পঞ্চম অধ্যায় : প্রাচীন বাংলার সামাজিক অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর
২২. প্রাচীন বাংলায় শিল্পকলার কোন ধরন জনপ্রিয় ছিল?
ক. চিত্রকলা খ. মূর্তি শিল্প
গ. স্থাপত্য শিল্প ঘ. সংগীত
উত্তর: খ. মূর্তি শিল্প।
২৩. প্রাচীন বাংলায় কোন ধরনের চিত্রকলা প্রচলিত ছিল?
ক. হস্তশিল্প
খ. দেয়াল চিত্রকলা
গ. ক্যানভাস চিত্রকলা
ঘ. মূর্তির ছবি
উত্তর: খ. দেয়াল চিত্রকলা।
২৪. পাল যুগে বাংলায় শিল্পকলার ক্ষেত্রে কোন বিশেষ বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান ছিল?
ক. বৌদ্ধ ধর্মের চিত্রকলা
খ. হিন্দু দেব-দেবীর চিত্রকলা
গ. রাজনীতির চিত্রকলা
ঘ. মৌলবাদী চিত্রকলা
উত্তর: ক. বৌদ্ধ ধর্মের চিত্রকলা।
২৫. প্রাচীন বাংলার কোন স্থাপত্যকে সেরা উদাহরণ হিসেবে গ্রহণ করা হয়?
ক. কাঁকন মন্দির
খ. শ্রীচৈতন্য মন্দির
গ. নালন্দা মন্দির
ঘ. চট্টগ্রাম মন্দির
উত্তর: গ. নালন্দা মন্দির।
২৬. বাংলার প্রাচীন শিল্পকলার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ছিল-
ক. পাথর খ. তামা
গ. স্বর্ণ ঘ. মাটি
উত্তর: ক. পাথর।
২৭. বাংলার প্রাচীন স্থাপত্যকলা ও ভাস্কর্য মূলত কোন উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছিল?
ক. ধর্মীয় উদ্দেশ্যে
খ. সামরিক উদ্দেশ্যে
গ. ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে
ঘ. সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য
উত্তর: ক. ধর্মীয় উদ্দেশ্যে।
২৮. বিশ্বের কোন স্থানে প্রাচীন বাংলার শিল্পকলার সেরা উদাহরণ পাওয়া যায়?
ক. শিলচর খ. তাম্রলিপ্ত
গ. নালন্দা ঘ. মহাস্থানগড়
উত্তর: গ. নালন্দা।
২৯. কোন ফসলটি প্রাচীন বাংলার অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ছিল?
ক. চাল খ. গম
গ. তুলা ঘ. চা
উত্তর: ক. চাল।
৩০. বাংলার প্রাচীন শিল্পকলা ও স্থাপত্যের মধ্য দিয়ে কোন ধরনের চিন্তাভাবনা প্রকাশ পেত?
ক. সামরিক শক্তি
খ. আধ্যাত্মিক এবং ধর্মীয় ভাবনা
গ. বাণিজ্যিক সম্পর্ক
ঘ. সামাজিক বৈষম্য
উত্তর: খ. আধ্যাত্মিক এবং ধর্মীয় ভাবনা।
৩১. প্রাচীন বাংলার প্রধান অর্থনৈতিক ভিত্তি ছিল-
ক. শিল্প খ. কৃষি
গ. বাণিজ্য ঘ. যুদ্ধ
উত্তর: খ. কৃষি।
৩২. প্রাচীন বাংলার গ্রাম্য সমাজব্যবস্থা ছিল-
ক. নগরভিত্তিক
খ. গ্রামভিত্তিক
গ. সামন্তভিত্তিক
ঘ. শিল্পভিত্তিক
উত্তর: খ. গ্রামভিত্তিক।
৩৩. কোন সভ্যতায় নারীদের অবস্থা তুলনামূলক উন্নত ছিল?
ক. গুপ্ত যুগ খ. পাল যুগ
গ. মৌর্য যুগ ঘ. কুষাণ যুগ
উত্তর: খ. পাল যুগ।
৩৪. বাংলার প্রাচীন শিল্পকলা ও স্থাপত্যের সঙ্গে কোন কোন ধর্মের সম্পর্ক ছিল?
ক. হিন্দু ধর্ম খ. বৌদ্ধ ধর্ম
গ. ইসলাম ঘ. সব ধর্ম
উত্তর: ঘ. সব ধর্ম।
৩৫. বাংলার কোন রাজা শিল্পকলা ও স্থাপত্যের উন্নতির জন্য নানা পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলেন?
ক. রাজা শশাঙ্ক খ. রাজা বিজয়
গ. রাজা ধর্মপাল ঘ. রাজা বুদ্ধদেব
উত্তর: গ. রাজা ধর্মপাল।
৩৬. প্রাচীন বাংলায় ভাস্কর্য শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ছিল-
ক. মৃৎশিল্প
খ. পাথরের শিলালিপি
গ. সোনার মূর্তি
ঘ. কাঠের ভাস্কর্য
উত্তর: ক. মৃৎশিল্প।
৩৭. বাংলার প্রাচীন শিল্পকলা কোথায় দেখা যায়?
ক. রাজবাড়ি
খ. গোপালপুর
গ. কুশুমপুর
ঘ. তাম্রলিপ্ত
উত্তর: ঘ. তাম্রলিপ্ত।
৩৮. বাংলার প্রাচীন শিল্পকলা ও ভাস্কর্যের বৈশিষ্ট্য ছিল-
ক. আধুনিক খ. ঐতিহ্যবাহী
গ. প্রাকৃতিক ঘ. পশ্চিমী
উত্তর: খ. ঐতিহ্যবাহী।
৩৯. পাল যুগে বাংলার শিল্পকলার প্রকাশ ঘটেছিল কিসে-
ক. চিত্রকলায় খ. ভাস্কর্যে
গ. স্থাপত্যে ঘ. হস্তশিল্পে
উত্তর: খ. ভাস্কর্যে।
৪০. পাল যুগে বাংলার শিল্পকলা ও ভাস্কর্য কোন আঞ্চলিক স্থানে বিশেষভাবে প্রচলিত ছিল?
ক. তাম্রলিপ্ত খ. গোপালপুর
গ. মহাস্থানগড় ঘ. নালন্দা
উত্তর: ক. তাম্রলিপ্ত।
লেখক : সহকারী শিক্ষক
সাভার অধরচন্দ্র সরকারি উচ্চবিদ্যালয়, সাভার, ঢাকা
কবীর