ঢাকা ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
গাজীপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে জনতার হাতে যুবদল নেতা আটক বাউফলে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে এসিল্যান্ডের স্বাক্ষর নকলের অভিযোগ চমেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের দ্বিতীয় দিনের কর্মবিরতি সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে সাপাহারে মতবিনিময় সভা বছরে ৮ বিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগ রুমিন ফারহানার উচ্চশিক্ষা নয়, নৈতিক শিক্ষায় বড় হও জবানের যে ছোট্ট কথায় অফুরন্ত সওয়াব মেলে সমুদ্র বাঁচলে পৃথিবী বাঁচবে ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু বরগুনায় নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মাথাবিহীন মরদেহ উদ্ধার মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ট্রেড ফাইন্যান্স অ্যানালিটিক্স সফটওয়্যার উদ্বোধন শাওমি নিয়ে এল ৯.৭ ইঞ্চির নতুন রেডমি প্যাড ২ ছয় লাখ শিক্ষক-কর্মচারী ঈদের আগে বেতন না পাওয়ায় সংসদে ক্ষোভ চীন-মঙ্গোলিয়া যৌথ মহড়ায় নজর কাড়লো রোবটিক উলফ চকরিয়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ নিহত ২ জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় নীতিমালা আধুনিকায়ন করছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী দেশে প্রতিবছর অপচয় হয় ৩৫ লাখ টন খাদ্য: প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী গৃহকর্মী রোবট! দেশের সম্মান রক্ষায় জীবন বাজি রাখছেন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রামিসার মৃত্যু, অপরাধীর শাস্তি এবং সমাজের দায় বিশ্বকাপের উন্মাদনা এবার রঙ বাংলাদেশে নাচোলে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত দেখিয়ে মৎস্য সমবায় সমিতির নিবন্ধন জাতিসংঘ: উন্নয়ন অংশীদার নাকি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নদী-খাল কিছু নেই তবুও নির্মাণ হচ্ছে ব্রিজ শাহরাস্তিতে সরকারি গাছ কেটে নিলেন পৌর বিএনপির নেতা বানিয়াচংয়ে দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ, আহত ৫০ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কবর খুঁড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু ২ প্রাকৃতিক ভূগোল অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র নর্ডিক দেশসমূহ: প্রকৃতি, সমৃদ্ধি ও মানবিক উন্নয়নের অনন্য দৃষ্টান্ত জনবল নেবে ব্যাংক এশিয়া
Nagad desktop

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল চতুর্থবার নাকি বিজেপি প্রথম?

প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৬, ০৯:২৬ এএম
পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল চতুর্থবার নাকি বিজেপি প্রথম?
তৃণমূল কংগ্রেস-বিজেপি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে টানটান উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। আজ সোমবার ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২৯৩টির ভাগ্য নির্ধারিত হতে যাচ্ছে। টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস কি চতুর্থবারের মতো নবান্ন দখল করবে, নাকি গেরুয়া ঝড় তুলে প্রথমবারের মতো ক্ষমতায় আসবে বিজেপি? দিল্লির বিশ্লেষক মহল থেকে শুরু করে সাধারণ ভোটার—সবার নজর এখন গণনার টেবিলের দিকে। একদিকে বুথফেরত জরিপের পূর্বাভাসে বিজেপির পাল্লা ভারী, অন্যদিকে ২০২১-এর মতো চমক দেখিয়ে জয় ধরে রাখতে আত্মবিশ্বাসী মমতা। এই ফলাফল ভারতের ভবিষ্যৎ রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।

গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় অনুষ্ঠিত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হচ্ছে আজ সকাল ৮টা থেকে। একটি আসনে অনিয়মের অভিযোগে পুনরায় ভোট হবে। ফলে ২৯৩টি আসনের ফলাফল ঘোষিত হবে আজ।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রথমে শুরু হবে পোস্টাল ব্যালট গণনা। এরপর ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ফলাফল আসা শুরু করবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিকেলের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে পশ্চিমবঙ্গের শাসনভার কার হাতে থাকছে। তবে ফালটা আসনের ভোট স্থগিত হওয়ায় ম্যাজিক ফিগার ১৪৮-এর লড়াইয়ে প্রতিটি আসন এখন গুরুত্বপূর্ণ।

বিজেপির ‘মর্যাদার লড়াই’ 
বিজেপির জন্য এবারের পশ্চিমবঙ্গ দখল কেবল একটি রাজ্যের জয় নয়, বরং এটি তাদের আদর্শিক ও রাজনৈতিক শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের লড়াই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে বিজেপি তাদের সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে। অধিকাংশ বুথফেরত জরিপ এবার বিজেপিকে এগিয়ে রেখেছে। যদি এসব জরিপ সত্যি হয়, তবে পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো হিন্দুত্ববাদী দল ক্ষমতা দখল করবে। বিশ্লেষকদের মতে, সিএএ, অনুপ্রবেশ ইস্যু এবং হিন্দু ভোটারদের মেরুকরণ বিজেপির প্রধান হাতিয়ার ছিল।

তৃণমূলের পাল্টা চ্যালেঞ্জ ও মমতার আত্মবিশ্বাস
অন্যদিকে, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুথফেরত জরিপকে ‘পেইড নিউজ’ বা অর্থের বিনিময়ে করা প্রচারণা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তার দাবি, রাজ্যের গ্রামীণ ভোট এবং নারীদের জন্য চালু করা সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলোর সুফল তৃণমূলকে আবারও ক্ষমতায় ফেরাবে। তৃণমূল নেতৃত্বের মতে, গত এক দশকে বিজেপির হিন্দুত্ববাদী প্রচারণার বিপরীতে তারা ‘বাঙালি অস্মিতা’ বা আঞ্চলিক জাতীয়তাবাদকে সফলভাবে তুলে ধরতে পেরেছে।

দিল্লির নজর কেন কেবল বাংলায়
ভারতের অন্যান্য রাজ্য যেমন–কেরালা, তামিলনাড়ু বা আসামে নির্বাচন হলেও দিল্লির মূল নজর এখন পশ্চিমবঙ্গে। এর প্রধান কারণ, বিজেপি দক্ষিণ ভারতে এখনও মূল শক্তি হয়ে উঠতে পারেনি। কিন্তু বাংলায় জয় পেলে তা হবে ভারতের পূর্বাঞ্চলে বিজেপির একচ্ছত্র আধিপত্যের চূড়ান্ত ধাপ। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অপূর্বানন্দের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে যে, করপোরেট  সংবাদমাধ্যম থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় প্রশাসন—সবাই যেন বাংলায় পরিবর্তন দেখার জন্য মুখিয়ে আছে।

একসময়কার অপরাজেয় বাম ফ্রন্ট এবং জাতীয় দল কংগ্রেস এখন পশ্চিমবঙ্গে প্রায় অস্তিত্বহীন। তৃণমূলের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভ থাকলেও বিজেপি ছাড়া আর কোনো শক্তিশালী বিকল্প নেই। এই রাজনৈতিক শূন্যতাকে কাজে লাগিয়েই বিজেপি প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলের দুর্নীতি ও স্থানীয় নেতাদের আধিপত্যের বিরুদ্ধে মানুষ বিকল্প খুঁজছে, যা বিজেপির ভোট ব্যাংকে জোয়ার এনেছে।

এসআইআর বিতর্ক ও ভোটার বিয়োগ
এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে বড় বিতর্ক ছিল ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর। প্রায় ৯০ লাখ ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যার একটি বড় অংশই সংখ্যালঘু মুসলমান সম্প্রদায়। তৃণমূলের অভিযোগ, এটি নির্বাচন কমিশনের একটি সাজানো পরিকল্পনা। বিজেপির জয় যদি খুব সামান্য ব্যবধানে হয়, তবে এই বিতর্ক ভারতীয় গণতন্ত্র ও নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতাকে বড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাবে।

আজকের ফলাফল শুধু পশ্চিমবঙ্গের জন্য নয়, বরং ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে জাতীয় রাজনীতির গতিপথ ঠিক করে দেবে। যদি মমতা জয়ী হন, তবে তিনি বিজেপিবিরোধী জোটের প্রধান মুখ হয়ে উঠবেন। আর যদি গেরুয়া শিবিরের জয় হয়, তবে তা হবে ভারতীয় রাজনীতির এক অভাবনীয় মোড়। নবান্নের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কার হাসি চওড়া হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

শক্তিশালী ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চান নেতানিয়াহু!

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
শক্তিশালী ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চান নেতানিয়াহু!
ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু হওয়ার পর উত্তেজনা প্রশমনে ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিতে প্রথমদিকে অনিচ্ছুক ছিল তেল আবিব। অনেকের মতে, ইসরায়েল শুধু যুদ্ধ অব্যাহত রাখতেই আগ্রহী ছিল না, বরং এই সংঘাত নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অবস্থান ও ভাবমূর্তির সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল।

সপ্তাহের শুরুতে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যকার একটি ফোনালাপের তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর ইসরায়েলের ভেতরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এতে এমন ধারণা তৈরি হয় যে, নেতানিয়াহু অনেক ক্ষেত্রে ট্রাম্পের নির্দেশনা অনুসরণ করতে বাধ্য হচ্ছেন।

ধারণা করা হয়, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে সামরিক অভিযান আরও বিস্তৃত না করতে এবং বৈরুতকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা থেকে বিরত থাকতে কঠোরভাবে সতর্ক করেছিলেন। 

এ তথ্য প্রকাশ পাওয়ার পর ইসরায়েলের একটি অংশের কাছে নেতানিয়াহুর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারণ তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে শুধু একজন শক্তিশালী নেতা হিসেবেই নয়, বরং ইসরায়েলের কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকেও উপেক্ষা করতে প্রস্তুত একজন নেতা হিসেবে উপস্থাপন করে এসেছেন।

ফলে যখন তাকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির দিকে এগিয়ে যেতে দেখা যায়, তখন বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে তার জন্য খুব ইতিবাচক বার্তা বহন করেনি। 

অনেক ইসরায়েলির মধ্যে এমন প্রত্যাশাও ছিল যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সম্ভাব্য সমঝোতা বা আলোচনাকে ভেস্তে দেওয়ার জন্য নেতানিয়াহুর হাতে কোনো না কোনো গোপন কৌশল রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের অভ্যন্তরে একটি শক্তিশালী অংশের স্বার্থ যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে। 

তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের অভ্যন্তরে ইসরায়েলের ঘোষিত কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের জন্য এই সংঘাত অপরিহার্য। এসব লক্ষ্যের মধ্যে রয়েছে ইরানের শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন এবং উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতের ওপর নিয়ন্ত্রণ বা নজরদারি প্রতিষ্ঠা।

তবে পর্যবেক্ষকদের মতে, এর পেছনে কেবল নিরাপত্তা বা কৌশলগত বিবেচনাই নয়, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশও কাজ করছে। বিশেষ করে সম্ভাব্য নির্বাচন এবং ক্ষমতায় টিকে থাকার প্রশ্নে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এই সমীকরণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

থিও/

ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে মৃত্যু ১৯, আহত ১৩০

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:৫৩ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম
ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে মৃত্যু ১৯, আহত ১৩০
ছবি: সংগৃহীত

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু এবং ১৩০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

সোমবার (৮ জুন) এই দুর্যোগের ফলে ওই অঞ্চলের যোগাযোগ ও পরিবহন অবকাঠামো ভেঙে পড়ে এবং এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বেশ কিছু অংশে সুনামি সতর্কতা জারি করার পর জরুরি উদ্ধার তৎপরতা চালানো হয়।

ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল মিন্দানাও অঞ্চলের উপকূলবর্তী এলাকা, যা ওই অঞ্চলের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক ও পরিবহন কেন্দ্র ‘জেনারেল সান্তোস সিটি’র কাছাকাছি অবস্থিত।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ভূমিকম্পের ফলে বাণিজ্যিক ভবন ধসে পড়াসহ ব্যাপক কাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আটকেপড়াদের উদ্ধারে ইতোমধ্যে তল্লাশি ও উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে।

ভূমিকম্পের পরপরই ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়াসহ ওই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। তবে পরবর্তীতে সমুদ্রের ঢেউয়ের গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করে অনেক জায়গার সতর্কতা তুলে নেওয়া হয় বা কমিয়ে আনা হয়।

তা সত্ত্বেও, পূর্বসতর্কতা হিসেবে উপকূলীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের নিরাপদ ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ।

এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাব পড়েছে যোগাযোগ ও পরিবহন খাতের ওপরও। নিরাপত্তার স্বার্থে ‘জেনারেল সান্তোস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর’-এর কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়, যার ফলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটের যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, ভূমিকম্পে ডজন খানেক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মূল ভূমিকম্পের পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ১৩০টিরও বেশি আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনগুলোতে পুনরায় প্রবেশ না করার জন্য বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে।

জনপ্রিয় পর্যটন ও ব্যবসায়িক কেন্দ্রগুলোতে এ ধরনের বড় আকারের প্রাকৃতিক বিপর্যয় কী ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে, এই ঘটনাটি আবারও তা মনে করিয়ে দিল।

ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ফিলিপাইন ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ার’-এর ওপর অবস্থিত, যা বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। ফলে এখানে প্রায়শই ভূমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটে।

মিন্দানাওজুড়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে। এরই মধ্যে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র ক্ষতিগ্রস্ত সম্প্রদায়গুলোকে সব ধরনের সহায়তা দিতে এবং চলমান ঝুঁকিগুলো সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করতে সরকারি সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন। সূত্র: আন্তর্জাতিক ট্রাভেল ও হেলথ ইনস্যুরেন্স জার্নাল

তামান্না রুপা/

ইসরায়েলের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ইরানের হামলা

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:২২ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম
ইসরায়েলের পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ইরানের হামলা
ছবি: আল জাজিরা থেকে

ইরানের একটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার জবাবে ইসরায়েলের হাইফা শহরের একটি পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।

সোমবার (৮ জুন) সকালে ইসরায়েল ইরানের মাহশাহরের কারুন পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সকে লক্ষ্যবস্তু করার পর এই হামলা চালাল ইরান।

কারুন পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সটি ফ্লেক্সিবল ফোম এবং রিজিড ফোম তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক উৎপাদন করে। এই রাসায়নিকগুলোর মধ্যে একটি হলো টলুইন ডাইআইসোসায়ানেট (টিডিআই), যা এই অঞ্চলে একমাত্র ইরানই উৎপাদন করে থাকে।

বৈশ্বিক সরবরাহের ক্ষেত্রে, এই রাসায়নিকের ইরানি রপ্তানি মোট বাজারের ২ শতাংশেরও কম, তাই এর প্রভাব ততটা গভীর নয়।

ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বলেছে, প্রতিশোধ হিসেবে তারা ইসরায়েলের হাইফায় একটি রাসায়নিক কারখানায় হামলা চালিয়েছে।

তারা ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে বলেছে, এই অঞ্চলে বেসামরিক ও জ্বালানি লক্ষ্যবস্তুতে আরও হামলা হলে তা বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে, যার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী থাকবে।

থিও/অমিয়/

ইরানের হামলায় চুক্তির কোনো পরিবর্তন হবে না: ট্রাম্প

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:২৯ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:৪৭ পিএম
ইরানের হামলায় চুক্তির কোনো পরিবর্তন হবে না: ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলের ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরও তেহরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই হামলার কারণে চুক্তির ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবসানে তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটন যে কোনো চুক্তিতে পৌঁছালে, তা মেনে নেওয়া ছাড়া ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর আর কোনো উপায় নেই বলে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

একই সঙ্গে আঞ্চলিক সামরিক উত্তেজনা না বাড়িয়ে নেতানিয়াহুকে শান্ত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তেহরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের মূল চাবিকাঠি এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র তার হাতেই।

টেলিফোনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘নেতানিয়াহুর সামনে আর কোনো বিকল্প থাকবে না। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আমিই নিই। সব সিদ্ধান্ত আমার। তিনি এখানে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কেউ নন‘’

গত এপ্রিলের শুরুর দিকে হওয়া যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইসরায়েলের ওপর ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এই কড়া বক্তব্য সামনে এল।

নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের কড়া বার্তা

ফক্স নিউজ ও অ্যাক্সিওসকে দেওয়া পৃথক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, তিনি নেতানিয়াহুকে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ না নিয়ে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার নির্দেশ দেবেন। তবে ট্রাম্পের এই অবস্থান ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দেওয়া বিবৃতির সম্পূর্ণ বিপরীত।

একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস জানায়, ট্রাম্প টেলিফোনে নেতানিয়াহুকে আপাতত শান্ত থাকতে বলেছেন কারণ ‘একটি ভালো চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি আমরা’।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী প্রথমে এর বিরোধিতা করলেও শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পের কথায় ‘এক প্রকার রাজি’ হয়েছেন।

মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যাপারে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এই মুহূর্তে ইসরায়েল থেকে বড় কোনো হামলার আশঙ্কা নেই।’

ট্রাম্পের ইরান পরিকল্পনা

ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে ট্রাম্প বলেন, ‘চুক্তির ওপর এর কোনো প্রভাব পড়বে না।’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কী হয়। তবে (ইসরায়েলে হওয়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলাগুলো) এমন কোনো বড় আঘাত ছিল না যা সব ওলট-পালট করে দেবে।’

তবে গত এপ্রিলের শুরুতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে ইরানের সঙ্গে প্রথম দফার আলোচনা শুরু হওয়ার পর থেকে ট্রাম্পকে যতটুকু আশাবাদী দেখাচ্ছিল, তেহরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তির বিষয়ে এবার তার কণ্ঠে ততটা দৃঢ়তা শোনা যায়নি। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় চুক্তিটি এগিয়ে চলছে। দেখা যাক কী হয়।’

ইরানের এই হামলা তার নিজস্ব সমীকরণে কোনো প্রভাব ফেলবে না উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ‘চুক্তিটি তার নিজস্ব যোগ্যতায় সফল হতেও পারে, আবার নাও পারে। তবে এই হামলার কারণে এতে কোনো প্রভাব পড়বে না।’

ইরান অভিযানের প্রস্তুতি

যদি এই চুক্তিটি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়, তবে কী করা হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানান, তিনি ইরানে কমান্ডো অভিযানের কথা বিবেচনা করবেন। তিনি বলেন, ‘সেক্ষেত্রে দুটি বিষয় ঘটতে পারে। প্রথমত, আমরা সরাসরি সেখানে ঢুকে সামরিকভাবে বাকি জায়গাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেব, যা আগে করা হয়নি। অথবা আমরা ইরানের ওপর অর্থনৈতিক ও সামরিক অবরোধ বজায় রাখব। কারণ এই অবরোধ সম্ভবত দেশটির ওপর হওয়া যেকোনো সামরিক হামলার চেয়েও বেশি শক্তিশালী।’

গত সপ্তাহে নেতানিয়াহুর সঙ্গে ট্রাম্পের একটি তুমুল উত্তপ্ত ফোনালাপের পর তার এই মন্তব্যগুলো সামনে এল। জানা গেছে, সেই ফোনালাপে ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হয়ে নেতানিয়াহুকে বলেন, ‘তুমি কি পাগল হয়ে গেছ? আমি না থাকলে আজ তুমি জেলে থাকতে। এখন সবাই তোমাকে ঘৃণা করে। এসবের কারণে সবাই এখন ইসরায়েলকে ঘৃণা করছে।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজে সেই ফোনালাপের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন এবং ফোনালাপের ভেতরের এসব বক্তব্যের বিবরণ নিয়ে কোনো দ্বিমত পোষণ করেননি। সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/অমিয়/

তেল আবিবের হামলায় পাল্টা আক্রমণ তেহরানের

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১২:২৩ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০১:০৫ পিএম
তেল আবিবের হামলায় পাল্টা আক্রমণ তেহরানের
ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের চলমান হামলা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে, অন্যথায় আরও হামলার সম্মুখীন হতে হবে- তেহরানের এমন সতর্কবার্তার পর ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী টেলিগ্রামে একাধিক পোস্টে জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রবিবার (৭ জুন) রাত প্রায় ১০টা থেকে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে একাধিক দফা হামলা চালানো হয়, যার ফলে দেশজুড়ে বিভিন্ন স্থানে সাইরেন বেজে ওঠে।

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরান তাদের ভূখণ্ডের দিকে দ্বিতীয় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে এবং দেশজুড়ে সাইরেন বেজে উঠেছে। তেহরান, তাবরিজ ও ইসফাহানে বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পর ইরানের ওপর ইসরায়েলি হামলা চালানো হলো।

লোহিত সাগরে ইসরায়েলি নৌচলাচল নিষিদ্ধ করবে হুথিরা

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠী জানিয়েছে যে, তারা লোহিত সাগরে ইসরায়েলি নৌচলাচল নিষিদ্ধ করবে এবং এই জলপথে ইসরায়েল-সমর্থিত জাহাজগুলো আবারও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।

তারা এক বিবৃতিতে আরও বলেছে যে, তারা ইসরায়েলের ওপর হামলা চালিয়েছে। হুথিরা আরও যোগ করেছে যে, উত্তেজনা বাড়লে তারাও পাল্টা উত্তেজনা দিয়ে জবাব দেবে।

মধ্যপ্রাচ্যে ‘উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রয়োজন নেই’: ইইউ-এর শীর্ষ কূটনীতিক

ইরান ও ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি হামলার পর ইইউ-এর পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতি বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি কায়া কালাস দেশ দুটিকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। 

কালাস বলেন, রবিবার রাতেই আমরা আবারও উত্তেজনা বাড়তে দেখেছি। আমি মনে করি, এই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ানোর প্রয়োজন নেই, বরং পক্ষগুলোর উচিত আলোচনার টেবিলে বসে একটি চুক্তিতে আসা।

ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে

ইরানের মেহর নিউজ অ্যাজেন্সির এক প্রতিবেদনে জানান হয়, দেশের পশ্চিমাঞ্চলের কেরমানশাহ শহরের চারপাশের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শত্রু লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে সক্রিয় করা হয়েছে।

ইরানি গুপ্তচর সন্দেহে ইসরায়েলে এক ব্যক্তি অভিযুক্ত

দ্য টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, তেল আবিবের এক ব্যক্তি ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন। ৩০ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ২০২৬ সালের শুরু থেকে গ্রেপ্তার হওয়ার আগ পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি অর্থের বিনিময়ে ইরানের জন্য নিরাপত্তা-সম্পর্কিত দায়িত্ব পালনে সম্মত হয়েছিলেন।

ইসরায়েলি হামলায় ‘কঠোর জবাবের’ হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান

ইসরায়েলি হামলায় মাহশাহরের পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে এবং এখানকার সব কর্মীকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত তাবরিজ, কারাজ, ইসফাহান এবং রাজধানী তেহরানসহ মোট চারটি শহরে হামলার খবর পাওয়া গেছে।

আইআরজিসি এবং অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে বলছেন, ইসরায়েলের ওপর হামলা ছিল একটি সতর্কতামূলক সংকেত। কিন্তু এরপর কী ঘটতে পারে তা স্পষ্ট নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান বলছে, লেবাননসহ একটি আঞ্চলিক যুদ্ধবিরতি অবশ্যই হতে হবে। যদি ইসরায়েলিরা লেবাননে, বিশেষ করে বৈরুতের দাহিয়েতে হামলা অব্যাহত রাখে, তবে ইরানিরা প্রতিক্রিয়া দেখাবে এবং পাল্টা জবাব দেবে।

তারা আরও বলছে, 'আমরা জানি যে আমরা অত্যন্ত নাজুক ও ভঙ্গুর পরিস্থিতির সম্মুখীন। যদিও আমাদের যুদ্ধবিরতি খুব অল্প সময়ের জন্য ছিল। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে যে আমরা আবারও উত্তেজনা বৃদ্ধির দ্বারপ্রান্তে রয়েছি'।

থিও/অমিয়/