খ্যাতিমান গায়িকা আবিদা সুলতানা। তার গাওয়া অনেক গানই হয়েছে কালজয়ী। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য গান শ্রোতাদের উপহার দিয়েছেন এই কণ্ঠশিল্পী। এখনো প্রতিনিয়ত নতুন গান করে যাচ্ছেন তিনি। গান ও অন্যান্য ব্যস্ততা নিয়ে কথা বলেছেন খবরের কাগজের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এ মিজান
চ্যানেল আইতে ‘এই গান সেই গান’ নামের একটি গানের অনুষ্ঠান শুরু হচ্ছে আজ থেকে। এই অনুষ্ঠানে আপনিও গান গাইবেন। কোন গান গেয়েছেন?
আমি চ্যানেল আইয়ে গতকাল একটি অনুষ্ঠানের জন্য ১১টি গান করেছি। এর মধ্যে রজনীকান্তের একটি এবং শাম্মী আখতারের একটি করে গান করেছি। বাকি আমার গাওয়া ৯টি গান থাকবে। তবে এই গানগুলো নতুন অনুষ্ঠানের জন্য কি না জানি না। আশা করি গানগুলো শ্রোতাদের ভালো লাগবে।
এ ছাড়া ব্যস্ততা কী নিয়ে?
এখন তো স্টেজ শো তেমন একটা হচ্ছে না। তাই গান নিয়ে খুব বেশি ব্যস্ত আমি এটা বলছি না। দেশের পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে হয়তো স্টেজ শোর ব্যস্ততা বাড়বে। তবে আমার নতুন কিছু গান করার পরিকল্পনা আছে। এ ছাড়া সাংসারিক ব্যস্ততা তো রয়েছেই। সবকিছু মিলিয়ে ভালোই আছি।
আগে সিনেমায় অনেক গান গেয়েছেন। এখন গান করছেন না কেন?
আসলে একসময় অনেক সিনেমা নির্মিত হতো। সিনেমাতে গানের সংখ্যাও বেশি থাকত। এখন আগের মতো সিনেমাও হচ্ছে না, গানও কম। তাই যেসব সিনেমা হচ্ছে সেগুলোর গান আমাদের কাছে আসে না। নতুনরাই সব গান করছে। আর নতুনরা তো ভালোই করছে। আমার ভালোই লাগে।
নতুনদের নিয়ে আপনার পরামর্শ কী?
নতুনদের নিয়ে আমার পরামর্শ দেওয়ার কিছু নেই। তারা ভালো কাজ করছে। তাদের কাজ আমার ভালো লাগে। তারা যথেষ্ট স্মার্ট। তাই নতুনদের কাছে আমার একটাই চাওয়া গানের পাশাপাশি যেন তারা নিয়মিত চর্চাটা করে যায়। তাতেই তাদের আগামী আরও দারুণ হবে। অনেক নতুন শিল্পী আছে, যাদের গান আমার ভালো লাগে।
আপনার দীর্ঘ গানের জীবনে কোনো অপ্রাপ্তি রয়েছে?
কোনো অপ্রাপ্তি নেই। আমি গানের মানুষ। নিয়মিত গান করে যেতে চাই। আমি গান লিখতেও চাই না, সুরও করতে চাই না। আমি শুধুই গান গাইতে চাই।
বাংলা গানে আপনাদের পরিবারের অনেক অবদান আছে। সেই জায়গা থেকে যে রকম সম্মান পাওয়ার কথা ছিল তা কি পেয়েছেন?
সেই রকম চিন্তা করলে অনেক কিছুই পাইনি। এটা নিয়ে কিছুটা দুঃখবোধও রয়েছে। তবে শ্রোতাদের কাছে যে ভালোবাসা পেয়েছি তা অনেক কিছু। এটাই সবচেয়ে বেশি আনন্দের।
হাসান