বরগুনার মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলার পর আলোচিত মন্টু চন্দ্র দাশ হত্যার ঘটনায় শোকাহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ড. শফিকুর রহমান।
সোমবার (১৭ই মার্চ) সকাল ১০টার দিকে হেলিকপ্টারযোগে বরগুনা সার্কিট হাউজ মাঠে পৌঁছান তিনি। এরপর ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে দেখা করে মন্টু চন্দ্রের স্ত্রীর সঙ্গে তাদের দৈনন্দিন দুঃখ-কষ্টের কথা শোনেন।
এ সময় তিনি তাদের মেয়েদের লেখাপড়া এবং সংসারের অন্যান্য খরচ সংকলনের জন্য কিছু সহায়তা করার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং এ জন্য মন্টুর স্ত্রী শিখা রানী দাশকে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার পরামর্শ দেন।
এ সময় জামায়াতে ইসলামী বরগুনা জেলা শাখার আমীর মো. মহিবুল্লাহ হারুনসহ জেলা জামায়াতে ইসলামীর অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে পৌর টাউন হল মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান।
গত ১১ মার্চ রাতে বরগুনা পৌর শহরের কালিবাড়ি স্টাফ কোয়ার্টার দীঘির দক্ষিণ পাশে ঝোপ থেকে মন্টু চন্দ্র দাসের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন নিহতের স্ত্রী অজ্ঞাতনামা আসামি করে বরগুনা সদর থানায় একটি মামলা করেন।
মন্টু চন্দ্র বরগুনা বাজারের একটি মুরগির দোকানে কর্মচারী ছিলেন। তার পরিবারে দেড় মাসের এক কন্যা শিশু, চার বছরের এবং ১২ বছরের দুই কন্যা সন্তান রয়েছে।
মন্টুর পরিবারের দাবি, তার মেয়েকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ এনে মন্টু বরগুনা থানায় মামলা করার কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় মন্টুর স্ত্রী আরেকটি মামলা করেছেন। অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় অভিযুক্ত সৃজীব চন্দ্র রায়, তার সহযোগী কালু ও রফিক গ্রেপ্তার হয়েছে বর্তমানে কারাগারে আছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।
মহিউদ্দিন অপু/জোবাইদা/