ঢাকা ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কল্যাণে পৃথক অধিদপ্তর গঠনের আশ্বাস দিলেন মির্জা ফখরুল কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন মমতা হরিণাকুন্ডুতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু ইসরায়েলের আগ্রাসন পুরো বিশ্বের জন্য বিপদ: এরদোয়ান সিলেটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকালে প্রশাসনের অভিযান মুকসুদপুরে নিখোঁজের ৫ দিন পর ইজিবাইকচালকের মরদেহ উদ্ধার চট্টগ্রাম কাস্টমসের বিল অব এন্ট্রি ও বিল অব এক্সপোর্ট কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকছে প্রথমবার মাথাপিছু আয় ৩ হাজার ডলার ছাড়াল ব্যক্তিগতভাবে আমি মৃত্যুদণ্ড বিরোধী: আইনমন্ত্রী বাংলা কিউআর: ক্যাশলেস বাংলাদেশের পথে নতুন বিপ্লব ভ্যানচালকের আর্জেন্টিনা প্রেম মধ্যপ্রাচ্যে আবারও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের আশঙ্কা: আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় প্রশংসা সৌদি হজমন্ত্রীর অত্যন্ত শক্তিশালী এল নিনোর সম্ভাবনা বাড়ছে: ইইউ পর্যবেক্ষণ সংস্থা বিছানা নাপাক হলে ঐ ঘরে নামাজ পড়া যাবে কি? পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও কার্য উপদেষ্টা কমিটি গঠন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলা, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তিচুক্তি অনিশ্চিত কারাগারে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখার ব্যবস্থা করলেন টাঙ্গাইলের ডিসি বরাদ্দ অর্থের ব্যয় নিশ্চিত করতে হবে চার স্তরে মজুত, জলাতঙ্কের ভ্যাকসিনের কোনো সংকট নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নারী ও শিশুর সুরক্ষায় প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ প্রয়োজন: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ভোটের দায়িত্বে মারা গেলে ১০ লাখ টাকা পাবে পরিবার মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি পোশাক শিল্পের জন্য অশনি সংকেত: ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানকে আলোচনা বিলম্ব করার ‘মূল্য দিতে হবে’: ট্রাম্প আড়াইহাজারে চাঁদাবাজির অভিযোগে এসআই প্রত্যাহার পাবনায় সন্তানের সামনে বাবাকে গুলি করে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ৩ গাজীপুরে বাস উল্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩ শিক্ষার্থী আহত সিংগাইরে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু: ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা চার দিনের সংগীত উৎসবে মেতে উঠছে ঢাকা সরকারি ভাতা বিতরণে নগদের প্রতি আস্থা অব্যাহত
Nagad desktop

ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান ড. ইউনূসের

প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১২:১৯ পিএম
আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৩:৩০ পিএম
ফিলিস্তিনিদের রক্ষায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান ড. ইউনূসের
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণ দিচ্ছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস

ইসরায়েলি বর্বরতা থেকে ফিলিস্তিনিদের রক্ষা এবং ফিলিস্তিনে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়বদ্ধ করতে অবিলম্বে সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 

শুক্রবার (২৭ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি এ আহ্বান জানান।

ড. ইউনূস বলেন, বিশ্ববাসীর উদ্বেগ এবং নিন্দা সত্ত্বেও গাজায় গণহত্যা থামছে না। ফিলিস্তিনের বিদ্যমান বাস্তবতা কেবল আরব কিংবা মুসলমানদের জন্যই উদ্বেগজনক নয়, বরং তা সমগ্র মানবজাতির জন্যই উদ্বেগের। একজন মানুষ হিসেবে প্রত্যেক ফিলিস্তিনির জীবন অমূল্য। ফিলিস্তিনের জনগণের বিরুদ্ধে যে মানবতাবিরোধী অপরাধ হচ্ছে, তার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়বদ্ধ করতে হবে।

তিনি বলেন, ফিলিস্তিনের জনগণের ওপর চলমান নৃশংসতা, বিশেষত নারী এবং শিশুদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যে নিষ্ঠুরতা বিশ্ব দেখছে, তা থেকে নিস্তারের জন্য বাংলাদেশ অনতিবিলম্বে সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দ্বি-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানই মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই শান্তি আনতে পারবে। তাই জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সবাইকে এর বাস্তবায়নের জন্য এখনই উদ্যোগ নিতে হবে। গত আড়াই বছর ধরে ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধে বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। এই যুদ্ধের প্রভাব সর্বব্যাপী। এমনকী বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও এর প্রভাব অনুভূত হচ্ছে। আমরা তাই উভয়পক্ষকেই সংলাপে বসে বিরোধ নিরসনের মাধ্যমে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর আহ্বান জানাচ্ছি। সূত্র: বাসস 

পপি/অমিয়/

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কল্যাণে পৃথক অধিদপ্তর গঠনের আশ্বাস দিলেন মির্জা ফখরুল

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ পিএম
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কল্যাণে পৃথক অধিদপ্তর গঠনের আশ্বাস দিলেন মির্জা ফখরুল
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুলশানে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন। ছবি: সংগৃহীত

দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের শিক্ষা, কর্মসংস্থান, রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব এবং সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পৃথক একটি অধিদপ্তর গঠনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (১০ জুন)  রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আশাবাদের কথা জানান। সভায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের বিভিন্ন পর্যায়ে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। শুধু ভোট প্রদানের মধ্যেই তাদের অবদান সীমাবদ্ধ ছিল না; নির্বাচনী প্রচারণা ও সাংগঠনিক কার্যক্রমেও তারা বিএনপির পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে। এজন্য তিনি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের অধিকার ও স্বার্থরক্ষায় সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করতে চায়। ইতোমধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের মাধ্যমে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে সংসদের উচ্চ কক্ষেও তাদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা থাকবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ধারায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত না করলে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন সম্ভব নয়। এজন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে তাদের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্বল্প সুদে ঋণপ্রাপ্তির ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, “ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সংরক্ষণে সরকার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করছে। তাদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে পৃথক একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।”

সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য বিজন কান্তি সরকার বলেন, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে সরকারের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই। শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতেও তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বিশেষ করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীদের নার্সিংসহ স্বাস্থ্যসেবা খাতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বিজন কান্তি সরকার বলেন, এ খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে একদিকে যেমন কর্মসংস্থান বাড়বে, অন্যদিকে সমাজেও তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা তাদের বিভিন্ন দাবি, প্রত্যাশা ও সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তারা শিক্ষা বৃত্তি বৃদ্ধি, সরকারি চাকরিতে অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, ভূমি-সংক্রান্ত জটিলতার সমাধান এবং স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অধিক সম্পৃক্ততার দাবি জানান।

সভায় বক্তারা বলেন, দেশের বহুত্ববাদী সংস্কৃতি ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর অবদান গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাদের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, সরকারের ঘোষিত উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং মূলধারার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ আরও বৃদ্ধি পাবে।

এসএন/

ব্যক্তিগতভাবে আমি মৃত্যুদণ্ড বিরোধী: আইনমন্ত্রী

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১০:২৭ পিএম
ব্যক্তিগতভাবে আমি মৃত্যুদণ্ড বিরোধী: আইনমন্ত্রী
ছবি: খবরের কাগজ

ব্যক্তিগতভাবে নিজেকে মৃত্যুদণ্ড বিরোধী হিসেবে উল্লেখ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। সামাজিক বাস্তবতায় মৃত্যুদণ্ড রদ করতে চাইলে সেটা আমাদের জন্য একটা সোশ্যাল ব্যাকফায়ার করতে পারে, বলে শঙ্কা আইনমন্ত্রীর।

বুধবার (১০ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত ‘লিগ্যাল রিপ্রেজেন্টেশন ইন ডেথ পেনাল্টি কেসেস ইন বাংলাদেশ: অ্যান এমপিরিক্যাল অ্যান্ড কনসেপচুয়াল অ্যানালাইসিস’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব উঠে আসে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি মৃত্যুদণ্ড বিরোধী। এটা আমার মানবাধিকারের প্রতি একটি অঙ্গীকার। এই ক্যাম্পেইনের আমি একজন অংশীদার। তারপরেও কিছু কথা থেকে যায়। প্রতিটি সাধারণ নিয়মেরই ব্যতিক্রম থাকে। যখন দেখি ৮ বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণ করার পরে হত্যা করা হয়েছে, আলামত নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে, তখন এই সমাজের একজন অংশ হিসেবে, মানুষ হিসেবে আমারও মনে হয় এদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার হওয়া প্রয়োজন।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘৮ বছরের শিশুকে যেভাবে হত্যা করা হয়, এই সামাজিক বাস্তবতায় আমরা যদি মৃত্যুদণ্ড রদ করতে চাই, সেটা আমাদের জন্য একটা সোশ্যাল ব্যাকফায়ার করতে পারে।’

আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রত্যেক আসামিরই আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। সেই লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই আমরা গত মাসে আইনগত সহায়তা দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেছি। প্রতিটি জেলায় লিগ্যাল এইড কমিটি গঠন করেছি। সেখানে জেলা জজের তত্ত্বাবধানে লিগ্যাল এইড কমিটি কার্যক্রম শুরু করবে। মানুষের দোরগোড়ায় লিগ্যাল এইড পৌঁছে দেওয়া আমাদের অঙ্গীকার। আমরা চাই লিগ্যাল এইড অফিস উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখুক। তাহলে মামলার জট এবং হয়রানি কমবে। আমরা একটি বাধ্যতামূলক লিগ্যাল এইড দেওয়ার জন্য বিধান করতে চাচ্ছি।’

এসময় সেন্টার ফর এডভান্সড লিগ্যাল স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ড. শাহনাজ হুদার সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, ডেথ পেনাল্টি প্রজেক্ট (ডিপিপি)’র উপ-নির্বাহী পরিচালক সল লরফ্রেন্ড বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার সারা হোসেনসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন। এছাড়া ওই সেমিনারে ডেথ পেনাল্টি প্রজেক্টের প্রজেক্ট ম্যানেজার কনি পার্কার ধীনাকরণ গবেষণার পরিচিতি তুলে ধরেন।

আরিফ জাওয়াদ/এসএন

বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় প্রশংসা সৌদি হজমন্ত্রীর

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭ পিএম
বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় প্রশংসা সৌদি হজমন্ত্রীর
ছবি: সংগৃহীত

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) এর সাথে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রী ড. তৌফিক বিন ফাউজান আল রাবিয়াহ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার (১০ জুন) সকালে সৌদি আরবের রিয়াদে দ্য পিলগ্রিমস এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশের এ বছরের হজ ব্যবস্থাপনার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রী। তিনি ২০২৬ সালের হজের সার্বিক ব্যবস্হাপনায় সাফল্যে বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং ধর্মমন্ত্রীকে আন্তরিক নেতৃত্বের মাধ্যমে সেবা প্রদানের  জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি ধর্মমন্ত্রীর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রী বাংলাদেশের এ বছরের হজ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা ও সুশৃঙ্খলতার ভূয়সী প্রশংসা করে আগামীতে সার্বিক হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বাংলাদেশের সহায়তা কামনা করেন। এছাড়া, আগামি ২০২৭ সালের হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে সৌদি সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তিনি।

এদিকে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ সামগ্রিক হজ ব্যবস্থাপনার অভূতপূর্ব উন্নয়নের জন্য সৌদি সরকারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি এবারের হজ ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের নিরাপত্তা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, ভীড় ব্যবস্থাপনা, তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার, মাশায়েরে হাজী সেবা প্রভৃতির মাধ্যমে হজ পালনের সহায়ক পরিবেশ তৈরির জন্য সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ, ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এবং সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। আল্লাহর মেহমানদের সেবায় হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বাংলাদেশ সৌদি সরকারের পাশে থাকবে বলে আশ্বাস দেন ধর্মমন্ত্রী।

এ বৈঠকে সৌদিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসেন ও কাউন্সিলর (হজ) মোঃ কামরুল ইসলামসহ উভয় মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন। 

এসএন/প্রেস বিজ্ঞপ্তি

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও কার্য উপদেষ্টা কমিটি গঠন

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও কার্য উপদেষ্টা কমিটি গঠন
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন এবং কার্য উপদেষ্টা কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

স্পিকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্রস্তাব উত্থাপন করেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি। সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ ও কার্যপ্রণালী বিধির সংশ্লিষ্ট ধারার আলোকে কণ্ঠভোটে প্রস্তাবগুলো পাস হয়।

নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানকে সভাপতি করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন, মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, কাজী রফিকুল ইসলাম, মইনুল ইসলাম খান, মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, মোহাম্মদ শওকতুল ইসলাম, মোসাম্মদ ফরিদা ইয়াসমিন, মোহাম্মদ সাইফুল আলম এবং মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ।

এরপর সংসদের সম্পূরক কার্যসূচি অনুযায়ী কার্য উপদেষ্টা কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমকে কমিটির সভাপতি মনোনীত করা হয়েছে।

কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন, সংসদ নেতা তারেক রহমান, মো. শফিকুর রহমান, ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং সালাউদ্দিন আহমেদ।

এ ছাড়া ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি, মো. আসাদুজ্জামান, সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, এ টি এম আজহারুল ইসলাম, মো. নাহিদ ইসলাম এবং মো. নওশাদ জমিরকেও কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, নবগঠিত স্থায়ী কমিটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তদারকি ও পর্যালোচনায় ভূমিকা রাখবে। অন্যদিকে কার্য উপদেষ্টা কমিটি সংসদের কার্যসূচি, অধিবেশনের সময়সূচি ও আইন প্রণয়ন কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবে।

এলিস/নাঈম

নারী ও শিশুর সুরক্ষায় প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ প্রয়োজন: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৮:৫৬ পিএম
নারী ও শিশুর সুরক্ষায় প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ প্রয়োজন: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
বক্তব্য রাখছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিষ্টার ফারজানা শারমীন। ছবি: খবরের কাগজ

নারী ও শিশুর সুরক্ষায় প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহন করা প্রয়োজন। এই লক্ষ্যে নীতিনির্ধারক, সুশীল সমাজ ও সামাজিক সংগঠনকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহন করতে হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিষ্টার ফারজানা শারমীন।

বুধবার (১০ জুন) প্রতিমন্ত্রী রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কর্মক্ষেত্র : নারীর নিরাপদ শিক্ষা ও কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে জাতীয় কাঠামো প্রণয়ন’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।  

বিশ্বব্যাংকের আমব্রেলা ফ্যাসিলিটি ফর জেন্ডার ইকুয়ালিটি, ইউএনএফপিএ বাংলাদেশ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের থিংকিং, ইনোভেশন অ্যান্ড জেন্ডার ল্যাবের যৌথ উদ্যোগে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

ফারজানা শারমীন বলেন, নারী ও শিশুর সুরক্ষায় কেবল শাস্তিমূলক ব্যবস্থাই যথেষ্ট নয়, প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপকে অগ্রাধিকার প্রদান করতে হবে। আমরা সবসময় নির্যাতনের পরে আইনগত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের ব্যাপারে তৎপর হই। কিন্তু অপরাধের পেছনের মূল কারণগুলো অনুসন্ধান করি না এবং অপরাধ নিরসনে কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহন করি না।  অপরাধীরা এই সুযোগ ব্যবহার করছে। আমাদেরকে এখন শেকড়ে হাত দিতে হবে। আইন ও নীতির কঠোর প্রয়োগের পাশাপাশি এখন সবচে’ বেশী প্রয়োজন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থায় মনোযোগ দেওয়া।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ‘সাধারণ মেয়ে’ কবিতার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সম্প্রতি একটি কন্যা শিশুকে তার নিজের বাবা ও চাচা উপর্যুপরি নির্যাতন করে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় শিশুটি শারিরিকভাবে চিকিৎসা সেবা গ্রহনেরও উপযোগী ছিল না। রাস্ট্র নিজ দায়িত্বে সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে ইচ্ছুক হলেও বিকৃত সামাজিক বাস্তবতার কারণে স্বয়ং পরিবার রাস্ট্রকে সেই সুযোগ দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এই ঘটনায় সামাজিক ও নৈতিক স্থলনের প্রমাণ পাওয়া যায়। এই সমস্যা আইনের দূর্বলতার কারণে নয়, বরং গলদটা আমাদের সামাজিক মনস্তত্তে¡ ও প্রতিরোধ ব্যবস্থার ঘাটতিতে। তাই নীতিনির্ধারক, সুশীল সমাজ ও সামাজিক সংগঠনকে শুধুমাত্র আইনী লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সমাজ থেকে এই বিকৃত মানসিকতা উপড়ে ফেলতে সমন্বিত প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ক্যাথরিন ব্রিন কামকং, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন এবং বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট স্পেশালিস্ট সাবাহ মইন।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের থিংকিং, ইনোভেশন অ্যান্ড জেন্ডার ল্যাবের প্রধান ড. সায়েদ শায়েখ ইমতিয়াজ। স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন ড. সোমা দে।

এসএন/