নোয়াখালী-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলামকে অযোগ্য বলায় দলের নেতা-কর্মীদের হাতে হেনস্তার শিকার হয়েছেন বিএনপির প্রয়াত স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের সহধর্মিণী বেগম হাসনা জসীম উদ্দীন মওদুদ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নের বাল্যাকোট্টা নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
হাসনা মওদুদ নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয় নেতা-কর্মীদের আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় হাসনা মওদুদ নোয়াখালী-৫ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের বিএনপি প্রার্থী মো. ফখরুল ইসলামকে অপরীক্ষিত, অযোগ্য ও অপরিচিত বলার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত নেতা-কর্মীরা প্রতিবাদ করেন। এ সময় কয়েকজন তার হাত থেকে মাইক কেড়ে নেন। পরে তার গাড়ি থেকে ধানের শীষ আঁকা প্রতীক খুলে নেওয়া হয়।
হেনস্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসনা মওদুদ বলেন, ‘আমি আমেরিকান প্রবাসী কবিরের দাওয়াতে গিয়ে একটি পথসভায় বক্তব্য দিচ্ছিলাম। সেখানে বিএনপির প্রার্থী ফখরুল ইসলামকে অযোগ্য বলার সঙ্গে সঙ্গে উশৃঙ্খল কর্মীরা আমার সঙ্গে বেয়াদবি করে। এসব উশৃঙ্খল বাহিনীই এখন তারেক জিয়ার বিএনপি। তারা দলকে কোথায় নিয়ে গেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।’
অশ্বদিয়া ইউনিয়নে ধানের শীষের সমন্বয়ক ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান মো. নোমান বলেন, ‘হাসনা মওদুদ আমাদের প্রয়াত নেতার স্ত্রী। তাকে কে বা কারা হেনস্তা করেছে, তা জানি না। তবে শুনেছি তিনি ধানের শীষের প্রার্থীর বিরোধিতা করতে গিয়ে তারেক রহমানের সমালোচনা করায় ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা তার মাইক কেড়ে নিয়েছে।’
২০২১ সালের ১৬ মার্চ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ মারা যাওয়ার পর এলাকায় দলীয় কর্মকাণ্ডে না থাকলেও এবারের নির্বাচনে নোয়াখালী-৫ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন হাসনা মওদুদ। কিন্তু মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। পরে দলের অনুরোধে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন বলে দাবি করেন মওদুদপত্নী হাসনা।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’
মজনু/রিফাত/