ঢাকা ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নড়াইলে পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু ভোলায় ‘জ্বিনের বাদশা’র বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তার স্ত্রী তাম্মি খালাস চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে নেই পুশইনের চেষ্টা, সতর্ক বিজিবি পরীক্ষার আগে স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ও উদ্বেগ কমাতে অক্সিজেন থেরাপি নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগে বদলে যাচ্ছে মায়ানমারের গৃহযুদ্ধের চিত্র ভবিষ্যত নিয়ে ভাবছেন না রোনালদো মাধবপুরে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২ অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ১২ বেলফাস্টে ছুরিকাঘাতের পর বিক্ষোভকারীদের অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতা ইংল্যান্ড ফেবারিট না হলেও বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখতেই পারে: টুখেল যুক্তরাষ্ট্রে মজুত কমে যাওয়ায় বাড়ল তেলের দাম লাইনচ্যুত বগি উদ্ধার করতে গিয়ে রিলিফ ট্রেনও লাইনচ্যুত! হেলিকপ্টার হারিয়ে ইরানে হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি তেহরানের আজকের মুদ্রার বাজার: ১০ জুন, ২০২৬ বগি লাইনচ্যুত, জামালপুর- ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ ভারতে সাজাভোগের পর তামাবিল দিয়ে ফিরলেন ৭ বাংলাদেশি কেমন ছিল নবিজি (সা.)-এর গায়ের বর্ণ? আবারও কমল সোনার দাম, নতুন দর কত? ক্লিন ইমেজের আলী রেজাও দুদকের জালে দেশে ৫০ লাখ মামলা বিচারাধীন রয়েছে: চট্টগ্রামের ডিসি বাবাকে খাবার দিতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গেল শিশু গজারিয়ায় আকস্মিক ঝড়ে অর্ধশত গাছ উপড়ে পড়েছে, মহাসড়কে তীব্র যানজট প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে এসে আত্মহত্যা প্রেমিকার শাবিপ্রবিতে ৩২৫ গবেষকের অংশগ্রহণে ওশেনোগ্রাফি বিভাগের সিম্পোজিয়াম আর্জেন্টিনার উত্তাপে গলে গেল আইসল্যান্ড ক্যাম্প থেকে পালিয়ে সীমান্তে মাছ ধরায় ১৯ রোহিঙ্গা আটক বাড়ছে না বিড়ির দাম সারাদেশে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা
Nagad desktop

সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইয়েমেন ত্যাগের আহ্বানে সৌদি আরবের সমর্থন

প্রকাশ: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:০৭ এএম
সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইয়েমেন ত্যাগের আহ্বানে সৌদি আরবের সমর্থন
সংযুক্ত আরব আমিরাত সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল এর সদস্যরা। ছবি: সংগৃহীত

ইয়েমেনের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রিত দক্ষিণের মুকাল্লা বন্দরে সংযুক্ত আরব আমিরাত সমর্থিত বাহিনীর জন্য পাঠানো একটি অস্ত্রের চালানে বোমা হামলার পর, সৌদি আরব ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিলের দেওয়া আলটিমেটামে সমর্থন জানিয়েছে। এই আলটিমেটামে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইয়েমেন ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি অনুযায়ী, ওই চালানে আরব আমিরাত-সমর্থিত বিচ্ছিন্নতাবাদীদের জন্য অস্ত্র ছিল।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিরুদ্ধে দক্ষিণ ইয়েমেনের স্বাধীনতা পিয়াসী ‘সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল’ (STC)-কে হাদরামাউত ও আল-মাহরা নামক পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে সাম্প্রতিক সামরিক অভিযান চালাতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ তুলেছে।

আরও পড়ুন: ইয়েমেনের চালান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট

রাজতন্ত্রটি সতর্ক করে বলেছে যে, তারা এই ধরনের অত্যন্ত বিপজ্জনক কর্মকাণ্ড মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওই চালানে অস্ত্র থাকার কথা অস্বীকার করেছে এবং সৌদি আরবের এই বিবৃতিতে গভীর অনুশোচনা প্রকাশ করেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত কঠোর ভাষায় সেই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে যেখানে বলা হয়েছে যে, তারা কোনো ইয়েমেনি পক্ষকে এমন সামরিক অভিযান চালাতে চাপ বা নির্দেশনা দিয়েছে যা ‘‘ভ্রাতৃপ্রতিম সৌদি আরবের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে বা এর সীমান্তকে লক্ষ্যবস্তু বানায়’’।

এসটিসি (STC)-এর নেতারাও বলেছেন যে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাহিনী প্রত্যাহারের এই আলটিমেটামের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। তারা জোর দিয়ে বলেন যে, ইরান-সমর্থিত হুথি আন্দোলনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তারা একটি ‘‘প্রধান অংশীদার’’ হিসেবে বহাল থাকবে। উল্লেখ্য, উত্তর-পশ্চিম ইয়েমেনের বেশিরভাগ অংশ হুথিদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

গত সোমবারের শুরুর দিকে, আট সদস্যের প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিলের প্রধান, যার মধ্যে এসটিসি প্রতিনিধিরাও রয়েছেন, ঘোষণা করেন যে, তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি বাতিল করছেন। রশিদ আল-আলিমি নামের এই নেতা নাগরিকদের নিরাপত্তা রক্ষা এবং ইয়েমেনের ঐক্য, সার্বভৌমত্ব, স্থিতিশীলতা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা বজায় রাখার স্বার্থে আরব আমিরাতের বাহিনীকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেন।

আলিমি ৯০ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, হুথি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আদেশ পালনকারী বিদ্রোহী সামরিক উপাদানগুলোর নেতৃত্বাধীন অভ্যন্তরীণ কলহ মোকাবিলায় এই পদক্ষেপ প্রয়োজনীয় ছিল।

আরও পড়ুন: ইয়েমেনের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের হুঁশিয়ারি

আলিমির এই ঘোষণা এমন সময় এলো যখন সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের (যার সদস্য আরব আমিরাত নিজেও) মুখপাত্র জানান যে, তারা দক্ষিণ ইয়েমেনের মুকাল্লা বন্দরে এসটিসি বাহিনীর অস্ত্র ও সামরিক যানের ওপর একটি সীমিত বিমান হামলা চালিয়েছে। ওই সরঞ্জামগুলো সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে দুটি জাহাজে করে এসেছিল।

মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি দাবি করেন যে, এই চালানের মাধ্যমে আসন্ন হুমকি এবং উত্তেজনা তৈরি করা হয়েছে যা শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।

মুকাল্লা বন্দরের একজন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এএফপি-কে জানান, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভোর ৪টায় এলাকাটি খালি করার সতর্কতা পাওয়া যায় এবং এর প্রায় ১৫ মিনিট পর বন্দরের একটি খোলা জায়গায় আঘাত হানা হয়।

হামলার পরবর্তী ছবিতে দেখা গেছে, বন্দরের প্রাচীরঘেরা এলাকায় বেশ কিছু ভস্মীভূত সামরিক যান ও পিকআপ ট্রাক পড়ে আছে এবং একটি নিকটবর্তী ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে যে, মুকাল্লা বন্দরে এই হামলায় তারা বিস্মিত হয়েছে এবং জোটের এই বিবৃতি সদস্য দেশগুলোর সাথে কোনো পরামর্শ ছাড়াই দেওয়া হয়েছে। তারা জোর দিয়ে বলেছে যে, ওই চালানে ‘‘কোনো অস্ত্র ছিল না এবং আনলোড করা যানগুলো কোনো ইয়েমেনি পক্ষের জন্য নয়, বরং ইয়েমেনে কর্মরত আমিরাতি বাহিনীর ব্যবহারের জন্য পাঠানো হয়েছিল’’।

এর আগে শনিবার, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এসটিসি বাহিনীকে হাদরামাউত ও আল-মাহরা থেকে শান্তিপূর্ণভাবে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। তার এক দিন আগেই সৌদি বিমান বাহিনী হাদারামাউতের ওয়াদি নাহাব এলাকায় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের অবস্থানে বোমা হামলা চালায় বলে খবর পাওয়া যায়।

চলতি মাসের শুরুতে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর এসটিসি বাহিনী ওই দুটি প্রদেশে অভিযান শুরু করে, যা তাদের সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে দেয়। এসটিসি জানায়, দক্ষিণে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং হুথি ও জিহাদি গোষ্ঠী আল-কায়েদা ও ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে এই অভিযান প্রয়োজনীয় ছিল।

২০১৪ সালে হুথিরা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে রাজধানী সানা থেকে উৎখাত করলে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, যা দেশটিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। ২০১৫ সালে সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোট সরকারের শাসন পুনরুদ্ধারে হস্তক্ষেপ করলে সংঘাত আরও তীব্র হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই লড়াইয়ে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে এবং বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকটের সৃষ্টি হয়েছে।

যুদ্ধের শুরুতে, দক্ষিণ ইয়েমেনের স্বাধীনতার প্রত্যাশী এসটিসি এবং অন্যান্য বিচ্ছিন্নতাবাদীরা হুথিদের হাতে দক্ষিণ শহর এডেনের পতন ঠেকাতে সরকারের সঙ্গে একটি নড়বড়ে মিত্রতা গড়ে তুলেছিল। উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালে উত্তর ইয়েমেনের সঙ্গে একত্র হওয়ার আগে দক্ষিণ ইয়েমেন একটি আলাদা দেশ ছিল।

তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসটিসি এবং তার মিত্ররা সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এবং এডেনসহ দক্ষিণের বেশিরভাগ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ দখল করেছে। সূত্র: বিবিসি

মাহফুজ/

বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগে বদলে যাচ্ছে মায়ানমারের গৃহযুদ্ধের চিত্র

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১২:২৩ পিএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ০১:১০ পিএম
বাধ্যতামূলক সেনা নিয়োগে বদলে যাচ্ছে মায়ানমারের গৃহযুদ্ধের চিত্র
ছবি: সংগৃহীত

মায়ানমারের পাহাড়ি এলাকায় বিদ্রোহী শিবিরে আশ্রয় নেওয়া চার তরুণ কখনোই দেশের গৃহযুদ্ধে অংশ নিতে চাননি। তারা কেউই বিদ্রোহী হতে চাননি, আবার সামরিক বাহিনীর সৈনিক হওয়ারও ইচ্ছা ছিল না।

সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার আগে তাদের একজন ছিলেন রাঁধুনি, যাকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে যায় সেনাবাহিনী। পরিচয়পত্র না থাকায় তাকে আটক করে জোরপূর্বক সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়। আরেকজন গভীর রাতে কারাওকে অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় গ্রেপ্তার হন। তৃতীয় ব্যক্তি বন বিভাগে কর্মরত ছিলেন; তাকেও আটক করে সেনাবাহিনীতে নেওয়া হয়। চতুর্থ তরুণের দাবি, গ্রেপ্তারের সময় তার জুতার মধ্যে মাদক ঢুকিয়ে দিয়ে তাকে ফাঁসানো হয় এবং পরে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়।

১৯ থেকে ২৫ বছর বয়সী এই চার তরুণ বিবিসিকে বলেন, ‘কী ঘটছে তা বুঝে ওঠার আগেই আমাদের সরাসরি যুদ্ধের সম্মুখসারিতে পাঠানো হয়েছিল।’

তাদের একজন বলেন, ‘আমাদের দিয়ে এমন সব কাজ করানো হয়েছে, যা আমরা করতে চাইনি। সকাল, দুপুর কিংবা রাত- কোনো সময়ই বিশ্রাম পাইনি। বাধ্যতামূলকভাবে নিয়োগ পাওয়া সদস্যদের দিয়েই সব কাজ করানো হতো। অথচ নিয়মিত সৈন্যদের কাজ তুলনামূলকভাবে কম এবং সহজ ছিল।’

চার মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে তাদের কারেন অঙ্গরাজ্যে পাঠানো হয়। সেখানে এক রাতে গোসল করতে যাওয়ার পথে তারা পালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তবে পালানোর পর তারা নিকটবর্তী পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের (পিডিএফ) একটি টহল দলের হাতে আটক হন। বর্তমানে তারা বিদ্রোহীদের সঙ্গেই অবস্থান করছেন।

পিডিএফের ভাষ্য, সেখানে তাদের অপরিচিত হিসেবে নয়, বরং ভাইয়ের মতো আচরণ করা হচ্ছে।

চার তরুণ আপাতত পিডিএফের সঙ্গেই থাকবেন। পরে তাদের থাইল্যান্ড সীমান্তে পাঠানো হবে। কারণ, তাদের আশঙ্কা- এখন ফিরে গেলে সেনাবাহিনী তাদের খুঁজে বের করতে পারে।

বাধ্যতামূলক নিয়োগে শক্তিশালী হচ্ছে জান্তা বাহিনী

চার তরুণের অনিচ্ছাকৃত সেনাজীবন মায়ানমারের সাম্প্রতিক বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। বিশ্লেষকদের মতে, সেনাবাহিনীর বাধ্যতামূলক নিয়োগনীতি গৃহযুদ্ধে জান্তা সরকারের অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে।

২০২১ সালে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে সামরিক বাহিনী। এরপর আটক করা হয় দেশটির সাবেক নেত্রী অং সান সু চিকে।

দীর্ঘদিনের এই সংঘাতে হাজারো মানুষ নিহত এবং লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। দুই বছরেরও বেশি সময় আগে জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী ও বিদ্রোহী জোট দেশজুড়ে ধারাবাহিক সাফল্য অর্জন করেছিল। কিন্তু বর্তমানে অনেক এলাকায় বিদ্রোহীরা রক্ষণাত্মক অবস্থানে চলে গেছেন।

যদিও সামরিক বাহিনী এখনো দেশের অর্ধেকেরও কম এলাকা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করে, তবু তারা গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি টাউনশিপ পুনর্দখল করেছে। উত্তরে মান্দালয় থেকে মিতকিনাগামী গুরুত্বপূর্ণ সড়কও পুনরুদ্ধার করেছে। পাশাপাশি কাচিন, চিন ও কারেন অঙ্গরাজ্যের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলো পুনর্নিয়ন্ত্রণে আনতে হাজারো সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। সূত্র: বিবিসি

খাদিজা রুমি/অমিয়/

পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ১২

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৫২ এএম
পাকিস্তানের বিমান হামলায় আফগানিস্তানে নিহত ১২
ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় পাকিস্তানের নতুন করে বিমান হামলায় শিশু, নারী ও বৃদ্ধসহ অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১০ জুন) আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, 'গত রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী আবারও আফগানিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে কুনার, খোস্ত ও পক্তিকা প্রদেশে বেসামরিক বাড়িঘরে বোমা হামলা চালিয়েছে'।

খোস্ত প্রদেশের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গণমাধ্যমকে জানান, স্পেরা জেলায় একটি বাড়িতে হামলায় ৯ জন নিহত ও আরও ১০ জন আহত হয়েছেন।

পাশের পক্তিকা প্রদেশের বারমাল জেলায় পৃথক আরেকটি হামলায় তিন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে শিশুও ছিল বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কোনো মন্তব্য করেনি।

তবে ইসলামাবাদ বরাবরই দাবি করে আসছে, আফগানিস্তানে তাদের হামলার লক্ষ্য সশস্ত্র জঙ্গিগোষ্ঠী এবং তারা ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্যবস্তু করে না।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর সীমান্তে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। সে সময় সীমান্তজুড়ে ভয়াবহ লড়াই এবং পাকিস্তানের নজিরবিহীন বিমান হামলা চালানো হয়, যার লক্ষ্য ছিল আফগান রাজধানী কাবুল এবং দক্ষিণাঞ্চলের কান্দাহার শহর।

থিও/অমিয়/

বেলফাস্টে ছুরিকাঘাতের পর বিক্ষোভকারীদের অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতা

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৪৫ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
বেলফাস্টে ছুরিকাঘাতের পর বিক্ষোভকারীদের অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতা
যুক্তরাজ্যের উত্তর আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্ট শহরে ছুরিকাঘাতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়া অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভে একটি বাসে অগ্নিসংযোগ। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের উত্তর আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্ট শহরে এক সুদানি নাগরিকের ছুরিকাঘাতের ঘটনার পর ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। অভিবাসনবিরোধী উগ্র বিক্ষোভকারীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে গাড়ি ও ভবনে অগ্নিসংযোগ করেছে।

উত্তর বেলফাস্টে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করার অভিযোগে ওই সুদানি নাগরিককে গ্রেপ্তার করার পর এই অশান্তির সূত্রপাত হয়।

মঙ্গলবার (৯ জুন) শহরজুড়ে শত শত বিক্ষোভকারী জড়ো হন, যাদের অনেকে মুখোশ পরিহিত ছিলেন। বিক্ষোভকারীরা একটি বাস এবং বেশ কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন।

শহরের কেন্দ্রস্থলের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ডাস্টবিনে আগুন ধরায় এবং পরে পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে। বেলফাস্ট থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার পশ্চিমে অ্যানট্রিম এলাকাতেও বিপুলসংখ্যক বিক্ষোভকারী জড়ো হন।

উত্তর আয়ারল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার মিশেল ও'নিল এই সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মুখোশধারী একদল মানুষের এভাবে সাধারণ পরিবারগুলোকে তাদের বাড়িঘর থেকে আগুনে পুড়িয়ে উচ্ছেদ করা চরম কাপুরুষতা ও ঘৃণ্য অপরাধ ছাড়া আর কিছুই নয়।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘বর্ণবাদ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সহিংসতা যেখানেই ঘটুক না কেন, তা সম্পূর্ণ ভুল। আজ রাতের এই হামলার কোনো অজুহাত বা যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। আমাদের রাস্তায় কেউ এই দৃশ্য দেখতে চায় না এবং আমি আবারও সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’ সূত্র: আল জাজিরা

আজহার/অমিয়/

যুক্তরাষ্ট্রে মজুত কমে যাওয়ায় বাড়ল তেলের দাম

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১১:২৮ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৪১ এএম
যুক্তরাষ্ট্রে মজুত কমে যাওয়ায় বাড়ল তেলের দাম
ছবি: রয়টার্স

ইরানের সঙ্গে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে।

বুধবার (১০ জুন) অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৬৬ সেন্ট বা ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৯২ দশমিক ১১ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের দাম ৬০ সেন্ট বা ০ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৮৮ দশমিক ৮০ ডলারে দাঁড়ায়।

গতকাল মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার ঘটনায় প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলা চালায়। 

বাজার বিশ্লেষক প্রিয়াঙ্কা সচদেভা বলেন, সবশেষ হামলার ফলে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আবারও যুদ্ধঝুঁকি এবং সম্ভাব্য জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নের দিকে ফিরে গেছে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চললেও সামরিক সংঘাতের কারণে তেলের বাজারে নতুন করে ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির প্রভাব যুক্ত হয়েছে।

এদিকে, তেহরান সতর্ক করে বলেছে, লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকলে তারা আবারও সংঘাতে জড়াবে। ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের অভিযান বন্ধ না হওয়ায় বৃহত্তর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান সংঘাতের যুদ্ধবিরতিকে স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

আইএনজির পণ্য কৌশলবিদরা বলছেন, দ্রুত কোনো সমঝোতার সম্ভাবনা না থাকায় এবং বৈশ্বিক তেলের বাজার প্রতিদিন আরও সংকুচিত হওয়ায় দামের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে এই বিঘ্ন যদি বছরের তৃতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত স্থায়ী হয়, যখন তেলের চাহিদা সাধারণত বেশি থাকে।

উল্লেখ্য, ইরান এখনও হরমুজ প্রণালী দিয়ে অধিকাংশ জাহাজ চলাচল সীমিত রেখেছে। বিশ্বে সমুদ্রপথে পরিবাহিত মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এবং বিপুল পরিমাণ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এই প্রণালী দিয়ে পরিবহন করা হয়।

অন্যদিকে, ওয়াশিংটনও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ বজায় রেখেছে। সূত্র: রয়টার্স

থিও/অমিয়/

হেলিকপ্টার হারিয়ে ইরানে হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি তেহরানের

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১১:১১ এএম
আপডেট: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৪২ এএম
হেলিকপ্টার হারিয়ে ইরানে হামলা যুক্তরাষ্ট্রের, প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি তেহরানের
ছবি: সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরানি বাহিনীর হামলায় একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালিয়েছে। এতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সরাসরি সামরিক সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। 

তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও যুদ্ধের পরিবর্তে একটি সমঝোতামূলক সমাধানের পক্ষে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানা যায়, হামলায় হরমুজ প্রণালীর আশেপাশে অবস্থিত ইরানের একাধিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ভূমি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং নজরদারি রাডারকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। 

এর পরপরই তেহরান ঘোষণা দেয় যে, তারা কোনো হামলা বা হুমকির জবাব না দিয়ে থাকবে না।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের জাস্ক ও বন্দর আব্বাস এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে হামলা সম্পর্কে এখনও স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ইরানের তাসনিম সংবাদসংস্থা জানায়, কেশম দ্বীপেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এর আগে দক্ষিণ ইরানের সিরিকসহ আরও কয়েকটি এলাকায় বিস্ফোরণের খবর পাওয়া যায়।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস, মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানায়, মার্কিন বাহিনী তিন দফায় হামলা চালিয়েছে, যার মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও রাডার স্থাপনা।

অন্যদিকে, ইরানের ফার্স সংবাদসংস্থা জানায়, সিরিকের বেমানি জেলায় দুটি পানির ট্যাঙ্কও হামলায় ধ্বংস হয়েছে।

এদিকে, কুয়েতে অবস্থিত আলি আল সালেম বিমানঘাঁটিতেও ইরানি ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে।

জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার ইরানের

সাম্প্রতিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘সংকল্প’ পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং দেশটির সশস্ত্র বাহিনী কোনো হামলা বা হুমকির জবাব না দিয়ে থাকবে না।

তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘নিরাপদ থাকতে চাইলে আমাদের অঞ্চল ছেড়ে চলে যান।’

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, মার্কিন হামলার জবাবে তারা বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। 

এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে এবং মার্কিন ‘আগ্রাসন’ চলতে থাকলে আরও কঠোর প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইআরজিসি আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্র জাস্ক, সিরিক ও কেশম দ্বীপের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়েছে। এতে সিরিকের বেমানি জেলায় একটি টেলিযোগাযোগ টাওয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দুটি পানির ট্যাঙ্ক ধ্বংস হয়েছে।

ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া সদর দপ্তর জানিয়েছে, ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের সেনাবাহিনী এবং আইআরজিসির যৌথ অভিযানে অঞ্চলের কয়েকটি মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

পরবর্তীতে ইরান দাবি করে, তারা জর্ডানে মার্কিন সেনা উপস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনও জর্ডান বা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আইআরজিসির দাবি, তারা জর্ডানের একটি বিমানঘাঁটিতে দূরপাল্লার কঠিন জ্বালানিচালিত ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। 

সংস্থাটির ভাষ্য, হামলায় ঘাঁটিতে থাকা এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার এবং একটি প্রধান কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টারসহ চারটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে।

এদিকে, বাহরাইন হামলার ঘটনা নিশ্চিত করে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জনগণকে শান্ত থাকার পাশাপাশি নিকটস্থ নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ করেছে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, আগের দিন একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ করেছে।

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে একটি ইরানি ড্রোন অ্যাপাচি গানশিপটিকে আঘাত করেছিল, যার ফলে এটি হরমুজ প্রণালীর কাছে বিধ্বস্ত হয়। তবে ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত ছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, এই হামলাগুলো ছিল আঞ্চলিক জলসীমায় অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর সাম্প্রতিক হামলার ‘আনুপাতিক জবাব’।

সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, মার্কিন বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর যুদ্ধবিমান থেকে নিক্ষিপ্ত নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করে হরমুজ প্রণালীর নিকটবর্তী ইরানি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ভূমি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং নজরদারি রাডার স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘মার্কিন বাহিনী ইরানের অযৌক্তিক আগ্রাসন প্রতিহত করতে সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে।’ সূত্র: এনডিটিভি

আজহার/অমিয়/