ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
জলবায়ু-সহনশীল ও পরিবেশ-বান্ধব পরিকল্পনার ওপর গুরুত্বারোপ বিআইপির আলোচিত সিনেমার সিক্যুয়েল নিয়ে জয়া টেইলর সুইফটের নতুন রেকর্ড পরকালের আয়নায় আপনার কর্মফল দেখেছেন কি? সাংবাদিকতায় দলীয় লেজুড়বৃত্তিমুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন: মোস্তফা কামাল আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনের তারিখ ঘোষণা নিজেকে সমকামী বলে কটাক্ষের জবাব দিলেন মৌনী ফ্যাশনে বিশ্বকাপ মাদক কারবারে হাজার কোটিপতির উত্থান, দাবি ভূমিমন্ত্রীর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা: পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরে প্রশংসিত সঞ্জয় বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র এআই উদ্ভাবনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কৃতিত্ব, ফাইনালে ‘কগনিভার্স’ ‘সবুজ সাথী’ সম্মাননায় ভূষিত সিলেট সিটি করপোরেশন ঈশ্বরগঞ্জে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগের ঝটিকা মিছিল ঘরেই মিলবে কৃত্রিম দিনের আলো চকরিয়া থেকে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির যাত্রা শুরু রাজশাহীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন ভূমিমন্ত্রী বিদেশি ঋণনির্ভর ও লুটপাটের বাজেট জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করবে না: গোলাম পরওয়ার শহিদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারত ও পরিবারকে সহায়তা প্রধানমন্ত্রীর রংপুরে অভিনব উপায়ে দল পরিবর্তন করলেন ব্রাজিল সমর্থক সহধর্মিণীকে সঙ্গে নিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে তারেক রহমান আইভিএফে যমজ সন্তানের জন্ম, ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল না বাবা-মায়ের পরিচয় ১০ জেলা হাসপাতালে আইসিইউ চালু হচ্ছে রবিবার মানুষকে রোগ সম্পর্কে সচেতন করছে তথ্যপ্রযুক্তি তারেক রহমানের ভিশন বাস্তবায়নে যুবদল অগ্রণী ভূমিকা রাখবে: মির্জা ফখরুল গ্রামীণ কাঁচা সড়ক পাকাকরণ জরুরি‎ আন্তর্জাতিক উত্তম চর্চা এবং রাজস্ব ব্যবস্থায় সংস্কার কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে রিকশাচালককে গণপিটুনি রাজবাড়ীতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল
Nagad desktop

শেষ মুহূর্তের গোলে হেরে গেল বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৫, ১০:৪৫ পিএম
শেষ মুহূর্তের গোলে হেরে গেল বাংলাদেশ
ছবি: সংগৃহীত

ম্যাচের শুরুর দিকেই চোখ ধাঁধানো এক গোলে পুরো গ্যালারি নাচিয়ে তুলেছিলেন হামজা চৌধুরী। নিশ্চিতভাবেই ফ্রি-কিক থেকে করা এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারের গোলটি অনেক দিন মনে রাখবেন বাংলাদেশের মানুষ। মনে রাখবেন রোমাঞ্চের বাঁকে ভরা ম্যাচটিও। কিন্তু এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে হংকং চায়নার বিপক্ষে ম্যাচটিতে শেষ হাসি হাসা হয়নি স্বাগতিকদের।

জাতীয় স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার (৯অক্টোবর) ‘সি’ গ্রুপে ম্যাচটি ৪-৩ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। বদলি নেমে হ্যাটট্রিক করে হংকং চায়নার জয়ের নায়ক রাফায়েল মার্কিস। দলটির পক্ষে অন্য গোলটি করেন এভারটন কামারগো। বাংলাদেশের পক্ষে গোল করেছেন হামজা, শেখ মোরছালিন ও সামিত সোম।

বাংলাদেশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরার ফুটবল দর্শন নিয়ে সমালোচনার শেষ নেই। তবে যত সমালোচনাই হোক, তিনি তার দর্শনে বরাবরই অবিচল। ভারত ও সিঙ্গাপুর ম্যাচের ধারাবাহিকতায় এ ম্যাচের আগেও যেমন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ২৩ সদস্যের দল ঘোষণা করেননি। কোন ২৩ জন এই ম্যাচের জন্য নির্বাচিত ছিলেন, সেটি খেলোয়াড়রা জানতেন কি না কে জানে!

এ ম্যাচের আগে ২৮ জন খেলোয়াড় ক্যাম্পে ছিলেন। তাদের মধ্যে প্রাবাসী ছিলেন সাতজন। এদের মধ্যে শাহ কাজেম কিরমানি ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াডে সুযোগ পাননি। বাকি ছয়জনের মধ্যে হামজা চৌধুরী ও তারিক কাজীকে শুরুর একাদশে রাখা হয়। অধিনায়ক হলেও ভারত ও সিঙ্গাপুর ম্যাচের ধারাবাহিকতায় শুরুর একাদশে জায়গা পাননি জামাল ভূঁইয়া। এ ছাড়া ফাহামেদুল ইসলাম, জায়ান আহামেদ ও সামিত সোমকেও একাদশের বাইরে রাখা হয়। চোট থাকায় অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মণও ছিলেন না। জামাল-তপুর অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশের আর্ম ব্যান্ড নিয়ে মাঠে নামেন সোহেল রানা সিনিয়র।

ম্যাচে প্রথম ছাপ রাখে হংকং চায়না। সপ্তম মিনিটে বক্সের বাঁ প্রান্ত থেকে দারুণ এক প্লেসিং শটে বাংলাদেশের রক্ষণে কাঁপন ধরান ম্যাট অর। তার বাঁ পায়ের শটটি দূরের পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। বাংলাদেশের প্রথম ভালো আক্রমণটি ছিল নবম মিনিটে। তাজ উদ্দিনের ব্যাক পাস থেকে বল পেয়ে চিপ শট নিয়েছিলেন ফরোয়ার্ড রাকিব। বক্সের বাইরে থেকে তার ওই প্রচেষ্টাটি ছিল দেখার মতো। তবে হংকং গোলরক্ষক ইয়াপ হুং ফাই সহজেই বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন।

এরপর আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। হামজা-জাদু। ম্যাচের বয়স তখন ১৩ মিনিট। প্রায় ২০ গজ দূর থেকে ডান পায়ের ফ্রি-কিকে গোল আদায় করে নেন বাংলাদেশের মানুষের আশা-ভরসার প্রতীক। কাছের পোস্টকে লক্ষ্য করে বেশ জোরের সঙ্গে শটটি নেন হামজা, যা হংকং চায়নার ম্যাট ওরের মাথায় হালকা ছোঁয়া লেগে জালে জড়ায়। এর আগে ফয়সাল আহমেদ ফাহিমকে লিওন জোন্স ফাউল করায় ফ্রি-কিকটি পেয়েছিল বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের হয়ে চতুর্থ ম্যাচে হামজার এটি দ্বিতীয় গোল। গত জুনে ভুটানের বিপক্ষে এই মাঠেই বাংলাদেশের জার্সিতে প্রথম গোলটি পেয়েছিলেন হামজা। জামাল ভূঁইয়ার ফ্রি-কিক থেকে হেডে গোলটি করেছিলেন তিনি। সেটি ছিল লাল-সবুজ জার্সিতে তার দ্বিতীয় ম্যাচ।

এগিয়ে যাওয়ার পর স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচে বেশ খানিকটা সময় দাপট ছিল বাংলাদেশের। তবে ধীরে ধীরে নিজেদের গুটিয়ে নেয় জার্মান, ব্রাজিলিয়ান বংশোদ্ভূত ফুটবলারে ঠাসা হংকং চায়না। ৩৯ মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে এভারটন বেশ বিপজ্জনভাবে ঢুকে পড়েন। বাংলাদেশের রক্ষণকে পরাস্ত করে শট নিতে পারলেও সেটি পোস্টে ছিল না। ৪২ মিনিটে নিকোলাস মেদেইরোস বল জালে জড়ালেও অফসাইডের কারণে বাতিল হয় সেটি।

তবে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সেট পিস থেকে গোল আদায় করে ম্যাচে সমতা ফেরায় হংকং চায়না (১-১)। গোলটি করেন ব্রাজিলে জন্ম নেওয়া এভারটন কামারগো। দূরের পোস্ট লক্ষ্য করে ইউ জয়ের নেওয়া ফ্রি-কিক অনেকটা নির্মহই ছিল। কিন্তু বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা বল ক্লিয়ার করতে সময় নিয়ে ফেলেন। একপর্যায়ের ফাহিমের মাথা ছুঁয়ে বল এসে পড়ে কামারগোর পায়ে। তিনি একেবারে অরক্ষিত ছিলেন। গোল করতে কোনো কষ্টই হয়নি তার।

দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরু হওয়ার ৫ মিনিটের মধ্যে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। বদলি নেমে ৫০তম মিনিটে গোলটি করেন রাফায়েল মার্কিস (২-১)। যে গোলেও দায় আছে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের। বক্সের বেশ বাইরে হংকংয়ের একটি আক্রমণ রুখতে গিয়ে ব্যাকপাস দিয়ে বসেন সোহেল রানা জুনিয়র, যা অরক্ষিত অবস্থায় থাকা মার্কিস পেয়ে যান। গোল করতে ভুল করেননি ফ্রান্সে জন্ম নেওয়া এই ফরোয়ার্ড।

২-১ গোলে পিছিয়ে পড়ার পর কোণঠাসাই হয়ে পড়ে বাংলাদেশ। হাভিয়ের কাবরেরা অবশ্য দ্বিতীয় গোল হজমের পর একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন আনে বাংলাদেশ। ৫৯ মিনিটে সোহেল রানা সিনিয়র, সোহেল রানা জুনিয়র ও ফয়সাল আহমেদ ফাহিমকে তুলে নিয়ে সামিত সোম, জামাল ভূঁইয়া ও ফাহামেদুলকে মাঠে নামাম। কিন্তু তাতে বাংলাদেশের খেলার ছন্দে খুব একটা বদল আসেনি। উল্টো ৭৪ মিনিটে মার্কিস তার দ্বিতীয় গোল আদায় করেন। ৩-১ গোলে পিছিয়ে পড়ার পাশাপাশি বাংলাদেশ ম্যাচ থেকেও এক রকম ছিটকে যায়। তবে ৮৪ মিনিটে হংকং গোলরক্ষকের ভুলের সুযোগ নিয়ে গোল আদায় করেন শেখ মোরছালিন (৩-২)। তাতে ম্যাচে জাগে রোমাঞ্চ। এরপর ৯ মিনিটের যোগ করা সময়ে সামিত সোমের গোলে স্কোরলাইন ৩-৩ করে বাংলাদেশ। কিন্তু একেবারে শেষ মুহূর্তে রাফায়েল হ্যাটট্রিক তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে হতাশায় পোড়ান।

এই হারের ফলে এশিয়ান কাপের মূল পর্বের আশা কার্যত শেষ হয়ে গেল বাংলাদেশের। তিন ম্যাচে মাত্র ১ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলে সবার তলানিতে হাভিয়ের কাবরেরার দল।

এসএন/

ইতিহাস গড়ার পথে হন্ডুরাসের রেফারি

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
ইতিহাস গড়ার পথে হন্ডুরাসের রেফারি
ছবি: সংগৃহীত

সান্তা ক্লারার সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া স্টেডিয়ামে আজ (১৩ জুন) রাতে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে কাতার। ম্যাচটি ফুটবল মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি এক অনন্য ইতিহাসের সাক্ষী হতে যাচ্ছে। ম্যাচটিতে প্রধান রেফারির দায়িত্ব পালন করবেন হন্ডুরাসের সাইদ মার্তিনেজ, যার মাধ্যমে দেশটির ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।

৩৪ বছর বয়সি মার্তিনেজ ২০১৭ সাল থেকে ফিফা তালিকাভুক্ত রেফারি হিসেবে কাজ করছেন। কাতার-সুইজারল্যান্ড ম্যাচটি পরিচালনার মাধ্যমে তিনি প্রথম হন্ডুরিয়ান হিসেবে ফিফা বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে প্রধান রেফারির দায়িত্ব পালনের কীর্তি গড়বেন।

হন্ডুরাসের বাসিন্দা সাইদ মার্তিনেজ মাঠে মোটেও নরম মনের রেফারি নন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ক্যারিয়ারে ১৬৫টি ম্যাচ পরিচালনা করে তিনি ৬৮৮টি হলুদ কার্ড এবং ৩০টি লাল কার্ড দেখিয়েছেন। অর্থাৎ, ম্যাচ প্রতি গড়ে ৪.১৭টি করে হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন তিনি। তার এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে তিনি মাঠে কতটা কঠোর। তবে অযথা লাল কার্ড দেখানোর প্রবণতা তার নেই।

কনকাকাফ অঞ্চলের বেশ কিছু হাইভোল্টেজ ম্যাচ পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে তার। তিনি ২০২১ ও ২০২৩ সালের গোল্ড কাপ ফাইনাল, ২০২৩ সালের কনকাকাফ নেশনস লিগ ফাইনাল এবং ২০২৫ সালের কনকাকাফ নেশনস লিগের সেমিফাইনাল পরিচালনা করেছেন।

পাপ্পু/অনিক/

মরক্কো ‘আন্ডারডগ’ নয়, ট্রফি জিততেই মাঠে নামবে: ওয়াহবি

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৪০ পিএম
মরক্কো ‘আন্ডারডগ’ নয়, ট্রফি জিততেই মাঠে নামবে: ওয়াহবি
ছবি: সংগৃহীত

মরক্কো এখন আর কোনো ছোট দল হিসেবে পরিচিত হতে চায় না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন দলটির কোচ মোহাম্মদ ওয়াহবি। নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে (মেটলাইফ স্টেডিয়াম) ব্রাজিলের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচ দিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর করবে অ্যাটলাস লায়ন্সরা।

চার বছর আগে কাতারের বিশ্বমঞ্চে স্পেন ও পর্তুগালকে বিদায় করে প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেমিফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়েছিল মরক্কো। তবে এবার ওয়াহবি জোর দিয়ে বলেছেন, মরক্কোকে আর আন্ডারডগ ভাবার সুযোগ নেই।

মরক্কো কোচ বলেন, ‘ব্রাজিল আমাদের ভয় পাচ্ছে না, আমরাও তাদের ভয় পাচ্ছি না। আমরা এখন ফুটবলের এক নতুন স্তরে প্রবেশ করেছি, এখন আমাদের অনেক বেশি সম্মান করা হয়। আমাদের এই সম্মান ধরে রাখতে হবে এবং টুর্নামেন্টের শেষ পর্যন্ত টিকে থাকতে হবে। এখন মরক্কো যেকোনো প্রতিযোগিতায় নামলেই লক্ষ্য থাকে ট্রফি জয় করা।’

ব্রাজিল দল নিয়ে ওয়াহবি বলেন, ‘অনেকেই বলছেন এটি আগের সেই ব্রাজিল নয়। তবে এটি একটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ম্যাচ, এমন একটি ম্যাচ দিয়ে আমাদের বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করাটা আমাদের জন্য সম্মানের।’

মরক্কো দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন পিএসজি তারকা আশরাফ হাকিমি। ম্যাচটি নিয়ে হাকিমি বলেন, ‘আমরা দুই দলের শক্তিমত্তা সম্পর্কে খুব ভালো করেই জানি। এটি অত্যন্ত ভারসাম্যপূর্ণ একটি ম্যাচ হতে যাচ্ছে। এই ম্যাচে কোনো দলই এককভাবে ফেভারিট নয়।’

২০২৩ সালের সর্বশেষ প্রীতি ম্যাচে ২-১ গোলে সেলেকাওদের হারিয়ে চমকে দিয়েছিল এই মরক্কো।

পাপ্পু/অনিক/

নেইমারকে ছাড়াই মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবে ব্রাজিল

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:২৫ পিএম
নেইমারকে ছাড়াই মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবে ব্রাজিল
ছবি: সংগৃহীত

ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি নিশ্চিত করেছেন যে, ‘সি’ গ্রুপে মরক্কোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে থাকছেন না নেইমার। গত মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে কাফ ইনজুরিতে (পায়ের পেশিতে চোট) পড়েন ৩৪ বছর বয়সি এই তারকা। ম্যানহাটনে দলের বেস ক্যাম্পে অন্য সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি তিনি।

নেইমারের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে আনচেলত্তি সাংবাদিকদের বলেন, ‘নেইমার যত দ্রুত সম্ভব সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য খুব কঠোর পরিশ্রম করছেন।’ দলে তার অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে কোচ বলেন, ‘আমরা তাকে কেবল তার ফুটবলীয় দক্ষতার জন্যই দলে ডাকিনি। বরং দলের তরুণ খেলোয়াড়দের কাছে তার অভিজ্ঞতা ও অনুপ্রেরণাদায়ক উদাহরণ হয়ে ওঠার কারণেই তাকে দলে রাখা হয়েছে।’

বর্তমানে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব সান্তোসের হয়ে খেলা নেইমার গত বেশ কিছু সময় ধরে ইনজুরি সমস্যায় ভুগছেন। ২০২৩ সালের পর থেকে তিনি আর ব্রাজিলের হয়ে মাঠে নামেননি। ফিটনেস সমস্যার কারণে এ বছর ক্লাব পর্যায়েও তার অংশগ্রহণ ছিল বেশ সীমিত। সান্তোসের হয়ে ঘরোয়া ও মহাদেশীয় টুর্নামেন্ট মিলিয়ে মাত্র অর্ধেক ম্যাচ খেলতে পেরেছেন তিনি।

ব্রাজিলের হয়ে গত তিনটি বিশ্বকাপে খেলা এই অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ডকে এবারের স্কোয়াডে রাখাটা তার সাম্প্রতিক ইনজুরির কারণে কিছুটা সমালোচনার মুখে পড়ে। তবে তার অভিজ্ঞতা এবং ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার মর্যাদা তাকে আনচেলত্তির পরিকল্পনায় এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব করে তুলেছে।

পাপ্পু/অনিক/

‘কষ্টদায়ক শিক্ষা’, বললেন প্যারাগুয়ে কোচ আলফারো

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৫৬ পিএম
‘কষ্টদায়ক শিক্ষা’, বললেন প্যারাগুয়ে কোচ আলফারো
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরেছে প্যারাগুয়ে। তবে ফেরার ম্যাচটি মোটেও সুখকর হয়নি লাতিন আমেরিকার এই দলটির। আজ (১৩ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু তাদের। ম্যাচ শেষে প্যারাগুয়ের আর্জেন্টাইন কোচ গুস্তাভো আলফারো এই হারকে বলেছেন একটি ‘কষ্টদায়ক শিক্ষা’।

বিশ্বকাপে ফেরার বহু প্রতীক্ষিত ম্যাচটিতে প্যারাগুয়েকে রূঢ় বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের গতি ও আগ্রাসী ফুটবলের সামনে মাঠের প্রতিটি প্রান্তেই অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে তাদের।

‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচ শেষে আলফারো বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র একদম ন্যায্য এবং পরিষ্কার ব্যবধানে জিতেছে। তারা আমাদের থেকে কৌশলগত, কারিগরি এবং শারীরিকভাবে ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে আবেগকে একপাশে সরিয়ে রাখতে হয়। এখানে যা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ তা হলো, সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা, একাগ্রতা এবং খুঁটিনাটি ভুলত্রুটি এড়িয়ে চলা।’

চার গোল হজম করলেও গ্রুপ পর্ব পার হওয়ার আশা এখনই ছেড়ে দিচ্ছেন না এই আর্জেন্টাইন কোচ। গোল ব্যবধানের চেয়ে পয়েন্ট অর্জনই প্যারাগুয়ের ভাগ্য নির্ধারণ করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়ার জন্য আমাদের প্রয়োজনীয় পয়েন্ট পাওয়ার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। বিশ্বকাপ আজ কেবল শুরু হলো, আজই শেষ হয়ে যায়নি।’

গ্রুপপর্বে প্যারাগুয়ের পরবর্তী ম্যাচ তুরস্কের বিপক্ষে এবং শেষ ম্যাচে তারা মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়ার।

পাপ্পু/অনিক/

ভয়ই ব্রাজিলকে সতর্ক রাখবে: আনচেলত্তি

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৪১ পিএম
ভয়ই ব্রাজিলকে সতর্ক রাখবে: আনচেলত্তি
ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলের সম্ভাব্য সব ট্রফিই জিতেছেন তিনি। তবুও ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের পর্দা ওঠার আগে তার মতো অভিজ্ঞ কোচের বুকেও এক চিলতে ভয়ের কাঁপন জাগে। তবে এই ভয়কে তিনি বেশ ইতিবাচকভাবেই দেখছেন।

বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর আগে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আনচেলত্তি বলেন, ‘স্নায়ুচাপ কোনো দুর্বলতা নয়, বরং এটি একটি প্রয়োজনীয় সতর্কবার্তা। বিশেষ করে মরক্কোর মতো দলের বিপক্ষে, যারা গত বিশ্বকাপে স্পেন ও পর্তুগালকে বিদায় করে সেমিফাইনালে খেলে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনার মনে যদি ভয় না থাকে এবং আপনি যদি অসতর্ক থাকেন, তবে সামনে সিংহ দেখলেও তাকে বিড়াল মনে করে ভুল করতে পারেন। ভয় মূলত আপনার জীবন বাঁচাতে পারে। সর্বদা সতর্ক এবং মনোযোগী থাকা ভালো, যাতে দল মাঠে একটি দুর্দান্ত ম্যাচ উপহার দিতে পারে এবং কোনো আকস্মিক ধাক্কার শিকার না হয়।’

ইতিহাসের একমাত্র কোচ হিসেবে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের শিরোপা জয়ের কীর্তি রয়েছে আনচেলত্তির। এবার তার কাঁধে দায়িত্ব ব্রাজিলের বহুল প্রতীক্ষিত ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দেওয়ার। বিশ্বকাপের এই বিশাল মঞ্চের চাপকে ভয় না পেয়ে বরং উপভোগ করতে চান তিনি।

আনচেলত্তি বলেন, ‘আমি এই মুহূর্তটিকে আনন্দের সাথে উপভোগ করতে চাই, কারণ এটি আমার জীবনের গল্পে একটি চমৎকার অধ্যায়। আমার খুব ভালো লাগছে। আশা করি এই দলকে সফল করতে যে ধরনের কাজ করা প্রয়োজন, তা আমি করতে পারব।’

বাংলাদেশ সময় রবিবার (১৪ জুন) ভোর ৪টায় মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামবে সেলেকাওরা।

পাপ্পু/অনিক/