ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নগরীর কোলাহলমুক্ত সবুজ উদ্যান রমনা নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় ১৭ কৃষক নিহত লাইনে বিড়াল ঢুকে পড়ায় সাময়িক বন্ধ ছিল মেট্রোরেল গাজীপুর পোশাক কারখানায় আগুন কসবায় হজযাত্রীর লাগেজ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ নিখোঁজ নাটকের অবসান, ‘গুপ্ত’ ছিলেন শিবির নেতা জিসান! যুক্তরাষ্ট্রের জয়ের পর ঐক্যের গান গাইলেন পচেত্তিনো মীনা বাজারে চাকরির সুযোগ, শুক্র-শনিবার ছুটি ইংল্যান্ডের ফুটবল ও বুট চুরি করল কে? গণমাধ্যম সংস্কারে ‘ইউনিফাইড ইনস্টিটিউশন’ গঠনের তাগিদ মদে ট্যাক্স বাড়ানোই বিরোধী দলের দুঃখ: প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জে নিখোঁজের ৩ দিন পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার বাজেটে জনগণের স্বস্তি হলেও বিরোধী দলের অস্বস্তি: প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ইউপি কার্যালয়ে চুরি শাবিপ্রবি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ জ্বালানিপ্রতিষ্ঠানে ড. সাকিব বিশ্বকাপ উন্মাদনায় কুইজ ও রিচার্জ অফার, থাকছে জামাল ভূঁইয়ার সাথে খেলা দেখার সুযোগ গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির অগ্রণী ভূমিকা ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশানে বিশেষ আয়োজন জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান গাড়ি ভেঙে ইংল্যান্ড দলের সরঞ্জাম চুরি, গ্রেপ্তার ২ কার্যকর জবাবদিহি নিশ্চিতে ব্যবস্থা নিন শুধু সংখ্যা বাড়াতে বিশ্বকাপে আসেনি হাইতি বোয়ালমারীতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা যদি এই ছবিগুলো আপনি না দেখে থাকেন শেরপুরে পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত কেমন ছিল প্রিয় রাসুল (সা.)-এর চুল মোবারক? কক্সবাজার সফরে প্রধানমন্ত্রী, চকরিয়া-পেকুয়ায় ব্যাপক প্রস্তুতি সরকারের জনকল্যাণ-প্রযুক্তিনির্ভর বাজেটকে স্বাগত জার্মানি বিএনপির পরমাণু সুড়ঙ্গে মাইন পুঁতেছে ইরান, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের দাবি কক্সবাজারের ‘পাতলী খাল’ পুনর্খনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
Nagad desktop

সরকার শপথ পড়াতে বাধ্য, আমরা উচ্চ আদালতে যাব: ইশরাকের আইনজীবী

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৫, ০৯:২১ পিএম
আপডেট: ২৬ মে ২০২৫, ০৯:২২ পিএম
সরকার শপথ পড়াতে বাধ্য, আমরা উচ্চ আদালতে যাব: ইশরাকের আইনজীবী
ইশরাক হোসেন

গেজেট অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে শেষ দিনেও ইশরাক হোসেনকে শপথের ব্যবস্থা করেনি সরকার। এজন্য সরকারকেই দায়ী করছেন ইশরাক হোসেনের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহাবুব উদ্দীন খোকন। তিনি বলেন, ইশরাক হোসেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শপথ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত ছিলেন, সরকার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শপথ না পড়ানোয় গেজেটের সময় নিয়ে সরকার জটিলতায় পড়বেন, ইশরাক হোসেন নয়। একই সঙ্গে শপথ গ্রহণে এবং ন্যায় বিচার পেতে উচ্চ আদালতে যাবেন বলেও জানান তিনি।

সোমবার (২৬ মে) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকন বলেন, আইনে বলা আছে গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে কর্তৃপক্ষ শপথ পড়াবে। সেই অনুযায়ী আজ সোমবার ৩০ দিন শেষ হয়েছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনকে শপথ পড়ায়নি। আমি মনে করি এটা একটা খারাপ দৃষ্টান্ত এবং বেআইনী কাজ হয়ে গেল। এই সরকারের কাছ থেকে এতো বড় বেআইনী কাজ চিন্তাই করা যায় না।

তিনি বলেন, ৩০ দিনের মধ্যে শপথ না পড়ালে, আর শপথ পড়তে পারবে না- তা কিন্তু নয়। শপথ পড়াবে কর্তৃপক্ষ, আর পড়বেন যিনি নির্বাচিত তিনি। নির্বাচিত ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ৩০ দিনের মধ্যে শপথ না পড়েন তাহলে কিন্তু ল্যাবস হয়ে যায়। আর যদি কর্তৃপক্ষ না পড়ায় তাহলে কিন্তু ল্যাবস হবে না। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির অধিকার থেকে যাবে। সরকার করাতে বাধ্য। 

ইশরাক হোসেনের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ আইন প্রতিপালনে ব্যর্থ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটা সরকারের ব্যর্থতা। সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করেছে। তারা মনে করেছে ৩০ দিন পরে মনে হয় আর ইশরাক হোসেনের কোনো অধিকার থাকবে না। কিন্তু বিষয়টা মোটেও তা নয়। কারণ ইশরাক হোসেন শপথ নিতে চেয়েছেন, চিঠি দিয়েছেন, লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন, তাগিদ চিঠি দিয়েছেন- সবই করেছেন। তার কোনো দুর্বলতা নেই।’

এখন শপথ পড়াতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আদালতে যাব। যেহেতু সরকার করেনি। এখানে ইশরাক হোসেনের কোনো দায় বা দুর্বলতা নেই। তিনি তো শপথ নিতে চেয়েছেন। সরকার উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে করেনি। তাই আমরা ইশরাক হোসেনের সঙ্গে আলোচনার পর আদালতে যাব।’

গেজেট স্থগিত চেয়ে রিটকারীর আর আপিলের সুযোগ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, গেজেট স্থগিত চেয়ে যারা হাইকোর্টে রিট করেছিলেন, তারা আজকে (সোমবার) আপিল বিভাগের চেম্বার জজে মেনশন করেছিলেন। কিন্তু চেম্বার জজ মামলাটি গ্রহণ করেননি। কারণ এটা নিয়মমাফিক আসতে হবে। সুতারাং তাদের এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।’

আরিফ সাওন/মাহফুজ

লাইনে বিড়াল ঢুকে পড়ায় সাময়িক বন্ধ ছিল মেট্রোরেল

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০১:৩৫ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০১:৩৮ পিএম
লাইনে বিড়াল ঢুকে পড়ায় সাময়িক বন্ধ ছিল মেট্রোরেল
প্রতীকী ছবি

শাহবাগ স্টেশনে লাইনে একটি বিড়াল ঢুকে পড়ায় মেট্রোরেল চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বিড়ালটি উদ্ধারের পর মেট্রো চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করা হয়।

শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১১টা ৪০ মিনিট থেকে এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়।

এই অনাকাঙ্ক্ষিত সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ এবং যাত্রীদের ধৈর্য ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।

তবে স্টেশনের ঠিক কোন পয়েন্টে দিয়ে বিড়ালটি ঢুকেছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বর্তমানে যাত্রীসেবা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ।

অমিয়/

গাজীপুর পোশাক কারখানায় আগুন

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০১:৩৪ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০১:৫২ পিএম
গাজীপুর পোশাক কারখানায় আগুন
ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ‘মেট্রিক্স স্টাইলস্ সোয়েটার’ নামের একটি পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। 

শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১১টার দিকে কারখানার ৬ষ্ঠ তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। 
 
গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুন জানান, শনিবার (১৩ জুন) বেলা ১১টার কিছু পরে গাজীপুরের মালেকের বাড়ি এলাকায় ম্যাট্রিক্স স্টাইলস্ লিমিটেড নামের কারখানার ভেতর থেকে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তেই শ্রমিক ও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। 

আগুনের খবর পেয়ে ভোগড়া মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৬ ইউনিটের প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করেই কারখানার ষষ্ঠ তলা থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে শ্রমিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকলে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়।

পলাশ প্রধান/অন্তরা

গণমাধ্যম সংস্কারে ‘ইউনিফাইড ইনস্টিটিউশন’ গঠনের তাগিদ

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৫০ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০১:১০ পিএম
গণমাধ্যম সংস্কারে ‘ইউনিফাইড ইনস্টিটিউশন’ গঠনের তাগিদ
এমআরডিআই আয়োজিত দেশে একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে অংশীজনদের নিয়ে মতবিনিময়। খবরের কাগজ

দেশে সাংবাদিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং গণমাধ্যমের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে একটি কার্যকর ও স্বাধীন ‘ইউনিফাইড ইনস্টিটিউশন’(একীভূত প্রতিষ্ঠান) গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছেন বিশিষ্ট আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী ব্যারিস্টার সারা হোসেন।

একই সঙ্গে তিনি মিডিয়া রিফর্ম কমিশনের (গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন) ২০২৫ সালের প্রস্তাবনা এবং পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইজেক) ইন্টারভিউ থেকে প্রাপ্ত আইনের খসড়াটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনার আহ্বান জানান। 

শনিবার (১৩ জুন) মিডিয়া রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) আয়োজিত দেশে একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে অংশীজনদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সম্প্রতি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি ‘গণমাধ্যম কমিশন’ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করার ঘোষণার প্রেক্ষিতে এই আলোচনার আয়োজন করেছে সংস্থাটি।

এমআরডিআই জানায়, প্রস্তাবিত স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন প্রক্রিয়া, এর পরিধি এবং কমিশনের কাছে অংশীজনদের প্রত্যাশার ব্যাপারে সুস্পষ্ট মতামত ও পরামর্শ তুলে আনাই এই সভার মূল উদ্দেশ্য। 

আলোচনা সভায় উপস্থিত রয়েছেন খবরের কাগজের প্রকাশক ও সম্পাদক মোস্তফা কামাল।

সারা হোসেন বলেন, ‘আমাদের বর্তমান আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো অত্যন্ত খণ্ডিত। প্রেস কাউন্সিল প্রায় অকার্যকর। এছাড়া বিটিআরসি, আদালত কিংবা কপিরাইট অফিস- সব আলাদা আলাদা ফোরাম কাজ করছে, যা মোটেও কার্যকর নয়। অথচ পার্শ্ববর্তী দেশ পাকিস্তান কিংবা যুক্তরাজ্যে ওভাররাইডিং রেসপন্সিবিলিটিসহ সুনির্দিষ্ট বডি রয়েছে।’

গণমাধ্যম সংস্কারে দুই খসড়ার তুলনামূলক বিশ্লেষণ ও সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তুলে ধরে তিনি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট উল্লেখ করেন। আইজেকের খসড়া অনুযায়ী ৯ সদস্যের একটি ‘জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন’ গঠনের প্রস্তাব রয়েছে, যার অধিকাংশ সদস্যই আসবেন মিডিয়া সেক্টর থেকে। এই কমিশন গণমাধ্যমের স্ট্যান্ডার্ড সেট করা ও সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। 

তবে সারা হোসেন জোর দিয়ে বলেন, ‘‘কমিশন যেন নিজেই সব নিয়ন্ত্রণ না করে, বরং মিডিয়ার নিজস্ব স্ট্যান্ডার্ড সেটিংয়ে ‘ফ্যাসিলিটেটর’ বা সহায়ক হিসেবে ভূমিকা রাখে। এখানে সেলফ-রেগুলেশন (আত্ম-নিয়ন্ত্রণ) অত্যন্ত জরুরি।’’

সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবে প্রেস কাউন্সিল বিলুপ্ত করার কথা বলা হলেও ২৬-এর আইজেক খসড়ায় প্রেস কাউন্সিলকে রেখে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সারা হোসেন একে একটি ‘রিস্ক’ বা ঝুঁকি হিসেবে দেখছেন। 

তিনি বলেন, একদিকে গণমাধ্যম কমিশনকে ব্যাপক ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে, আবার ৫০ বছরের পুরনো প্রেস কাউন্সিলকেও রাখা হচ্ছে। এতে কাজের ওভারল্যাপিং হবে। একটি ‘ইউনিফাইড ইনস্টিটিউশন’ বা একীভূত প্রতিষ্ঠান হওয়াই সবচেয়ে যৌক্তিক।

প্রস্তাবিত কমিশনের আর্থিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করতে রিফর্ম কমিশনের ১ শতাংশ কন্ট্রিবিউশন মডেলের প্রশংসা করেন তিনি, যেখানে মিডিয়া হাউসগুলোর নিজস্ব কন্ট্রিবিউশনের পাশাপাশি সরকারের গ্রান্ট ও বিদেশি অনুদান গ্রহণের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া কমিশনে দেশের বৈচিত্র্য রক্ষায় মাইনরিটি রেপ্রেজেন্টেশন (সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব) রাখার প্রস্তাবকে স্বাগত জানান তিনি।

আইজেক খসড়ায় সিলেকশন কমিটিতে কেবল একজন সরকারি প্রতিনিধি (ক্যাবিনেট সেক্রেটারি) রাখার ইতিবাচক দিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগের অভিজ্ঞতার আলোকে এই সিলেকশন প্রক্রিয়া যেন অত্যন্ত স্বচ্ছ, উন্মুক্ত ও আন্তর্জাতিক মানের হয়, তা বিধিমালায় স্পষ্ট করতে হবে। এছাড়া ফৌজদারি অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি যেন দুই বছর পার হলেই নিয়োগ না পান, সেই ডিসকোয়ালিফিকেশন বা অযোগ্যতার ধারাটি কঠোর করার তাগিদ দেন তিনি।

মোবাইল জার্নালিজমের এই যুগে সাংবাদিকদের জন্য সুনির্দিষ্ট শিক্ষাগত বা প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা বাধ্যতামূলক করার বিরোধিতা করেন সারা হোসেন। তিনি বলেন, যোগ্যতা নির্ধারণ যেন কোনোভাবেই লাইসেন্সিং-এর মতো না হয়ে দাঁড়ায়। এটি বাধ্যতামূলক না করে বরং প্রশিক্ষণ, প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট ও অ্যাক্রেডিটেশনের সুযোগ রাখা উচিত।

আইজেকের খসড়ায় কমিশনকে জরিমানা করার ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। দেশের অতীত প্রেক্ষাপট ও সাংবাদিকদের ওপর জুলুম-হয়রানির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সারা হোসেন বলেন, ফাইন বা জরিমানা করাকে নেতিবাচকভাবে দেখার সুযোগ নেই, কারণ এটি অন্য কোনো বড় সাজা বা হয়রানির চেয়ে ভালো। তবে জরিমানা করার আগে নোটিশ দেওয়া, জবাব দেওয়া এবং আপিল করার একটি অত্যন্ত স্বচ্ছ আইনি প্রক্রিয়া (ডিউ প্রসেস) থাকতে হবে, যা রুলসের ওপর ছেড়ে না দিয়ে মূলেই রাখা দরকার।

এছাড়া আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ‘কনফিডেনশিয়ালিটি অব সোর্সেস’ বা সোর্সের গোপনীয়তা সুরক্ষার ওপর কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ যেন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

ব্যারিস্টার সারা হোসেন মনে করেন, সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনা এবং পরবর্তী খসড়া দুটি গণমাধ্যম সংস্কারের আলোচনাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য একটি চমৎকার ভিত্তি তৈরি করেছে এবং নির্বাচিত সরকারের উচিত এই সুযোগটি কাজে লাগানো।

জয়ন্ত সাহা/অন্তরা/

মদে ট্যাক্স বাড়ানোই বিরোধী দলের দুঃখ: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০১:০২ পিএম
মদে ট্যাক্স বাড়ানোই বিরোধী দলের দুঃখ: প্রধানমন্ত্রী
খাল পুনর্খনন শেষে পথসভায় বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী: খবরের কাগজ

মদ ও সিগারেটের ওপর কর বাড়ানো কারণে তা বিরোধী দলের দুঃখতে পরিণত হয়েছে, তাই তারা বাজেট নিয়ে অযথা সমালোচনা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) বেলা পৌনে ১২টায় কক্সবাজার সদরের পিএমখালীতে পাতলী খাল পুনঃখনন উদ্বোধনের পর আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এবারের বাজেটে ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর ভ্যাট ও ট্যাক্স কমানো হয়েছে। মানুষের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে এমন পণ্যের দাম যাতে না বাড়ে, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আগে বাজেট ঘোষণার পরপরই নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যেত। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। অথচ ক্ষতিকর পণ্যের ওপর কর বাড়ানো নিয়েই বিরোধী দল অসন্তোষ প্রকাশ করছে। তাদের এমন অবস্থান থেকেই বোঝা যায়, তারা আসলে জনগণের স্বার্থ নয়, বরং বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতেই বেশি আগ্রহী।’

খাল পুনর্খনন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনর্খননের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। পাতলী খালের মাধ্যমে এই অঞ্চলে প্রায় ১২০০ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ হবে এবং কৃষি উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

তিনি আরও বলেন, ‘এই এলাকার প্রায় ৪০ হাজার মানুষ সরাসরি এই প্রকল্পের সুফল ভোগ করবে। কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে সার, বীজ ও কীটনাশক কেনার জন্য বছরে ২৫০০ টাকা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।’

নারীর শিক্ষা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘গ্রামীণ নারীদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে আগেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এবার তা আরও বিস্তৃত করা হয়েছে। ডিগ্রি ও স্নাতক পর্যন্ত নারীদের বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে এবং তাদের উপবৃত্তির আওতায় আনা হবে।’

তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণই বিএনপির মূল লক্ষ্য। ‘আমাদের রাজনীতি মানুষের জন্য। তাই ভোটের আগেই নয়, আগেই মানুষের কাজ শুরু করা হয়েছে। করবো কাজ, সবার আগে বাংলাদেশ—এটাই আমাদের অঙ্গীকার।’

একসময় বক্তব্য রাখেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহিদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল প্রমুখ।

পথসভা শেষে উপস্থিত জনতার মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। স্থানীয় নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে স্বাগত জানান।

তারেকুর/আমান

বাজেটে জনগণের স্বস্তি হলেও বিরোধী দলের অস্বস্তি: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম
বাজেটে জনগণের স্বস্তি হলেও বিরোধী দলের অস্বস্তি: প্রধানমন্ত্রী
ছবি: ভিডিও থেকে

নতুন বাজেট জনগণের জন্য স্বস্তি হলেও বিরোধী দলের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিরোধী দল দেশে অশান্তি সৃষ্টি করে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধী দল বলেছে এই বাজেট জনবিরোধী, এই বাজেট তারা মানে না। বিরোধী দল দেশে অশান্তি সৃষ্টি করে দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। জনগনকে বিভ্রান্ত করতে চায়।’

শনিবার (১৩ জুন) কক্সবাজারে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত পাতলী খাল পুনর্খনন কাজের উদ্বোধন শেষে এক জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা আগেই বলেছি বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য এবং সে জন্যই আমরা কৃষক ভাইদের পাশের দাঁড়ানোর জন্য খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম, কৃষক ভাইদের বীজ ও কীটনাশক ওষুধ কেনার জন্য এককালীন আড়াই হাজার টাকার একটি সুবিধা দিতে চাই এবং সেটি দেব কৃষক কার্ডের মাধ্যমে, ইনশাআল্লাহ।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জানি গ্রামে-গঞ্জে মিলিয়ে বাংলাদেশে ৭০ থেকে ৮০ ভাগ খেটে খাওয়া মানুষ। বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেক হচ্ছে নারী, এই নারীদের দেশনেত্রী খালেদা জিয়া বিনা মূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করে দিয়ে গেছেন। এই নারীরা যদি স্বাবলম্বী না হয়, তাহলে পুরুষের পাশে দাঁড়াতে পারবে না এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারবে না। সে জন্য এই নরীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা বর্তমান সরকার ফ্রি করার ঘোষণা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, যারা ভালো করবে তাদেরকে আমরা উপবৃত্তিও দেব, সে ব্যবস্থাও আমরা রেখেছি।’

খাদিজা রুমি/অমিয়