আপত্তিকর ভিডিও ফাঁসের কয়েকমাস পর মুখ খুলেছেন টিকটক ইনফ্লুয়েন্সার ইমশা রেহমান। সম্প্রতি হত্যার হুমকি পেয়েছেন পাকিস্তানের এই জনপ্রিয় মুখ। সংবাদ সংস্থা নুকতা পাকিস্তানকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে ভিডিও প্রকাশের পর হেনস্থার শিকার হওয়ার বিষয়ে জানান তিনি।
মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা দ্য ইকোনমিক টাইমস।
সাক্ষাতকারে ইমশা রেহমান (Imsha Rehman) বলেন, ‘ভিডিওটা আমি দেখেছি। আমার জীবনে কিছু বাকি নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারছি না। মানুষের মুখোমুখি হতে লজ্জা লাগছে। কয়েকবার হত্যার হুমকিও পেয়েছি।’
ভিডিওতে দৃশ্যমান ব্যক্তি তিনি নন জানিয়ে ইমশা জানান, প্রযুক্তির সাহায্যে ভিডিও এডিট করে তার সম্মানহানি করার চেষ্টায় ভিডিও ছড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্ত।
এ সময় গুজব ও ভুয়া ভিডিও ছড়িয়ে হেনস্থার সমালোচনা করে ইমশা রেহমান বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখন যেকেউ অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সাইবার অপরাধীরা বিভিন্ন ধরণের অন্যায় করছে। অথচ ব্যক্তিজীবনে এসবের কুপ্রভাব ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ বোঝে না।ইন্টারনেট ব্যবহারে আমাদের সচেতন হওয়া উচিত।’
ভিডিও ফাঁসের পরপর কোনো মন্তব্য না করলেও তিনি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। সম্প্রতি পাকিস্তানের ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন অ্যাজেন্সি (এফআইএ) ভিডিও ছড়ানোর দায়ে একজনকে আটক করেছে। এ বিষয়ে আসামি আব্দুল আজিজের ভাষ্য, ভিডিওটি মজার ছলে বানানো হয়েছিল।
এদিকে তৎপর ভূমিকা পালনের জন্যে এফআইএ-কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইমশা রেহমান।
পাকিস্তানে এ ধরণের স্ক্যান্ডাল নতুন নয়। এর আগে গেল বছর নভেম্বর মাসে মাথিরা খান, মিনাহিল মালিক, কানওয়াল আফতাব ও মারিয়াম ফয়সালের মতো জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব একই ধরণের ঘটনার ভুক্তভোগী হয়েছেন।
হেনস্থার শিকার হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি সেলিব্রিটি। সূত্র: দ্য ইকোনমিক টাইমস
নাইমুর/