ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বৃদ্ধাশ্রম নয়, পরিবারই হোক নিশ্চিত আশ্রয় ইসলামী ব্যাংককে ২৫০০ কোটি টাকা ধার দিল বাংলাদেশ ব্যাংক আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার চার শর্ত সাবেক আইজিপি বেনজীর গ্রেপ্তার ঝিনাইদহে দুর্নীতি বিরোধী চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা মিরপুরে মাদরাসার সাইনবোর্ড লাগানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষার্থীসহ দগ্ধ ৩ ইংল্যান্ড দলের চুরি যাওয়া সরঞ্জাম উদ্ধার প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বড় সংস্কার জাপানিজ সমর্থকরা কেন স্টেডিয়াম পরিষ্কার করেন? ইন্টারনেট সেবাদাতাদের কার্যালয়ে হামলা-দখলের নিন্দা, শাস্তির দাবি আইএসপিএবির এনএসইউ ট্রাস্টি বেনজীর আহমেদ ফের সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু খুলনায় মসজিদে ঢুকে ২ মুসল্লিকে গুলি কু‌ড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু ঈশ্বরদীতে ব্রাজিল-মরক্কো খেলা দিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল উত্তেজনা শুরু ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ১ শিশুর ইনজুরি নিয়ে শঙ্কিত নয় মরক্কো বেনাপোল বন্দরে ন্যায্য মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের কর্মবিরতি স্থগিত এনড্রিককে নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন আনচেলত্তি আরাগচির বিরুদ্ধে তেহরানে বিক্ষোভ ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান হাতিয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ওসি প্রত্যাহার মতলবে ৬৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ, নিরাপত্তাহীনতায় লাখো মানুষ জয় দিয়ে শুরু অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান কেনেডি সেন্টার থেকে অপসারণ করা হলো ট্রাম্পের নাম ক্রিকেটার নাঈমকে হেনস্থায় প্রত্যাহার খুলশী থানার ওসি আরিফুল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি: সময় নিয়ে দ্বিমত তেহরানের ২৫ মে থেকে বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ পালনের ঘোষণা কুড়িগ্রাম সীমান্তে ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে সোহেল-স্বপ্নার আপিল
Nagad desktop

শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব

প্রকাশ: ০২ অক্টোবর ২০২৫, ০৮:৩০ পিএম
আপডেট: ০২ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:২৮ পিএম
শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব
দুর্গাপূজা দেবী দুর্গার প্রতিমা বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। ছবি: খবরের কাগজ

রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। 

বৃহস্পতিবার ( ২ অক্টোবর) সকালে দর্পণ-বিসর্জনের মাধ্যমে বিদায় জানানো হয় দেবী দুর্গাকে। পরে সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় প্রতিমা বিসর্জন। 

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মানুষের মনের আসুরিক প্রবৃত্তি কাম, ক্রোধ, হিংসা, লালসা বিসর্জন দেওয়াই মূলত বিজয়া দশমীর মূল তাৎপর্য। এ প্রবৃত্তিগুলোকে বিসর্জন দিয়ে একে অন্যের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।

চন্ডীপাঠ, বোধন ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে ষষ্ঠী তিথিতে ‘আনন্দময়ীর’ আগমনে গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের সূচনা হয়। পরবর্তী ৫ দিন রাজধানীসহ দেশব্যাপী পূজামণ্ডপগুলোতে পূজা-অর্চনার মধ্যদিয়ে ভক্তরা দেবী দুর্গার প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন। দশমী তিথিতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে তা শেষ হয়। 

সনাতন ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী ফিরে গেলেন স্বর্গলোকের কৈলাসে স্বামীর ঘরে। পরের বছর শরতে আবার তিনি আসবেন এই ধরণীতে যা তার বাবার গৃহ। প্রতিমা বিসর্জনের জন্য সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ঢাকের বাদ্য আর গান-বাজনা ছাড়া বিদায়ের করুণ ছায়ায় সারিবদ্ধভাবে একে একে বুড়িগঙ্গা নদীতে বিসর্জন দেয়া হয় প্রতিমা। একই সময়ে তুরাগ নদীতে চলে বিসর্জন। সড়কে পুলিশের টহল ও নদীতে ছিল নৌপুলিশের টহল। ফায়ার সার্ভিসের টিমও দায়িত্ব পালন করে।

এদিকে দুপুরে পূজা উদযাপন পরিষদ এবং মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির যৌথ উদ্যোগে বের হয় বর্ণাঢ্য এক বিজয়া শোভাযাত্রা। বিজয়া শোভাযাত্রা ও প্রতিমা বিসর্জনে অংশ নিতে দুপুরের পর থেকেই ভক্তরা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপ থেকে ট্রাকে করে প্রতিমা নিয়ে সমবেত হতে শুরু করেন পলাশীর মোড়ে। 

পরে শত শত ট্রাক প্রতিমা নিয়ে সদরঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। ঢাকেশ্বরী থেকে শুরু করে প্রতিমা যাত্রাটি শহীদ মিনার, হাইকোর্ট, পুলিশ হেড কোয়ার্টার, গোলাপ শাহ মাজার, কোর্ট এলাকা হয়ে সদরঘাট পৌঁছে। রাস্তায়, বিভিন্ন ভবনে পুলিশ ছিল সতর্কাবস্থায়। রাস্তার পাশে দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

অধিকাংশ মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হলেও ঢাকেশ্বরী মন্দিরের প্রতিমাটি রেখে দেয়া হয়। কিন্তু পূজার কাজে ব্যবহৃত দেবীর ফুল, বেলপাতা ও ঘট বিসর্জন দেয়া হয়। 

প্রথা অনুযায়ী প্রতিমা বিসর্জনের পর সেখান থেকে জল এনে (শান্তিজল) মঙ্গল ঘটে নিয়ে তা আবার হৃদয়ে ধারণ করা হয়। আগামী বছর আবার এ শান্তিজল হৃদয় থেকে ঘটে, ঘট থেকে প্রতিমায় রেখে পূজা করা হবে। রামকৃষ্ণ মিশনে সন্ধ্যা আরতির পর মিশনের পুকুরে প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়। এরপর ভক্তরা শান্তিজল গ্রহণ করেন ও মিষ্টিমুখ করেন।

সারাদেশে এ বছর ৩৩ হাজার ৩৫৫ টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা মহানগরে পূজার সংখ্যা ২৫৮ টি। এসব মণ্ডপে শারদীয় উৎসব নির্বিঘ্নে উদযাপন করার জন্য প্রশাসনের পাশাপাশি প্রতিটি পূজা উদযাপন কমিটিও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। প্রতিটি মণ্ডপে মণ্ডপে লাগানো হয় সিসিটিভি ক্যামেরা এবং স্বেচ্ছাসেবক কমিটি করা হয় মণ্ডপ পাহারার জন্য।

বাসস/এসএন

সাবেক আইজিপি বেনজীর গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০২:৫৮ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম
সাবেক আইজিপি বেনজীর গ্রেপ্তার
বেনজীর আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার হয়েছেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ইন্টারপোলের সহযোগিতায় দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

রবিবার (১৪ জুন) পুলিশ সদরদপ্তরের ঊধ্বর্তন এক কর্মকর্তা দুপুরে গণমাধ্যমকে তথ্য নিশ্চিত করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই কর্মকর্তা বলেন, দুদকের মামলায় ইন্টারপোলের সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১২ জুন তারা একটি চিঠি দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে,  ২০২৬ সালের ৮ মার্চ ঢাকার একটি আদালত বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন । এ সময় তাকে বিদেশে অবস্থানরত উল্লেখ করে ইন্টারপোলের মাধ্যমে পরোয়ানা কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয় । এরই প্রেক্ষিতে ইন্টারপোলের সহায়তায় দুবাই পুলিশ বেনজীরকে গ্রেপ্তার করে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেশ কিছুদিন ধরে বেনজীর আহমেদ বিদেশে অবস্থান করছিলেন। গত বছরের ৪ মে তিনি তার স্ত্রী ও মেয়েদের নিয়ে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন । এরপর থেকে তিনি বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছিল। তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডায়ও সম্পদ খোঁজার প্রক্রিয়া চলছিল ।

বর্তমানে বেনজীর আহমেদ দুবাই পুলিশের হেফাজতে আছেন। তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু করবে দুদক।

উল্লেখ্য, বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের এপ্রিলে আইজিপির দায়িত্ব পান। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে তাকে যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয় ।

অন্তরা/

প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বড় সংস্কার

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০২:১৪ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০২:৪৫ পিএম
প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বড় সংস্কার
ছবি: খবরের কাগজ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদলি বাণিজ্য ও সিন্ডিকেট রুখতে বড় ধরনের সংস্কার এনেছে সরকার। এখন থেকে ঢাকায় বসে নয়, শিক্ষক বদলির সিদ্ধান্ত হবে স্থানীয় পর্যায়ে গঠিত পৃথক কমিটির মাধ্যমে। আর এই প্রক্রিয়ার নেতৃত্বে থাকবেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও)।

রবিবার (১৪ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে এক সেমিনারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এই নতুন বিকেন্দ্রীভূত ব্যবস্থার কথা জানান।

শিক্ষা খাত বিশ্লেষণবিষয়ক এই কর্মশালার আয়োজন করে আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থাগুলো। প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, অতীতে শিক্ষক বদলি একটি বড় ধরনের সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত ছিল। এটি শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের পথে অন্যতম প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। শিক্ষকদের এই ভোগান্তি কমাতে এবং বদলি প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত করতে এই বড় সংস্কার করা হয়েছে।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, উপজেলা, জেলা, বিভাগ ও সিটি কর্পোরেশন পর্যায়ে পৃথক কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এই কমিটিগুলো নির্দিষ্ট সময় পরপর বৈঠক করে বদলির আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করবে।

বদলি হবে যেভাবে

উপজেলা পর্যায়:

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) নেতৃত্বে ৪ সদস্যের কমিটি আবেদন যাচাই-বাছাই করবে। এরপর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বদলির আদেশ জারি করবেন।

জেলা, বিভাগ ও সিটি কর্পোরেশন:

এই পর্যায়গুলোতে ৫ থেকে ৬ সদস্যের কমিটি থাকবে। সিটি কর্পোরেশন, বিভাগ ও জেলা পর্যায়ের কমিটিতে যথাক্রমে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসক (ডিসি) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। যাচাই-বাছাই শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বদলির আদেশ জারি করবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই বদলি প্রক্রিয়াকে স্থানীয় পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যাতে শিক্ষকদের হয়রানি বন্ধ হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি তার বক্তব্যে মাধ্যমিক, উচ্চশিক্ষা, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা নিয়ে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন বিস্তারিত কার্যক্রম তুলে ধরেন।

কর্মশালায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

জয়ন্ত সাহা/আমান

২৫ মে থেকে বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ পালনের ঘোষণা

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১১:৪৮ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০১:২১ পিএম
২৫ মে থেকে বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ পালনের ঘোষণা
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টি ও দর্শন নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আগামী এক বছর দেশব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ পালনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। চলতি বছরের ২৫ মে থেকে শুরু হয়েছে এই উৎসব চলবে, তা চলমান থাকবে ২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত।

রবিবার (১৪ জুন) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। এ সময় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম উপস্থিত ছিলেন।

গত ২৩ মে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবির ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেদিন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই ‘নজরুল বর্ষ’পালনের ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বিগত ১৭ বছরে বাংলা সাহিত্যে কাজী নজরুল ইসলামের অবদান সেভাবে উপস্থাপিত হয়নি। বর্তমান সরকার কবির সাহিত্যকর্ম ও দর্শনকে আরও বিস্তৃত পরিসরে ছড়িয়ে দিতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ১৯৭৬ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কবি কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবির স্বীকৃতি প্রদান করেছিলেন এবং পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময়েও নজরুলের সৃষ্টি সংরক্ষণে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে বক্তব্যে স্মরণ করা হয়।

নজরুল বর্ষের মূল কর্মপরিকল্পনা

১. জাতীয় পর্যায়ে নজরুল বর্ষ পালনের জন্য একটি কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন।
২. নজরুল বর্ষের জন্য বিশেষ লোগো, পোস্টার এবং ক্যালেন্ডার প্রণয়ন।
৩. স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ।
৪. ১৮-২০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত দেশের ৬৪টি জেলা এবং ৭৪টি প্রত্যন্ত ও বিশেষ উপজেলায় ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন। এই আয়োজনের জন্য সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের চলতি অর্থবছরের বাজেট থেকে ইতিমধ্যে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
৫. কবির সাহিত্যকর্ম, সংগীত ইত্যাদি বিষয়ে গবেষণার জন্য সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করবে।
৬. আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নজরুলের সৃষ্টিকর্মকে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

জয়ন্ত সাহা/অন্তরা/

সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৫৩ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৫৫ এএম
সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা ‘সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে চাই। '

‘আমরা প্রায়শই শুনতাম, বাংলাদেশকে আমরা সিঙ্গাপুর বানিয়ে ফেলবো, বাংলাদেশকে আমরা কানাডা বানিয়ে ফেলবো, বাংলাদেশকে অমুক বানিয়ে ফেলব। আমি বাংলাদেশকে অন্য কিছু বানাতে চাই না। বাংলাদেশকে আমি একটু বেটার বানাতে চাই। সেই কাজটি সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়, আমাদের সবাইকে মিলে করতে হবে।'

শনিবার (১৩ জুন) রাতে কক্সবাজারে স্থানীয় একটি অভিজাত হোটেলে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

কক্সবাজার শহরকে ‘পরিচ্ছন্ন নগরী’ করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার শহরে প্রবেশের সময় একটা বিরাট বড় সাইনবোর্ড দেখেছি, ওখানে লেখা আছে ‘বিশ্বের দীর্ঘতম সী বিচ, স্যান্ডি সী বিচ’। আপনারা সকলে মিলে কক্সবাজারের প্রতিনিধিত্ব করছেন। এই কক্সবাজারকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে আপনাদের সবাইকে কিন্তু এগিয়ে আসতে হবে। আপনারা কক্সবাজারকে পরিচ্ছন্ন একটি নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন।'

তিনি বলেন, ‘শুধু তাই নয়, কক্সবাজারকে আপনারা সুশৃঙ্খল একটি শহর হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন, যেখানে সবগুলো যান শৃঙ্খলার মধ্যে থাকবে, সুন্দরভাবে পার্কিং করবে, সুন্দরভাবে চলাচল করবে, ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলাচল করবে। যেখানে মানুষ হাঁটার সময় নিরাপদ বোধ করবে।'

বিগত ১৭ বছর কেন কক্সবাজারের কোনো উন্নয়ন হয়নি-প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে ফেরার পর গত সাড়ে চার মাসে আমি দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি এবং বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে আমার কাছে মনে হয়েছে, যে কাজগুলোর কথা বলা হচ্ছে, এই কাজগুলো ১৭ বছর হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু হয়নি।'

কক্সবাজার বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে রূপান্তর করা, কক্সবাজারে মেরিন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, পানি সম্পদ শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মো. হেলাল, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্যগণ ও বিএনপি নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে, প্রধানমন্ত্রী নিজে গাড়ি চালিয়ে মেরিন ড্রাইভ সড়ক ঘুরে দেখেন। রাত সোয়া ১২ টার দিকে বিমানে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

সারা দেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:৫১ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:০৫ পিএম
সারা দেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস
ছবি: খবরের কাগজ

রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর ফলে, রাজধানীতে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও দেশের অন্যান্য স্থানে তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে, ভ্যাপসা গরম কমার সম্ভাবনা সামান্যই।

রবিবার (১৪ জুন) সকালে ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা হতে অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে এবং অস্থায়ীভাবে বজ্র/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তীত থাকতে পারে।

আরহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, এদিকে টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পূর্ব বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেওয়া সতর্কবার্তায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া সামগ্রিকভাবে আগামী সপ্তাহজুড়ে সারা দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অন্তরা/