও অব্যবস্থাপনার পেছনে একটি চক্র জড়িত আছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তারা দীর্ঘদিন ধরেই হাসপাতালটির রান্নাঘর থেকে রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত খাবার বাইরে পাচার করে দেয়। ফলে রোগীরা মানসম্মত খাবার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এদিকে হাসপাতালে পোস্ট-অপারেটিভ স্টোরে আগুন লাগায় যেসব রোগী দীর্ঘদিন অপেক্ষা করে অস্ত্রোপচারের তারিখ পেয়েছিলেন, তাদের অনেকের অপারেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হয়ে গেছে। জানা যায়, আগুনে অপারেশন থিয়েটার এবং পোস্ট-অপারেটিভ ইউনিটের অক্সিজেন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে হাসপাতালে জরুরি এবং চোখের অপারেশন থিয়েটার পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এ ছাড়া অক্সিজেন বন্ধ থাকায় তা ব্যবহার অনুপোযোগী হয়ে গেছে। চিকিৎসকরা বলছেন, সময় মতো অস্ত্রোপচার না হওয়ায় অনেক রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছে, কেউ কেউ মৃত্যুঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

সার্জারি বিভাগের প্রধান আবু বক্কর সিদ্দিকী বলেন, ‘যে রোগীর আরও এক সপ্তাহ আগে বাড়ি যাওয়ার কথা ছিল, তার অপারেশন কবে হবে তাও বুঝতে পারছি না। এতে অনেক রোগীর অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে।’

হাসপাতালটির পরিচালক ডা. কাজী আইনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা গণপূর্ত অধিদপ্তরের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা অ্যাসেসমেন্ট শেষ হলে শিগগিরি কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন।’ 

খুলনা গণপূর্ত বিভাগ-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল হালিম বলেন, ‘আগুনে ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণ করা হয়েছে। শিগগিরই আমরা কাজ শুরু করব। দ্রুত অপারেশন থিয়েটার চালু করতে পারব।’

মাকসুদ রহমান/ খাদিজা রুমি/

পীরগাছায় পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল ভাই-বোনের

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৪:০৩ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০৪:০৮ পিএম
পীরগাছায় পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল ভাই-বোনের
ছবি: খবরের কাগজ

রংপুরের পীরগাছায় বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কৈকুড়ী ইউনিয়নের নজর মাহমুদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুরা হলো উপজেলার কৈকুড়ী ইউনিয়নের নজর মাহমুদ এলাকার সজিব মিয়ার ছেলে রাজীব মিয়া (৬) এবং শাহজাহান মিয়ার মেয়ে সেনাতুল আক্তার (৪)। সম্পর্কে তারা আপন চাচাতো-জ্যাঠাতো ভাই-বোন।

পুলিশ জানায়, দুই ভাই-বোন একসঙ্গে খেলাধুলা করার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। দীর্ঘ সময় বাড়ি না ফিরলে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। আশেপাশে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পাশের পুকুরে মরদেহ ভাসতে দেখেন তারা। পানি থেকে উদ্ধার করার আগেই তাদের মৃত্যু হয়।

পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম খন্দকার মুহিব্বুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন। অভিযোগ না থাকায় এবং আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সেলিম/আমান

পটিয়ায় ৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মিনি স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৩:৪৮ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০৪:০২ পিএম
পটিয়ায় ৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মিনি স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
ছবি : খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের পটিয়ায় ৮ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে পটিয়া উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের ভায়ারদিঘী সংলগ্ন খরনা এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকপ্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন ,'আমাদের সন্তান ও যুবসমাজ যদি খেলার মাঠে থাকে, তাহলে তাদের ডিভাইস আসক্তি ও মাদক থেকে দূরে রাখা সম্ভব হবে। একটি সুস্থ জাতি গঠনে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।'

আমিনুল হক আরও বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পটিয়ায়ও সেই কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে এবং বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন দৃশ্যমানভাবে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে'। তবে এটি শুধু সরকারের সম্পদ নয়, স্থানীয় জনগণেরও সম্পদ। তাই এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও সবাইকে নিতে হবে'।

ক্রীড়াবিদদের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্রীড়া ভাতার আওতায় ইতোমধ্যে ৩০০ জন খেলোয়াড়কে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও ৫০০ খেলোয়াড়কে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। তিনি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির কথাও উল্লেখ করেন। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান।

এতে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম। এছাড়া প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের ৭ জানুয়ারি প্রকল্পটির কার্যাদেশ দেওয়া হয়। ১২ মাস মেয়াদি এই প্রকল্পের চুক্তিমূল্য ৮ কোটি ২৭ লাখ ৬ হাজার ৮৬১ টাকা। সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পটির নির্মাণকাজ করছে খাগড়াছড়িভিত্তিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এস. অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা লিমিটেড।

রাফিউল আকরাম আলভী/খাদিজা রুমি/

ভাঙ্গায় মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ভাঙচুর, আগুন দিল স্থানীয়রা

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৩:৩৫ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০৪:২০ পিএম
ভাঙ্গায় মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ভাঙচুর, আগুন দিল স্থানীয়রা
ছবি: সংগৃহীত
ফরিদপুরের আলগী ইউনিয়নের মাদক ব্যবসায়ী আয়ুব আলী ও ময়না বেগমের বাড়িঘর ভেঙ্গে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে স্থানীয় জনতা।
 
শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে দশটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
 
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার সোনাখোলা গ্রামের বাসিন্দা আয়ুব আলী ও ময়না বেগম (স্বামী-স্ত্রী) দীর্ঘদিন থেকে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। কয়েকদিন আগে এলাকাবাসী তাদের ঘরে তল্লাশি চালিয়ে মাদক ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেন।
 
পরে উদ্ধারকৃত মাদক ও অস্ত্র ধ্বংস করা হয়। তাদের মাদক ব্যবসা থেকে বিরত থাকতে বললেও তারা তা কর্ণপাত করেননি। এ ঘটনার জের ধরে জনতা এলাকা থেকে উচ্ছেদের দাবিতে তাদের বাড়িঘর ভাঙচুর চালায়।
 
এলাকাবাসীরা বলেন, বারবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ দিয়েও কোন লাভ হয়নি। ফলে এলাকার যুবসমাজ ও সাধারণ মানুষ মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিয়েছেন।
 
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। 
 
এনকেবি নয়ন/ তামান্না/

পদ্মায় আবারও বাসডুবি, আগেই নেমে যাওয়ায় যাত্রীদের প্রাণরক্ষা

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০৪:১৯ পিএম
পদ্মায় আবারও বাসডুবি, আগেই নেমে যাওয়ায় যাত্রীদের প্রাণরক্ষা
উদ্ধারকারী জাহাজ হামজার সহায়তায় ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধার করা হয়। ছবি: খবরের কাগজ

পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বাসডুবির ঘটনায় ২৬ জনের প্রাণহানির রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও পদ্মা নদীতে একটি যাত্রীবাহী বাস ডুবে গেছে। তবে এবার ফেরিতে ওঠার আগেই বাসের সব যাত্রীকে নামিয়ে দেওয়ার কারণে বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। এ ঘটনায় ৭ নম্বর ফেরিঘাট দিয়ে যানবাহন পারাপার সাময়িক বন্ধ রাখা হয়।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে। কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা এসবি সুপার ডিলাক্স পরিবহনের বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের করবি-অক্সফ্যাম ফেরির র‌্যাম ভেঙে সরাসরি পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই চালক ও সহযোগীকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা প্রায় আড়াই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় বাসটি নদী থেকে উদ্ধার করে।

বাসের যাত্রী আশিক খবরের কাগজকে জানান, বাসটি সকাল ৭টা ২০ মিনিটে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে এবং সকাল সাড়ে ৯টায় দৌলতদিয়া ঘাটে পৌঁছায়। ফেরিতে ওঠার আগে সব যাত্রীকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এরপর বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়।

আরেক যাত্রী মাইসা রহমান খবরের কাগজকে বলেন, ‘আমরা ফেরিতে উঠে পড়েছিলাম। বাসটিতে তখন শুধু চালক ও সহযোগী ছিলেন। ফলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে।’

ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা খবরের কাগজকে জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে চালক ও সহযোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। পরে ডুবুরি দল ও উদ্ধারকারী জাহাজের সহায়তায় বাসটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক সালাহউদ্দিন বলেন, ‘ফেরিতে ওঠার আগে যাত্রী নামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের কারণেই বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।’

উদ্ধার অভিযানে বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, ফায়ার সার্ভিস, ডুবুরি দল, নৌপুলিশ এবং স্থানীয়রা অংশ নেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, ‘দ্রুত উদ্ধার তৎপরতার মাধ্যমে বাসটি নদী থেকে তোলা হয়েছে। যাত্রীদের মালামালও উদ্ধার করে তাদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাসে কোনো যাত্রী না থাকায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।’

তিনি আরও জানান, এ দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৫ এপ্রিল একই নৌরুটে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস পদ্মা নদীতে ডুবে গেলে নারী ও শিশুসহ ২৬ জনের  মৃত্যু হয়। সেই দুর্ঘটনার রেশ না কাটতেই আবারও বাসডুবির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বারবার এই ঘাটে দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তিতে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা এখন দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

সুমন বিশ্বাস/থিও

বড়বাড়ি সীমান্তে ১০ নারী-পুরুষকে পুশইনের চেষ্টা

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০২:৫০ পিএম
আপডেট: ০৫ জুন ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম
বড়বাড়ি সীমান্তে ১০ নারী-পুরুষকে পুশইনের চেষ্টা
ছবি : খবরের কাগজ

পঞ্চগড়ের সদর উপজেলার বড়বাড়ি সীমান্তে ১০ জন জনকে পুশইনের চেষ্টার করেছে ভারত সীমান্ত রক্ষীবাহিনী (বিএসএফ)। 

শুক্রবার (৫ জুন) ভোররাতে জেলার সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বড়বাড়ি প্রধানপাড়া সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে৷ 

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বেলা ৬টায়  বিএসএফ ভারতের বেরুবাড়ি ও বাংলাদেশের বড়বাড়ি  সীমান্ত দিয়ে  ১০ জন নারী -পুরুষকে পুইশন করার চেষ্টা করেন। টহলরত বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) সদস্যরা ঘটনার পরপরই এতে বাঁধার দেন। ফলে পুশইন হওয়া ১০ জন   বাংলাদেশে প্রবেশ করতে ব্যর্থ  হয়। বর্তমানে তারা শূন্য রেখায় অবস্থান করেছেন। ঘটনার প্রায় ৬ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে বিজিবি-বিএসএফের কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ের মধ্যে পতাকা বৈঠক চলছে। 

অনুপ্রবেশ ও পুইশন ঠেকাতে জেলার সব সীমান্তে বিজিবি তাদের টহল জোরদার করেছে৷ পাশাপাশি সচেতনতামূলক প্রচারণা, উঠান বৈঠক করছেন ৷ বিজিবির সংগে স্থানীয় মানুষেদের রাত জেগে সীমান্তে পাহারা দিতে দেখা গেছে ৷ 

 নীলফামারী বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,'বিজিবির বাঁধার ফলে পুশইন হওয়া ১০ জন ভারতের শূন্য রেখায় অবস্থান করেছে৷ অনুপ্রবেশ ও পুশইন রোধে আমাদের সীমান্তে টহল জোরদার রয়েছে' ৷

রনি মিয়াজী/খাদিজা রুমি/