পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে ২ দফায়। প্রথম দফা ২৩ এপ্রিল। ১৬ জেলায় ১৫২ আসনে ভোট গ্রহণ হবে এই দফায়। দ্বিতীয় দফা ২৯ এপ্রিল। বাকি ৭ জেলায় ১৪২ আসনে ভোট গ্রহণ হবে সেদিন। আর ভোটের গণনা আগামী ৪ মে। ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। নিরাপদে এবং অবাধে সুষ্ঠু ভোট করতে রাজ্যের প্রায় প্রতিটি কোনা কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে মুড়ে ফেলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।...

দীর্ঘ প্রচারের শেষে এবার অগ্নিপরীক্ষা। পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন। উত্তর থেকে দক্ষিণ, মোট ১৬টি জেলার ১৫২টি বিধানসভা আসনে সকাল ৭টা থেকে শুরু হবে ভোট গ্রহণ। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় শেষ হয়েছে হাই ভোল্টেজ প্রচার। এবার ব্যালটে নিজেদের রায় জানানোর পালা কোটি কোটি ভোটারের। এই মেগা নির্বাচনে মূলত উত্তরবঙ্গ এবং জঙ্গলমহল ও শিল্পাঞ্চলসংলগ্ন জেলাগুলোর দিকে নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের। যে ১৬টি জেলায় আজ ভোট হবে সেগুলো হলো কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম।
প্রথম দফার ভোটে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ৫৫টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। বিজেপি, তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস, এসইউসিআই, ফরওয়ার্ড ব্লক, সিপিআই, আরএসপি, আইএসএফ- এমনই গোটা কয়েক দলের কথাই সবাই জানেন। কিন্তু এমনও অনেক দল আছে, যাদের নাম এই ভোট এলেই জানা যায়। বাকি সারা বছর আর শোনা যায় না। রাজ্যে তাদের কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডও থাকে না। শুধু হাতে গোনা কয়েকটি ভোট পায়।
এবারের প্রথম দফায় ভোটে মূল দলগুলো ছাড়াও রয়েছে বিএসপি, আমরা বাঙালি, ভারতীয় ন্যায়-অধিকার রক্ষা পার্টি, রাষ্ট্রীয় লোক জনশক্তি পার্টির মতো বেশ কয়েকটি দল। বিএসপি প্রথম দফায় এবার লড়ছে ৬৪টি আসনে। আমরা বাঙালি ২৮টিতে। কামতাপুরি পিপলস পার্টি (ইউনাইটেড) ১২টিতে, জাতীয় উন্নয়ন পার্টি ৬টি, এআইএমআইএম ১টি, উত্তরবঙ্গ পিপলস পার্টি, আম্বেদকরাইট পার্টি অব ইন্ডিয়া, ভারতীয় লোকমততাবাদী পার্টি, রাষ্ট্রীয় আম জনসেবা পার্টি, গন্ডোয়ানা প্রজাতন্ত্র পার্টি লড়ছে ৫টি করে আসনে। সিপিআইএমএল, রাষ্ট্রীয় সেকুলার মজলিশ, গণ সুরক্ষা পার্টি ৪টি করে আসনে প্রার্থী দিয়েছে। ভারতীয় গোখাঁ প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা, ওয়েলফেয়ার পার্টি অব ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল লিগের মতো দলগুলো তিনটি করে। আর ঝাড়খণ্ড গণতান্ত্রিক বিপ্লবী মোর্চা, বহুজন মুক্তি পার্টি দুটি আসনে লড়ছে।
এসডিপিআই, ভারতীয় রাষ্ট্রীয় দল, জাস্টিস অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট পার্টি, পশ্চিমবঙ্গ সমাজবাদী পার্টি, প্রজাশক্তি পার্টি সমদর্শী, বিকাশ ইন্ডিয়া, মেরা ভারত মহান পার্টি, অল ইন্ডিয়া মজলিশ-ই-ইনকিলাব-ই-মিল্লাত, মপথ কংগ্রেস অব ইন্ডিয়া, জামাত-ই-সিরাতুন মুস্তাকিম, গুরুচাঁদ সেনা দল, ন্যাশনালিস্ট কনজারভেটিভ পার্টি, ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ, ভূমিপুত্র ইউনাইটেড, ভারতীয় মানবাধিকার, ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সোশ্যালিস্টিক অ্যাকশন ফোর্সেস, পার্টি ফর ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিজম, জনসংঘ পার্টি, কামতাপুর পিপল, স্বরাজ ইন্ডিয়া, সোশ্যালিস্ট পার্টি (ইন্ডিয়া), অখিল ভারতীয় গোর্খা লিগ, ইন্ডিয়ান ইউনিটি সেন্টার, পিপলস পাটি অব ইন্ডিয়ার মতো দলগুলো একটি করে আসনে (ডেমাক্র্যাটিক) লড়াই করছে। তবে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী লড়ছেন ইটাহার কেন্দ্রে, ১৫ জন।
আজ রাজ্যে প্রথম দফার ভোটের আগে সাঁতরাগাছি, শালিমার, হাওড়া স্টেশনে দেখা গেছে, ভিনরাজ্য থেকে অনেকেই ট্রেনে চেপে পশ্চিমবঙ্গে আসছেন, যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। ভিনরাজ্য থেকে অনেকেই ট্রেনে চেপে পশ্চিমবঙ্গমুখী হয়েছেন। কয়েক মাস আগে বিহারে বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও দেখা গেছে একই চিত্র। দেশের নানা প্রান্ত থেকে পরিযায়ী শ্রমিকরা ঠাসাঠাসি করে ট্রেনে চেপে বিজেপি জোট শাসিত বিহারে ফিরছিলেন। ভোট মিটতেই আবার কাজের জন্য নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে তারা। পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভোটের আগেও ভিন্ন রাজ্য থেকে পশ্চিমবঙ্গে ফেরার ছবি। বিভিন্ন রাজ্য থেকে ট্রেনে পরিযায়ীরা ফিরছেন উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে। দিল্লি, বিহার, সিকিমসহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে ফিরছেন পরিযায়ীরা। শিলিগুড়ি থেকে বাসে রওনা হয়েছেন উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। বাসগুলোতে উপচে পড়া ভিড়, জায়গা না থাকায় ছাদেও উঠে পড়েছেন অনেকে। এ প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, '৭১টি ট্রেন আসছে। পরিযায়ী শ্রমিকরা তাতে উঠছেন। সেই ট্রেনগুলো কলকাতায় আসছে। তারা হইহই করে আসবে। মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়নের কর্মযজ্ঞে সামিল হতে আসছে। একটু অনুরাগের ছোঁয়া দিয়ে চলে যাবে। আরও ট্রেনের সংখ্যা বাড়ছে, বাড়বে। আসছে সবাই।' বিজেপি যখন এই ছবিতে উচ্ছ্বসিত, তখন এই ছবি নিয়ে বিকর্ত উস্কে দিয়েছেন হাওড়ার হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা অরূপ রায়। হাওড়া সদরের চগদ্দল প্রার্থী বলছেন, 'এরা পরিযায়ী শ্রমিক না অন্য রাজ্যের ভোটার।'
ভোটের আগে পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরাতে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। রেল সূত্রে খবর, এ ট্রেনগুলো 'সামার স্পেশাল' হিসেবে চালানো হবে। যারা আসছেন তাদের প্রায় সবাই বলছেন, ভোট দিতেই এসেছেন। ভোট দিয়ে আবার ফিরে যাবেন কাজের জায়গায়। পশ্চিমবঙ্গে কাজ না পাওয়া নিয়ে আবার ক্ষোভপ্রকাশও করেছেন অনেকে।
পশ্চিমবঙ্গে এবার বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে ২ দফায়। প্রথম দফা ২৩ এপ্রিল। ১৬ জেলায় ১৫২ আসনে ভোট গ্রহণ হবে এই দফায়। দ্বিতীয় দফা ২৯ এপ্রিল। বাকি ৭ জেলায় ১৪২ আসনে ভোট গ্রহণ হবে সেদিন। আর ভোটের গণনা আগামী ৪ মে। ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। নিরাপদে এবং অবাধে সুষ্ঠু ভোট করতে রাজ্যের প্রায় প্রতিটি কোনা কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে মুড়ে ফেলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে নিবিড় ভোটগণনা বা এসআইআর বিতর্কের জেরে সংবিধানের ১৪২ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। জানিয়েছিল, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে 'পাস' করবেন যারা, তারা প্রথম দফার ভোট দিতে পারবেন। বুধবার ভোররাতে ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হওয়া ভোটারদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বলছে, মাত্র ১৩৬ জনকে ট্রাইব্যুনালে পাস হয়ে প্রথম দফায় ভোট দেওয়ার অধিকার পেলেন। আবার ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হওয়া নামের মধ্যে ২ জন ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছেন।
বুধবার ভোররাতে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের পর নির্বাচন কমিশনকে তোপ দেগে তৃণমূলের রাজাসহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেছেন, তিন সপ্তাহে ট্রাইব্যুনাল ১৩৬ জনের নামের নিষ্পত্তি করেছেন। গরম তাওতায় জলের ছিটে দিলে যা হয়। এই ২৭ লাখ মানুষ কী দোষ করেছে। এই নির্বাচন কমিশনের আর দরকার নেই। এই নির্বাচন কমিশন মানুষের অধিকার হরণ করেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলায় এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। সেখানে ৬০ লাখের নাম বিবেচনাধীন ছিল। জুডিশিয়াল অফিসাররা সেসব নামের নিষ্পত্তি করে। বিবেচনাধীনের তালিকায় থাকা যে ভোটারদের নাম বিচারকদের নির্দেশে ভোটার তালিকায় ওঠেনি, তারা ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন। সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের ১৪২ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করে নির্দেশ দেয়, ট্রাইব্যুনাল ২১ এপ্রিল পর্যন্ত যাদের নামের নিষ্পত্তি করবে, তার মধ্যে যাদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে, তারা প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল ভোট দিতে পারবেন। আর ২৭এপ্রিল ট্রাইব্যুনাল যাদের নামের নিষ্পত্তি করবে, তার মধ্যে যাদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে, তারা ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় ভোট দিতে পারবেন।
সেইমতো ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হওয়া ভোটারদের নামের তালিকা এদিন ভোররাতে প্রকাশ করে কমিশন। তবে মাত্র ১৩৬ জনের নাম ওঠা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। আবার ট্রাইব্যুনাল বলেছিল, যাদের নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ভোটারদের সঙ্গে কথা না বলে কারও নাম বাদ দেওয়া হবে না। অথচ এদিন যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে ২ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তা কীভাবে হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
রাহুল গান্ধীর প্রচারে বাধা: পরিকল্পনা করেও পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার ভেটে প্রচারে আসতে পারছেন না কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। পুলিশ ও প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় তার প্রস্তাবিত দুটি সভা বাতিল করতে হয়েছে প্রদেশ কংগ্রেসকে। রাহুলের সভার অনুমতি না দেওয়ার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের প্রশাসনকে দায়ী করেছে রাজ্য কংগ্রেস। তৃণমূল অবশ্য বল ঠেলে দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের দিকে। ঠিক ছিল বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গে এসে শ্রীরামপুর, মেটিয়াবুরুজ ও কলকাতা শহরের মধ্যে পার্ক সার্কাস ময়দানে সভা করবেন রাহুল গান্ধী। মেটিয়াবুরুজে সেদিন তৃণমূল কংগ্রেসের অভিষেক ব্যানার্জির সভা রয়েছে বলে রাহুলের সভার জন্য ছাড়পত্র দিতে চায়নি পুলিশ। শ্রীরামপুর স্টেডিয়ামেও সভা করা নিয়ে বিস্তর টালবাহানা রয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেছেন, মালদা ও মুর্শিদাবাদে রাহুলের সভায় ভিড় দেখে মমতা প্রশাসনের ঘুম উড়ে গিয়েছে।
এদিকে প্রচারের শেষ দিন রাজ্যে ছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতা তথা ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারকে রীতিমতো তুলাধোনা করে বলেছেন-এই ভোট আমাদের প্রার্থীকে বিধায়ক করার ভোট নয়। বিজেপি নেতাকে মুখ্যমন্ত্রী করার ভোট নয়। এটা বাংলাকে অনুপ্রবেশ-মুক্ত করার ভোট। শেষ দিনের প্রচারে কুলটি বিধানসভা কেন্দ্রের সভা থেকে এই ভাষাতেই বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মহিলা নিরাপত্তাসহ একাধিক ইস্যুতে বার্তা দিয়েছেন তিনি। নারী সুরক্ষা থেকে শুরু করে সিন্ডিকেট- 'সবকিছু নিয়েই বার্তা দিয়েছেন শাহ। তিনি বলেন, বিজেপি বাংলার মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে।' মুখ্যমন্ত্রীকে বার্তা দিয়ে শাহ বলেন, 'মমতা দিদি, তেরা সময় আব সমাপ্ত হো রাহা হ্যায়'। এদিকে আর প্রথম দফার নির্বাচনের আগেই দ্বিতীয় দফার রণকৌশল তৈরিতে ম্যারাথন বৈঠক করেছে বিজেপি। আর সেই বৈঠকটি হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে। মঙ্গলবার রাতে ভিন রাজ্যের বিজেপি নেতাদের সঙ্গে চার ঘণ্টার বেশি সময় ধরে এই বৈঠক করলেন শাহ। বাংলায় দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনের দায়িত্বে রয়েছেন ভিন রাজ্যের ওইসব বিজেপি নেতারা। একাধিক সভা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ভোট প্রচারের শেষে রাতেই দ্বিতীয় দফার ভোট নিয়ে রণকৌশল তৈরিতে বৈঠকে বসেন তিনি। সেখানে ভিন রাজ্যের বিজেপি নেতারা ছিলেন, যারা ওই ১৪২টি বিধানসভা আসনের দায়িত্বে রয়েছেন। এ ছাড়াও সুনীল বনসল, ভূপেন্দ্র যাদব, বিপ্লব যাদব ও অমিত মালব্য ওই বৈঠকে ছিলেন। রাজনীতির কারবারিরা বলছেন, দ্বিতীয় দফায় যে ১৪২টি আসনে ভোট গ্রহণ হবে, সেখানে ২০২১ সালে খুব একটা ভালো ফল করতে পারেনি বিজেপি। চবিংশের লোকসভা নির্বাচনের ফলও খুব একটা আশাব্যঞ্জক হয়নি। ফলে প্রথম দফার ভোট প্রচার শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার রণকৌশল তৈরি করতে ম্যারাথন বৈঠক করেন শাহ।
লেখক: ভারতের সিনিয়র সাংবাদিক
.jpg)
.jpg)
.jpg)