ঢাকা ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
দেশীয় শিল্পের সুরক্ষায় উদ্যোক্তাদের ছাড় আধুনিক বাজেট বনাম ইসলামের বায়তুল মাল ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ থেকে জিদানের ঢুস কর্মসংস্থানকে প্রধান অগ্রাধিকার বরাদ্দ কমিয়ে বৈদেশিক কর্মসংস্থানে উচ্চাভিলাষ! বাজেটে দুদকের বরাদ্দ বাড়েনি অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সাহসী রোডম্যাপ জুয়ার পূর্বাভাস, ভাঙতে পারে সব রেকর্ড মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্য কালোটাকা সাদা করার সুযোগ থাকছে ১২ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল নতুন বাজেট পুঁজিবাজারকে আস্থায় আনতে নানা পদক্ষেপ ১২ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ইস্পাত রক্ষণ প্রাণে আলমিরন ফুটবলের চেয়ে বড় হয়ে উঠেছে রাজনীতি? প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের শিরোপা কার? সব উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি হয় সাফল্যের রেসিপি ‘ক্যাপ্টেন আমেরিকা’ ১২ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি বিশ্বকাপ ইতিহাসের ১০টি কালজয়ী মন্তব্য স্বাগতিকের চোখে স্বপ্ন, প্যারাগুয়ের চোখে চমক শেষটায় মেসি-রোনালদোর প্রথম দ্বৈরথ দেখা যাবে? নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু আজ আশার প্রদীপ ডেভিড মরক্কো শিবিরে বড় ধাক্কা, নেইমারকে নিয়ে এখনো দোলাচলে ব্রাজিল গোলের চেয়ে লাল কার্ড বেশি, লজ্জার ইতিহাস ৪০ বছর বয়সেও অদম্য জিকো মাঠে উল্লাস, বাইরে মৃত্যু বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ৩ লাল কার্ড, জয়ে শুরু মেক্সিকোর বিশ্বকাপ ফুটবল ও গাজাবাসীর বাস্তবতা
Nagad desktop

কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন মমতা!

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৪০ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৭:৫৬ এএম
কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন মমতা!
ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর বড়সড় ভাঙনের মুখে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই চরম রাজনৈতিক সংকটের মাঝেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বৈঠককে কেন্দ্র করে দুই দলের একীভূত হওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, কংগ্রেসের তরফ থেকে মমতাকে দলে যোগদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে এ প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কংগ্রেসের নেতারা। 

অন্যদিকে একীভূত হওয়ার এই জল্পনা সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবির। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এই জল্পনা নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, বর্তমানে তার প্রতি তৃণমূলের ৬৪ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। ঋতব্রত স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাদের দল কোনোভাবেই কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছে না। শুধু বিধায়ক নন, তৃণমূলের বহু সংসদ সদস্যও (লোকসভার এমপি) কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার বিপক্ষে বলে তিনি দাবি করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, দুই-তৃতীয়াংশের বেশি এমপি এই মার্জারের (একীভূত) বিরোধী। দলটির এমপি, বিধায়ক, পৌর প্রতিনিধি, জেলা পরিষদ কিংবা পঞ্চায়েত সদস্য–কারও মধ্যেই কংগ্রেসে যাওয়ার কোনো চিন্তা নেই।

একই সুর শোনা গেছে তৃণমূলের নেতা (সাময়িক বরখাস্ত) ঋজু দত্তের কণ্ঠেও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে তিনি এই মার্জারের খবর নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। ঋজু দত্ত লেখেন, এটি একটি আকর্ষণীয় পরিস্থিতি। তৃণমূলের ১৫ জনের বেশি বিদ্রোহী এমপি এবং ৬৪ জনের বেশি বিদ্রোহী বিধায়ক কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছেন না। তাহলে তৃণমূল থেকে আসলে কারা কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন বা মিশে যাচ্ছেন? 

এই রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরই সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে তার একটি বৈঠক হয়, যা রাজনৈতিক মহলে দুই দলের একীভূত হওয়ার গুঞ্জন বাড়িয়ে দেয়। বিধানসভা নির্বাচনে হারের পর এটিই ছিল তাদের প্রথম একান্ত বৈঠক। বৈঠকে সোনিয়া গান্ধী তৃণমূল নেত্রীকে কংগ্রেসের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করার এবং বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধী ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

কংগ্রেস সূত্রের খবর, সোনিয়া গান্ধী মমতাকে স্পষ্ট করে বলেছেন এই আহ্বান কোনো দলীয় মার্জার বা একীভূতকরণের জন্য নয়, বরং এটি বিরোধী জোটের মধ্যে রাজনৈতিক সহযোগিতা ও সমন্বয় বাড়ানোর একটি প্রচেষ্টা। এর আগে গত সোমবার দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের নেতারা বৈঠক করেন। সেখানেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী দলগুলোর ঐক্যের ওপর জোর দেন। মমতা বলেন, জোটের শরিকদের উচিত অতীতের সব তিক্ততা ও ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। এবার তিনি কংগ্রেসকে বিরোধী জোটের প্রধান নোঙর বা চালিকাশক্তি হিসেবে মেনে নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন।

সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠকের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল এমপি ও দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে যান। পরে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই বৈঠকের ছবি ও তথ্য প্রকাশ করা হয়। দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সোনিয়া গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সম্পর্কটি কয়েক দশকের জনসেবা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। তবে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব যদি এই চরম দুঃসময়ে মমতাকে ‘গ্রহণ’ করে, তাহলে প্রদেশ নেতৃত্ব কি আদৌ সেই সিদ্ধান্ত মানবে? রাজ্যের যে কংগ্রেস কর্মীরা এতদিন তৃণমূলের দ্বারা অত্যাচারিত, তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিজেদের নেত্রী হিসেবে মানবেন কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। সূত্রের দাবি, রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে মহাবিপর্যয়ের পর কংগ্রেসকে আঁকড়ে বাঁচতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল ও কংগ্রেসের সংযুক্তিকরণ নিয়ে ইতোমধ্যেই দুই দলের শীর্ষস্তরে আলোচনা হয়েছে। কংগ্রেসের তরফ থেকে মমতাকে যোগদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত প্রদেশ নেতৃত্ব।

প্রদেশের একটি অংশ মনে করছেন, মমতাকে দলে নেওয়ার বা এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তৃণমূল সুপ্রিমোর হাত ধরার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। এই সময় মমতাকে সঙ্গে নেওয়ার অর্থ, তৃণমূলের ১৫ বছরের দুর্নীতি ও অপশাসনের দায় নিজেদের গায়ে মাখা। অধীর চৌধুরী ও আবদুল মান্নানের মতো প্রবীণ নেতারা এই দলে রয়েছেন। আবদুল মান্নান যেমন সাফ বলে দিচ্ছেন, ‘আমার কংগ্রেস নেতৃত্বের ওপর আস্থা রয়েছে। নো অ্যালায়েন্স উইথ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’ একই সুর শোনা গেছে অধীর চৌধুরীর গলাতেও।

তিনি বলছেন, ‘যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একসময় কংগ্রেস ভাঙিয়েছিলেন, তাকেই এবার গান্ধী পরিবারের কাছে গিয়ে হাতেপায়ে ধরতে হচ্ছে। পাপের ফল ভোগ করতে হবেই।’ তবে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের সুর তুলনায় কিছুটা নরম। তিনি সাফ বলছেন, যদি কেউ দলে আসতে চান, তাহলে তাকে আগে মেনে নিতে হবে যে রাহুল গান্ধীই কংগ্রেসের সর্বোচ্চ নেতা এবং দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখ।

শুভঙ্করের বক্তব্য, ‘রাহুল গান্ধীকে ভাবি প্রধানমন্ত্রী মেনে নিয়ে যারাই কংগ্রেসে আসবেন তাদের প্রত্যেককে স্বাগত।’ তবে অভিষেকের ক্ষেত্রে শুভঙ্করও বেশ কড়া অবস্থান নিয়েছেন। তার সাফ কথা, ‘কারও গায়ে যদি দুর্নীতির দাগ লেগে থাকে, কেউ যদি নিজেকে বাঁচাতে কংগ্রেসের ছাতার তলায় আসতে চান, তাহলে তার জন্য দরজা খোলা হবে না।

সূত্র: এইটিন নিউজ

আবারও রক্তাক্ত কাশ্মীর, সংঘর্ষে নিহত ১৬

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:২৯ পিএম
আবারও রক্তাক্ত কাশ্মীর, সংঘর্ষে নিহত ১৬
ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে (পিওকে) নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের আবারও সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩৭ জন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) কাশ্মীরের ঈদগাহ ময়দানে হাজার হাজার বিক্ষোভকারীর সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ হলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি। বিবিসি জানিয়েছে, এই সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১১ জন বেসামরিক নাগরিক এবং ৪ জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা।

শরণার্থীদের জন্য বিপুলসংখ্যক সংসদীয় আসন সংরক্ষণের বিরুদ্ধে আসন্ন নির্বাচনের আগে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে বিভিন্ন মানবাধিকারকর্মী সংগঠনের জোট জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি)।

কর্তৃপক্ষ এই আন্দোলনকে রাষ্ট্রদ্রোহ ও সহিংসতার অভিযোগে অভিযুক্ত করে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। সংগঠনটির নেতাদের গ্রেপ্তারে পুরস্কারও ঘোষণা করেছে।

তবে এসব পদক্ষেপ সত্ত্বেও হাজারও মানুষ আঞ্চলিক রাজধানী মুজাফফরাবাদের অভিমুখে মিছিল শুরু করেন। নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের বাধা দিলে সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৬ জন নিহত হন। 

স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, সরকারি হিসাব অনুযায়ী ১০ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারী নিয়ে একটি বিশাল বহর রাওয়ালাকোট শহর থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে।

পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলার কমিশনার সরদার ওয়াহিদ খান বিবিসি উর্দুকে জানান, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী টহল দিচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ঘরের বাইরে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বিক্ষোভকারীদের বহরকে রাওয়ালাকোট হয়ে মুজাফফরাবাদে যেতে দেওয়া হবে না। বিবিসি উর্দুর প্রতিবেদকরা জানিয়েছেন, স্থানীয় মসজিদগুলো থেকে লাউড স্পিকারে মানুষকে ঘরে থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

এদিকে নতুন করে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকলেও কমিশনার খান দাবি করেছেন, ‘আইনের শাসন নিশ্চিত করা হবে।’
পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। রাজধানী মুজাফফরাবাদ ও রাওয়ালাকোটে নজরদারির জন্য হেলিকপ্টার টহল চালানো হচ্ছে।

সাশ্রয়ী মূল্যে আটা, চাল, বিদ্যুৎ এবং মৌলিক অধিকারের দাবিতে সাধারণ নাগরিকদের অংশগ্রহণে বিক্ষোভটি শান্তিপূর্ণভাবে শুরু হয়েছিল। কিন্তু পরে তা সহিংস হয়ে ওঠে।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবারও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন নিহত হন। আহত হন অন্তত ২০০ জন।

 সূত্র: বিবিসি ও এনডিটিভি

জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের কমান্ড সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন কমান্ড সেন্টারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

 বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আইআরজিসির বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম এ তথ্য জানিয়েছে। 

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, এ হামলাকে ‘আগ্রাসনকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক অভিযান’ বলে অভিহিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে আল-আজরাক বিমানঘাঁটি ও এর নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।

আইআরজিসি দাবি করেছে, এ হামলায় বেশ কয়েকটি স্থাপনা ও বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

 

বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
বাহরাইন ও কুয়েতের ঘাঁটিতে আঘাতের দাবি ইরানি গার্ডের
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কো (আইআরজিসি) দাবি করেছে, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলার জবাবে তারা কুয়েত ও বাহরাইনের কয়েকটি ঘাঁটিতে আঘাত হেনেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) হামলার এ দাবি করে দেশটি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার উদ্ধৃত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, দুই দফা অভিযানে কুয়েতের আলি ও আহমাদ  আহমাদ  এয়ার  ফোর্স-এ যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ১৮টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালিয়ে সেটিকে ধ্বংস করা হয়েছে।

এর আগে ইরানি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, বাহরাইনে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরেও হামলা চালিয়েছে ইরান। সূত্র: এএফপি

নাঈম/

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৫ পিএম
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন হামলা সম্পন্ন
প্রতীকী ছবি

ইরানের বিরুদ্ধে নতুন দফায় হামলা সম্পন্ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সামরিক বাহিনী এ তথ্য জানিয়েছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, এ হামলায় ইরানজুড়ে দেশটির সামরিক নজরদারি সক্ষমতা, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিমান প্রতিরক্ষা স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। 

মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন মার্কিন বাহিনীর তদারককারী সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে জানায়, আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে চলাচলকারী যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন মেরিন কোর, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে। সূত্র: এএফপি 

নাঈম/

ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
ওমান উপকূলে জাহাজে মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত
ছবি: সংগৃহীত

ওমান উপকূলে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে মার্কিন বাহিনীর হামলায় নিখোঁজ হওয়া তিন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল।

ওমান উপসাগরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলার শিকার হওয়া ‘সেত্তেবেলো’ নামক ওই জাহাজে মোট ২৮ জন ক্রু ছিলেন। এর মধ্যে ২৪ জন ভারতীয়, দুইজন পাকিস্তানি, একজন ইউক্রেনীয় ও একজন রুশ নাগরিক ছিলেন।

নিহত তিন নাবিককে সনাক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন- ডেক ক্যাডেট আদিত্য শর্মা, ইঞ্জিন ফিটার শিবানন্দ চৌরাসিয়া এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ার পাটনালা সুরেশ।

জাহাজটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাহাজে থাকা বাকি নাবিকদের সঙ্গে একটি স্থিতিশীল নেটওয়ার্ক যোগাযোগ স্থাপন করতে তারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বাহিনী ওমান উপকূলে পালাউয়ের পতাকাযুক্ত ওই তেল ট্যাংকারে নিখুঁত নির্দেশিত যুদ্ধাস্ত্র দিয়ে হামলা চালালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ইরানের তেলের ওপর জারি করা চলমান অবরোধ লঙ্ঘনের অভিযোগে জাহাজটিতে এই হামলা চালানো হয়।

নাবিকদের ওপর এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ভারত। তারা জানিয়েছে, জাহাজটি হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টা করার সময় ২৪ জন ভারতীয় নাগরিক মার্কিন নৌবাহিনীর সরাসরি হামলার মুখে পড়ে।

হামলার ঘটনার পর নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত ওয়াশিংটনের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্সকে (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত) তলব করে ভারত তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বলে সংবাদসংস্থা এএফপিকে নিশ্চিত করেছেন এক জ্যেষ্ঠ ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তা। সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/