গাজা অভিমুখে যাত্রা করা ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের অংশ ‘কনশানস’ নামের একটি জাহাজ গতকাল রেড জোনের কাছাকাছি পৌঁছে। এই জাহাজে রয়েছেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট আলোকচিত্রী ও দৃক-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল আলম। গতকাল মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি জানান, তারা আজ বুধবার ভোর নাগাদ রেড জোনে পৌঁছাতে পারেন।
শহিদুল আলম বলেন, “আমরা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে আছি। কারণ আমাদের সঙ্গে থাকা ‘থাউজেন্ড ম্যাডলিনস’ নামের ছোট ও ধীরগতির জাহাজগুলো যেন পেছনে পড়ে না যায়, তা নিশ্চিত করতে আমরা গতি কমিয়ে তাদের সঙ্গে একসঙ্গে চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” এই জাহাজগুলোও ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনেরই অংশ।
তিনি বলেন, ‘আমরা সুমুদ ফ্লোটিলা নৌবহরের চেয়ে অনেক দ্রুত এগিয়েছি। সুমুদ নৌবহর প্রচণ্ড ঝড় ও বাতাসের কারণে সাময়িকভাবে থেমে গিয়েছিল।’
শহিদুল আলম আরও লেখেন, ‘এখন ধীরগতির জাহাজগুলো আমাদের কাতারে এসে গেছে। আমরা বর্তমানে রেড জোন থেকে মাত্র ৭০ নটিক্যাল মাইল দূরে আছি।’ তিনি ব্যাখ্যা করেন, রেড জোন বলতে তিনি বুঝিয়েছেন সেই বিপজ্জনক সামুদ্রিক অঞ্চল, যেখানে ইসরায়েলি নৌ-কমান্ডো বাহিনী সুমুদ ফ্লোটিলার জাহাজগুলোকে আটকে দিয়েছিল এবং সেখানে থাকা সুইডেনের জলবায়ু আন্দোলনকারী গ্রেটা থুনবার্গসহ অধিকারকর্মীদের আটক করেছিল।
শহিদুল আলম ও তার সঙ্গীরা এখন সেই এলাকাকেই সামনে রেখে এগোচ্ছেন। তিনি জানান, সব ধরনের সতর্কতা ও প্রস্তুতি নিয়েই তারা এই যাত্রা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এই অভিযান ফ্রিডম ফ্লোটিলা কোয়ালিশনের উদ্যোগে পরিচালিত হচ্ছে, যার উদ্দেশ্য হচ্ছে গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছানো এবং অবরোধের বিরুদ্ধে প্রতীকী প্রতিবাদ জানানো।