চট্টগ্রাম-১৬ আসনে (বাঁশখালী) লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রার্থী অ্যাডভোকেট কফিল উদ্দিন চৌধুরী নিয়মিত পথসভা ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। সম্প্রতি তিনি বাহারছড়া ইউনিয়নের চাঁপাছড়িতে এলাকাবাসী, আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে উঠান বৈঠক করেন। সেখানে বিভিন্ন দলের ব্যক্তিরাও অংশ নেন। তা ছাড়া, কাথরিয়া, পুকুরিয়া, বৈলছড়ি, পুঁইছড়ি, খানখানাবাদ, গন্ডামারা, সরল, বাহারছড়া বশিরুল্লাহ মিয়াজিবাজার ও পৌর সদরেও জনসংযোগ এবং তৎপরতা চালিয়েছেন।
এলডিপির প্রার্থী হিসেবে কফিল উদ্দিন চৌধুরী বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সমর্থন আদায়ের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে। বাঁশখালী আসনে বিএনপির বিরোধ কাজে লাগিয়ে এলডিপিকে আসনটি ছেড়ে দেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করছেন এলডিপি নেতা-কর্মীরা। ২০১৮ সালেও তিনি এলডিপির প্রার্থী ছিলেন। সে সময় শেষ মুহূর্তে জোটের স্বার্থে বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছিল এলডিপি।
এলডিপির বাঁশখালী পৌরসভা সভাপতি আনিসুর রহমান জানান, এলডিপির জোটসঙ্গী বিএনপি ইতোমধ্যেই চট্টগ্রামের চন্দনাইশ ও কুমিল্লায় দলের মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমদের আসনে প্রার্থী না দিয়ে এলডিপিকে সমর্থন দিয়েছে। আরও কয়েকটি আসনে এলডিপি সমর্থন আদায়ে বিএনপির সঙ্গে কেন্দ্রীয়ভাবে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। আর ২ থেকে ৩টি আসন এলডিপির জন্য বাড়ানো হলেই বাঁশখালী আসন সেখানে থাকবে। তা ছাড়া বাঁশখালীতে এলডিপিকে সমর্থন দিলে বিএনপির বিরোধও মিটে যাবে।
এই বিষয়ে অ্যাডভোকেট কফিল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘দল থেকে ইতোমধ্যেই আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এলডিপি বিএনপির আন্দোলন সংগ্রামের দীর্ঘদিনের সঙ্গী। সে হিসেবে চন্দনাইশ, কুমিল্লার মতো বাঁশখালী আসনটি এলডিপিকে ছেড়ে দিতে দাবি করা হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে দলের পক্ষে বিএনপিকে তালিকা দেওয়া হয়েছে। আশা করি খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত আসবে। এর বাইরেও আমি প্রতিদিন এলাকায় জনসংযোগ, পথসভা ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে জনগণের কাছে যাচ্ছি। জনগণের প্রচুর সাড়া পাচ্ছি। বাঁশখালীর বেশির ভাগ ব্রিজ, কালভার্ট, সড়ক ও রাস্তা কর্নেল অলির হাত দিয়ে গড়া। সে জন্য মানুষ কর্নেল অলি আহমদের প্রার্থী হিসেবে আলাদা সম্মান ও কদর করে আগ্রহ দেখাচ্ছে।’