জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি কার্ড দৈনন্দিন জীবনে বর্তমানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে। যা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। অথচ এ কার্ডে ভুল তথ্য সংশোধনের কাজে যারা রয়েছেন তারা প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি ও হয়রানি করছেন। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতিটি কাজকর্মে এনআইডি কার্ডের প্রয়োজন হয়। আর এ কার্ডটিতে তথ্যের কোনো গরমিল হলে তো কোনো উপায় নেই। যেকোনো উপায়ে তার সংশোধন আবশ্যক। আমার নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতার আলোকে বলছি, রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন, উত্তরা, ক্যান্টনমেন্ট নির্বাচন কমিশন অফিসে তিন মাস কেন, ছয় মাস ঘুরেও কার্ড সংশোধন করা বড়ই দুষ্কর শুধু ছিল না, মাসের পর মাস ছিল চরম ভোগান্তি ও বিড়ম্বনা। স্থানীয় জেলা নির্বাচন অফিসগুলোতে এখনো সেবার পরিবর্তে আছে শুধু হয়রানি। এনআইডি থাকার পরও অনেক ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধনের প্রয়োজন দেখা দেয়, এটা আরেকটি বিড়ম্বনা।
নির্বাচন কমিশনের স্থানীয় সব অফিস এত রকমের কাগজ, সার্টিফিকেট, জন্মনিবন্ধন, এসএসএসি, বাবা-মা ও ভাইবোনের এনআইডি কপি, স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নাগরিকত্ব, কোর্ট থেকে ম্যাজিস্ট্রেটের সনদপত্র চাওয়া ছাড়াও শুধু দিন নয়, মাসের পর মাস এমনকি বছরও ঘোরায়। তাদের এ রকম অসংখ্য চাহিদার কোনো শেষ নেই। সব জমা দিলেও নিত্যনতুন কাগজ চাইতে থাকে নির্বাচন অফিসগুলো। সমস্যা সমাধানের পথে না গিয়ে শুধু ঘোরানোই হচ্ছে নির্বাচন কমিশন অফিসগুলোর কাজ। শেষ পর্যন্ত আমি কোনো উপায় না পেয়ে মহাপরিচালক, এনআইডির সার্বিক সহযোগিতায় এ ঝামেলা থেকে মুক্তি পাই। নির্বাচন কমিশনের লোকজন সেবার পরিবর্তে মানুষকে অহেতুক মাসের পর মাস ঘোরায়। এ বিষয়টি প্রধান নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী
গণমাধ্যমকর্মী, ১৭ ফরিদাবাদ, গেন্ডারিয়া, ঢাকা
[email protected]