ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ধানমন্ডিতে বহুতল ভবনে আগুন সময়টা কি তবে শেষ! রাসুল (সা.)-এর বর্ণনায় আজকের সমাজ বড় বাজেটের বড় প্রশ্ন সুর-ছন্দের আন্তর্জাতিক মেলবন্ধনে মেতে উঠছে ঢাকা ফুটবল বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে সনি-স্মার্টের ‘গোল্ডেন গোল অফার’ শুরু প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলতে বলতেই রাবি শিক্ষার্থীর গলায় ফাঁস চতুর্থবারের মতো সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ ওসি হলেন রতন শেখ নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে সরকার গণতন্ত্রমুখী বাজেট ও প্রত্যাশার সমীকরণ পশ্চিমবঙ্গে নতুন মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন আদ্-দ্বীন হাসপাতালের জবাব সন্তোষজনক নয়, বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সালমান শাহর মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ হাতে টর্চ-লাঠি ও বাঁশি নিয়ে রাতভর পাহারায় পঞ্চগড় সীমান্তের মানুষ ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসায় নতুন পথ বের হলো চীনা মহাকাশ স্টেশনে চীনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও পর্যটনের গল্প পাকিস্তান সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সবাই নিহত ছয় দফা দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দারিদ্র‍্য থেকে মুক্তি–পথের সন্ধানে পরিবেশ স্টার্টআপ তহবিল গঠনের প্রস্তাব জোবাইদা রহমানের আম উৎসব আয়োজন করল স্বপ্ন, সুবিধাবঞ্চিতদের মাঝে মৌসুমি আনন্দের ছোঁয়া সিলেট সীমান্তে সতর্কতায়ও থেমে নেই চোরাচালান, ৬৬ লাখ টাকার পণ্য জব্দ তিন ঘণ্টা পর জামালপুর-ঢাকা ট্রেন চলাচল শুরু শিল্পকলায় নতুন নাটকের উৎসব গোপালগঞ্জে দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনায় যোগ দিলেন ব্রাজিল সমর্থক শেষ বিশ্বকাপের আগে শিশুর মতো উচ্ছ্বসিত নেইমার বান্ধবীকে ৩৭০ টাকার বিরিয়ানি খাইয়ে ‘উসুল’ করতে চেয়েছিলেন তরুণ কুমিল্লায় পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় আটক ১৯ আগ্রাসী যমুনার তীব্র ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ঘরবাড়ি-জমিজমা রূপগঞ্জে মাদক দ্রব্যসহ ৬ কারবারি গ্রেপ্তার সালিশকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত ২০
Nagad desktop

প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করুন

প্রকাশ: ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:১৩ পিএম
প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করুন

বর্তমানে আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষার অনিয়ম একটি ভয়াবহ ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। প্রায় প্রতি বছরই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা থেকে শুরু করে বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে, যা শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও হতাশার সৃষ্টি করছে। প্রশ্নফাঁসের ফলে প্রকৃত মেধাবীরা তাদের ন্যায্য মূল্যায়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। দীর্ঘ সময় ধরে কঠোর পরিশ্রম করেও তারা কাঙ্ক্ষিত ফলাফলের দেখা পাচ্ছে না, অন্যদিকে অযোগ্য শিক্ষার্থীরা অন্যায়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। পরীক্ষার প্রতি আস্থা হারিয়ে অনেক শিক্ষার্থী মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছে, যা তাদের ভবিষ্যৎ জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। প্রশ্নপত্র পরিবহন ও সংরক্ষণে দুর্বলতা, পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্তদের অবহেলা, পরীক্ষার হলে নকলের সুযোগ, আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার- সব মিলিয়ে আমাদের পরীক্ষা পদ্ধতি ও শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিনিয়ত প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। বেশির ভাগ সময় দেখা যায়, পরীক্ষার আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন ছড়িয়ে পড়ছে বা টাকার বিনিময়ে কিছু অসাধু মানুষ প্রশ্নফাঁস করছে। মেধার পরিবর্তে প্রতারণার ব্যবহার চলতে থাকলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়বে এবং জাতির ভবিষ্যৎ তৈরির ক্ষেত্রেও মারাত্মক বাধা সৃষ্টি করবে। একসময় তা সমাজে অন্যায় ও দুর্নীতিকে আরও উৎসাহিত করবে। পরীক্ষা ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা, প্রশ্ন সংরক্ষণ ও পরিবহনে আধুনিক ও নিরাপদ প্রযুক্তির ব্যবহার, পরীক্ষাকেন্দ্রে কড়া নজরদারি জরুরি।  

শিক্ষার্থী, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদ, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়  
[email protected]

টেলিমেডিসিনের গুরুত্ব

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম
টেলিমেডিসিনের গুরুত্ব

আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগে টেলিমেডিসিন স্বাস্থ্যসেবা খাতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। ভৌগোলিক দূরত্ব কমিয়ে ঘরে বসে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার এই প্রযুক্তিগত পদ্ধতি বর্তমানে অত্যন্ত অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এটি টেলিকমিউনিকেশন এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে রোগীর চিকিৎসা এবং সেবাদানের একটি উন্নত ডিজিটাল চিকিৎসাসেবা পদ্ধতি। উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এবং স্বাস্থ্যসেবাকে সাধারণের হাতের মুঠোয় নিয়ে আসতে টেলিমেডিসিনের গুরুত্ব অপরিসীম। মহামারির সময় চিকিৎসার সেরা বিকল্প টেলিমেডিসিন। করোনা রোগী হাসপাতালের চেয়ে বেশি সেবা পেয়েছে এই বিকল্প পন্থায়। করোনা ছড়িয়ে পড়া রোধে এটি একটি সফল মাধ্যম ছিল। একই সঙ্গে এটি শুধু বর্তমানেই নয়, ভবিষ্যতেও এর চাহিদা আরও বৃদ্ধি পাবে। মূলত, টেলিমেডিসিনে ভিডিও কল, ফোন কল বা মেসেজিংয়ের মাধ্যমে রোগী ও ডাক্তারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করা হয়। এভাবে চিকিৎসক ও রোগী শারীরিকভাবে একই স্থানে না থেকেও যোগাযোগ করতে পারে এবং চিকিৎসা পরামর্শ নিতে পারে। চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যায় টেলিফোন, মোবাইল ফোন, ভিডিও কনফারেন্স বা অনলাইনের বিভিন্ন কলিং সফটওয়্যার যেমন–হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, ইমো প্রভৃতি। টেলিমেডিসিন সেবা খুব শিগগিরই স্বাস্থ্যসেবার আশ্রয়স্থল হয়ে উঠবে। আমাদের এই বিশ্বে চিকিৎসার ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির সার্থক অবদান রয়েছে। এই তথ্যপ্রযুক্তিগুলো ইলেকট্রনিক মেডিকেল রেকর্ড, টেলিহেলথ সার্ভিস, মোবাইল টেকনোলজির ব্যবহার বৃদ্ধি করেছে। টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে যোগাযোগের সময় রোগীর ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইন মাধ্যমে আদান-প্রদান হয়। সুতরাং এই তথ্যগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে, তথ্য ফাঁসের ঝুঁকি থাকে।

মো. জাহিদুল ইসলাম 
নেটওয়ার্ক টেকনিশিয়ান (আইসিটি সেল), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
[email protected]

বিচার চাইব কার কাছে

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৬:১৯ পিএম
বিচার চাইব কার কাছে

দেশে একের পর এক ধর্ষণকাণ্ড ঘটেই যাচ্ছে। গণপিটুনি, মিছিল-মিটিং, লেখালেখি, প্রতিবাদ–কিছুই যেন থামাতে পারছে না এই মহামারিকে। সমাজের কিছু পুরুষ আজ যেন আগ্রাসী আতঙ্কের নাম, নারীদের জন্য এক ভয়ংকর বোঝা। নারীর প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও সম্মান যেন তলানিতে এসে ঠেকেছে। নারী মানেই যেন ভোগের বস্তু, নির্যাতনের শিকার, হত্যাযোগ্য এক অসহায় প্রাণ! এ যেন নতুন এক আইয়ামে জাহেলিয়াত! আছিয়া থেকে রামিসা, ৭ থেকে ৭০–কেউ আজ নিরাপদ নয়। দেশের বিচারব্যবস্থার ভঙ্গুরতা ধর্ষকদের আরও সাহসী করে তুলছে। প্রতিনিয়ত ধর্ষণকাণ্ড ঘটলেও বিচারের হার প্রায় শূন্যের কোঠায়। ক্ষমতার দাপট, নেতাগিরি ও ছলচাতুরীর মাধ্যমে একে একে সবাই পার পেয়ে যাচ্ছে। তাই তো ধর্ষিতার বাবা আজ বিচার চাইতেও ভয় পান। ধর্ষিতার মা বুকভরা কষ্ট নিয়ে পাথর হয়ে থাকেন। অসহায় কণ্ঠে বলেন, ‘বিচার চাইব কার কাছে? দেশে কি আদৌ বিচার আছে?’

আমরা চাই এই ভয়াবহ পরিস্থিতির অবসান হোক। সমাজে নারীরা নিরাপদে বাঁচুক। রাষ্ট্র নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুক। আমরা আর কোনো ধর্ষণ দেখতে চাই না। চাই না কোনো কর্তিত, খণ্ডিত, গলা কাটা দেহ। বন্ধ হোক ধর্ষণ। বন্ধ হোক ধর্ষিতার আর্তচিৎকার।

রফিকুল ইসলাম
মনোয়ারা ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, মানিকগঞ্জ
[email protected]

উচ্চশিক্ষা নয়, নৈতিক শিক্ষায় বড় হও

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম
উচ্চশিক্ষা নয়, নৈতিক শিক্ষায় বড় হও

দেশের পরিস্থিতি ও পরিবেশের ওপর ভিত্তি করে নিত্যদিনের ঘটনা গণমাধ্যমে উঠে আসে। দেশের নানা আবেগময় ঘটনার বর্ণনা সামনে এলেও অধিকাংশই হৃদয়বিদারক ঘটনার সাক্ষী হচ্ছে দেশের মানুষ। এরই ধারাবাহিকতায় এক বৃদ্ধার করুণ মৃত্যুতে উচ্চশিক্ষার ওপর প্রশ্ন উঠে যায়। শেষ জীবনে এসে বৃদ্ধা মা পাইনি কোনো সন্তানদের যত্ন। অযত্ন আর অবহেলায় জীবনের শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত অবস্থায় একই রুমে পড়ে রইলেন ৫-৭ দিন। জানতেন না কেউ। অথচ, সন্তানরা হলেন একজন বুয়েট শিক্ষক, একজন সচিব ও একজন কানাডা প্রবাসী। দেখা যাচ্ছে সন্তানরা ঠিকই উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছেন এবং ভালো অবস্থানেও আছেন। কিন্তু তাদের মধ্যে ছিল নৈতিকতার বড়ই অভাব। নীতিহীন আদর্শ ও উচ্চশিক্ষার কোনো অর্থ নেই। অতএব, উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার আগে নৈতিকতার শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া উচিত।

আবদুর রশীদ
শিক্ষক, উত্তর সাতকানিয়া দারুল আরকাম একাডেমি
[email protected]

সমুদ্র বাঁচলে পৃথিবী বাঁচবে

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৬:১০ পিএম
সমুদ্র বাঁচলে পৃথিবী বাঁচবে

প্রতি বছর ৮ জুন বিশ্বব্যাপী পালিত হয় বিশ্ব সমুদ্র দিবস। দিবসটির মূল লক্ষ্য সমুদ্রের গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা এবং সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করা। পৃথিবীর প্রায় ৭১ শতাংশজুড়ে বিস্তৃত সমুদ্র শুধু জলরাশির আধার নয়; এটি মানবসভ্যতার টিকে থাকা, জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের অন্যতম ভিত্তি। সমুদ্রকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়। কারণ সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও শৈবাল পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের প্রায় অর্ধেক উৎপাদন করে। এ ছাড়া কোটি কোটি মানুষের খাদ্য, কর্মসংস্থান ও জীবিকার উৎস হলো সমুদ্র। মৎস্যসম্পদ, পর্যটন, খনিজ সম্পদ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও এর অবদান অপরিসীম। বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও সমুদ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

বর্তমানে সমুদ্র নানা হুমকির সম্মুখীন। প্লাস্টিক বর্জ্য, শিল্পদূষণ, তেল নিঃসরণ, অতিরিক্ত মাছ আহরণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সামুদ্রিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সমুদ্রে জমা হওয়া প্লাস্টিক মাছ, কচ্ছপ, ডলফিনসহ অসংখ্য প্রাণীর জীবন বিপন্ন করছে। একই সঙ্গে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি উপকূলীয় অঞ্চলে ভাঙন, লবণাক্ততা ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষয় ডেকে আনছে। সমুদ্র রক্ষায় প্রয়োজন সম্মিলিত উদ্যোগ। প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, সামুদ্রিকদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যম, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশ্ব সমুদ্র দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক–সমুদ্র দূষণমুক্ত রাখা, পরিবেশ সংরক্ষণ করা এবং টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়া। কারণ সুস্থ সমুদ্রই সুস্থ পৃথিবীর ভিত্তি, আর সুস্থ পৃথিবীই নিরাপদ ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা।

নজরুল ইসলাম
গণমাধ্যমকর্মী
[email protected] 

মেট্রো স্টেশনগুলোর নিচে দুরবস্থা

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম
মেট্রো স্টেশনগুলোর নিচে দুরবস্থা

ঢাকা শহরে যানজট নিরসন ও পরিবেশ উন্নয়নের জন্য মেট্রোরেলের আবির্ভাব অনেকটা স্বস্তি দিয়েছে নগরবাসীকে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। দ্রুতগামী, নিরাপদ, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, সময় সাশ্রয়ী, বিদ্যুৎচালিত ও পরিবেশবান্ধব এ মেট্রোরেলের জনপ্রিয়তার কোনো জুড়ি নেই।

অথচ রাজধানীর বিভিন্ন মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে ও আশপাশের এলাকা দিন দিন অপরিচ্ছন্ন হয়ে পড়ছে। মলমূত্র, আবর্জনা, ফুটপাতের দোকান, হকার, ভিক্ষুক ও অবৈধ যানবাহনের দখলে অনেক স্টেশনের প্রবেশপথ সংকুচিত ও দুর্ভোগপূর্ণ হয়ে উঠেছে। দিয়াবাড়ী মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে গরুর হাট বসানো এবং মতিঝিলসহ বিভিন্ন স্টেশনের নিচের বেহাল অবস্থা নগরবাসীকে হতাশ করছে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ডিএমপি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়হীনতা এ অবস্থার জন্য অনেকাংশে দায়ী। অথচ প্রতিদিন লাখো যাত্রীকে যানজটমুক্ত ও নিরাপদ যাতায়াতের সুবিধা দিচ্ছে মেট্রোরেল। তাই স্টেশনগুলোর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, প্রবেশপথ দখলমুক্ত করা এবং যাত্রীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী 
গণমাধ্যমকর্মী ও কলাম লেখক
১৭ ফরিদাবাদ, গেন্ডারিয়া, ঢাকা-১২০৪
[email protected]