মেশিনের পরিবর্তে শ্রমিক দিয়ে খাল খনন করলে ১০০ জনের উপকার হবে এবং এলাকায় কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
তিনি বলেন, ‘খাল খননের মধ্যে পরিকল্পনা আছে। আমরা মেশিন দিয়ে মাটি কাটতে চাই না। এই এলাকার শ্রমিক দিয়ে খনন করতে চাই। মেশিন দিয়ে খাল খনন করলে হয়তো ১০ লাখ টাকা লাগবে। আর শ্রমিক দিয়ে খনন করলে ১২ লাখ টাকা লাগতে পারে। আমরা প্রয়োজনে ১২ লাখ টাকা দিয়ে খাল খনন করব। ফলে এলাকায় কমসংস্থান সৃষ্টি হবে। কারণ মেশিন দিয়ে মাটি কাটলে একজনের উপকার হবে। আর শ্রমিক দিয়ে মাটি কাটলে ১০০ জনের উপকার হবে। শ্রমিকদের আয় হবে। ফলে তাদের পরিবারে সচ্ছলতা ফিরে আসবে।’
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের সিংজানী খাল পুনর্খনন কাজের উদ্বোধনের পর এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘গাইবান্ধায় বন্ধ কারখানা চালুসহ আগামীতে এই এলাকায় শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হবে। আর এটি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সুন্দর র্নিদেশনা দেবেন। এলাকার শ্রমিক, স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী এবং দলীয় নেতা-কর্মীদের স্বেচ্ছাশ্রমের মধ্য দিয়ে খাল পুনর্খনন করা হবে। এই কাজে সবাইকে সম্পৃক্ত করে এই খালটি খনন করতে চাই।’
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘খালের মাটি খালের ধারে কাছে না রেখে একটু দূরে রাখতে হবে। সেই মাটিতে বৃক্ষরোপণ করতে হবে। খাল খননের পর খালে মাছ চাষ করা যাবে। এমনকি খালের মধ্যে হাঁসও পালন করা যেতে পারে। এভাবেই জীবন-জীবিকার উন্নয়ন করতে হবে। এতে মানুষ ঢাকামুখী না হয়ে নিজ এলাকায় কাজ করতে পারবে।’
নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘কাজের মাধ্যমে প্রত্যেক এলাকায় সাধারণ মানুষের মন জয় করতে হবে। জীবনমান উন্নয়নের মাধ্যমে এ এলাকা বিএনপির ঘাঁটিতে রূপান্তর করতে হবে।’
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা, গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন, পুলিশ সুপার জসিম উদ্দীন, জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মইনুল হাসান সাদিকসহ বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
রফিক/এসজি/