যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তরের ছাত্র ও ফিলিস্তিনি কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। মাহমুদ খলিল নামে এই ছাত্র কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
শনিবার স্থানীয় সময় রাতে (৮ মার্চ) মাহমুদ খলিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপার্টমেন্টে ছিলেন। এ সময় বেশ কয়েকজন ইমিগ্রেশন এবং কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট অ্যাজেন্ট সেখানে প্রবেশ করে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
বার্তা সংস্থা এপিকে এ তথ্য জানিয়েছেন তার আইনজীবী অ্যামি গ্রিয়ার।
হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের মুখপাত্র ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিন রবিবার (৯ মার্চ) এক বিবৃতিতে খলিলের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি এই পদক্ষেপকে ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইহুদি-বিদ্বেষ নিষিদ্ধ করার নির্বাহী আদেশ’ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, খলিল ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আলজেরিয়ার নাগরিক। খলিলের আইনজীবী অ্যামি গ্রিয়ার বলেন, গ্রেপ্তারের সময় তিনি আইসিইর এক অ্যাজেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন। ওই কর্মকর্তা জানান, তারা স্টেট ডিপার্টমেন্টের নির্দেশে খলিলের ভিসা বাতিলের জন্য কাজ করছেন।
ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বলা হয়, খলিলের স্ত্রী মার্কিন নাগরিক এবং তার গ্রিন কার্ড রয়েছে। গ্রেপ্তারের পর থেকে খলিলকে নিউজার্সির এলিজাবেথে অভিবাসন বন্দিশিবিরে রাখা হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি খলিলের স্ত্রী।
গাজায় যুদ্ধ বন্ধ ও ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহিংসতা থামাতে গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বড়সড় বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভে শত শত শিক্ষার্থী ফিলিস্তিনিদের পক্ষ নিয়ে বিক্ষোভ করেন।
গত জানুয়ারিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পরেই হুঁশিয়ারি দেন যে, যারা হামাস ও ফিলিস্তিনের পক্ষে বিক্ষোভ করেছেন তাদের ভিসা বাতিল করে ফেরত পাঠানো হবে। সূত্র: আরব নিউজ
দিনা/অমিয়/