ঢাকা ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
অ্যালামনাই প্ল্যাটফর্ম ২০০৪ ব্যাচের বন্ধুদের ঈদ পরবর্তী পুনর্মিলনী মায়ানমারে পাচারকালে দেড় হাজার বস্তা সিমেন্ট আটক ৫২ মরুভূমিতে বিকল ট্রাক, পানির অভাবে ৪৯ জনের মৃত্যু মেধা ও ক্রীড়াবান্ধব জাতি গঠনে সরকার বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল ভক্তদের শোডাউন সরকারকে ৭ দিনের আলটিমেটাম ইনকিলাব মঞ্চের প্রথমবার এআই তৈরি করল ‘সুপার-ভ্যাকসিন’ হাদি হত্যা মামলার বাদীকে নিয়ে বোনের প্রশ্ন? জয়পুরহাট সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির টহল জোরদার রাজনীতি এক ভয়ংকর পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হচ্ছে: মির্জা ফখরুল হজ শেষে দেশে ফিরলেন ২৯৬৯৪ হাজি নারায়ণগঞ্জে ১৭ বন্যপাখি উদ্ধার ও অবমুক্ত হান্নানের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির তথ্য ফাঁস, ছাত্রদল নেতার বাড়িতে হামলার অভিযোগ নায়িকা মিমির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট, শেষ দেখে নেওয়ার হুমকি! দোয়া গুরুত্বপূর্ণ এক ইবাদত সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ মিছিল-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা কটাক্ষের শিকার আনুশকা কলকাতার মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ হাকিম চট্টগ্রামে কাফনের কাপড় পরে যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল হরোস্কোপের গোলকধাঁধায় ভবিষ্যৎ ভাবনা বিয়ে করলেন উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরী উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মানসিকতা সরকারের নেই: তথ্য প্রতিমন্ত্রী দিনে দিনেই ঘুরে আসুন মৈনট ঘাট থেকে পাবনায় ২০০ একর জমির ওপর বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী সবার সহযোগিতায় বাসডুবিতে কোনো প্রাণহানি ঘটেনি: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী নতুনধারার ‘কেমন বাজেট চাই’ শীর্ষক গোলটেবিল লক্ষ্মীপুরে হাসপাতালে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরকে বলাৎকার, ওয়ার্ডবয় আটক জিয়া স্মৃতি জাদুঘর শিগগিরই দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী
Nagad desktop

শেখ হাসিনার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু, ৫ অভিযোগ

প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৫, ১১:২৫ এএম
শেখ হাসিনার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু, ৫ অভিযোগ
খবরের কাগজ ইনফো

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

রবিবার (১ জুন) বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেন। এদিকে অভিযোগ আমলে নেওয়ার মাধ্যমে গতকাল ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো। 

এই মামলার আসামি পুলিশের তৎকালীন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন গ্রেপ্তার রয়েছেন। 

শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এদিন বিচারকাজ সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বিচারিক কার্যক্রমের শুরুতে তা সম্প্রচারের অনুমতি চেয়ে আদালতের কাছে প্রার্থনা করেন। আদালত তা মঞ্জুর করলে বিচারকাজ বিটিভির মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। গতকাল দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিচারকাজ সরাসরি সম্প্রচার শুরু হয়। আইনজীবীরা জানিয়েছেন, দেশে এই প্রথম আদালত থেকে বিচার কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার হলো। আদালত থেকে বের হওয়ার পর চিফ প্রসিকিউটর জানান, আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে ভবিষ্যতেও ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার হতে পারে।

এদিন ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশন থেকে এই আসামিদের বিরুদ্ধে উত্থাপন করা পাঁচটি অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।

অভিযোগগুলো হচ্ছে-

১. ২০২৪ সালের ১৪ জুন গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘শেখ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্য’ এবং অন্য দুই আসামিসহ তৎকালীন সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্ররোচনা, সহায়তা ও সম্পৃক্ততায় তাদের অধীন ও নিয়ন্ত্রণাধীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সশস্ত্র ‘আওয়ামী সন্ত্রাসী’ কর্তৃক ব্যাপক মাত্রায় ও পদ্ধতিগতভাবে নিরীহ নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর আক্রমণের অংশ হিসেবে হত্যা, হত্যার চেষ্টা, নির্যাতন এবং অন্যান্য অমানবিক আচরণ করার অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা, উসকানি, সহায়তা, সম্পৃক্ততা, অপরাধ সংঘটন প্রতিরোধে ব্যর্থতা, অপরাধ সংঘটনের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি প্রদান না করা এবং ষড়যন্ত্র করার অপরাধ; যা আসামিদের জ্ঞাতসারে সংঘটিত।

২. আসামি শেখ হাসিনা কর্তৃক ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে হেলিকপ্টার, ড্রোন ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে হত্যা করে আন্দোলন নির্মূলের নির্দেশ এবং তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসামি আসাদুজ্জামান খান কামাল ও তৎকালীন আইজিপি আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন কর্তৃক ওই নির্দেশ বাস্তবায়নে তাদের অধীন বাহিনীর সদস্যদের নির্দেশনা দিয়ে কার্যকর করার মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনের নির্দেশ প্রদান, সহায়তা, সম্পৃক্ততা এবং ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন। যা তাদের জ্ঞাতসারে কার্যকর করা হয়েছে।

৩. আসামি শেখ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্য এবং মারণাস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলনরত ছাত্র-জনতাকে হত্যার নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে অন্য দুই আসামির প্ররোচনায় ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে স্বল্প দূরত্ব থেকে সরাসরি নিরস্ত্র আন্দোলনকারী ছাত্র আবু সাঈদের বুক লক্ষ্য করে বিনা উসকানিতে একাধিক গুলি চালিয়ে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করার মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন।

৪. আসামি শেখ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্য এবং মারণাস্ত্র ব্যবহার করে ছাত্র-জনতাকে হত্যার নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে অন্য দুই আসামির প্ররোচনা, সহায়তা ও সম্পৃক্ততায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ঢাকা মহানগরীর চাঁনখারপুল এলাকায় নিরস্ত্র ৬ জনকে গুলি করে হত্যা করার মাধ্যমে আসামিদের জ্ঞাতসারে এবং তাদের কর্তৃক হত্যার নির্দেশ, প্ররোচনা, উসকানি, সহায়তা, সম্পৃক্ততা এবং ষড়যন্ত্র করার মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন।

৫. গত ৫ আগস্ট ঢাকা জেলার আশুলিয়ায় ৬ জনকে গুলি করে হত্যা ও লাশ পোড়ানোর মাধ্যমে হত্যা, মৃত ও জীবিত অবস্থায় আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে অমানবিক আচরণ করার নির্দেশ, প্ররোচনা, উসকানি, সহায়তা, সম্পৃক্ততা এবং ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটন।

অভিযোগ উত্থাপনকালে প্রসিকিউটর বলেন, ‘মোট ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্র ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়েছে। এতে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্রটি ১৩৫ পৃষ্ঠার। মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে ৮১ জনকে। ট্রাইব্যুনালে বিচারের জন্য আমরা যে সব সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করব সেগুলো হচ্ছে-’

১। প্রত্যক্ষদর্শী ও জীবিত ভিক্টিমদের সাক্ষ্য 
২। অপরাধ সংগঠনের সময় ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ
৩। ড্রোন এবং সিসিটিভি ফুটেজ 
৪। আসামিদের মধ্যে টেলিফোন সংলাপের অডিও ক্লিপস 
৫। ডিজিটাল অ্যাভিডেন্সগুলোর ফরেন্সিক রিপোর্ট
৬। আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
৭। গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত তথ্য, ছবি এবং ভিডিও
৮। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রস্তুত করা রিপোর্ট এবং 
৯। বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সংস্থা থেকে প্রাপ্ত অফিশিয়াল ডকুমেন্টস ইত্যাদি।
আগামী ১৬ জুন এই মামলার তিন আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

অভিযোগ উপস্থাপনকালে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আজ ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় মুহূর্তে এই ট্রাইব্যুনালের এই পবিত্র কক্ষে দাঁড়িয়ে, আমি শুধু একজন আইনজীবীই নই, ইতিহাসের এক তাজা রক্তাক্ত অধ্যায়ের সশ্রদ্ধ ভাষ্যকার।’ তিনি বলেন, ‘এই বিচার কেবল অতীতের প্রতিশোধ নয়। এটি ভবিষ্যতের জন্য প্রতিজ্ঞা। আমরা প্রমাণ করতে চাই একটি সভ্য সমাজ, যেখানে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন থাকবে-সেখানে গণহত্যা কিংবা মানবতাবিরোধী অপরাধ সহ্য করা হবে না।’

এর আগে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, জুলাই আন্দোলন নির্মূলে পরিচালিত নির্বিচারে গণহত্যার অপরাধে শেখ হাসিনার বিচার আজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে। গতকাল তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি। পোস্টে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন ও তদন্ত টিম দিনরাত পরিশ্রম করে গণহত্যার বিচারের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহিদ ওয়াসিমের বাবার একটি ছবি ফেসবুক পোস্টে আপলোড করে আইন উপদেষ্টা বলেন, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সবচেয়ে প্রথম যারা প্রাণ দিয়েছেন ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম ছিলেন তাদের অন্যতম। আবু সাঈদ, মুগ্ধ আর ওয়াসিমের পরিবারের (এবং আমাদের সবার) বিচারের প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘বিটিভিসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে এটি সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। আমাদের প্রসিকিউশন ও তদন্ত টিম দিনরাত পরিশ্রম করে গণহত্যার বিচারের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। আমরা এই বিচারে সব ডিউ প্রসেস অনুসরণ করব।

ইনশাআল্লাহ, সুষ্ঠুভাবে বিচার করেই শেখ হাসিনা ও অন্য অপরাধীদের দোষ প্রমাণ করা হবে।’

এদিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) বাইরে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সকালে দুর্বৃত্তরা আইসিটির দ্বিতীয় গেটের সামনে তিনটি ককটেল নিক্ষেপ করে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এর মধ্যে দুটি বিস্ফোরিত হলেও অবিস্ফোরিত একটি ককটেল উদ্ধার করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ।

এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদ মনসুর বলেন, ‘ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দুর্বৃত্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

মিডিয়া পার্টনার খবরের কাগজ অ্যালামনাই প্ল্যাটফর্ম ২০০৪ ব্যাচের বন্ধুদের ঈদ পরবর্তী পুনর্মিলনী

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:৪৫ পিএম
অ্যালামনাই প্ল্যাটফর্ম ২০০৪ ব্যাচের বন্ধুদের ঈদ পরবর্তী পুনর্মিলনী
ছবি: সংগৃহীত

উৎসবমুখর পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে ফেসবুক-ভিত্তিক অ্যালামনাই প্ল্যাটফর্ম ‘SSC 2002 & HSC 2004 Bangladesh’-এর ঈদ-পরবর্তী জমকালো মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) ধানমন্ডি ২৭ নম্বরের একটি রেস্তোরায় এ মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়।

উৎসবের আমেজ ও সাংস্কৃতিক আয়োজন বন্ধুদের স্বতঃস্ফূর্ত আড্ডা, গল্প আর স্মৃতিচারণে অনুষ্ঠানটি এক উপভোগ্য সন্ধ্যায় পরিণত হয়। 

ঈদ পুনর্মিলনী উদযাপনে কেক কাটার পাশাপাশি এই আয়োজনে ছিল বন্ধুদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ গানের আসর এবং আকর্ষণীয় র‍্যাফেল ড্র, যা উপস্থিত সবার মাঝে বাড়তি আনন্দ যোগ করে। আড্ডার মাঝে ছিল মৌসুমী ফল খাওয়ার আয়োজন! আয়োজনের ফাঁকে ফাঁকে চলে বন্ধুদের আড্ডা, খাওয়া, ফটোসেশন। আয়োজনের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল খবরের কাগজ।

১৪ বছর পূর্তির প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা মিলনমেলার মূল আকর্ষণ ছিল গ্রুপের আসন্ন পূর্তি উৎসবের প্রস্তুতিমূলক আলোচনা। আগামী দিনের এই মেগা ইভেন্ট সফল করতে সদস্যরা তাদের চমৎকার সব ভাবনা ও পরিকল্পনা গ্রুপের অন্যতম দায়িত্বশীল মডারেটর চৌধুরী আদিব রহমানের কাছে তুলে ধরেন। গ্রুপকে ভালোবেসে এর অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতে সবাই একসঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। 

সামাজিক কল্যাণে অনন্য অবদান, শৈশবের বন্ধুদের পারস্পরিক যোগাযোগ ধরে রাখার পাশাপাশি এই অনলাইন কমিউনিটিটি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে সব সময়ই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

গ্রুপটির উল্লেখযোগ্য সামাজিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে: শীতবস্ত্র বিতরণ: তীব্র শীতে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ। উৎসবের খুশি ভাগাভাগির কর্মসূচি হিসেবে ঈদ ও পূজার মতো বড় উৎসবগুলোতে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে নতুন পোশাক বিতরণ। চিকিৎসা সেবা কর্মসূচিতে দেশজুড়ে স্বেচ্ছায় রক্তদান এবং বিনামূল্যে হেলথ ক্যাম্প বা স্বাস্থ্যসেবা শিবিরের আয়োজন।

ব্যাচমেটদের মধ্যকার আজীবন বন্ধুত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করার পাশাপাশি মানবিক কাজের পরিধি আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয় নিয়ে এই আনন্দঘন মিলনমেলার সমাপ্তি ঘটে। এসএসসি ২০০২ এবং এইচএসসি ২০০৪ ব্যাচের ঢাকার, ঢাকার বাইরের এবং প্রবাসী কিছু সংখ্যক বন্ধুর উদ্যোগে এ আয়োজন হয়।

দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত প্রায় ৪৭ হাজার সদস্য নিয়ে গঠিত এই জনপ্রিয় ও সক্রিয় ফেসবুক গ্রুপ অনেক বছর থেকেই বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম বিশেষ করে রক্তদান কর্মসূচি, খেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ সারা দেশে বিভিন্ন দিবসে জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার দেশ ও বিদেশে অবস্থানরত বন্ধুরা ঈদে দেশে আসায় এই আয়োজন করা হয়।

এসএন/

মেধা ও ক্রীড়াবান্ধব জাতি গঠনে সরকার বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১০:২৫ পিএম
মেধা ও ক্রীড়াবান্ধব জাতি গঠনে সরকার বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। ছবি: সংগৃহীত

খেলাধুলাকে পেশাগত স্বীকৃতি প্রদান, নতুন প্রজন্মকে মাদক ও প্রযুক্তি আসক্তি থেকে দূরে রাখা এবং একটি সুস্থ, মেধাবী ও ক্রীড়াবান্ধব জাতি গঠনের লক্ষ্যে সরকার বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। 

গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম বিভাগীয় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, দেশের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে প্রায় ৩০০ জন জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড প্রদান করা হয়েছে। আগামী জুনের পর আরও ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে এই সুবিধার আওতায় আনা হবে। ক্রীড়া কার্ডের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্যসেবা, বিমা সুবিধা এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে শিশু-কিশোরদের মধ্যে মোবাইল ও বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের প্রবণতা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের অন্যতম কার্যকর মাধ্যম খেলাধুলা। খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুরা যেমন শারীরিকভাবে সুস্থ থাকবে, তেমনি মানসিক বিকাশও ঘটবে এবং মাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে থাকবে। 

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকার ইতোমধ্যে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি চালু করেছে, যেখানে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী ছেলে ও মেয়েরা সমানভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নতুন নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসছে।

ক্রীড়া কূটনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের সুযোগ বৃদ্ধি এবং বিদেশি ক্লাব ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। ইতোমধ্যে তুরস্কের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মাধ্যমে দুই দেশের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিনিময় আরও জোরদার হবে।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীনের সভাপতিত্বে ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ক্রীড়া সংস্থার বিভাগীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

এরপর বিকেলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী শহীদ শাহজাহান মাঠে শহিদ জিয়া স্মৃতি উন্মুক্ত গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ উদ্বোধন করেন এবং প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

এদিকে দুপুরে পটিয়ার কচুয়াই ইউনিয়নের ভায়ারদিঘিসংলগ্ন খরনা এলাকায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমাদের সন্তান ও যুবসমাজ যদি খেলার মাঠে থাকে, তাহলে তাদের ডিভাইস আসক্তি ও মাদক থেকে দূরে রাখা সম্ভব হবে। একটি সুস্থ জাতি গঠনে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি উপজেলায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। পটিয়ায়ও সেই কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে ও বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখন দৃশ্যমানভাবে নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে পটিয়া স্টেডিয়ামের জমি অধিগ্রহণ করেছি। স্টেডিয়াম নির্মাণের বাজেটও অনুমোদিত হয়েছে। নির্ধারিত নকশা অনুযায়ী দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি আধুনিক ও মানসম্পন্ন স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে। তবে এটি শুধু সরকারের সম্পদ নয়, স্থানীয় জনগণেরও সম্পদ। তাই এর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বও সবাইকে নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান। এতে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক এনাম। এ ছাড়া প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী ও স্থানীয় ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের ৭ জানুয়ারি প্রকল্পটির কার্যাদেশ দেওয়া হয়। ১২ মাস মেয়াদি এই প্রকল্পের চুক্তিমূল্য ৮ কোটি ২৭ লাখ ৬ হাজার ৮৬১ টাকা। সরকারি অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পটির নির্মাণকাজ করছে খাগড়াছড়িভিত্তিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এস অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা লিমিটেড।

হজ শেষে দেশে ফিরলেন ২৯৬৯৪ হাজি

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৮:১৩ পিএম
হজ শেষে দেশে ফিরলেন ২৯৬৯৪ হাজি
ছবি: সংগৃহীত

হজ পালন শেষে এখন পর্যন্ত ২৯ হাজার ৬৯৪ জন দেশে ফিরেছেন।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বুলেটিনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ২টা পর্যন্ত হজের ফিরতি ফ্লাইট এসেছে ৭১টি। এসব ফ্লাইটে সরকারি মাধ্যমের ৩ হাজার ৩২৮ জন এবং বেসরকারি মাধ্যমের ২৬ হাজার ৩৬৬ জন দেশে ফিরেছেন।

এয়ারলাইনসগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ২৪টি ফ্লাইটে ৯ হাজার ৯৮১ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের ২৮টি ফ্লাইটে ১১ হাজার ৩৩১ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের ১৯টি ফ্লাইটে ৭ হাজার ৭০০ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ৬৮২ জন হাজি সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন।

এ বছর হজ অনুষ্ঠিত হয় গত ২৬ মে। হজ শেষে ৩০ মে থেকে হাজিদের ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয়, যা আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে। 

সৌদি আরবে হজ করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৪৬ বাংলাদেশি মারা গেছেন।

নারায়ণগঞ্জে ১৭ বন্যপাখি উদ্ধার ও অবমুক্ত

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৮:০৩ পিএম
নারায়ণগঞ্জে ১৭ বন্যপাখি উদ্ধার ও অবমুক্ত
ছবি: সংগৃহীত

বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বিভিন্ন প্রজাতির মোট ১৭টি বন্যপাখি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত পাখিগুলোর মধ্যে ছিল কালিম, শালিক, টিয়া, ময়না ও ঘুঘু।

 শুক্রবার ৯৫ জুন) এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

উদ্ধারকৃত পাখিগুলোর স্বাস্থ্য ও উড়তে সক্ষমতা পরীক্ষা করে যেসব পাখি সুস্থ ও উড়তে সক্ষম ছিল, সেগুলোকে তাৎক্ষণিকভাবে উপযুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে।

ফতুল্লার এই হাটে এর আগেও একাধিকবার বন্যপ্রাণী বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পূর্ববর্তী অভিযানে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে বন্যপাখি ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, যা দেশের প্রচলিত আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

বর্তমান সরকার দেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০২৬ প্রণয়ন করেছে। নতুন আইনের আওতায় অধিকাংশ বন্যপাখির অবৈধ দখল, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয় ও বাণিজ্য আমলযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট সকল নাগরিককে বন্যপাখি ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী ক্রয়-বিক্রয় থেকে বিরত থাকার এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে।

এসএন/

সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ মিছিল-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৭:২৫ পিএম
সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ মিছিল-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন (বাজেট অধিবেশন) ঘিরে নিরাপত্তায় শনিবার থেকে (৬ জুন) রাজধানীর বেশকিছু এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহনসহ সব ধরনের শোভাযাত্রা-বিক্ষোভ ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

শুক্রবার (৫ জুন) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্‌ উদ্দিন আহমদের সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, আগামী রবিবার (৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বিঘ্নে এই অধিবেশন নিশ্চিতে শেরেবাংলা নগরস্থ জাতীয় সংসদ ভবন ও পার্শ্ববর্তী এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করা প্রয়োজন। এই অবস্থায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স (অর্ডিন্যান্স নম্বর-III/৭৬) এর ২৮ ও ২৯ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে নিম্নলিখিত এলাকায় শনিবার রাত ১২টা হতে সব ধরনের অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য ও অন্যান্য ক্ষতিকারক এবং দূষণীয় দ্রব্য বহন ছাড়াও যেকোনো প্রকার সমাবেশ, মিছিল-শোভাযাত্রা, বিক্ষোভ প্রদর্শন ইত্যাদি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে।

আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষিত এলাকাগুলো হলো- ময়মনসিংহ রোডের মহাখালী ক্রসিং থেকে পুরাতন বিমানবন্দর হয়ে বাংলামোটর ক্রসিং, বাংলামোটর লিংক রোডের পশ্চিম প্রান্ত থেকে হোটেল সোনারগাঁও রোডের সার্ক ফোয়ারা, পান্থপথের পূর্ব প্রান্ত থেকে গ্রীন রোডের সংযোগস্থল হয়ে ফার্মগেট, মিরপুর রোডের শ্যামলী মোড় থেকে ধানমন্ডি-১৬ (পুরাতন-২৭) নম্বর সড়কের সংযোগস্থল, বেগম রোকেয়া সরণির সংযোগস্থল থেকে পুরাতন ৯ম ডিভিশন (উড়োজাহাজ) ক্রসিং হয়ে বিজয় সরণি পর্যটন ক্রসিং, ইন্দিরা রোডের পূর্ব প্রান্ত থেকে মানিক মিয়া এভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্ত, জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকা এবং এই সীমানার মধ্যে অবস্থিত সব রাস্তা ও গলিপথ।

এসএন/