এবার গাজার খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা করেছে ইসরায়েল। এই হামলায় হামাসের অন্যতম শীর্ষ নেতা ইসমাইল বারহৌম সহ পাঁচজন নিহত হন।
সোমবার (২৪ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা তাদের সরাসরি সম্প্রচারে এসব তথ্য জানায়।
এই হামলা ইসরাইল ও হামাসের মধ্যকার চলমান সংঘাতের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুললো।
আইডিএফ জানায়, হামলাটি নির্ভুল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চালানো হয় । হামাসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে নির্মূল করাই এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, এই হামলায় হাসপাতালে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়, যা চলমান সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যে গাজার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও চাপের মুখে ফেলছে।
এদিকে হামাস বারহৌমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এ বিষয়ে হামাসের এক মুখপাত্র বলেন, ‘এই অপরাধের উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।‘
গাজার দক্ষিণাঞ্চলের বৃহত্তম চিকিৎসা কেন্দ্র নাসের হাসপাতাল। এখানে হাজার হাজার আহত বেসামরিক নাগরিক চিকিৎসার জন্য নির্ভরশীল। ইসরাইলি বিমান ও স্থল অভিযানে গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ হাজার-এর বেশি হয়েছে বলে জানায় ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এছাড়া বাস্তুচ্যুত হয়েছে লাখ লাখ মানুষ।
গাজায় চলমান ইসরায়েলি হামলাতে এখানকার মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে। সাহায্য সংস্থাগুলো জানায়, গাজার হাসপাতালগুলো ক্রমশ অকেজো হয়ে পড়ছে । তাছাড়া খাদ্য, ওষুধ ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে।
দিনা/