শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ১মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।
এর পরই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহিদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। ভাষাশহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে অবস্থান করেন।
প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে শরিক হন প্রধানমন্ত্রীসহ শহিদ মিনারে জড়ো হওয়া হাজারও মানুষ।
মোনাজাত শেষে মন্ত্রিসভার সদস্য ও নিজের উপদেষ্টাদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তার পরিবারের সদস্যদের নিয়েও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও তাদের মেয়ে জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।
এরপর বিএনপির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। বিএপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।
তিন বাহিনীর প্রধানের পর শ্রদ্ধা জানান সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তার সঙ্গে ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামসহ জামায়াত জোট থেকে বিজয়ী সংসদ সদস্যরা।
এরপর শ্রদ্ধা জানান বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকরা। তাদের পরে বেদিতে ওঠেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনসহ অন্য কমিশনার।
এর আগে শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ওই এলাকা ত্যাগ করলে সর্বস্তরের জনগণের জন্য শহিদ মিনার খুলে দেওয়া হয়। এরপর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে হাজারও মানুষের ঢল নামে।