বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের (বিবিএ) আওতাধীন পদ্মা সেতুতে ননস্টপ ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) সিস্টেমে ৩৪ লাখ ৯১ হাজার ৭০০ টাকা টোল আদায় করা হয়েছে।
চলতি বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর ট্রাস্ট ব্যাংকের ট্যাপ অ্যাপের মাধ্যমে পদ্মা সেতুর ইটিসি সিস্টেমের লাইভ পাইলটিং কার্যক্রম শুরু হয়।
গত এক মাসে এই পরিষেবায় কত টাকা টোল আদায় করা হয়েছে, তা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে বিবিএ।
বিবিএ জানিয়েছে, ইতোমধ্যে ইটিসি সিস্টেমের মাধ্যমে মোট ১ হাজার ৮১৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। সেতু কর্তৃপক্ষ বলছে, এই টোল কালেক্টর ব্যতীত নন স্টপ ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন সিস্টেমের মাধ্যমে পদ্মা সেতু ব্যবহারকারীরা দ্রুত, নিরাপদ ও স্বচ্ছভাবে টোল পরিশোধ করতে পারবেন—যা বাংলাদেশের ডিজিটাল রূপান্তরের যাত্রায় একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
এখন বিকাশ, ট্রাস্ট ব্যাংকের ট্যাপ (TAP) অ্যাপ এবং মিডল্যান্ড ব্যাংকের অ্যাপ এর মাধ্যমে পদ্মা সেতুর টোল পরিশোধ করা যাচ্ছে। ব্যবহারকারীরা বিকাশ অ্যাপে গিয়ে ‘টোল’ অপশনের অধীনে ‘মোটরযান রেজিস্ট্রেশন করুন’ এ প্রবেশ করে গাড়ির নম্বর ও চেসিস নম্বরের শেষ ৪ (চার) ডিজিট প্রদান করে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে পারবেন। সফল রেজিস্ট্রেশনের পর ফিরতি এসএমএসে একটি একপাস আইডি (Ekpass) পাঠানো হবে।
এই আইডি ব্যবহার করে বিকাশ অ্যাপের পে বিল অপশনের ‘ডি টোল টপ-আপ’ সেবার মাধ্যমে রিচার্জ করতে হবে। এরপর পদ্মা সেতুর মাওয়া টোল প্লাজার কাছে রেজিস্ট্রেশন বুথে বিআরটিএ অনুমোদিত রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (আরএফআইডি) ট্যাগ প্রথমবারের মতো যাচাই করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। একবার নিবন্ধন সম্পন্ন হলে, যানবাহন কমপক্ষে ৩০ কিলোমিটার/ঘণ্টা গতিতে ইটিসি লেন ব্যবহার করে নির্বিঘ্নে পারাপার হতে পারবে।
বিবিএ বলছে, ভবিষ্যতে আরও বিভিন্ন ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাপ এই সেবার আওতায় যুক্ত হবে। এ লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ-এর এটুআই নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তারা নতুন ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডারদের সঙ্গে সংযুক্তির কাজ অব্যাহত রয়েছে।
জয়ন্ত সাহা/এসএন