২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভোটের বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার চিঠি পাওয়ার পর বৈঠক করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এটি বর্তমান ইসির নবম কমিশন সভা।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে বেলা ১১টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভাটি শুরু হয়।
ইসির আজকের সভায় উপস্থিত আছেন চার নির্বাচন কমিশনার- আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ ও ইসি সচিব আখতার আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংস্কারের একগুচ্ছ সুপারিশ চূড়ান্ত করা বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে চলছে আলোচনা।
আলোচ্যসূচির মধ্যে রয়েছে- রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (আরপিও, সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ সহ বিবিধ।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, কমিশন সভায় আজ আরপিও সংশোধন অধ্যাদেশের প্রস্তাবিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে চূড়ান্ত করা হতে পারে। পাশাপাশি আরপিওর সঙ্গে সমন্বয় রেখে আচরণ বিধিমালাও চূড়ান্ত করা হতে পারে।
আরপিওর সংশোধন প্রস্তাবের মধ্যে সংস্কার কমিশনের সুপারিশসহ একগুচ্ছ প্রস্তাবনা পর্যালোচনা করা হয়েছে। ছোটোখাটো সংস্কারসহ প্রায় তিন ডজন সংশোধন থাকতে পারে। প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটের বিষয়টিও যুক্ত করা হবে এ সংশোধনীতে। এ ছাড়া আচরণবিাধতে এআই-রিলেটেড অপব্যবহার রোধে বিধিনিষেধ যুক্ত করা হতে পারে।
নির্বাচন কমিশন বলেছে, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হবে তাও আরপিওতে যুক্ত করা হতে পারে। আইনি সংস্কারের প্রস্তাবনা ইসি যখন অনুমোদন দেবে তারপরই সরকারের কাছে পাঠাবে ইসি সচিবালয়।
ইসির প্রস্তাবনা চূড়ান্ত হলে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। এর পর তা উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। সরকারের সায় পেলে আরপিও সংশোধন অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হবে।
এলিস/পপি/